আমাদের ভ্যালেডিকশনের ইনফরম্যাল প্রোগ্রামে যেয়ে বেশ বিরক্তই হলাম অনেক কারণে.....প্রথমত ২টার জায়গায় সাড়ে তিনটায় শুরু হল, অরগানাইজিং এর অবস্থা খুব খারাপ...এবং সবচেয়ে মেজাজ খারাপ হল স্যাররা সময় বেধে দিয়েছেন সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কারণ সাড়ে ৬টা থেকে এক্সিকিউটিভ এমবিএর ক্লাস আছে। আমরা চলেই যাচ্ছি শেষ দিনটা কি স্যাররা আমাদের একটু সময় দিতে পারতেন না!! অন্য ক্লাসে ক্লাসটা শিফট করলেই পারতেন..যাই হোক এসব কথা নাই বা বলি।
পুরো প্রোগ্রামটা মনে হচ্ছিল র্যাগ দেবার মত করে সাজানো তবে এই অরগানাইজার ব্যাচটা তেমন কাজের না তারা সেটাও ভাল করে তো দূরের কথা পারলই না। ওরা যা বলে তাতেই আমাদের সাদী রেডি।
প্রথমে আমাদের ক্লাসের ছেলেরা বলল সামনে বসবো না চেয়ারে আমরা টেবিলের উপরে পিছনে বসে ছিলাম। ওরা তখন বাকী ৪ ব্যাচ আমাদের ক্লাসের ছেলেদের কোলে করে সামনে চেয়ারে বসালো....মেহদাদকে খুজে পাওয়া যাচ্ছিল না পুরস্কার ঘোষণা করা হল যে ওকে কোলে করে আনবে সে একটা বিড়ি পাবে। কিন্তু মেহদাদকে একা কারও পক্ষে আনা সম্ভব ছিল না (ওর সাইজ বিশাল) তাই বিড়িটা কেউ পায় নি
এরপর বিভিন্ন ধরনের লটারি করে এক গ্রুপে আমি পড়লাম যে গ্রুপে বাকী ব্যাচগুলো র্যাগ দিবে...কিন্তু সৌভাগ্যবশত তাড়াহুড়া করে আমার নাম বাদ পড়ল
এরপরের গ্রুপকে আমাদের ক্লাস র্যাগ দিবে....এইটা মজার ছিল। তারপর আসলো একটা প্রশ্নো্ত্তর পর্ব এখানে আমি সামান্য বোকামী করেছি
এভাবে মোটামুটি বোরিং একটা প্রোগ্রাম শেষ হল।
ফেরার পথে বাসট্যুর....প্রথমেই পলিকে খেপানো শুরু হল বাস নিয়ে....ওর সর্ম্পকে ক্লাসের উক্তি ছিল....হার লাইফ ইজ টোটালি ডেডিকেটেড অনলি ফর বাস"। আমাকে বাসে ভয় দেখাতে এসে মাইর খেয়ে কাইত হয়ে ৫ মিনিট মোচড়ালো রাশেদ। আমার সর্ম্পকে ক্লাসে প্রচলিত আছে..."আউলা যখন মারে হাত দিয়ে না ব্যাগ দিয়ে" আর আমার ব্যাগে ছিল ৩টা এ্যানুয়াল রিপোর্ট যা ছিল পাথরের মত শক্ত তাই রাশেদর অবস্থা অতি করুন ছিল
তারপর প্রথমে ০৪ থেকে ০৮ ব্যাচ পর্যন্ত পালা করে মাইর দেয়া হল ছেলেদের।
নিরালায় আসলে বিজ্ঞাপন বিরতি নেয়া হল...কাপড় কাচে কোন সাবান নিরালা ...নিরালা বল সাবান......এরপর আবার গান তারপর রূপসায় আবার বিজ্ঞাপন বিরতি....রূপসা রূপসা রূপসা হাওয়াই চপ্পল রূপসা.....তারপর আবার গান....বাসের মধ্যে নাচ
লেখাটা গুছিয়ে লিখতে পারলাম না....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

