অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্বামী বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’
স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও...বড্ড তেষ্টা পেয়েছে।’
স্ত্রী পানি দিয়ে গেল।
পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’
এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর? অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ...নির্লজ্জ, অসভ্য, ছোটলোক, স্বার্থপর...’
স্বামী কানে তুলা গুঁজতে গুঁজতে বলে, ‘এই যে...শুরু হয়ে গেল।’
শিক্ষক: পৃথিবীতে অসম্ভব বলে কিছু নেই।
ছাত্র: জেব্রার একটা রঙিন ছবি তুলে দেখান তো!
শিক্ষক: শীতকালে অতিথি পাখিরা সাইবেরিয়া থেকে উড়ে আমাদের দেশে আসে কেন?
ছাত্র: স্যার, ওদের তো পয়সা নেই, প্লেনের টিকিট কাটতে পারে না, তাই নিজেরাই কষ্ট করে উড়ে আসে।
ছেলে: মা, আমার বন্ধুদের সঙ্গে একটু খেলে আসি?
মা: না, তোমার একটা বন্ধুকেও আমার পছন্দ নয়।
ছেলে: তাহলে মা ওদেরকে কথাটা জানিয়ে আসি?
এলাকায় নতুন একটা দোকান করেছে মালেক। কেবল দুটো জিনিসই বিক্রি হয় সেখানে—ঢোল আর বন্দুক। একদিন তার বন্ধু বেড়াতে এসে খুব অবাক হয়। বলে, ‘কিরে মালেক, কেমন অদ্ভুত দোকান খুলে বসে আছিস, আর কিছু নেই, শুধু ঢোল আর বন্দুক?’
মালেক জবাব দেয়, ‘তা-ই তো বেচে কুল করতে পারি না। একজন একটা ঢোল কিনে নিয়ে গেলেই হলো, পরদিন তার বউ আসে বন্দুক কিনতে।’
ধানের বস্তাবোঝাই বিশাল এক গাড়ি উল্টে পড়ে আছে। গাড়িটাকে সোজা করার চেষ্টা করছে সুমন। পথ দিয়ে যাচ্ছিল তার বন্ধু জুমন। বলল, ‘কিরে, কী করিস এখানে? চল, আমার সঙ্গে চল, একটু ফুটবল খেলে আসি।’
সুমন মাথা নেড়ে জবাব দেয়, ‘না, বাবা রাগ করবে।’
জুমন বলে, ‘ধুর...তুই চল তো!’ বলে টানতে টানতে নিয়ে যায় সুমনকে। দুজনে মিলে ফুটবল খেলে। এবার জুমন বলে, ‘চল, এবার নদীতে সাঁতার কেটে আসি।’
সুমন মাথা নাড়ে, ‘না রে, বাবা রাগ করবে।’
কিন্তু জুমন এবারও কথা শোনে না, টানতে টানতে নিয়ে যায় নদীতে। দুজনে মিলে খুব করে সাঁতরায় ঘণ্টাখানেক। তারপর জুমন বলে, ‘চল, এবার হাট থেকে মিষ্টি খেয়ে আসি।’
সুমন এবারও মাথা নাড়ে, ‘না রে, বাবা রাগ করবে।’
এবার জুমন যায় খেপে, ‘সেই কোন সময় থেকে ‘বাবা রাগ করবে...রাগ করবে’ করছিস, কোথায় তোর বাবা?’
‘ওই যে গাড়িটা দেখলি না উল্টে পড়েছিল, ওটার নিচে আটকে আছে।’
অফিসে দেরি করে এসেছে দেখে কর্মচারীকে ডেকে পাঠালেন বস, ‘আপনার এখানে নয়টার সময় আসা উচিত ছিল।’
কর্মচারী জবাব দেয়, ‘কেন, স্যার? নয়টার সময় কিছু হয়েছিল বুঝি?’
শরীর ভালো ঠেকছে না বলে ডাক্তারের কাছে গেলেন শফিক সাহেব। ডাক্তার কতক্ষণ পরীক্ষা করে প্রেসক্রিপশন দিলেন, ‘এই লম্বা বড়িটা সকালবেলা দুই গ্লাস পানির সঙ্গে খাবেন। ক্যাপসুলটা খাবেন দুপুরে, দুই গ্লাস পানির সঙ্গে। আর এই সিরাপটা দিলাম, রাতে খেয়ে তারপর দুই গ্লাস পানি খাবেন।’
ওষুধের বহর দেখে শফিক সাহেব তো ঘাবড়ে গেলেন। বললেন, ‘এত ওষুধ! আমার হয়েছে কী, ডাক্তার?’
ডাক্তার বললেন, ‘আপনি ইদানীং পানি কম খাচ্ছেন।’
মুরগি চুরির মামলা চলছে। আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়ানো মানুষটাকে বিচারক প্রশ্ন করলেন, ‘তুমিই কি অভিযুক্ত ব্যক্তি?’
লোকটা জবাব দিল, ‘জি না, স্যার, আমি হচ্ছি সেই লোক, যে মুরগিগুলো চুরি করেছে।’
যুদ্ধের ময়দানে পা রাখার ঠিক আগের মুহূর্তেই সৈনিকদের বোঝাচ্ছেন কর্নেল সাহেব, ‘মনে রাখবে, যে তোমাদের জীবন অতিষ্ঠ করে ছেড়েছে, দিনের পর দিন যে তোমাদের ক্ষতি করে যাচ্ছে, যুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত তোমরা যার জন্য শান্তিতে একটু বসার সুযোগও পাওনি, আজ তোমরা সেই শত্রুর মুখোমুখি হচ্ছো। জীবন দিয়ে লড়বে। শত্রুর শেষ দেখে তবেই ফিরবে।’
তড়াক করে লাফিয়ে উঠল এক সৈন্য; বলল, ‘আমি জানতাম, আমাদের বাবুর্চি হারামজাদা ওই পক্ষের হয়ে কাজ করছে!’
মা প্রতিবেশীকে: আমার বড় ছেলে ডাক্তার, মেজো ছেলে ইঞ্জিনিয়ার।
প্রতিবেশী: আর ছোটটা।
মা: ও তো একটা সন্ত্রাসী।
প্রতিবেশী: তাহলে ওকে বাড়ি থেকে বের করে দিচ্ছেন না কেন?
মা: কী বলেন এসব! ওই তো সবচেয়ে বেশি রোজগার করে।
এক ভদ্রমহিলা এলেন বিশাল এক সুপার শপে। দোকানের বিক্রয়কর্মীকে দেখতে পেয়ে বললেন, আমার স্বামীর জন্য কিছু ফল নিতে চাচ্ছি। আপনাদের ফলগুলোতে কীটনাশক দেওয়া আছে নাকি?
বিক্রয়কর্মী মুখটা কানের কাছে এনে ফিসফিস করে বলল, ফল এখান থেকেই নিতে পারেন। কীটনাশক আমাদের পাশের দোকানে বিক্রি হয়। এনে দেব এক শিশি?
সাংবাদিক: লোকজন খেতে পায় না, আর আপনি দুধভর্তি সুইমিং পুলে গোসল করেন?
সেরা ধনী: কী করব বলেন...গরুগুলো সব খাটো খাটো...একটার নিচেও দাঁড়াতে পারি না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



