আমার প্রিয় পোস্ট

শিবিরকে নিষিদ্ধ করা হবে ছাত্রলীগকে নয় কেন সরকারের প্রতি আমার রুল জারি

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪১

শেয়ারঃ
0 0 0

সরকারের এই ১ বছর ১ মাস ১৪ দিনে ছাত্রলীগ যে কয়জন ছাত্রকে ইহলোক ত্যাগ করতে বাধ্য করেছে তার একটা ছোট খাট নমুনা দিলাম নিচেঃ প্রথমে তাদের লোক দিয়েই শুরু করলাম।

• ঢাকা মেডিকেলে ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক তাদের মরন কামড়ে ইহলোক ছাড়ছে।
• এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যলয়ে ছাত্রশিবির সাধারন সম্পাদক ছাত্রলীগের ছুরিকাঘাতে নিহত
• রাজশাহী পলিটেকনিকে ছাত্রমৈত্রী সাধারন সম্পাদক নিহত ছাত্রলীগের হাতে।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাশারন শিক্ষার্থী আবু বক্কর নিহত তাদের অভ্যন্তরীন কোন্দলে।
• ঢাকা কলেজে ও সোরোয়ার্দী কলেজে তাদের ইচ্ছা মত ছাত্র ভর্তি না করায় ৩ বার ভর্তি প্রক্রিয়া বাতিল এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে ডিজিটাল ভর্তি প্রক্রিয়া চালিয়েছে।
• এছাড়া বিভিন্ন ক্যাম্পাছে তাদের আধিপাত্য বিস্তারে অসংখ্য ছাত্র আহত ও বিশ্ববিদ্যালয় অনিদৃষ্ট কালের জন্য বন্ধ


সর্বশেষ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের হাতে ছাত্রলীগ কর্মী নিহত যা এখনো বিতর্কের জন্ম দিছে।


তাহলে শিবিরকে নিষিদ্ধ করা হবে ছাত্রলীগকে নয় কেন সরকারের প্রতি আমি রুল জারী করলাম।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনার ওয়েবটা আমি প্রিয়তে রাখলাম। ধন্যবাদ।

৩. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৯
সুধাসদন বলেছেন: এতদিন শুনলাম ছাত্রলীগ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশও মানে না। তাই রাগে-ক্ষোভে প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের দায়িত্ব থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। সাহারা মরুভূমির পুলিশ বাহিনীও ছাত্রলীগের সাথে নাকি পেরে উঠে না। তাই তারা সমানতালে হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, শিক্ষক লাঞ্ছনাসহ সব ধরনের অপকর্ম করে যেতে পারছে। ছাত্রলীগের অপকর্মের অতিষ্ঠ হয়ে বিভিন্ন মহল থেকে সংগঠনটি নিষিদ্ধের দাবি করা হলেও সরকার বরাবরই নিবর থেকেছে। এবার যেহেতু ছাত্রলীগ একটা ইস্যু তুলে ধরেছে সেহেতু সরকার খুব খুশী। তাদের নিষিদ্ধ করাতো দূরের কথা, অচিরেই হয়তো ছাত্রলীগকে জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে তাদের হাতে অত্যাধুনিক রাইফেল তুলে দেয়া হবে মানুষ হত্যার জন্য। যেমনটি দেয়া হয়েছিল রক্ষী বাহিনীর হাতে।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: যেমনটি দেয়া হয়েছিল রক্ষী বাহিনীর হাত। ধন্যবাদ।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪
সুভ্র বলেছেন: এই রুলনীশি নিষ্পত্তি কোথায় হবে? আদালতে? হু জাজ দি জাজ?
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ব্লগারদের মন্তব্যে।

৭. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪
এস এইচ খান বলেছেন: আসুন, আমরা সবাই সত্য বলি, সত্যের সাথে থাকি, সে যে কোন দলেরই হই না কেন। কোন সংবাদ পেলে, সেটি সম্পর্কে যাচাই বাছাই না করে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকি। এটা এখন সময়ের দাবী। তবে আমি যেভাবে অতীত দেখেছি তাতে দেশের অব¯হা ৭৫ পূর্বের মত মনে হচ্ছে এবং আমি ভীত এবং দুঃচিন্তার মধ্যে আছি। কারন, এভাবে বাড়াবাড়ি করতে করতে সীমা অতিক্রম করে আবার কোন ভয়াবহ ঘটনার জন্ম দিবে। দেশটা পিছয়ে যাবে ৫০ বছরের জন্য আর আমরা বিভাজিত হব আরো বহুগুনে।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: আমি আপনার সাথে একমত। ধন্যবাদ আপনাকে।

৮. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫
কানন শাহ বলেছেন: সরকার ছাত্রলীগকে মদদ দিচ্ছে, তা দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট। আল্লাহকে ভয় করা উচিত । সরকারের সকল ধরনের যুলুম পরিহার করা উচিত। শুধু দলীয় বিবেচনায় নয় আবুবকর,নোমানী ,ফারুক,শাহীন,মহিউদ্দিনসহ
সকল ছাত্র হত্যাকান্ডের বিচার করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব।কিন্তু আওয়ামী সরকারের মাসরবকতা বলতে কিছু আছে কি?
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: নেহি। তার মন মানসিকায় শুধু ছাত্রলীগের জয়গান।

৯. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭
অক্টোপাস বলেছেন: ছাত্রলীগ কুকুরছানা আর হাসিনা তার মা!! বাবা কে জানি না!!
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: ভাই এভাবে না বলে একটু ভদ্রভাবে বললে ভাল হত না
?

১০. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৬
ইব্রাহীমলিজা বলেছেন: ১০০% সহমত
ধন্যাবাদ সুধাসদন, কানন শাহ, বাহারকে...
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেউ ধন্যবাদ অনেক।

১১. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সবই পলিটিক্স........
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: হু.।।

১২. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৫
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: আগামী ছয় মাসের জন্য সকল ছাত্র সংগঠনের ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিষিদ্ধ করলেই আর মায়ের বুক খালি হবেনা বলে আমার বিশ্বাস।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৬

লেখক বলেছেন: ৬ মাস কেন ভাই? আজীবন নয় কেন আপনার প্রতি আমার রুল?

১৩. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৭
শিমুল আহমেদ বলেছেন: ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হোক।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: হু।

১৪. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৫
অর্থহীণ বলেছেন: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ওমরপুর বাজারে গতকাল শুক্রবার বিকেলে চাঁদা না দেওয়ায় ইউছুফ আলী (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি। ইউছুফ আলী ওমরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
ক্ষুব্ধ জনতা হাবিবুর রহমান নামের এই নেতাকে বেদম মারধর করে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়। হাবিবুর উপজেলার দাশগ্রামের (পূর্ব একডালা) আওয়ামী লীগ নেতা আকবর আলী মাস্টারের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নন্দীগ্রাম পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হাবিবুর রহমানসহ সংগঠনের তিন নেতা গতকাল বিকেল পৌনে চারটার দিকে ওমরপুর বাজারে যান। তাঁরা ওই বাজারের গরুর হাটে গিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ইউছুফ আলীর কাছে চাঁদা দাবি করেন। ইউছুফ আলী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগিবতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে হাবিবুর রহমান ইউসুফ আলীকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় ইউছুফ আলীর ছেলে শামছুল আলী ও তাঁর বন্ধু মাফুজার রহমান বাধা দিতে গেলে তাঁদেরও ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এ অবস্থায় বাজারের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাদের ওপর হামলা চালায়। তাঁদের দুজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। জনতা হাবিবুর রহমানকে পিটুনি দিয়ে তাঁকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে। পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে।
ঘটনার পরপরই ছুরিকাহত ইউছুফ আলী, শামছুল আলী ও মাহফুজারকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ইউছুফ আলী মারা যান।
এদিকে হাবিবুর রহমানকে গুরুতর অবস্থায় গতকাল সন্ধ্যায় ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় তিনি মারা যান।
নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মজনুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, হাবিবুর রহমানকে তিনি তেমন চেনেন না। তিনি সংগঠনের কোনো পদে নেই।
অথচ পৌর স্বেচ্ছাসেক লীগের সভাপতি হিসেবে হাবিবুর রহমানকে সংগঠনের উপজেলা আহ্বায়ক মজনুর রহমানের অভিনন্দন জানানোর খবর গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। অবশ্য মজনুর রহমান দাবি করেন, তিনি এই অভিনন্দন দেননি।
নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগের সভাপতি রেজাউল আশরাফ জানান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নামে হাবিবুর রহমানের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজির কথা এর আগে প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: আজ সকালে খবরটি শুনলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৬
ন সাকিব বলেছেন: আরে ভাই এখনো বুঝতে পারছেন না। ছাত্রলীগ দ্বারা মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত সম্ভব(?)। তাই তাদের নিষিদ্ধ করা যাবে না। প্রভুর নির্দেশ(?)
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: হ ভাইজান এইবার বুজতে পারলাম।

১৬. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৯
লুথা বলেছেন: ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিকল্প নাই...
Click This Link
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: হ হ থিক কতা।

১৭. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০২
মহাজাগতিক বলেছেন: ছাত্রলীগের আদর্শ মনে হয় তাদের আম্রেকান অধিবাসী জয় মামা। কাজে কাজেই তারা সবকাজে একটু ফাস্ট হইছে। মারামারিতে ফাস্ট, নারী ধর্ষণে, টেন্ডারবাজীতে ফার্স্ট।
সাহারা মরুভূমির জীবনটাই সাহার মরুভুমির মত। নারী জীবনের সার্থকতা তার আর ইহজীবনে হইবে না তাই ছাত্রলীগের পোংগাপাংগী গুলানরে নাইরাচাইরা তার দিন গুজরান করতে হইতাছে। সেইগুলানরে আদর যত্ন কইরা, আস্কারা দিয়া তার মন ভরতাছে। এ-ই আর কি ...
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: ভালই বলেছেন। ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৫১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
চাই আমি সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়াতে কিন্তু পারি না তবে পারব একদিন এটা আমার বিশ্বাস।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই