দেখতে দেখতে আমার ২বছর ৫দিন কেটে গেল। মনে হয় সেইদিনের ঘটনা ব্লগে আসলাম, প্রথম দিকে কিছুই লিখতাম না। ১/২ লাইনের পোস্ট :!> আর লোকজনের কথা শুনতাম
অন্যরকম স্যরি ছাগল ধরনের নামে একজন ব্লগার ছিলো সেই আমলে এই ছেলেটাকে ব্লগ থেকে একরকম বিতাড়িত করেছি! উদাসী ছিল যার সাথে মূলত চানাচুরেরই খাতির ছিল। মাঝে বেশ ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিলো এখন ঠিক আছে
এরই মধ্যে রমজানের সাথে ঝগড়া বাধলো আমার। “পোলাপান পড়তে যাও” এইটা ছিল রমজানের করা প্রথম উক্তি। বেচারা সেই আমলে এতই নাজেহাল হয়েছিলো এখনও মনে করলে হাসতে হাসতে শেষ হই
মাঝে মাঝে হাসি পায় যখন দেখি সাইফুর ভাইকে প্রথমে তুমি বলতাম পরে আপনি বলতাম । এই মাঝে একদিন দামবাড়ানি বিমা এসে হাজির। বিষাক্ত মানুষ নিকটা দেখে প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম! পরে কমেন্ট দিয়েছিলো, আরে এই খানে এত মজা আগে দেখিনাই! এরপর থেকে আসবো! এরপর বেচারা এসে ডেইলি নাকানিচুবানি খেতো আর ইয়াহুতে আমার চাচা নাদানের কাছে কান্নাকাটি, তোর ভাতিজিরে থামা। চাচা বলতো, আম্মাজান থামো আমি থাকতে পারছি না। আমি মুরুব্বীর উপদেশ মেনে নিতাম।
ব্লগে তখন এতো মজার মজার কমেন্ট করতো সবাই সেখান থেকে আমার সিনেমা লেখার আগ্রহ জন্মালো। প্রথমটা তাড়াহুড়া করে লিখেছিলাম। বিমার বান্ধবী আশকাকে নিয়ে সাইফুর ভাই, রমজা্ন, রাশুভাই যখন টানাটানি শুরু করলো আমি তখন বাধ্য হলাম আশকা তুমি কার সিনেমাটি লিখতে! এই সিনেমাটা লিখে আমি যে ইউটিলিটি পেয়েছি তা পরে অনেকগুলো লিখেছি কিন্তু ওইরকম ইউটিলিটি পাই নি। একেই বলে ল অফ ডিমিনিশিং মার্জিনাল ইউটিলিটি! এখন ইউটিলিটি জিরো তাই আর সিনেমা লিখতে ভাল লাগে না। (হাই তোলার ইমো)
পুরো ব্লগজীবনে একটা লেখার ই সবাই গুণগান করেছে আমার সেটা হলো মুক্তি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য লেখাটায় কেউ খুব একটা প্লাস দেয় নাই
সেই প্রথম দিকে সোহাগ ভাইয়া বর্তমানে রেটিং পূর্বে পজিটিভ এর সাথে বেশ খাতির হয়ে গিয়েছিলো, ভাইয়া কখনও আমার বিপক্ষে কথা বলেন না
ব্লগের আরেক চিড়িয়া বিবর্তনবাদী! এই লোক যে নিজেকে কি ভাবে! ই আল্লা রক্ষা করো! জ্ঞানের ভান্ডারী!এই পোস্ট দেখে ঠিক বলবে ভাল লাগে নাই! শান্ত ওরফে দেকিল ছিলো সেই আমলে জ্বালাময়ী একজন টগবগে মন্তব্যকারী আর আজ কেমন মুষড়ে পড়েছে ছেলেটা তামিম ছিল সত্যের মূর্ত প্রতীক তার সাথে যোগ দিয়েছিলো হনলুলু। সবাই আজ ইতিহাস হয়ে যাচ্ছে!
খুব বেশিদিনের পরিচয় না তবে বেশ খাতিরের লোক আমার এমন ২জন জেরি এবং তানজু রাহমান। ২টারেই অনেক পছন্দ করি কারণ এরা আমার মত ক্যাচাল এড়িয়ে চলতে ভালবাসে। রাহমান আপার একটি কথা আমাকে প্রায়ই হাসায় তা হলো তার মাইক ছিলো না সে অর্থকষ্টে থাকায় কিনতেও পারছিলো না তাই সে একদিন বলল, দরকার হলে বাসা থেকে সে চুরি করবে!
অভিনেত্রী জয়িতার আপুর কণ্ঠ শুনে অনেক ভাল লাগে, জেবিন আপুর কুটিলতা, দোলা আপুর রোল না পেয়ে ক্যান ক্যান, নিলার ভ্যান ভ্যান, মুকুল ভাইয়ের বিয়ে না হবার আক্ষেপ, নাজিরুল ভাইয়ের ভালমানুষি, পিচ্চি টুশকির সরলতার প্রতিমা, নিবিড় ছেলেটা যদিও উধাও তবে জ্ঞানী ছেলে, ভাঙ্গা পেন্সিলের ভাইয়ার নামে করা অভিযোগ, সোনিয়া আপুর মাঝে মাঝে উকি দেয়া, সাজি আপুর গান, আইরিন আপুর প্রতিবাদী কন্ঠস্বর, অলস যে মাঝে সাঝে উকি দিতো এখন আর উকিও দেয় না! ছালু যার পিসি চালু করার আগে ৫বার পারমিশন নিতে হয়! টুটুল ভাই একজন প্যাচের লোক,দুরন্ত ভাইয়ার ডলফিনের ছবি অসাধারন এক প্রতিচ্ছবি! শামীমের পিছলামি, চিকেনমিয়ার নায়ক হবার অতৃপ্তবাসনা, প্রিয়তমার ক্লোজআপহাসি, মাহমুদ সাহেব যাকে আশরাফ বললে মাইন্ড করেন! আরিফ থেকে আনার ইমো খেলা সহ আরো অনেক কিছুই ভাল লাগে।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


