প্র্যাক্টিক্যাল ফিলোসফার থোরোকে কী আবারো পরিচয় করিয়ে দেবার প্রয়োজন আছে? এই স্বশিক্ষিত স্কুল শিক্ষক দুটো খুব প্রয়োজনীয় কনসেপ্ট শিখিয়ে গেছেন পৃথিবীর মানুষকে । এক অত্যাচারী প্রভুকে অহিংস উপায়ে পরাস্ত করা যেতে পারে । দুই, মানুষ খুব অল্প উপকরণ নিয়ে দুনিয়াতে বাঁচতে পারে।
বাস্তবে দুজন মানুষ নন-ভায়োলেন্সের (সিভিল ডিজওবিডিয়েন্স) ধারনাকে কাজে চেষ্টা করে পৃথিবীর ইতিহাস পাল্টে দিয়েছেন । একজনের নাম গান্ধী ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে বড় পুরোধা, আর আরেকজন মার্টিন লুথার কিং, কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ের প্রধান নায়ক । এ দুজন খোলাখুলিই স্বীকার করেছেন তাঁদের দর্শনে থোরোর 'থরো' প্রভাবের কথা । (দু'জনেরই ভাগ্যে অবশ্য জুটেছে ঘাতকের বুলেট, তবু তাঁদের অহিংস লিগ্যাসি আজো অন্ত্ত নামে বেঁচে আছে)
সেই যাই হোক ওয়ালডেনের নির্জন কুটিরে বসেই থোরো তাঁর ভাবনাগুলোকে সুসংবদ্ধ করার সুযোগ পেয়েছিলেন । ওয়ালডেনের কুলে নিজের হাতে বানানো কুটিরে দু'বছর কাটিয়ে এসে চিন্তাগুলো কাগজে গুছিয়ে লিখতে থাকেন ।
"When I wrote the following pages, or rather the bulk of them, I lived alone, in the woods, a mile from any neighbor, in a house which I had built myself, on the shore of Walden Pond, in Concord, Massachusetts, and earned my living by the labor of my hands only. I lived there two years and two months. At present I am a sojourner in civilized life again."
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মে, ২০০৭ সকাল ৭:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


