গত সরকারের সময় তিনি হাওয়া ভবন নামে তার এক কার্যালয় থেকে প্যারালাল সরকার চালাতেন বলে রাজনীতিতে জোর গুন্জন ছিল । এমন কি সরকারের প্রত্যেক মন্ত্রীর পেছনে একজন প্রতিমন্ত্রী দিয়ে সবকটা মন্ত্রনালয়ে নিজের আধিপত্য চালাতেন তারেক এই অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে । যার কিছু প্রমান ও আছে , গত ৫ বছরে অনেক হাফ মন্ত্রীকে দেখা গেছে ফুল মন্ত্রীর চেয়েও বেশী ক্ষমতাশালী ।
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগটি সবচাইতে বেশী ছিল তা হলো দুর্নীতির অভিযোগ । মানুষ তারেক ও হাওয়া ভবন কে দুর্নীতির প্রতিশব্দ হিসাবে জানে। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা । দ্রুত হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হওয়া এসব বিষয় গুলো তার ভাবমুর্তিকে আরও বিতর্কিত করে তুলছিলো ।
১/১১ এর পর শেখ হাসিনা - খালেদা জিয়া - তারেক সহ শত শত রাজনৈতিক নেতা কর্মী গ্রেফতার হয়ে জেলে গেছেন । কেউ কেউ ইতি মধ্যেই সাজা প্রাপ্ত হয়েছেন । কারো বিরুদ্ধে বিচার চলছে । এর মধ্যে কেউ জামিনে বেরিয়ে আসছেন । কেউ কেউ চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যাচ্ছেন ।এখানে একটি কথা মনে রাখা দরকার জামিন মানে বিচার শেষ নয় , বা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়া নয় ।
অন্য অনেকের মত তারেক ও জামিনে বেরিয়ে এসে চিকিৎসার জন্য স্বপরিবারে বিদেশে চলে গেছেন। এখানে একটি বিষয় তারেক বিদেশে চলে যাবার সময় ঘোষনা দিয়ে রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়েছেন , দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করে বিদেশে গেছেন । এমন কি বিমান বন্দরে তারেক অঙ্গীকার নামায় সই করে দেশ চেড়েছেন । যা অনেকটা অভিযোগ মেনে নেওয়ার নামান্তর ।
এতে করে আগামী দিনের রাজনীতি ও নির্বাচনে বিএনপিকে বেকায়দায় পড়তে হতে পারে । যার আলামত কিছুটা লক্ষনীয় হয়ে উঠছে বিএনপির আচরনে । পুরো জাতী যখন অধীর অপেক্ষায় জাতীয় নির্বাচনের জন্য তখন বিএনপি কুটকৌশল নিয়ে এগুচ্ছে নির্বাচন পেছাতে । কারন তাদের ৫ বছরের দুঃশাষন, দুর্নীতি জঙ্গী মানুষ এখনো ভুলতে পারি সেটা বিএনপি ভালো করেই জানে । তাই নির্বাচন যত পিছাবে বিএনপির জন্য ততো ভালো ।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



