গ্রামীণ ফোন নিজেরাই আজ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই তথ্য জানিয়ে দিয়েছে। বলা যায় তাদের জানাতে বাধ্য করা হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এভাবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দোষ স্বীকার করে নেওয়া আর কখনো হয়েছে বলে জানা নাই।
গ্রামীণ ফোন জানিয়েছে, কিছু গ্রাহকের আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন ব্যাবসা বন্ধ করতে গ্রামীণ ফোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি। এর ফলে সরকারের যে রাজস্ব তি হয়েছে তা স্বীকার করে ওই তিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। তবে সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কল পরিচালনা বা নিজস্ব অফিসে এ কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রাখার অভিযোগে গ্রামীণ ফোনকে দায়ি করা হয়নি।
গ্রামীণ ফোনের নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যাণ্ডার্স ইয়ানসেন বলেন, নির্দিষ্ট ধরনের গ্রাহকদের সংযোগের সাধারণ ব্যবহার পর্যবেন করা হলে গ্রামীণ ফোনের সংযোগের বেআইনী ব্যবহার এবং সরকারের রাজস্ব তি রোধ করা যেত। এখন সে ধরণের পর্যবেণ ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর ধরে এই প্রক্রিয়া চলছিল এবং প্রায় সব মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্কে অবৈধভাবে কল টার্মিনিশেন করা হচ্ছিল। সরকার এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরও বলেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সকল আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড এবং গ্রাহকদের দেশের সকল আইনকানুন মেনে চলার বিষয়টি গ্রামীণ ফোন সমর্থন করে।
গ্রামীণ ফোন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলেছে, প্রতিষ্ঠানের যেসব সংযোগ কল টার্মিনেশনে ব্যবহার করা হতো বলে চিহ্নিত হয়েছে, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অবৈধ আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন কর্মকাণ্ড পর্যবেন করতে এবং তাদের খুঁজে বের করতে আইনপ্রয়োগকারি সংস্থাকে সহায়তা করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



