যুক্তরাষ্ট্রর বিখ্যাত হাসপাতালে দীর্ঘদিন কর্মরত প্রথিতযষা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চেয়েছিলেন দেশে তাঁর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জটিল হৃদরোগের দূরুহ অস্ত্রপচার সুলভে দেশের মানুশের আয়ত্তে এনে দিতে। সে লক্ষে নিজ খরচে দেশে একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল করার জন্য সরকারের নিকট অনুমতি চেয়েছিলেন যাতে যে অপারেশন ও চিকিৎসা সুবিধা দেশে পাওয়া সম্ভব হয়না তা সুলভে দেশের মানুশের নাগালে নিয়ে আসা যায়। কিন্তু বাধ সাধলেন মাননীয় স্বাস্থ্য সচিব। ৩ কোটি টাকা ঘুষ চেয়ে বসলেন তিনি। বিশেষজ্ঞ বললেন আমি এখানে আপনাদের মত টাকা কামানোর উদ্দেশ্য নিয়ে আসিনি। দেশকে কিছু দিতে এসেছিলাম। যুক্তরাষ্ট্রে আমার আয় অনেক গুন বেশী। যদি নিজেকে সত্যি বাংলাদেশের কেউ মনে করে থাকেন ভারতের কাছ থেকে শিখে নিয়েন কীভাবে হাই টেকদের দেশমুখী করতে হয়। যারা দেশকে কিছু দিতে চায় তাদেরকে কিভাবে সহযোগীতা করতে হয়।
প্রশঙ্গত ভারত সরকার তাদের প্রবাসী হাই টেক দের দেশমুখী করার জন্য সরকারীভাবে আইন করে দিয়েছেন যাঁরা ৮ বছর দেশের বাইরে হাই টেক কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়েছেন তাঁরা যদি দেশে তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চান সরকার তাঁদের সর্বপ্রকার সহযোগীতাই শুধু নয় পৃষ্ঠপোষকতাও করবেন। ফলে সে দেশের অনেক হাই টেক দেশের টানে উচচ আয়ের সুযোগ ছেড়ে দিয়ে শুধুমাত্র দেশকে কিছু দেওয়ার জন্য দেশে ফিরে এসে তাঁদের অভিজ্ঞতায় দেশকে নানামুখী উন্নত প্রযুক্তিতে সম্বৃদ্ধ করছেন।
মাননীয় বাংলাদেশের সরকার বাহাদুর, বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক প্রতিভাদের আর কত দিন এভাবে লাঞ্ছিত করবেন? আপনাদের নির্লজ্জ মনে কোনদিনও কি দেশের জন্য সামান্য ভালবাসা জন্মাবেনা? সামান্য একটু লজ্জা কি কোনদিনও পয়দা হবে না?
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


