somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টুকটাক প‌্যান প‌্যান

২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেকদিন পর কালকে ৬জন ফ্রেন্ড একসাথে আড্ডা দিতে বসলাম চায়ের এক দোকানে। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে...তখন আমাদের পাইওনিয়ার গ্রুপের এক ছেলে বলল, সে ভেবেছিল সে ই ক্লাসে বিয়ের ব্যাপারে পাইওনিয়ার ( সেকেন্ডইয়ারে বিয়ে করেছিল) চার বছর পর তার ভুল ভেঙ্গেছে! সে না আরেকজন যে উপস্থিত ছিল সে ফার্স্ট ইয়ারে বিয়ে করেছে। ৪বছর পর প্রকাশ হয়েছে তার বিয়ের কথা ...এতদিন ধোকায় ছিল...সে পাইওনিয়ার। আড্ডায় আরেক ফ্রেন্ড ও উপস্থিত ছিল। এর স্বভাব সে সবকিছুতেই নিজের কন্ট্রিবিউশান দাবী করতে ভালবাসে, পরীক্ষা পিছালে তার অবদান, পরীক্ষার প্রশ্ন ফাস হলেও তার অবদান....। এইবার দাবী করলো, সে কে ঐ মেয়ের নাম্বার জোগাড় করে দিয়েছিল কাজেই তার এর বিয়েতেও তার কন্ট্রিবিউশান আছে...:|

আমরা তখন ফার্স্ট ইয়ারে ফার্মেসীর এক ছেলে আমার বান্ধবীকে নাকি তার আন্টির মত লাগে বলে বলল, আচ্ছা আপু আমি কি তোমাকে আন্টি ডাকতে পারি? বান্ধবী এর উত্তর না কি বলতে পারে? সে বিরক্ত হলেও বলল, আচ্ছা। এরপর আমরা যেখানেই ওই আংকেল সেখানেই....ক্যাফেতে, ভার্সিটির বাসে, সেন্ট্রাল লাইব্রেরীতে, এমন কি রাস্তা দিয়ে যদি রিক্সা করে যাচ্ছি আর আংকেল পাশের রিক্সায় দেখলেই ডাক, আন্টি আন্টি....
বিরক্ত হয়ে আমরা ২জন ওই আংকেল কে দেখলেই অন্যপথে হাটা ধরতাম। একসময় আংকেল ব্যাপারটা ধরতে পারলেন....চরম রেগে গেলেন। একদিন ক্যাফেতে ধরলো, শোনো তোমাকে আমি আন্টি ডাকি ওভাবেই দেখি...তুমি আমাকে এ্যাভয়েড করো কেন.....এরপর আরো কিছু কথা...বান্ধবী আমার রাগী সে ক্ষেপে গেল। ঐ আংকেলের খাতিরের লোক ছিল আমাদের এক ফ্রেন্ড যার মাধ্যমে আমরা ঐ আংকেলের সাথে পরিচিত হয়েছিলাম। তাকে সমানে ঝাড়লো বান্ধবী। সে আংকেলকে ঝাড়লো, এরপর আংকেল স্যরি বলতে সালিশ ডাকতে চাইলো। বান্ধবী আর কথা বাড়ায় নাই


আমাদের এক ফ্রেন্ড আছে লুল হিসেবে তার বিশেষ খ্যাতি। সে কোনদিন কোন মেয়েকে না বলেনি। কোন মেয়ে যদি তাকে বলেছে পানি খাবো তো সে ২লিটারের কোক এনে হাজির করেছে। সে কিছুদিন আগে মার্কেটে এক মেয়েকে দেখে বলল, আপনাকে একটা কথা বলি প্লিজ কিছু মনে করবেন না। মেয়েটা বলল, না ঠিকাছে। সে বলল, আপনি না হুবুহু আমার বউয়ের মত। আমার মোবাইলের ওয়ালপেপারে তার ছবি সবসময় তার ছবি লাগিয়ে রাখি। আজকে ভুলে মোবাইলটা বাসায় রেখে এসেছি নয়তো আপনাকে প্রমাণ করে দেখাতাম। মেয়েটা কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল এমন সময় ঐ ফ্রেন্ডের ফোন বেজে উঠল!
৪৫টি মন্তব্য ৪৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×