somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দ্যা হিস্ট্রি অব মানি: (পর্ব্-১২)

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ছবি: টাইম ম্যাগাজিনের Hitler as TIME's Man Of The Yea


প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানী অর্থনৈতিকভাবে একেবারে ভেঙ্গে পড়লে National Socialists দের ক্ষমতয় আসার পথ উম্মুক্ত হয়ে যায়। ওয়াল স্ট্রিট ব্যাংকাররা জার্মানির পুনর্গঠন ও হিটলারকে দিয়ে আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ করানোর জন্য প্রচুর পরিমান অর্থ ও অন্যন্য সহযোগীতা করতে থাকে। National Socialists দল ক্ষমতায় আসার পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যে কাজটি করেন তাহল ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক এর অধিনে মুদ্রা প্রিন্ট করার পরিবর্তে নিজের মুদ্রা নিজেরাই প্রিন্ট করতে থাকে। ( ফেডারেল রিজার্ভে এর নিয়মে প্রিন্ট করলে ্রিন্ট করা অর্থের সমপরিমান স্বর্ণ বা ডলার তাদের কাছে জমা রাখতৈ হয় যা যে কোন দেশের জন্য স্বার্ধন উন্নয়নে বাধা স্বরুপ)।


নিজের অর্থ নিজে প্রিন্ট করার ও এজন্য কাউকে সুদ প্রদান না করার সুযোগে জার্মান অর্থনীতি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি বা বুম হতে থাকে। বিভিন্ন মিডিয়া এটাকে "The German Miracle". বলে উল্লেখ করে। TIME magazine জার্মানির জনগনের জীবন মান বৃদ্ধি, ভ্যা্পক অর্তনৈতিক উন্নতি এর্বং ব্যাপক শিল্প উন্নয়নের জন্য হিটলারের প্রশংসা করতে থাকে। এমনকি যুদ্ধ শুরুর পূর্বে ১৯৩৮ সালে TIME magazine তাকে Man Of The Year ঘোষনা করে।

ওয়াল স্ট্রিট ব্যাংক ও পশ্চিমা সহায়তা জার্মাানির মেগা শিল্প প্রতিষ্টান I. G. . Farben and Vereinigte Stahlwerke হিটলারের প্রয়োজনীয় সকল প্রকার ওয়ার মেশিন ও শিল্প উৎপাদন করতে থাকে। মেগা ব্যাংকার ও ওয়াল্ড প্লানার রকফেলার প্রতিষ্ঠান Standard Oil এর সহযোগীতায় I. G. Farben কয়লা থেকে সিনথেটিক ওয়েল তৈরীর মাধমে যু্দ্ধ কালীন সময়ে ব্যবহার করার জন্য বিকল্প জ্বলানী উদ্ভাবন করে। ওয়াল স্ট্রিট এর জে.পি মরগানের নিয়ন্ত্রনাধীর প্রতিষ্টান General Motors ও ফোর্ড মটর এর সহযোগীতায় জামার্ণির বৃহৎ ট্যাংক উৎপাদনকারী প্রতিষ্টান Opel বিশ্বযুদ্ধ ব্যবহার করার জন্য ব্যাপক ট্যাংক উৎপাদন করতে থাকে। আমেরিকার Alcoa and Dow Chemical কোম্পানি নাজি জার্মানিকে স হযোগীতা করার জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি সরবরাহ করে। জে.পি মরগানের Bendix Aviation জার্মান বিমান প্রতিরক্ষা, বিমান উৎপাদন ও কারিগরি উন্নয়নের জন্য সহযোগিতা করে।

I.C. Farben বিকল্প জ্বলানী হিসেবে গ্যাসলিনের ব্যবহারের মাধ্যমে শুধু নিজস্ব উৎপাদনের মাধ্যমেই পুরো বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে হিটলারের জ্বলানী ও যুদ্ধ বিমান ও অস্ত্র সরবরাহ করে। অথচ যুদ্ধ শেষে পুরসংখ্যনে এই প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়েছিল মাত্র ১৫% সম্পদের যা যুদ্ধ বিধস্থ দেশের হিসেবে সর্ম্পর্ন সন্দেহজনক।

সোর্স: Wall Street and the Rise of Hitler by Antony C. Sutton লিংক: Click This Link


জার্মান অর্থনীতি সহ সকল ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক উন্নয়ন বৃটেনের অর্থনীতির জন্য আবার হুমকীর কারন হয়ে দোড়ায়।



১৯৩৬ সালে Winston Churchill ঘোষনা করেন- হিটলার ইচ্ছা করুর আর না করুক এই যুদ্ধ আমারা তার উপর চাপিয়ে দিব।


২য় বিশ্বযুদ্ধে এইএস অংশগ্রহন করেছিল এই ওয়াল স্ট্রিট ব্যাংকিং জোটের স্বার্থেই। ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৪২ সালে আলবার্ট আইনস্টাইনের লেখা চিঠিতে তিনি বিষয়টি স্পট করে বলেছেন যে ইউএস অংশগ্রহন করে সেইসকল ব্যাংকারদের স্বার্থের জন্য যারা হিটলারের উত্থান ঘটিয়েছিল।



২য় বিশ্বযুদ্ধ হল প্রায় ৭ কোটি মানুষ অসংখ্য সম্পদ, পরিবেশ ধ্বংস হল। ( আমার ধারাবাহিক পোস্টটি মুলত অর্থ ও ফ্রড ব্যাংকিং নিয়ে এজন্য যুদ্ধের ঘটনা বর্ণনা করলাম না)। কিন্তু ওয়াল স্ট্রিট ব্যাংকার বা রথচাইল্ড. মরগান, রকফেলারদের কোন প্রকারের ক্ষতি হয়নি বরং তাদের ঋণণ প্রদানের সুযোগে প্রফিটের পরিমান হাজার গুন বৃদ্ধি পায়।

২য় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ঋণে ববৃদ্ধির চিত্র: US debt increased by 598%, Japan's debt went up by 1,348%, France up by 583%, Canada up by 417%. । যুদ্ধের পর সমগ্র পৃথিবীর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তাদের নিয়ন্ত্রনে চলে আসে এবং নিয়ন্ত্রন স্থায় করার জ্যন্য প্রতিষ্টা করে World Bank, IMF and GATT (now the WTO)




সোর্স: : http://www.xat.org/xat/worldbank.html
2. Click This Link
3. Click This Link


পূর্বের পর্ব: ১ ম পর্ব: Click This Link
২য় পর্ব: Click This Link
৩য় পর্ব: Click This Link
৪র্থ পর্ব: Click This Link
5ম পর্ব: Click This Link
6 পর্ব: Click This Link
7ম পর্ব: Click This Link
8ম পর্ব: Click This Link
9ম পর্ব: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:২৯
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্য বিয়ার বৈধ এবং ওপেন করে দেয়া হোক

লিখেছেন ব্লগ মাস্টার, ২০ শে আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:৪৩


আমরা জানি আমাদের সমাজের চারপাশে ছঁড়িয়ে ছিটিয়ে ভয়াল রূপে জায়গা করে নিয়েছে ইয়বা ট্যাবলেট।একটা সময় যখন অনেক
ছোট ছিলাম,তখন শুনতাম হিরনের কথা যে,ওটা নাকি পৃথিবীর সব থেকে সেরা ভয়ানক মাধক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভয় পাই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২০ শে আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৩

ইদানীং আমি ভয় পাই-
যানজটকে, কারণ স্থবির যানে আমার নিঃশাস বন্ধ হয়ে আসে।
ভয় পাই অসময়ে আমার বাড়ীর কাছে রিক্সায় ঘোরা
কোন আগন্তুকের মাইকে উচ্চারিত নির্লিপ্ত ঘোষণাকে,
কারণ অনেক চেনা মুখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাতার!

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ২০ শে আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৪

সাতার!
সেই কোন জনমে শুরু
মনে পড়ে না কিছুতেই....
এ জনমের শুরুতে যেতেই বিস্ময় ঘোর!

আলো আর শক্তির চোখ ধাধানো বিচ্ছুরণে
তীক্ষ্ণ গুঞ্জন কুন....
ছড়িয়ে পড়া মহাশুন্যে
সেই থেকে শুরু, বাতাসে সাতার
ইথারে সাতার, শুন্যে ভেসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৃণা!

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২০ শে আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৭


তৃণা হতভম্ব হয়ে মনিটরের দিকে তাকিয়ে আছে। চোখের সামনে যা দেখছে তা তার বিশ্বাস করতে মন চাইছে না। কেন দেখতে গেলো সে? অধিক কৌতূহলের ফল কখনই ভালো হয় না, তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭৯ সালে সন্ত্রাসী গ্রুফ কতৃক ক্বাবা শরীফ দখল, মুসলিম ইতিহাসের এক অনালোচিত অধ্যায়।

লিখেছেন গিয়াস উদ্দিন লিটন, ২০ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩২



পবিত্র হারাম শরীফ দখলের মূল পরিকল্পনাকারী জুহাইমান আল ওতাইবি

''আসসালামুয়ালাইকু ওয়ারাহমাতুল্লাহ, আসসালামুয়ালাইকু ওয়ারাহমাতুল্লাহ''।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×