আমার প্রিয় পোস্ট
- কে কেমন লেখে? - এস এম মাহবুব মুর্শেদ
- অমিত আহমেদের বৃষ্টিদিন রৌদ্রসময় গল্প গ্রন্থ বিষয়ে আলোচনা (১) - জামাল ভাস্কর
- অমিত আহমেদের 'গন্দম' পড়ে ব্লগীয় রিভিউ - সন্ধ্যাবাতি
- রাহেলা হত্যা মামলার নিখোঁজ আলামত ও অন্যান্য দলিল - ফয়সল নোই
- ব্লগারদের বই নিয়ে ব্লগব্লগর- ১ - শেখ জলিল
- রহস্য সাহিত্যের ক্যাপ্টেন- কাজী আনোয়ার হোসেন - নিশাত
নটরডেমিয়ান ৩: গ্রুপ সেভেন, এইট ঘুরে অবশেষে থ্রীতে থিতু
০২ রা জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৮
প্রথম দিন গ্রুপ সেভেনের ক্লাসে ঢুকেই মনটা তেতো হয়ে গেল। গ্রুপের ১৫০ জন ছাত্রের প্রত্যেকেরই নাকি পূর্ব নির্ধারিত আসন, সবাইকে সেখানেই বসতে হবে। এই আসন নাকি আবার আমাদের উপস্থিতি অনুযায়ী প্রতি হপ্তায় পরিবর্তন করা হবে। কেউ নিয়মিত আসলে তার আসন সামনে এগুবে আর অনুপস্থিত থাকলে বা দেরি করে আসলে (আমরা বলতাম লেট অ্যাটেনডেন্স, চারটে লেট অ্যাটেনডেন্স হলে সেটা আবার একটা অ্যাবসেন্টের সমতুল্য... কত কি যে দেখুম দুনিয়ায়) সেটা যাবে পেছনের দিকে। প্রতিদিন দুইবার করে উপস্থিতি চেক করা হতো, প্রথম ক্লাসে আর টিফিন টাইমের পরে প্রথম ক্লাসে। সবার বসার জায়গা নির্ধারিত বলে একবার তাকিয়েই বলে দেয়া যেত কে ক্লাসে উপস্থিত নেই, রোল কলের প্রয়োজন পড়তো না। তার মানে গ্রুপ ধরে সব বন্ধুদের একসাথে বসার সুযোগটা বন্ধ, আর স্যাররাও কে কোথায় বসেছে দেখেই বুঝতে পারবেন কারা ক্লাসে নিয়মিত আসে। তবে আমার বন্ধুরা প্রায় সবাই পড়েছে গ্রুপ ওয়ান, টুতে আর ফাইভে। সেভেনে কেবল আমি, মেজবাহ আর নিয়াজ। সেই ভেবেই নিজেকে সান্তনা দেই।
গ্রুপ সেভেনের ক্লাস তখন ছিল পুরানো বিল্ডিংয়ের দুই তলায়, করিডোরের বাম পাশে ঠিক শেষ মাথায়। বড় ক্লাস রুমটা চার কলামে টানা বেঞ্চ দিয়ে সাজানো। এক বেঞ্চে তিনজনের বসার ব্যবস্থা। অন্য পাশে সারা দেয়াল জুড়ে ব্ল্যাকবোর্ড। আমি বেশ মুগ্ধ হলাম ক্লাস দেখে। আমাদের স্কুলে আবার কোন বেঞ্চই অক্ষত ছিল না! ক্রিকেট খেলার প্রয়োজন পড়লেই আমরা একটা বেঞ্চ ভেঙে সুন্দর ব্যাট আর উইকেট বানিয়ে ফেলতাম। সে তুলনায় নটরডেমের বেঞ্চ গুলো বেশ নতুনের মত চকচক করছে। তার উপর ক্লাসে আবার স্পিকারের ব্যবস্থা। শিক্ষক প্রথমে ঢুকেই ছোট্ট মাইক্রোফোনটা জামায় আটকে নেন, তারপর লেকচার দেন। বিশাল ভাব!
আমার সিট পড়েছে শেষ সারির মাঝামাঝি, বেঞ্চের মধ্যিখানে। বাম পাশে জোব্বা পরা দাড়িওয়ালা এক টিংটিংয়ে হুজুর আর ডান পাশে চশমা পড়া পাঠ্যপুস্তক খেকো পড়ুয়া (আফসোস তাদের কারো নামই এখন আর মনে নেই)।
হুজুরকে যাই জিজ্ঞাস করিনা কেন সে উত্তর দেয়, আলহামদুলিল্লাহ!
"কি? কেমন লাগে নটরডেম?"
"আলহামদুলিল্লাহ!"
"সিট পছন্দ হইছে?"
"আলহামদুলিল্লাহ!"
"বেশী কড়াকড়ি লাগেনা?"
"আলহামদুলিল্লাহ!"
আমি বাধ্য হয়ে অন্য ছেলের দিকে তাকাই।
"কি মিয়া, গ্রুপ সেভেন কেমন লাগে?"
সে ফিস ফিস করে বলে, "আমরা যে কি ভাগ্যবান... ওই যে ছেলেটা..." আঙ্গুল তুলে সে সামনে বসা একটা শুকনা মত ছেলেকে দেখায়, "ও বোর্ডে ফাস্ট স্ট্যান্ড!"
আমি বিমর্ষ হয়ে ব্যাগ থেকে "মাসুদ রানা" বের করে পড়তে থাকি। ওদের চেয়ে রানার সঙ্গ নিঃসন্দেহে অনেক ভালো।
ক্লাস শুরু হলো জহরলাল স্যারকে দিয়ে, গনিতের ডাঁকাবুকো প্রফেসর, শুকনো মাঝারি লম্বার বয়স্ক মানুষ, মুখে ছাঁটা গোঁফের আবেশ, সারাক্ষনই পান চাবান। উনাকে সাদা শার্ট আর কালো প্যান্ট ছাড়া অন্য কোন জামায় দেখিনি কখনও। রসায়নের এ.সি.দাস স্যারের সাথে আবার তাঁর খুব খাতির, দু'জনকে এক সিগারেট ভাগাভাগি করে খেতে দেখেছি। যাই হোক, প্রথম ক্লাস বলে কথা, আমি মনোযোগ দিয়েই নোট করতে থাকি। জহরলাল স্যার ক্লাসে একটা গোপন কথা ফাঁস করে দিলেন। ইন্টারভিউ থেকে নাকি স্যার-ম্যাডামরা প্রতিটা ছেলেকে কয়েকটা ভাগে ভাগ করে ফেলেন। অনেকটা সাইকোলজী অ্যানালাইসিসের মত, পরে সেই তালিকা ধরে সবাইকে সমানুপাতে প্রতিটা গ্রুপে ভাগ করে দেয়া হয়। কথাটার সত্যতা পরে টের পেয়েছি, এমনকি প্রতিটা সেকশনে ধার্মিক, ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, উপজাতি আর মফস্সলের ছাত্রদের সংখ্যাটাও ছিল একদম হিসাব মত ভাগ করা!
গ্রুপ সেভেন ছিল স্ট্যাটিসটিকস স্টুডেন্টদের গ্রুপ, আমি সহ আমাদের আরও কয়েকজন ঠিক করে ফেললাম বায়োলজী নেব। অন্যদের কি কারন ছিল জানি না, আমার কারন ছিল গ্রুপ পছন্দ না হওয়া। গ্রুপ সেভেন ভর্তি কেবল সেইন্ট জোসেফ আর সেইন্ট গ্রেগরীর ছাত্র। গ্রেগরীয়ানরা ঠিক আছে, কিন্তু জোসেফাইটদের আমার একদম সহ্য হতো না।
প্রথমে ঠিক হলো আমাদের ক'জনের ছোট্ট গ্রুপটকে বায়োলজী ক্লাস করতে হবে গ্রুপ এইটের সাথে। গ্রুপ এইট ইংলিশ মিডিয়াম বলে আমরা এমনিতেই ওদেরকে পাত্তা দিতাম না, তার উপর প্রতিদিন ক্লাস পরিবর্তন, মনটাই খারাপ হয়ে গেল। সেই মন খারাপ থাকলোনা ওখানে কিংবদন্তী আজমল স্যারের দেখা পেয়ে। তিনি ইংলিশ মিডিয়ামে দিব্যি বাংলায় লেকচার দিয়ে দিতেন। এই হয়তো দু'একটা লাইন ইংরাজীতে, এরপর আবার "জয় বাংলা"! জটিল লোক... শিক্ষকদেরকে নিয়ে আমার এই সিরিজে পরে একটা পোস্ট আসবে, তাঁর কথা বিস্তারিত বলবো সেখানে।
যাইহোক, কিছুদিন পরেই ঘরছাড়া আমাদেরকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করে দেয়া হলো। আমার আশা ছিল গ্রুপ ওয়ানে সব দোস্তদের সাথে পড়বো, সেই আশায় গুড়েবালি, আমি পড়লাম গ্রুপ থ্রীতে। গ্রুপ থ্রী দেখতে বাইরে থেকে গ্রুপ সেভেনের মতই, তবুও প্রথম দেখাতেই আমার বেশ পছন্দ হয়ে গেল। একটা কারন হলো, সব গ্রুপে ক্লাস ক্যাপ্টেন সিলেক্ট করা হয়ে গেছে, কেবল গ্রুপ থ্রী তে হয়নি (জ্বী, এই শিশুতোষ জিনিসটা আছে নটরডেমে)। আরেকটা কারন হলো, ক্লাস হয় নতুন বিল্ডিংয়ে লাইব্রেরীর ঠিক পাশের রুমে, তার মানে সেখান থেকে গল্পেই বই নিয়ে ক্লাসে পাঠ্যপুস্তকের ফাঁকে পড়ার সমুহ সুযোগ।
আমার আসন পড়লো এবার প্রথম সারীতে শেষের দিকে, এবারও মাঝে। এক পাশে মারফতী চুলের এক ছেলে, অন্য পাশে দানব-সদৃশ একজন। পরিচয় পর্ব শেষ হলো, মারফতি চুলের ছেলেটার নাম চৌধুরী, ওকে জিজ্ঞাস করলাম,
"কি মিয়া, কেমন লাগতাছে নটরডেম?"
ও বলল, "বালের নটরডেম! কি করতে যে মায়ে ঢুকাইলো এইখানে। বাল! বালরে! বালটা আমার!"
দানবাকৃতির ছেলেটার নাম ইজু, ওকে জিজ্ঞাস করলাম,
"ক্লাসে কি পড়াইছে? নোট-টোট নিছো কিছু?"
সে আমার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে জলদ কন্ঠে বলে,
"কি কও এইসব? নোট নেওনের টাইম আছে?"
মনটা আমার প্রশান্তিতে ভরে যায়, গ্রুপটাকে ভালবেসে ফেলি... এই না হলে গ্রুপমেট!
© অমিত আহমেদ
(চলতে পারে)
নটরডেম নিয়ে অন্য ব্লগারদের কিছু পোস্ট খুজে পেলাম:
১) হেমায়েতপুরীর "স্মৃতিকাতরতা: নটরডেম পর্ব"
২) হযবরল এর "নটরডেমিয়ানস: ডাক দিয়েছে ফাদার পিশোতো"
প্রকাশ করা হয়েছে: ধারাবাহিক বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
চোর বলেছেন:
হে হে!
মাসুম পারভেজ বলেছেন:
প্প্ব্লপ্প্মপ্প্বেক্ষ..............প্প্বঙ্প্প্ম্কপ্প্ব্য প্প্বপ্প্ম্বেপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক?
অমিত আহমেদ বলেছেন:
জ্বী মাসুম পারভেজ ভাই?
অমিত আহমেদ বলেছেন:
ভাই কারো কাছে নটরডেমের ভাল ছবি থাকলে দয়া করে আমাকে একটু ইমেইল করে দেন না? কৃতজ্ঞ থাকবো।আর লেখায় বন্ধুদের আসল নাম ব্যবহার করবো নাকি সেটা নিয়ে একটু দ্বিধায় আছি। যাদের সাথে এখনও যোগাযোগ আছে তাদের কথা লিখলে সমস্যা নাই, আমার চিন্তাটা অন্যদের কথা। কিছু মেয়েদের কথাও আসবে পরের পর্ব গুলোতে, ওদের আসল নাম ব্যবহার না করাটাই উত্তম মনে হয়।
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা বলেছেন:
"ক্রিকেট খেলার প্রয়োজন পড়লেই আমরা একটা বেঞ্চ ভেঙে সুন্দর ব্যাট আর উইকেট বানিয়ে ফেলতাম।" ..কোন স্কুল ভাই? আমাদের সময়ও জোসেফাইটসরা খুব ভাবে থাকতো...সহ্য হতো না।
~
অমিত আহমেদ বলেছেন:
কনফুসিয়াস - এই একটু চেষ্টা করি আরকি। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।--
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা - ধানমন্ডি গভঃ বয়েজ হাইস্কুল :-)
চোর বলেছেন:
আসল নাম ব্যবহার কইরেন না। মটু আপনেরে হাতের কাছে পাইলে ধোলাই দিবো। আর ওই 'আলহামদুলিল্লাহ ম্যান' এখন যাজাকাল্লাহ কয়। হুশিয়ার!
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
মাইয়াগো নাম দেয়া ঠিক হবে না,পুলাগুলার নাম দিয়া দেও,খাতির করা ঠিক হবে না।আমি জানি ,নিজের নাম দেখলে পাবলিক খুশিই হয়,এমনকি কেউ যদি লিখিত ভাবে গালি দেয়,তবুও।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
চান্স পয়েছিলাম, ঢাকায় থাকার সমস্যা ছিলো, হোস্টেলে নাকি শুধু ক্রিসচিয়ান ছেলেদের থাকতে দেয়া হয়! সেটা শুনে একদম ভালো লাগে নাই। আর পড়াও হয় নাই
হযবরল বলেছেন:
গ্রুপ সেভেন ইতিহাস আছে বাঁদরামী এবং ফাজলামোর। সে কারণেই দোতলায় টেরেন্সের রুমে এবং ল্যাব বাদে একটা ক্লাসরুমই রাখা হয়েছিল। সেটা হচ্ছে গ্রুপ সেভেন। গ্রুপ সেভেনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফাজিল ছিল গভঃ ল্যাব এরপর আসে আইডিয়াল এবং মতিঝিল গভঃ বয়েজ। টেস্ট পরীক্ষার পর একদিন আমাদের রাত ৮ পর্যন্ত ক্লাস রুমে আটকে রেখেছিল টেরেন্স। ১৪৭ জনকে ইন্টারোগেশন করার জন্য। কোন লাভই হয়নি, কেউ মুখ খোলেনি। এই ছিল গ্রুপ সেভেন।
অমিত আহমেদ বলেছেন:
মিতেব - ৯৯ সালে, আপনি?--
সুমন ভাই - আমাদের সময় হোস্টেলে উপজাতি, ক্রিশ্চিয়ান সহ অন্য সংখ্যালঘুদের এবং প্রচন্ড গরীব ছাত্রদের প্রাধান্য দেয়া হত।
--
আরিফ ভাই - তবে তাই হোক :-)
অমিত আহমেদ বলেছেন:
কমপিউটার সায়েন্স... পি.এইচ.ডি. করছি। স্যরি কেন ব্রাদার? কোন গ্রুপে ছিলে?
হোসেইন বলেছেন:
মিতেব কি যাইবা গা নি?ভাব তো এমুন মনে লয়।অমিত ভাই,ডিসেম্বরে কানাডা আইতারি,তাকেন কুতায়?আমি টরেন্টো যামু।
অমিত আহমেদ বলেছেন:
থাকি টরান্টোতেই। তবে ব্যাড টাইমিংরে ভাই, ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছি, পরে মালয়শিয়া হয়ে ঢাকা - তিন মাসের ধাক্কা। তবে আসার আগে অবশ্যই ইমেইল দিবেন, আমার যাবার ডেট পেছাতে পারে।কেমিকেল আলীও থাকেন টরান্টোর পাশের শহরেই।
অমিত আহমেদ বলেছেন:
এম.এস.এন. ব্যবহার করা হয় না বললেই চলে... জিটকে থাকি মাঝে মাঝে, aumit.ahmed@জিমেইল.কম
অমিত আহমেদ বলেছেন:
ভুল অ্যাড্রেস দিয়ে ফেলেছিলাম, সরি ভাই।
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
জব্বর হৈছে। পিএইচডি ভালা মত তাড়াতাড়ি শ্যাস কৈরা ফেলান।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
আমাদের সময় যতোদূর মনে পড়ে নৈর্ব্যত্তিক টাইপের প্রশ্নপত্র ছিল এডমিশন টেস্টে। আমি তখন প্রচন্ড ফুটবল খেলে বেড়াতাম। আজ ফতুল্লা তো কাল মুন্সীগঞ্জ। আমার টাইম কই কলেজ করার। নটরডেমে ভর্তি পরীক্ষা দিছিলাম শুধু বাপ-মায়ের কারণে। পুরা খাতা জুইড়া খালি গোল্লা গোল্লা দিয়া ছবি আঁকছি। ফলাফল আশানুরূপ হইছে। আমি টিকি নাই। আমার ইচ্ছা ছিল আদমজীতে ভর্তি হওয়ার। কারণ বাপ-মা বলেছিল সাইকেল কিনে দিবে। আর্মি অফিসারদের মেয়েরাও আকর্ষণ হিসেবি ছিল। পরে অবশ্য কবি নজরুলে (পুরান ঢাকা) পড়ছি। সম্ভবত আমিই একমাত্র ছাত্র যে কিনা কলেজে প্রতিদিন গিয়েছি কিন্তু ১টিও (একদম আক্ষরিক অর্থে) ক্লাশ করিনি। আমাকে কেউ কখনো ক্লাশে দেখেছে বলতে পারলে তাকে চা-সিগারেট খাওয়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলাম। কিন্তু এ পুরষ্কার কেউই অর্জন করতে পারেনি। হায়রে আমার সেই গরীবী-বনেদী কলেজ।অমিত, ভালো লিখছেন, চালান। গন্দম কই ?
মানবী বলেছেন:
ভালো লিখেছেন, ধন্যবাদ অমিত আহমেদ।
রাগিব বলেছেন:
ওরে বাবা, এ তো রীতিমত সামরিক শাসন।আমার চট্টগ্রাম কলেজে এতো কড়াকড়ি ছিলোনা। তার উপরে সহশিক্ষা ... [
আর কলেজে যার যেখানে খুশি বসতো, ক্লাসে আসতো যেতো। ক্লাসের দেয়ালে বিচিত্র সব "শিল্পকর্ম"। পেছনের দেয়ালে এক জায়গায় অদ্ভুত চেহারার এক মুরগির ছবি আঁকা ছিলো। পরে এক রিউনিয়নে এক মেয়ে স্বীকার করেছিলো, সেই এটার শিল্পী।
চালিয়ে যান, অমিত। কানাডায় কোন বিশ্ববিদ্যালয়? অধিকাংশতেই আমার বন্ধুবান্ধব বা সিনিয়রেরা আছে, কম্পিউটার সাইন্স ডিপার্টমেন্টে।
অমিত বলেছেন:
লেখা পইড়া মজা পাইলাম...ক্যালিফোর্নিয়ার দিকে আসলে আওয়াজ দিয়ো একখান...
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
জটিল লিখছেন বস ... পুরান কথা সব মনে করায়ে দিচ্ছেন ...আহারে কতদিন নটরডেম যাওয়া হয় না :-(
মনযূর মান্নান বলেছেন:
আমি মিস করছি নটরডেমকে...২০০২ এ পাশ করেছি H.S.C Certificate টা এখনো আনা হয়নি...যাবো ভাবছি...কলেজটাকে দেখেও আসবো।...
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
গ্রুপ ওয়ানের সাথে ক্লাস করছিলাম প্রথম দিকের কয়েকদিন। ছাইড়া দে মা কাইন্দা বাঁচি টাইপের অবস্থা হইছিলো।নটরডেমের সবচাইতে আঁতলা গ্রুপ হইলো ওয়ান, তারপর যথাক্রমে ২, ৩, আর ৪। সেভেনের পোলাপাইন একটু ভাব নেয় সবজান্তা টাইপের। ভবিষ্যতে এগুলাই ম্যাক্সিমাম বুয়েটে যায়। তাই বুয়েটের কোয়ালিটি ঐরমের প্যান্টে গিট্টু দেওয়া
।
অমিত আহমেদ বলেছেন:
যুঞ্চিক্ত - চার বছরের ডিগ্রী, আমি প্রথম বর্ষে আছি, তার মানে বুঝতেই পারছেন...--
অলৌকিক হাসান - হেঃ হেঃ... আপনিও আপনার কলেজ জীবনের কাহিনী লিখে ফেলুন না?
গন্দম আসবে, কিন্তু আপনার "প্রহর" আর "সন্ধি" সীড করার কি হলো?
--
মানবী - ধন্যবাদ আপনাকেই :-)
--
রাগিব ভাই - কোএড না হলেও মজা আমরা কম করিনি, পরের পর্ব গুলোতেই বুঝতে পারবেন। আর আমি আছি ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে।
--
অমিত - অবশ্যই বস!
--
কিংকর্তব্যবিমূঢ়, মনযূর মান্নান - কতদিন যে দেখিনা নটরডেম! প্রতিবার দেশে যাবার আগে ঠিক করি এবার নটরডেমে একটা ঢুঁ মেরে আসব। দু'তিন মাসের ব্যস্ত সময় এমনি চলে যায়, ঢুঁ টা আর মারা হয় না।
--
ধুসর গোধূলি - কথা সঠিক!
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
আর আমার লেখা। কোনোটাই তো কন্টিনিউ করতে পারি না। http://www.natoks.com এ সন্ধি আছে। ওল্ড ভিডিও ট্যাবে গিয়ে ৩/৪ নম্বর পেজে পেতে পারেন। প্রহর হয়তোবা ওইখানে পাবেন।
মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান বলেছেন:
একটু ইজম করি। জোসেফাইটসগুলা বদ, গ্রেগরীয়ান গুলা একটু বোকা। আর আমি মিরপুরের একটা স্কুল থেকে এসে গ্রুপ সেভেন ... ....
হা হা... টিচারগণও একটু সমঝে চলত আমাদের। জটিল মজা হৈত। যত কড়া শাসন ততই সিরিয়াস বাঁদরামি। সেকেন্ড ইয়ারে আমাদের পাঠায় দিল মার্টিন হলের অডিটরিয়ামে ক্লাশ করতে (ডিমোশন নাকি প্রমোশন!)। ভলিবল খেলাটা শিখছি তখনই....
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















