এ ঘটনাটি একটি গোপন নথিতে লিপিবদ্ধ ছিলো, যা আজ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা হলো:
আমর বয়স তখন তিন বছর। ছোট বেলায় আমি দেখতে অনেক সুন্দর ছিলাম।
তবে কবিরাজ সাহেব বলেছিলেন "পরী আমার জীবনে আবার ফিরে আসতে পারে যখন আমি প্রাপ্ত বয়স্ক হবো"। তার পর আমি প্রায় দু'বছর সেই তাবিজটা গলায় পড়ে ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ একদিন দেখলাম আমার গলায় সেই তাবিজটা নেই। মনে করেছিলাম পরী হয়তো এই সুযোগে ফিরে আসবে। কিন্তু দেখতে দেখতে আমি প্রাপ্ত বয়স্ক হতে যৌবনে চলে এসেছি কিন্তু পরীতো ফিরে এলো না।
প্রিয়তমা পরী,
কেমন আছ তুমি? জানি তুমি আমার প্রতি অভিমান করে আছো। তুমি স্বীকার না করলেও আমি ঠিকই বুঝতে পারছি, কারন আজ বহু বছর পার হলো তুমি একটি বারও খবর নিলেনা। তবে এটাও ঠিক যে তোমার প্রতি অন্যায় হয়েছে, কিন্তু তুমি তখন আমাকে ভয় দেখানোর কারনেই তো আমার বাবা-মা বাধ্য হয়ে আমাকে তাবিজ পড়াইলো আর তুমি দূরে চলে গেলে।
তোমার হয়তো এতদিনে বিয়ে হয়ে গেছে আর বুড়িও হয়ে গেছো। কারন তুমি যখন আমাকে ছোট বেলায় ভয় দেখাতে তখনই তুমি আমার চাইতে বয়সে বড় ছিলে। যদিও তবে আমি এখনো বিয়ে করিনি। কারন কয়েক বছর তোমার অপেক্ষায় ছিলাম, আর মনে মনে এটাও ঠিক করেছিলাম যে, যদি তুমি ফিরে নাও আসো, তবে জীবনে যদি বিয়ে করতেই হয় তবে একটা পরীই বিয়ে করবো। আমার বিয়ের বয়স হয়েছে তাই বাবা-মা বড়ই চাপ দিচ্ছে। ওদিকে আমার জীবনে কোন পরীও আসে নাই যে তাকে বিয়ে করবো। এখন তুমিই পার আমাকে এ বিপদ থেকে উদ্ধার করতে। আমি জানি তোমার রাজ্যে অনেক সুন্দর সুন্দর পরী আছে, সেখান থেকে অন্তত একটা পরী আমার জন্য পাঠিয়ে দাও। তবে তাকে বলে দিও সে যেন আবার তোমার মতো আমাকে ভয় না দেখায়। তবে এখন আমি বড় হইছি তো ভয় দেখাইলেও খুব একটা ভয় পাব বলে মনে হয় না। তোমার জন্য শুভ কামনা রইলো স্বামী-সংসার নিয়ে ভালো থাক। আর আমার কথা ভুলিও না।
ইতি তোমার
অদৃশ্য বালক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

