কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ডাংমড়কা গ্রামে মেয়ের ধর্ষণের বিচার না পেয়ে এক পিতা আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ জানায়, উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের ডাংমড়কা পশ্চিমপাড়া গ্রামের দিনমজুর সামছুদ্দিন মালিথার ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে ঝর্ণা খাতুনকে (১২) একই গ্রামের মজিদ হোসেনের ছেলে ৭ম শ্রেণির ছাত্র রতন ইসমাইল (১৬) মিথ্যে প্রলোভন দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। প্রতারক রতন বিয়ে করার কথা বলে ওই স্কুলছাত্রীকে প্রায়ই ধর্ষণ করে আসছিলো। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে ২৩ জানুয়ারি এলাকাবাসী এনিয়ে সালিস বৈঠকের আয়োজন করে। এ সালিসে এক সপ্তার মধ্যে ওই দুজনের বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়; কিন্তু রহস্যজনক কারণে এক সপ্তা পার হয়ে গেলেও বিয়ের ব্যাপারে আর কেউই অগ্রসর হননি। অবশেষে গত শুক্রবার ঝর্ণার পিতা সামছুদ্দিন মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে রতনের বাড়ি গেলে রতন ও তার পিতামাতা তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। মেয়ের বিয়ে প্রত্যাখ্যান করার বিষয়টি সহ্য করতে না পেরে দরিদ্র পিতা সামসুদ্দিন আহমেদ (৬৫) শনিবার ভোরে বাড়ির পাশে বাঁশবাগানে গলায় মাফলার পেচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালমর্গে প্রেরণ করেছে। এ ঘটনায় উজির মালিথা নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে নিহতের ছেলে বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় একটি মামলা করেন। দৌলতপুর থানার ওসি লুৎফর রহমান জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় দোষীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


