আমার প্রিয় পোস্ট

গাহি সাম্যের গান...

স্রস্টার অনস্তিত্তের পক্ষে সাদামাটা কিছু যুক্তি...

০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১:২৫

শেয়ারঃ
0 0 0

যুক্তির খাতিরে ধরে নিলাম স্রস্টাকর্তা বলে কেউ একজন আছেন বলে মহাবিশ্বের সৃস্টি সম্ভব হয়েছে। সবকিছুর নিয়ন্তা সৃস্টিকর্তা মহোদয় তার মহাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৃস্টি করলেন মহাবিশ্ব। তারপর থেকে তিনি মহাবিশ্বের সবকিছুকে সুনির্দিস্ট নিয়মের মধ্যে এনে ক্লান্তহীনভাবে চালনা করে যাচ্ছেন। সৃস্টি আর ধ্বংসের মধ্য দিয়ে ঘটিয়ে চলেছেন শক্তির রূপান্তর। আসুন এবার দেখা যাক এর বিপক্ষে সাদামাটা যুক্তিগুলো কি ।


সময় (Time)
সময় বা কালের তিনটি ভাগ আছে - অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। অতীত ও ভবিষ্যতের সন্ধিক্ষনকে আমরা বর্তমান বলতে পারি। কার্যত "সময়" এত দ্রতগতিতে অতীত হয় যে সেকেন্ডের লক্ষভাগের একভাগ সময়ও "সময়" বা "কাল" দাঁড়িয়ে থাকেনা, বর্তমান শব্দটিকে সার্থক করে তুলতে। প্রশ্ন হচ্ছে "সময়" কি সৃস্ট? সৃস্ট না হলে বিশ্বজগতের সবকিছূর স্রস্টা সৃস্টিকর্তা এই বক্তব্য মিথ্যা হয়ে যায়। তাহলে দেখা যাচ্ছে সৃস্টিকর্তা মহাবিশ্ব সৃস্টি করেছেন কোন এক সময়ে এবং তার আগে সৃস্টি করেছেন "সময়"। কিন্তু কথা হচ্ছে সেই "সময়"কে সৃস্টি করলেন কোন সময়ে? আর যে সময়ে "সময়" সৃস্টি করলেন সেই সময়কে সৃস্টি করলেন কোন সময়ে? এভাবে প্রশ্ন চলতে থাকলে দেখা যাবে প্রকৃতপক্ষে "সময়" সৃস্টি করা সম্ভব নয়। অর্থ্যাৎ জগৎসংসারের সবকিছূর স্রস্টা সৃস্টিকর্তা এই বক্তব্য মিথ্যা ।


স্থান (Space)
আমরা যখন হাঁটি, চলি বা ফিরি প্রতি মুহুর্তে আমাদের শরীরের অস্তিত্ত কোন না কোন স্থান দখল করে থাকছে। শুধু আমরা নই, প্রতিটি বস্তুই কোন না কোন স্থান দখল করে প্রতি মুহুর্তে। পৃথিবীসহ প্রতিটি গ্রহ উপগ্রহ সৃস্টির পর থেকেই তাদের পরিক্রমার গতিপথ ক্রমপর্যায়ে যে স্থানসমুহ দখল ও ত্যাগ করে চলেছে, সে স্থানগুলোর অস্তিত্ত তাদের জন্মের আগে অবশ্যই ছিল বলা যায়। এরা সৃস্টি থেকেই কোন না কোন স্থানে অবস্থান করছে। এরা যদিও ধ্বংস হয় তবু এদের "স্থান"সমুহ ধ্বংস হবে না। তাহলে স্থান হলো কোনকিছুর অস্তিত্তের প্রামাণিক নিদর্শন। স্রস্টা যদি স্থান সৃস্টি করে থাকেন - তাহলে সেই স্থানকে সৃস্টি করলেন কোন স্থানে থেকে? যে স্থানে থেকে "স্থান" সৃস্টি করলেন সেটাইবা কোন স্থানে থেকে? এভাবে অগ্রসর হলে দেখা যায় স্থান সৃস্টি সম্ভব নয়। অর্থ্যাৎ জগৎসংসারের সবকিছূর স্রস্টা সৃস্টিকর্তা এই বক্তব্য মিথ্যা ।


নিয়ম (Rule)
তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম - বিশ্বসংসারের যাবতীয় কিছুকে নিয়মতন্ত্রে বেঁধে রেখেছে যে শক্তি তার নাম স্রস্টা । "নিয়মতন্ত্র" হলো কতগুলো নির্ধারিত বিধান বা নিয়মের অনুসরন। এই নিয়ম বা বিধানের লঙ্ঘনের নাম স্বেচ্ছাচারিতা। স্রস্টা নিয়মতান্ত্রিক হলে তার উদ্দেশ্যে নিবেদিত যাবতীয় উপাসনা বা প্রার্থনাসহ সবরকম প্রচেস্টাই অমুলক ও ব্যর্থ হতে বাধ্য। কারণ সৃস্টিকর্তা নিয়মতান্ত্রিক হলে তার পক্ষে কারো অনুরোধ রক্ষা করা সম্ভব নয়। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি ধর্মগ্রন্থই বলছে ইহলৌকিক সমৃদ্ধি বা পরলৌকিক মুক্তির জন্য স্রস্টার কাছে প্রার্থনার কথা। কিন্তু যেহেতু প্রার্থনাপুরনকারী স্রস্টার পক্ষে কোনক্রমেই নিয়মতান্ত্রিক হওয়া সম্ভব নয়, তাই বলা যায় বিশ্বসংসারের যাবতীয় কিছুকে নিয়মতন্ত্রে বেঁধে রাখার কোন ক্ষমতা স্রস্টার নাই।


বস্তু (Object)
বিশ্বজগৎ যখন সৃস্টি হয়েছে তখন তার স্রস্টাও আছে - এমন যুক্তির বিপক্ষে সর্বশেষে খুবই সাদামাটা অথচ জোরালো একটি যুক্তি স্বতঃস্ফুর্তভাবেই আসে, তা হলো - বিশ্বজগৎকে নাহয় সৃস্টি করলেন স্রস্টা, কিন্তু স্রস্টাকে সৃস্টি করলেন কে? তারপরেও প্রশ্ন আসবে - স্রস্টার স্রস্টাকে সৃস্টি করলেন কোন স্রস্টা? সেই স্রস্টাকেই বা কে সৃস্টি করলেন? এমন করে প্রশ্নমালা চলতেই থাকবে, শেষ সমাধানে পৌঁছানো যাবেনা। কাজেই বিশ্বজগৎ সৃস্টি করা কারো পক্ষে সশ্ভব নয়, অর্থ্যাৎ বিশ্বজগৎ সৃস্টিতে স্রম্টা বা অন্য কারো করনীয় কিছু নাই।



সহায়তা:
১. উৎস মানুষ : বিজ্ঞান অপবিজ্ঞান
২. আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না -প্রবীর ঘোষ
৩. মৌলবাদের উৎস সন্ধানে -ভবানী প্রসাদ সাহু
৪. George Smith, The Case Against God
৫. Does God exist? a debate between John P. Koster & Frank Zindler

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): স্রস্টাযুক্তিবাদবিজ্ঞানচেতনা ;
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: :)

২. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১:৪০
সবাক বলেছেন: বাপরে বাপ জটিল কর্ম সাধিত হইলো।

বিতর্ক থাকতে পারে, তবে টানেলটা সমান্তরাল আছে মনে হচ্ছে।

তাই প্লাস।
০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: আপনেরে ধইন্যবাদ।

৩. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১:৪৭
নেমেসিস বলেছেন: জিউস ভদ্রলোকরে দেখলাম মনে হয় :)
০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন: ঠিক ধর্ছেন।

০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: :) ... জোস ফটুক লাগাইছেন বস।

৫. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১:৫৩
এস্কিমো বলেছেন: ভাল লেখছেন। অবশ্যই প্লাস।

তবে লেখাটা পড়ে মনে হলো স্রষ্টা সকল সৃষ্টি শেষে কোন একসময় এলপিআর এ গেছেন। :)

০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: :) :) :)

৬. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ২:২৯
নবাব সিরাজউদ্দৌলা বলেছেন:
প্লাস দিছি আলোচনা করা উচিৎ তাই।
বাস্তব ও যুক্তি সম্পন্ন প্রানবন্ত আলোচনা সব সময়ই পজিটিভ।
৮. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ২:৩৭
সঞ্জিব বলেছেন: সময়ের ব্যাক্ষা টা ভালো লাগলো......
১০. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ২:৪৬
আলিফ দেওয়ান বলেছেন: গ্যারান্টি দিতারি কোন ছাগু আইবোনা তর্ক করতে। সালুয়ার থাকলেও একটা কথা ছিল। কিন্তু সেতো........:(
০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ৩:০৩

লেখক বলেছেন: .......:( সেলুয়ারের মহাবেগতিক নিকটাও গেছে নাকি?

১১. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ২:৫৪
নেমেসিস বলেছেন: পোস্ট এ প্লাস ।


তয় ঠাডা মাইরা আমার কম্পু জ্বালানোর জন্য জিউস ব্যাডারে মাইনাস :(
০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ৩:০১

লেখক বলেছেন: হেহ হেহ... আমি ভাবতেছি হেরে এই কাম কে দিল?

১২. ০২ রা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:১৫
আশার আলো বলেছেন: ফ্যালাসী বলে একটা ধারনা আছে।
যেমন ধরা যাক প্রমান করা হলো ২=১; এটা একটা ফ্যালাসী ।
১৩. ০২ রা জুন, ২০০৮ সকাল ১১:০৭
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আপনার উপস্থাপিত সবগুলি যুক্তিই বহু আগে থেকে নাস্তিকদের দ্বারা উপস্থাপিত হয়ে আসছে। এবং এ'গুলোর উৎস হচ্ছে মানুষের জ্ঞানের স্বল্পতা। আপনার প্রথম দুটি যুক্তি সময় এবং স্থান নিয়ে। বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত বিগব্যাং থিওরী কিন্তু বলছে এই ত্রিমাত্রিক স্থান এবং সময় কোনটিই অসীম নয়। সময়েরও শুরু আছে স্থানেরও শেষ আছে। তবে সময়ের শুরুর আগে কি ছিল বা স্থানের বাইরে কি আছে তা মানুষ জানে না। আর নিয়ম তান্ত্রিকতার যে কথা আপনি বলেছেন তার বিপরীতে বলা যায় - নিয়মই যদি এটা হয় যে বান্দা সঠিক ভাবে প্রার্থনা করলে তা কবুল করা হবে, তাহলে সেই নিয়ম পালনে বাধা কোথায়?

যাই হোক আপনাকে একজন নাস্তিক বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু বুঝতে পারছি না আপনি কোন ধরনের নাস্তিক। আমি একটি ধারাবাহীক রচনায় নাস্তিকতা বিষয়ক অনেক কথা বলেছি। যদি সময় করে খোলা মন নিয়ে পড়েন আশা করি উপকৃত হবেন। শুরু করতে পারেন এখান থেকে - Click This Link
০২ রা জুন, ২০০৮ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: "বহুকাল আগে থেকে উপস্থাপিত" যুক্তিগুলো বহুকাল আগের স্রস্টাবিশ্বাসীদের মতো "জ্ঞানের স্বল্পতার" অজুহাত দেখিয়ে আপনি এড়িয়ে গেলেন। এ জাতীয় যুক্তিহীন আর্গুমেন্ট দিয়ে অস্তিত্তহীন কিছুর অস্তিত্ত প্রমাণ করা যায় না। আমি যদি বলি আকাশ থেকে মাঝে মধ্যে ঘোড়ার ডিম বৃষ্টি হয়ে থাকে, সেই ডিমগুলো মাটিতে পড়ার আগেই গ্যাস হয়ে বায়ুমন্ডলে মিলিয়ে যায়... আপনি কোনভাবেই আমার কথাকে নাকচ করতে পারছেন না। আপনি কোনভাবে যুক্তি হাজির করতে গেলে আমি বলবো , "এটা আপনার অজ্ঞতা। ঘোড়ার ডিম সম্বন্ধে আপনি কতটুকু জানেন? বৃস্টি শুরুর আগে বা পরে মহাজগতে জোতিস্কমন্ডলে কি হচ্ছে তা সঠিকভাবে মানুষ জানে না।" এই একই কারণে "মানুষের জ্ঞানের স্বল্পতা" মার্কা ধোঁয়াশার বিভ্রান্তিতে বিভ্রান্ত হয়ে স্রস্টার অস্তিত্ত স্বীকার করতে পারিনা। যতটুকু জানি, সেইটুকুতে আস্থা আছে বলেই পারিনা।

আর বিগব্যাং বা কোয়ান্টাম থিওরি প্রসংগে বলব এটা সর্ম্পণূভাবে বিজ্ঞানের বিষয়। বিগব্যাং বা বিবর্তনের ধারায় স্রস্টার কোন ভূমিকা আছে বলে বিজ্ঞান স্বীকার করেনা। আধূনিক যুগের কিছু ধান্দাবাজ বিজ্ঞানবিরোধী বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে নিজেদের বিশ্বাস নির্ভর চিন্তাকে হাজির করতে শুরু করেছে নতুনভাবে,নতুন মোড়কে বিজ্ঞানের শব্দ যুক্ত করে, বিজ্ঞানের এসেন্স মাখিয়ে। বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের অপব্যবহার করা বিরক্তিকর ধরনের ভন্ডামী। বিজ্ঞানের গোড়ার কথাই হলো ম্যাটার বা এনার্জির কোনদিন সৃষ্টি বা ধ্বংস হয়না, সেগুলো কেবল রূপ বদলাতে পারে। বিশ্বসৃস্টির আগেও এগুলো ছিল, বিশ্ব যদি ধ্বংসও হয় তখনও এগুলো থাকবে। তার মানে ম্যাটার এনার্জি টেনার্জি এগুলো আগেও ছিল, পরেও থাকবে- এখানে স্রস্টার কি করার আছে?

নিয়মতান্ত্রিকতার বিষয়ে সোজা কথা হলো কারো পক্ষে একই সাথে "প্রার্থনা কবুলকারী" এবং "নিয়মতান্ত্রিক" হওয়া সম্ভব নয়। নিয়মতান্ত্রিক স্রস্টার প্রার্থনার ফলাফল সব সময়েই শূন্য হতে বাধ্য।

আপনার লিংকের লেখাগুলো পড়ে স্রস্টার অস্তিত্ত-অনস্তিত্তের বিষয়ে কোন প্রমাণ বা প্রামাণিক উপকরন খুঁজে পেলাম না বলে দুঃখিত। যা লিখেছেন তা হলো আপনার ব্যক্তিগত বিশ্বাস বা আবেগের কথা।

১৪. ০২ রা জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৬
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আমার সবগুলো লেখা আপনি পড়েছেন বলে মনে হয় না। আমার নাস্তিক ভাবনার প্রথম পর্বেই বলেছি - নাস্তিকরা এক ইশ্বর "বিজ্ঞন"এ এসে আটকে আছে। কিন্তু বিজ্ঞানই কি সব?

"বিজ্ঞানের গোড়ার কথাই হলো ম্যাটার বা এনার্জির কোনদিন সৃষ্টি বা ধ্বংস হয়না, সেগুলো কেবল রূপ বদলাতে পারে।" এটাই তো এই বস্তুজগতের সীমাবদ্ধতা। আপনার বিজ্ঞানও এই সীমাবদ্ধতায় আটকে আছে। আচ্ছা বলুন তো বিজ্ঞানের কাজ কি? এক কথায় বলা যায় - বিজ্ঞানের কাজ জগতের নিয়মগুলি উদ্ভাবন করা - তাহলে সেই নিয়ম বানাল কে? যদি কেউ নাই বানাত তাহলে বিজ্ঞান কি উদ্ভাবন করত?

আর বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে শ্রস্ঠার অস্তিত্ব প্রমানের চেস্টা আমি করিনি। আমি শুধু বলেছি - আপনারা নাস্তিকরা যে বিশ্বাস করেন এই জগতের কোন শুরু বা শেষ নাই - বস্তু স্থান এবং সময় চিরস্থায়ী - তার জবাবেই বলেছি বিগ ব্যাং থিওরী অনুযায়ী সময়ের শুরু ছিল - বস্তু এবং স্থানেরও সীমা আছে। আমি কি ভুল বলেছি?

"নিয়মতান্ত্রিকতার বিষয়ে সোজা কথা হলো কারো পক্ষে একই সাথে "প্রার্থনা কবুলকারী" এবং "নিয়মতান্ত্রিক" হওয়া সম্ভব নয়।" আপনি নয়মতান্ত্রিকতা বলতে কি বোঝাতে চান সেটাই বুঝতে পারছি না। প্রার্থনা কবুল করা মানেই কি নিয়মের বাইরে চলে যাওয়া? যদি তাই হয় তাহলে পৃথিবীর কোন শাসক, কোন বিচারক এমনকি কোন পরীক্ষকের পক্ষেই নিয়মতান্ত্রিক হওয়া সম্ভব নয়।

আপনি আমার উপস্থাপিত আদী শ্রস্ঠা বা ফাস্ট কজের ধারনাতে কোন যুক্তি খুজে পেলেন না দেখে হতাশ হলাম। ঠান্ডা মাথায় খোলামনে আমার এই লেখাটা আরএকবার পড়েন - এবং আমার উপস্থাপিত যুক্তিগুলো নিয়ে চিন্তা করেন। আশা করি শ্রস্ঠা সংক্রান্ত আপনার ধারনায় পরিবর্তন আসবে। Click This Link

ভাল কথা - আপনি কোন ধরনের নাস্তিক তা কিন্তু বল্লেন না। আমি চার প্রকার নাস্তিকে চিনি যাদের বর্ণনা আমার লেখাগুলোর প্রথম ৪ পর্বে আছে - আপনি কোন প্রকার জানতে খুব ইচ্ছে করছে।
১৫. ০২ রা জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৯
অিনেকত বলেছেন: জটিল প্রশ্ন, উত্তর নেই । আস্তিকদের আবেগপ্রসুত উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম ।

+
১৬. ০২ রা জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: হায়রে কাঙ্গাল, হায়রে মুরশিদ, এত দিন ধইরা, এত পরিশ্রম করতাছেন যার লইগ্যা, হে এতই লজ্জ্বাশীল এতই দুর্বল যে একবারও আপনার সাথে আইসা দাঁড়ায় না নাস্তিকগো মোকাবেলায়। X(

এই বালখিল্যতা কবে শেষ হইবো কে জানে? X((
১৭. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০০
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "তার মানে ম্যাটার এনার্জি টেনার্জি এগুলো আগেও ছিল, পরেও থাকবে- এখানে স্রস্টার কি করার আছে?"

কিছুদিন আগে আমি উদ্ভাবন করলম যে আমার টিভির ১১ নম্ব চ্যানেলে পিস টিভি দেখা যায়। এখন যদি আমি বলি রিমোটে ১১ নম্বর টিপলেইতো পিস টিভি চলে আসে - এখানে স্যাটেলাইটের কি করার আছে? এরকম প্রশ্ন শুনে আপনি আমাকে বেকুব বলবেন - কারণ আপনি জানেন স্যাটেলাইটের কাজ কি। কিন্তু যে জানে না সে যদি নিজেকেই সব ভাবে - যদি মনে করে সে রিমোট টিপছে বলেই টিভি চলছে তাহলে কি তাকে দোষ দেয়া যাবে?

একই ভাবে বিজ্ঞান শুধুমাত্র প্রকৃতির নিয়মগুলো উদ্ভাবন করে। কেউ একজন এই নিয়মগুলো বানিয়েছে বলেই বিজ্ঞান তা উদ্ভাবন করতে পারছে। কোন বিজ্ঞানী কোন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমান করেন নি যে শ্রস্ঠা নেই - বিজ্ঞান শুধু বলে সে জানে না কোন শ্রস্ঠা আছে কি নেই। এ'সংক্রান্ত বিশাল আলোচনা আছে আমার ব্লগে। যদি সময়করে পড়েন আশাকরি চিন্তার অনেক খোরাক পাবেন।
০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: আমার ছোটভাই মোহাম্মদ করিমউল্লাহর মতে প্রকৃতির নিয়ম যতগুলান আছে সবগুলা সেই(মোহাম্মদ করিমউল্লাহ) বানাইছে। এখন আমি কুনোভাবে প্রমান করতে পারতেছি না যে এইগুলান সে বানায় নাই। আপনে একটু সাহায্য করেন..

১৮. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: @দ্বিতীয়নাম : তিনি আসেন না কারণ তিনি এসে গেলে আর বিশ্বাসের পরীক্ষাটা থাকবে না। তবে তিনি একদিন আসবেন যেদিন আপনাদের আর কিছু করার থাকবে না। বিস্তারিত আলোচনা এখানে আছে - সময় নিয়ে পড়বেন আশা করি। Click This Link
১৯. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬
হিমু রুদ্র বলেছেন: সহায়তা:
১. উৎস মানুষ : বিজ্ঞান অপবিজ্ঞান
২. আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না -প্রবীর ঘোষ
৩. মৌলবাদের উৎস সন্ধানে -ভবানী প্রসাদ সাহু

--একটা সাধারণ জ্ঞান এবং দুইটা আনাড়ি গ্রন্থ থেকে সহায়তা নিয়ে গুগর্ভ যে লেখা তৈরী হলো - সেটা পড়ে হাসতে হাসতে পেটে ব্যথা ধরে গেল !

বস্তু (Object)
বিশ্বজগৎ যখন সৃস্টি হয়েছে তখন তার স্রস্টাও আছে - এমন যুক্তির বিপক্ষে সর্বশেষে খুবই সাদামাটা অথচ জোরালো একটি যুক্তি স্বতঃস্ফুর্তভাবেই আসে, তা হলো - বিশ্বজগৎকে নাহয় সৃস্টি করলেন স্রস্টা, কিন্তু স্রস্টাকে সৃস্টি করলেন কে? তারপরেও প্রশ্ন আসবে - স্রস্টার স্রস্টাকে সৃস্টি করলেন কোন স্রস্টা? সেই স্রস্টাকেই বা কে সৃস্টি করলেন? এমন করে প্রশ্নমালা চলতেই থাকবে, শেষ সমাধানে পৌঁছানো যাবেনা। কাজেই বিশ্বজগৎ সৃস্টি করা কারো পক্ষে সশ্ভব নয়, অর্থ্যাৎ বিশ্বজগৎ সৃস্টিতে স্রম্টা বা অন্য কারো করনীয় কিছু নাই।

----------স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলেন ? এই প্রশ্নের উত্তর ধর্মগ্রন্থ ছাড়া বিজ্ঞানও দিতে পারে নাই ! আপনি খুব সুন্দর করে লিখলেন এমন করে প্রশ্নমালা চলতেই থাকবে, শেষ সমাধানে পৌঁছানো যাবেনা। কাজেই বিশ্বজগৎ সৃস্টি করা কারো পক্ষে সশ্ভব নয়, অর্থ্যাৎ বিশ্বজগৎ সৃস্টিতে স্রম্টা বা অন্য কারো করনীয় কিছু নাই। এতটা নিশ্চিত হলেন কিভাবে ? আপনার লেখাতেও দারুণ অসম্পুর্ণতা আছে। আপনার লেখাটার শিরোনাম হওয়া উচিত ছিলো "আমার সংশয়পূর্ণ মস্তিষ্ক এবং পৃথিবীর একা একা সৃষ্টি !"
০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: "---------স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলেন ? এই প্রশ্নের উত্তর ধর্মগ্রন্থ ছাড়া বিজ্ঞানও দিতে পারে নাই ! "

ছাগুভাইয়া, পারলে প্রশ্নগুলার উত্তর দেন, খালি খালি বিজ্ঞানরে টানেন ক্যান? স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলেন না করলেন এইগুলা কোন ধরনের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের বিত্রে পড়ে না। বিজ্ঞানের জগতে ব্যক্তিবিশ্বাস বা অন্ধবিশ্বাসের কানাকড়ি মুল্য নাই। বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত হয় পরীক্ষা আর পযবেক্ষন দিয়া, বিজ্ঞানে স্রস্টা জাতীয় কোন টপিক নাই।

২১. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আপনি আমার লেখাগুলা না পড়ে নিজের বিশ্বাস নিয়েই আছেন। এভাবে অন্ধ বিশ্বাস নিয়ে আপনি আবার নিজেকে নাস্তিক বলে জাহির করেন - আশ্চর্য!!

আমার লেখায় দেখিয়েছি কিভাবে সৃস্টি তত্বের অসীম চক্রের সমাধানের জন্য শ্রস্ঠার অস্তিত্ব অনিবার্য। আপনি যদি শৃস্টি তত্বের সমাধান করতে না চান- তাহলে বড়যোর এতটুকু বলতে পারেন যে শ্রস্ঠা আছে কি নেই তা আপনি বা আপনার বিজ্ঞান জানে না। "নেই" এ'কথা এত জোর দিয়ে বলছেন কিভাবে? এটাও তো আপনার একটা বিশ্বাস - নাকি বৈজ্ঞানিক সত্য? কিন্তু তা তো সম্ভব নয় কারণ আপনি নিজেই বলেছেন "বিজ্ঞানে স্রস্টা জাতীয় কোন টপিক নাই।" সুতরাং শ্রস্ঠা আছে কি নেই তা বলার ক্ষমতা বিজ্ঞানের নেই। আপনি নাই বল্রেও সেটা বিশ্বাস - আমি আছে বলি সেটাও বিশ্বাস। তাহলে আমি অন্ধ বিশ্বাসী আর আপনি মহা জ্ঞানী হলেন কিভাবে?

আর নাস্তিকের শ্রনী বিভাজনটা পড়েছেন? বল্লেন না তো আপনি কোন ধরনের নাস্তিক? যেসব বই এর রেফারেন্স দিয়েছেন আর যেসব বহুল প্রচলিত যুক্তি উপস্থাপন করছেন তাতে কিন্তু আপনাকে আমার "বিভ্রান্ত নাস্তিক"বলেই মনে হচ্ছে যারা মুলত নাস্তিকতার দু-একটি বই পড়ে এবং সেগুলোতে উপস্থাপিত কুযুক্তির উত্তর দিতে না পেরেই নাস্তিক হয়ে যায়।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: দুরো আপনে এত বিজ্ঞান বিজ্ঞান কর্তেছেন কেন বুঝলাম না। আমার পোস্টে বিজ্ঞানের কোন তত্ত্ব নাই, এগুলো সাধারন লজিক। আপনি যদি বিশ্বাস করেন কেউ একজন আছে যে এইসব চালাচ্ছে, সেটা আপনার ব্যক্তিগত বিশ্বাস (বা অন্ধবিশ্বাস আপনার কথা অনুযায়ী) ।

আপনারে কতবার বলতে হবে যে যুক্তিহীন আর্গুমেন্ট দিয়ে অস্তিত্তহীন কিছুর অস্তিত্ত প্রমাণ করা যায় না। আপনি যখন বলবেন "এইটা আছে", তাহলে "এইটা" যে "আছে " তা প্রমাণ করার দ্বায়িত্বও আপনার। কোন কিছু নাই" এইটা প্রমাণ বা অপ্রমাণের আওতায় পড়ে না। আমি যদি দাবী করি আমার অদৃশ্য দশটা পা আছে, দশটা পা দিয়া আমি বিভিন্ন ধরনের কাজকাম করি, যেইগুলো দেখার জন্য দিব্যচক্ষু দরকার ... আপনি কি প্রমাণ করতে পারবেন যে আমার দশটা পা নাই?

২২. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: আমাদের গুগর্ভ হিমু ভাই (যেকোন আস্তিকের মতোই) মহা কনফিউশনে বিরাজমান।

উনি এমনভাবে বললেন "----------স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলেন ? এই প্রশ্নের উত্তর ধর্মগ্রন্থ ছাড়া বিজ্ঞানও দিতে পারে নাই ! "

ভাবখানা এমন বিজ্ঞানকে ধর্মের পক্ষ থেকে সাব-কন্ট্রাক্ট দেয়া হয়েছে "...উত্তর খুঁজে বের করার জন্য"।

আরে বিজ্ঞানতো এই প্রশ্নটা করে থাকে এটা প্রমান করার জন্য যে আসলে 'স্রষ্টা' ব্যাপারটা পুরোটাই কাল্পনিক।

আমাদের হয্রত মুহাম্মদ ভাই তার মতো আর সকল ধর্ম প্রচারকগনের মতোই এই 'কাল্পনিক অস্তিত্ব'টা ব্যাভার করেছেন, কারন মানুষকে বোঝানো সোজা এই ধুয়া তুলে।

মাতায় ঢুকসে?
২৩. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: কাঙ্গাল মিয়া আসলেই ভিতরে ফোঁপড়া কাঙ্গাল।

একই কথা প্রযোজ্য। বিজ্ঞানের খায়া দায়া আর কাজ নাই স্রষ্টার অস্তিত্ব আছে না নাই নিয়া টাইম নষ্ট করার!

এর চেয়ে বহুতগুন জরুরী কাজে বিজ্ঞানীরা ব্যাস্ত।

সমস্যা করেন আপনার মতো গুগর্ভ (হিমু ভাইয়ের আবিষ্কার ;) ) ধর্মবাজগন, যারা 'বিশ্বাসের' উপযুক্ত বস্তুকে 'বিজ্ঞান দ্বারা প্রমান' করে আসমান থেকে নামিয়ে ফেলতে গাধার মতো বেগার খাটতেছেন।

আর স্বল্পশিক্ষিত মাওলানা 'ছাহেব' দের মতোন ফালতু বানানে লেখবেন না তো! (আপনার লেখা পড়ে মনে হয় আপনি নিজেকে এট লিস্ট 'শিক্ষিত' প্রমানে সচেষ্ট)

'শ্রস্ঠার', 'বড়যোর', এইগুলা কি? বাংলা বানান টাইপের ভুল মেনে নেয়া যায়, কিন্তু ইচ্ছাকৃত বানান বিকৃতি বিরাট অপরাধ।
২৪. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "বিজ্ঞানের খায়া দায়া আর কাজ নাই স্রষ্টার অস্তিত্ব আছে না নাই নিয়া টাইম নষ্ট করার!. এর চেয়ে বহুতগুন জরুরী কাজে বিজ্ঞানীরা ব্যাস্ত।"

তার মানে আপনি মানছেন যে নাস্তিকতা বিজ্ঞান দ্বারা প্রমানিত নয়। আস্তিকতার মতই এটাও একটা বিশ্বাস। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ - আমি তো আমার এই ব্লগে লেখার প্রথম থেকে এই কথাটাই বলতে চাচ্ছি।

আর বাংলা বানানের পরীক্ষা দিতে হলে ব্লগে লেখাই বাদ দিতে হবে। কারণ শ-ষ-স,ি-ী,ু-ূ,জ-য এর ব্যাবহারবিধি সেই যে স্কুলে পড়েছিলাম তারপর আর চর্চা করা হয়নি। ইনফ্যাক্ট বাংলায় লিখছিও অনেক দিন পর। বাংলা কীবোর্ড শিখতেই খবর হয়ে গেছ - এখন যদি বলেন বাংলা বানানরীতিও নতুন করে শিখতে হবে - তাহলে আবার স্কুলে ভর্তি হওয়া ছাড়া গতি নাই।

যাইহোক আপনি তো আমার নাস্তিকের শ্রেণী বিভাগ সম্পর্কিত লেখাগুলো পড়েছিলেন - আপনি কোন প্রকার নাস্তিক জানালে খুশি হতাম। যদি আমার শ্রেনী বিভাগের বাইরেও অন্যকোন প্রকার নাস্তিক হয়ে থাকেন - দয়া করে তাও জানাবেন।
২৫. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০২
আরিফুর রহমান বলেছেন: হুমমম... এইবার বুজলাম এই কাঙ্গাল আমরার ফিরুজ্যা ছাড়া আর কেউ না।

কিমুন আছ?
২৬. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: কাঙ্গাল, খুব তো নিজের পোস্টের রেফারেন্স টানো, এই পোস্টটা Click This Link পইড়া দেখছো?

নাস্তিকতার সাথে যে বিশ্বাসের কোন সম্পর্ক নাই এইটা এতোবার বৈলাও তোমাগো মাতায় ঢুকান যায় না কেন?

ইটের মাঝেও তো ড্রিল দিয়া ফুটা করন যায়, তোমগো মাতা এমন পাত্থরের লাহান নিরেট ক্যান?

নিজেরা বিশ্বাসের ব্যাপারী তো! বেক্তেরে তাই মনে করনের বদ-স্বভাবটা তোমগো গেলনা!!!
২৭. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭
তেপান্তের মাঠ পেরিয়ে বলেছেন: আর যে সময়ে "সময়" সৃস্টি করলেন সেই সময়কে সৃস্টি করলেন কোন সময়ে? এভাবে প্রশ্ন চলতে থাকলে দেখা যাবে প্রকৃতপক্ষে "সময়" সৃস্টি করা সম্ভব নয়।

তাহলে সময় এলো কোথা থেকে?

যে স্থানে থেকে "স্থান" সৃস্টি করলেন সেটাইবা কোন স্থানে থেকে? এভাবে অগ্রসর হলে দেখা যায় স্থান সৃস্টি সম্ভব নয়।


তাহলে স্থান এলো কোথা থেকে?
২৮. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:১১
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "আপনি এত বিজ্ঞান বিজ্ঞান করছেন কেন বুঝলাম না। আমার পোস্টে বিজ্ঞানের কোন তত্ত্ব নাই" - সুতরাং বৈজ্ঞানিক প্রমান ছাড়াই আপনি বিশ্বাস করেন যে স্রষ্টা নাই। এই বিশ্বজগত এমনি এমনি তৈরী হয়েছে। স্থান, সময় এর কোন শুরু বা শেষ নেই - বস্তু,শক্তির কখনো সৃস্ট হয়নি-ধ্বংসও হবে না - এসবই তাহলে আপনার বিশ্বাস।

তো আপনি যখন বৈজ্ঞানিক প্রমান ছাড়া বিশ্বাস করতে পারেন তখন আমাকে বিশ্বাস করতে নিষেধ করেন কিভাবে? আমি বিশ্বাস করি বিশ্বজগতের একজন স্রষ্টা আছে - আমাদেরকে দুনিয়ার প্রতিটি কাজের জন্য তার কাছে জবাবদিহি করতে হবে। যদি আপনার বিশ্বাস ঠিক হয় - তাহলে আমার কোন সমস্যা নাই। মৃত্যুর পর আপনিও মাটি হয়ে যাবেন আমিও। বরং স্রষ্টাকে এবং পরকালিন জবাবদিহিতাকে বিশ্বাস করার কারণে আমি দুনিয়াতে যে বিভিন্ন খারাপকাজ থেকে বেঁচে থাকতে পারছি এটা নগদ লাভ। কিন্তু যদি আমার বিশ্বাসটা ঠিক হয় তখন কি করবেন? আমি তো অন্তত বলতে পারব - হে আল্লাহ তোমার আদেশ নিষেধ সব মানতে না পারলেও তোমাকে অন্তত বিশ্বাস করতাম - কিন্তু আপনি সেদিন কি বলবেন?
০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০

লেখক বলেছেন: এইখানে বিশ্বাসের কি দেখলেন, আমিতো সাধারন লজিক দিয়াই স্রষ্টারে বাতিল কইরা দিলাম। এইটা তো বিশ্বাস না, বরং অবিশ্বাস। আপনার বিশ্বাস নিয়া আপনি থাকেন কোন অসুবিধা নাই, দয়া করে স্রস্টা/পরকাল/ বিশ্বাস এইসবের সাথে যুক্তি বা বিজ্ঞানকে জড়িত করবেন না। কোন বস্তু যতক্ষন পর্যন্ত পরীক্ষা-পর্যবেক্ষন দিয়া প্রমাণিত না হয় ততক্ষন পর্যন্ত তাতে অবিশ্বাস করাটাই বিজ্ঞানমনস্কতা।

২৯. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আরিফ ভাই খুব খেপেছেন দেখছি। আমি কিন্তু ফিরোজ না। তবে হয়ত তার বিশ্বাসের সাথে আমার মিল আছে তাই কথাগুলো একরকম মনে হয়।

যাই হোক - আপনি এবং নাস্তিকের ধর্মকথা উভয়ে বলেছেন "ইশ্বর চিন্তা বিজ্ঞানের কোন বিষয় না।" তাহলে যেটা বিজ্ঞানের বিষয় না সেটার ব্যাপারে গৃহিত সিদ্ধান্ত(হ্যা বা না যাই হোক) বৈজ্ঞানিক সত্য হয় কি ভাবে এটাই তো বুঝতে পারছি না। আর নাস্তিকতা যদি বিশ্বাসও না হয় বৈজ্ঞানিক সত্যও না হয় তাহলে সেটা কি?

আপনি কোন প্রকারের নাস্তিক তা কিন্তু এখনও বলেননি। যদি আমার শ্রনী বিভাজনের বাইরের কিছু হন - দয়াকরে বলুন। আমার শ্রনী বিভাজনটা তাহলে আরো সমৃদ্ধ হবে।
৩০. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: ফিরোজ, প্রথম কথা, নাস্তিকতার কোন শ্রেণী বিভাজনের প্রয়োজন নাই।

তুমি যে শ্রেণীকরন শুরু করেছ এটা যে একটা মগবাজারী প্রজেক্ট সেটা খুব সহজেই বোঝা যায়।

এটাকে পাবলিকে বলে 'আসো খেলি, কিন্তু আমি নিয়ম বানাবো, এবং এই খেলাটার নাম আমি দিবো'

নাস্তিক হলো 'যে কোন প্রকার স্রষ্টার প্রয়োজন দেখেনা।' তুমি যদি আমারে আস্তিক বানাইতে চাও, বি মাই গেস্ট; প্রমান করো যে সে ব্যাটা বিদ্যমান। যদি না পারো, রাস্তা মাপো... দয়া কৈরা এই ব্লগ রিলিজিয়াস আবর্জনা দিয়া ভইরো না!

তুমি যেহেতু আস্তিক, সুতরাং নিজের বিশ্বাস নিয়ে থাকো। কেউ তো বলেনি, আসুন ভাইসকল নাস্তিক হই। কারন নাস্তিক হতে একটা লেভেল পর্যন্ত পড়াশোনা লাগে, ফিরুজ্যারে বহুত চেষ্ট করেও সেদিকে নেয়া যায় নাই।
৩১. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন: বুঝলাম, আমারও কিছু সাদামাটা প্রশ্ন......

এই সময়, স্থান, নিয়ম, বস্তু....... এগুলির কোন সৃষ্টি নেই? অনাদি কাল থেকে চলে আসছে? মানে এগুলির শুরুও নেই শেষও নেই? সৃষ্টির ব্যাপারেই যদি আপনার এই ধারণা হয় তাহলে স্রষ্টার অনাদি-অনন্ত হতে সমস্যা কোথায়? বস্তু, নিয়ম, স্থান, সময়..... এগুলির অস্তিত্ব আমরা দেখতে পারছি, এগুলো আসল কোথা থেকে?

স্রষ্টাকে আপনি কিছুতেই ডিফাইন করতে পারেন না, আপনি কেবলই এক অস্থিরতার মধ্যে ডুবে থাকবেন, আপনার কাছে এসব প্রশ্নের কোন সল্যুশন নেই। স্রষ্টা নিজেই নিজের পরিচয় দিয়েছেন একদম পরিস্কারভাবে....

বল, আল্লাহ একক।
তিনি কারও মুখাপেক্ষী নন,
তিনি কোন সন্তান নেই, তিনিও কারও সন্তান নন
এমন কোন কিছুই নেই যা তার মত

সুরা ইখলাস (১-৪)
৩২. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৮
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আচ্ছা আস্তিকরা বিশ্বাস করেন যে আল্লা আছে এবং সৃষ্টিকর্তা তিনিই,ভালো কথা। কিন্তু বারবার এটা কেন প্রমাণ করতে চায় যে নাস্তিকরা বিশ্বাস করে যে স্রষ্টা নেই?এটা তো বিশ্বাস না। এটা আসলে একটা হাইপোথিসিস। যেটা প্রমাণ করার জন্য যুগে যুগে যুক্তি তর্ক, বৈজ্ঞানিক গবেষণার অবতারণা করা হয়েছে। যার মাধ্যমে এটা এখন প্রায় প্রতিষ্ঠিত।আর আস্তিকেরা তাদের বিশ্বাসের ঢাল দিয়ে নিজেদের আড়াল করে রেখে নাস্তিকদেরও বিশ্বাসের চাদরে ঢাকতে চায় কারণ তাতে যে তাদেরই সুবিধা।তখন তারা বলতে পারবে তোমরা প্রমাণ ছাড়া যেমন স্রষ্টা নেই বিশ্বাস করো তাহলে এটাও বিশ্বাস করো যে স্রষ্টা আছে।তখন তাদের হাতিয়ার হবে পৃথিবীর রচিত কিছু ধর্ম গ্রন্থ যেগুলো তাদের মতে ঐশ্বি।এবং তারা এগুলোকে স্রষ্টার অস্তিত্ব সম্পর্কিত প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করবে।
৩৩. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আরিফ ভাই আপনি তাহলে কোন প্রমান ছাড়াই আমাকে ফিরোজ হিসেবে ধরে নিলেন? আপনার নাস্তিকতার দৌড় তাহলে এই পর্যন্ত?

এজন্যই যখন আপনাদের মুখে শুনি "প্রমান ছাড়া বিশ্বাস করি না" তখন হাসি পায়। শুধুমাত্র স্রস্টার অস্তিত্বের ক্ষেত্রেই আপনাদের প্রমান লাগে - এই এতবড় বিশ্বজগতকেও প্রমান হিসেবে আপনাদের কাছে যথেস্ট মনে হয় না - স্থান-সময়-বস্তু-শক্তি সবকিছুর অন্যতায় আপনারা বিশ্বাস করেন, সমস্যা শুধুমাত্র এক আল্লাহর অনন্যতা নিয়ে - আরো কত কিছু প্রমান ছাড়াই কি চমৎকার ভাবে বিশ্বাস করে যাচ্ছেন। এমন কি "স্রস্টা নাই" এটাও বিশ্বাস করছেন কোন বৈজ্ঞানিক প্রমান ছাড়াই। কিসুন্দর নাস্তিকতা!!!

এই ভন্ডামী যেদিন বাদ দেবেন সেদিনই ব্লগে এ'সংক্রান্ত লেখার ইতি ঘটবে। যতদিন আপনাদের স্ববিরোধিতা - ভন্ডামী থাকবে ততদিন আপনাদের প্রতিটি কুযুক্তির জবাব কেউ না কেউ দেবেই ইনশাআল্লাহ।
০৩ রা জুন, ২০০৮ ভোর ৫:২১

লেখক বলেছেন: ভন্ডামী কোথায় করলাম রে ভাই?

৩৪. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪
মাহমুদ রহমান বলেছেন: তিনি কোন সন্তান নেই, তিনিও কারও সন্তান নন=> তার কোন সন্তান নেই, তিনিও কারও সন্তান নন
৩৫. ০২ রা জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "এইখানে বিশ্বাসের কি দেখলেন, আমিতো সাধারন লজিক দিয়াই স্রষ্টারে বাতিল কইরা দিলাম। " এটাই তো বিশ্বাস। আপনি আপনার যুক্তিকে অকাট্য বলে বিশ্বাস করছেন। যুক্তি যে আরো আছে সেটা মানলে আর নাস্তিক থাকতে পারতেন না।


" কোন বস্তু যতক্ষন পর্যন্ত পরীক্ষা-পর্যবেক্ষন দিয়া প্রমাণিত না হয় ততক্ষন পর্যন্ত তাতে অবিশ্বাস করাটাই বিজ্ঞানমনস্কতা।" তাহলে আপনার ধারনা আল্লাহ একটা বস্তু? এই জন্যই আপনাদের আমি বিভ্রান্ত নাস্তিক বলি। যদি সত্যিকারের নাস্তিক হতে চান - তাহলে আমার নাস্তিকতা বিষয়ক লেখাগুলো পড়ে ঠিক করুন কোন ধরনের নাস্তিক। তারপর আপনার বিশ্বাস নিয়ে আপনি থাকুন - কোন সমস্যা নাই।

"এটা আসলে একটা হাইপোথিসিস। যেটা প্রমাণ করার জন্য যুগে যুগে যুক্তি তর্ক, বৈজ্ঞানিক গবেষণার অবতারণা করা হয়েছে।" ও আচ্ছা - বৈজ্ঞানিক প্রমান থেকে হাইপোথিসিসে নেমেছেন - গুড। তা দয়া করে বলবেন কোন বিজ্ঞানী কবে স্রষ্টার অস্তিত্ব নিয়ে কিভাবে গবেষনা করেছেন?
৩৬. ০২ রা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন: ইব্রাহিম আ. অস্থির হয়েছেন বিশ্ব জগতের সৃষ্টির কথা চিন্তা করে, মুহাম্মদ সা. দিনের পর দিন কাটিয়েছেন হেরা গুহায় পড়ে থেকে...... নিজেরা কিছুই আবিস্কার করতে পারেন নি। স্রষ্টা এসে পথ দেখিয়েছেন.......

স্রষ্টা থাকা না থাকার ভাবনা নাস্তিকদের আমৃত্যু তাড়া করে ফিরবে, আমি অনেক শান্তিতে আছি। বিশ্ব জগতের সব কিছুই আমার কাছে ডিফাইন..... এই জন্যই আমি সুখী মানুষ, হে আল্লাহ তোমার প্রতি আমি চির কৃতজ্ঞ....... আমাকে তুমি কত শান্তি দিয়েছো.... এ শান্তি তুমি কেড়ে নিয়ো না।
৩৭. ০২ রা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৮
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "তুমি যদি আমারে আস্তিক বানাইতে চাও, বি মাই গেস্ট; প্রমান করো যে সে ব্যাটা বিদ্যমান।" আরিফ ভাই, আপনি তো আমাকে বিরাট একটা চ্যালেঞ্জ দিলেন - আল্লাহর মত বিশাল এক সত্বাকে প্রমান করতে বল্লেন যদিও আমি সবসময় বলেছি এটা আমার বিশ্বাস - আর বিশ্বাসের যাত্রা শুরুই হয় সেখানথেকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের দৌড় যেখানে শেষ।

আচ্ছা আমি আপনাকে অতবড় না, অতি ক্ষুদ্র একটা চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। আপনারা তো বিশ্বাস করেন এই বিশ্ব জগত কোন স্রস্টা ছাড়াই তৈরী হয়েছে - এবং দাবি করেন এটা আপনার বিশ্বাস নয় (আবার বৈজ্ঞানিক সত্যও নয় - আসলে যে কি আপনি নিজেও জানেন না)। তাহলে আমার পকেটে যে একটা বলপেন আছে সেরকম একটা অতি স্বাধারন বলপেন কোন কার্যকারণ(স্রস্টা) ছাড়া তৈরী করে দেখান তো দেখি। যদি একটা সামান্য বলপেন স্রস্টা ছাড়া বানাতে না পারেন - এত বড় বিশ্বজগত কোন স্রষ্টা ছাড়াই তৈরী হয়েছে বলেন কোন যুক্তিতে? বিভ্রান্তির বেড়াজাল পেরিয়ে মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিনকে চিনতে চেস্টা করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়াত দিন - আমিন।
৩৮. ০২ রা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯
পাপী বলেছেন: এইসব প্রমাণ অতীতেও অনেক পাপী চাইসে। মুল ব্যাপারটা হলো বিশ্বাস। যার যার বিশ্বাস তার তার কাছে।এই সব ছেলেমানুষী পোস্ট দেয়ার মানে নাই। স্রস্টা আছে কি নাই এই নিয়া তর্ক বিতর্কের জন্য ২ দল কোটি বছর আগেও ছিলো। ভবিষ্যতেও থাকবে। ফলাফল শূণ্য । তাই যার যার বিশ্বাস নিয়া সে সে পইড়া থাকুক না।
৩৯. ০২ রা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫২
আরিফুর রহমান বলেছেন: খাইছে আমারে, এখানে তো দেখি কাঙ্গাল মাহমুদের যুগলবন্দী ম্যাৎকার চলতেছে... ;)

কাঙ্গাল, তুমার বলপেন টা তো স্বপ্নে প্রাপ্ত, তাই না? আমার বলপেনটা কিন্তু একটা ফ্যাক্টরিতে তৈরি। কোম্পানীর এড্রেস লাগবো? হাজারে হাজারে আছে!

বলদ আর কাকে বলে, কলম নাকি খুদায়ী আবিষ্কার, আচ্ছা, এর জন্য খোদারে অস্কার দেওন যায়, কি বল?

@মাহমুদ, এইটাই হইল কথা!

অনিশ্চয়তার ভার নেওনে যে কোমরের জোর লাগে তোমার সেইটা নাই। সুতরাং, সবকিছুর একটা উত্তর 'ধরে নেয়া' ই তোমার 'শান্তির উৎস'।

আগেই তো বলেছি, আস্তিকদের কেউ নাস্তিক হইতে বাধ্য করেনা। কারন এইটা বোঝার মতো 'মাল মসলা' ঘাড়ের ওপরের বাক্সটার মধ্যে থাকতে হয়।

যে খোজাখুজি শেষ হয়ে গেছে মনে করে 'মহাপুরুষ প্রদত্ত্ বাণীমালা' কে চরম সত্য মনে করে তাদের তো আর কিছু দরকার নাই।... খালি দিন গুনতে থাকো কবে বেহেশতে যাইবা আর হুরগো লগে... ;)

আরেকটা কথা, মনে করো, জাস্ট কল্পনা করো, একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলা, বইটা নাই হয়া গেছে, এর ডালপালা সব বইই গায়েব।
সেদিন তোমার কি নিজেরে 'কল্লা ছাড়া মুরগি'র মতো মনে হবে না?

সুরা এখলাসের রেফারেন্স টানো তুমি, কিন্তু ঐ সুরা নিজেই তো মুহম্মদের মাতার প্রডাকশন। সুতরাং সব রেফারেন্সই 'ইনভ্যালিড'।


কি যে হইবে তোমাগো!! আহহারে...!! :(
৪০. ০২ রা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ধন্যবাদ
আমিও তো তাই বলি। কিন্তু যখন দেখি নাস্তিকরা তাদের অন্ধবিশ্বাসটাকে বিশ্বাস নয়(ইদানিং আবার বলছে বৈজ্ঞানিক সত্যও না - তহলে সেটা যে কি আল্লাহই বাল জানে) বলে জাহির করে - তখন তো প্রতিবাদ না করে পারি না।
৪১. ০২ রা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "বলদ আর কাকে বলে, কলম নাকি খুদায়ী আবিষ্কার, আচ্ছা, এর জন্য খোদারে অস্কার দেওন যায়, কি বল? "
আরিফ ভাই আপনাকে আমি জ্ঞানী লোক মনে করেছিলাম। এখন দেখছি আপনিও অন্যসব নাস্তিকদের মতই বিভ্রান্ত। আমি কি বলেছি আর আপনি কি বুজেছেন। আমি বলেছি একটা বলপেন ফ্যাক্টরী ছাড়া তৈরী হতে না পারলে এতবড় বিশ্ব জগত কোন স্রষ্টা ছাড়া তৈরী হল কিভাবে? উত্তর আপনার জানা নাই - সেটা স্বীকার করেন।
আর অপেক্ষা করেন আল্লাহর নির্দেশের জন্য - যেদিন আপনি আমি আমরা সবাই তাঁর সামনে হাজির হতে বাধ্য হব। সেদিন আমি বলতে পারব - হে আল্লাহ তোমার সব আদেশ নিষেধ মানতে না পারলেও তোমাকে তো বিশ্বাস করেছিলাম - তার বিনিময়ে হলেও আমাকে মুক্তি দাও। কিন্তু আপনি সেদিন কি বলবেন তাই চিন্তা করেন। আর যদি আপনার বিশ্বাসই ঠিক থাকে এই এতবড় বিশ্বজগত যদি কোন স্রষ্টা ছাড়াই তৈরী হয়ে থাকে তাহলে তো আপনিও মাটি হয়ে যাবেন আমিও মাটি হয়ে যাব - আমার কোন সমস্যাই হবে না।
৪২. ০২ রা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: মনে কর কাঙ্গাল, তুমি মরলা, কব্বরে গেলা, বহুতক্ষন পর দেকলা কেউ তো আসে না, তখন তুমি কি করবা?

তোমার কি দুঃখ হবে না, প্রতারিত মনে হবে না? সারা জীবন একটা জিনিস বিশ্বাস করলা, তারপর দেখলা পুরাটাই ভুয়া.... আহহারে!

আমরা ভালমতোই জানি কোন্টা কি...! দুখঃ হয়, একটা ভুয়া জিনিসের জন্য তোমরা পুরা দুনিয়াটাই বিষায়া তুলছ।
৪৩. ০২ রা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "তোমার কি দুঃখ হবে না, প্রতারিত মনে হবে না? সারা জীবন একটা জিনিস বিশ্বাস করলা, তারপর দেখলা পুরাটাই ভুয়া.... আহহারে" - আরিফ ভাই - মাথা ঠান্ডা করেন। এত গরম হলে কি হবে? আপনার বিশ্বাসই যদি ঠিক থাকে - তাহলে মরনের পর দু:খ পাওয়ার জন্য কি আমি থাকব? আপনি কি তাহলে বিশ্বাস করেন মরনের পরও জীবন আছে?
হায়রে নাস্তিকতা - আর কত বিভ্রান্তি ছড়াবে তুমি?
৪৪. ০২ রা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: ওহ্‌, তাইতো...

যাক্‌, তোমার বিশ্বাস তাহলে এত পোক্ত না, মরনের পরে যে কিছু না ও হইতে পারে, এ বিষয়ে তোমার সন্দেহ বিদ্যমান!! গুড গুড.. তুমি দেখি নাস্তিকতার পথে প্রথম পদক্ষেপ নিয়াছ।.. ;)
৪৫. ০২ রা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭
মাহমুদ রহমান বলেছেন: স্রষ্টাকে ডিফাইন করার সাধ্য আমার নেই, স্রষ্টার ধারণা আমার কাছে না থাকলে আমি অনেক কিছুই মেলাতে পারতাম না..... অস্থির লাগত, কোন কিছুতেই শান্তি পেতাম না। অনেক প্রশ্নের জবাব আমি পেতাম না। কেবলই মনে হতো স্রষ্টা থাকা উচিত, কারও না কারও থেকে শুরু করা উচিত..... আমি এই দুনিয়ার যাবতীয় ব্যাপারে কোন না কোন পরিকল্পকের চিন্তা বলে মনে করতাম, নইলে এসবে ভারসাম্য সম্ভব না। অনেক যৌক্তিক প্রশ্ন আমাকে কেবলই তাড়া করে ফিরত, কারণ আমি মানুষ..... রেশনাল বিং। আপনা আপনি বিশৃংখলা তৈরি হতে পারে, সৌন্দর্য তৈরি হতে পারে না...... বস্তুজগত থেকেই আমি এ শিক্ষা পেয়েছি।

সবশেষে আমি এটাও মনে করি, স্রষ্টায় বিশ্বাসী হওয়া একবারেই আমার কৃতিত্ব না.... এটা মহান সৃষ্টিকর্তার অসীম কৃপা, কারণ তিনিই আমাকে তাঁর পথ দেখিয়েছেন।
০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: আপনার বিশ্বাস এবং চিন্তাকে সম্মান করি। আশা করি আপনিও আমার অবিশ্বাস এবং চিন্তাকে সম্মান করতে শিখবেন। ভালো থাকুন ।

৪৬. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১০:৫১
ভোরের আলো বলেছেন: @আড়িফুর রহমান, কমেন্টের জবাব সরাসরি না দিয়ে অপ্রাসাংগিক কথাবর্তা বলতেছেন। জবাব না জানলে সরাসরি বলে দেয়া উচিত যে জানি না কিন্তু অপ্রাসাংগিক কথাবর্তার কি দরকার আছে?
৪৭. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩১
দস্যু বনহুর বলেছেন:

কাঙাল মুরশিদ সাহেব, আপনি এতোগুলো কমেন্ট ছাড়লেন কোথাও একটা যুক্তি দিতে পারলেন না । বারবার ঘুরেফিরে কেবল এক জায়গায় আসছেন - তা হলো "স্রস্টা নাই" এটার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নাই, কাজেই নাস্তিকের অন্ধবিশ্বাসী। সমস্যাটা হলো আপনি কোন পয়েন্টে কথা বলছেন না যার ভিত্তিতে আলোচনা সশ্ভব। খুব সরল কথায় আপনাকে কয়েকটা পয়েন্ট ধরিয়ে দেই -

১. "কোন কিছু নাই" এইটা প্রমাণ বা অপ্রমাণের আওতায় পড়ে না। আপনি যখন বলবেন "এইটা আছে", তাহলে "এইটা" যে "আছে " তা প্রমাণ করার দ্বায়িত্বও আপনার, তাই না। আমি যদি বলি ঘোড়ার ডিম আছে- আপনি কি প্রমাণ করতে পারবেন ঘোড়ার ডিম নাই? তর্কে গেলে আমি বলবো- ঘোড়ার ডিম সম্বন্ধে আপনি কতটুকু জানেন, বিজ্ঞানে তো ঘোড়ার ডিম বলেও কিছু নাই, তাহলে এটা কি বিজ্ঞানের আরেকটি ব্যর্থতা? কথা হলো, এখন পর্যন্ত স্রস্টা নামক কিছুর অস্তিত্ব কোনপ্রকার পরীক্ষা-পর্যবেক্ষন-সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রমানিত নয়। যখন আপনারা দাবিকর্তারা বিশ্বাসের গন্ডি পেরিয়ে স্রস্টার অস্তিত্তের পক্ষে কোন প্রমাণ হাজির করতে পারবেন তখন অবশ্যই সবাই তা মেনে নেবে। ঠিক আছে?

২. আপনি দাবী করছেন জগতের নিয়মগুলি স্রস্টা বানিয়েছেন এবং নিয়ন্ত্রন করছেন, আপনার দাবীর পক্ষে কোন যুক্তি বা প্রমান দিচ্ছেন না। বিশ্বজগতের উদাহরন টেনে বলছেন "এতবড় বিশ্বজগতকেও প্রমান হিসেবে আপনাদের কাছে যথেস্ট মনে হয় না"। বিশ্বজগতের অস্তিত্ত কিভাবে স্রস্টার অস্তিত্ব প্রমাণ করে সেটা বিস্তারিত বুঝিয়ে বলবেন কি?

৩. বিশ্বজগতের নিয়ম বানাবার বা চালাবার জন্য যদি কোন কর্তার প্রয়োজন হয় তাহলে সেই কর্তাটিকে চালাবার জন্যও তো আরেকটি কর্তার প্রয়োজন জরুরী হযে পড়ে। এভাবে কর্তার কর্তা, তার কর্তা করতে করতে ব্যপারটা কোথায় গিয়ে শেষ হবে আপনি মনে করছেন?

৪. বিশ্বাস না করা মানে তো অবিশ্বাস। নাস্তিকরা শ্রস্টায় বিশ্বাস করে না , তার মানে হলো নাস্তিকরা অবিশ্বাসী, আপনি এটাকে বার বার বিশ্বাস বলছেন কেন?

৫. আপনার চ্যালেঞ্জের কথায় হাসি পেয়ে গেল। বলপেন তৈরীতে স্রস্টার ভুমিকা কি দয়া করে বুঝিয়ে বলবেন? আপনি পারবেন প্রার্থনা জিগির বন্দনা করে আল্লার মাধ্যমে শুন্য থেকে একটি বলপেন অথবা একটি কাগজের টুকরা অথবা নিদেনপক্ষে একটি ধুলিকণা তৈরী করতে? যদি তা পারেন তাহলে অবশ্যই স্রস্টার অস্তিত্ব স্বীকার করে তার কাছে মাথানত করবো কথা দিলাম।
৪৮. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: @বুরের আলু, অপ্রাসঙ্গিক কমেন্ট (?) বিষয়ে তুমার অপ্রাসঙ্গিক কমেন্টের মাজেজা বুজলাম না।

এতোক্ষন যে কাঙাল-মাহমুদ রে দেওয়া হৈতেছে এইটা কি তুমার চুখে পর্ছে, নাকি খালি কওনের লাইগাই কওন!!
০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: আরিফ ভাই বুরের আলুরে মাফ কইরা দেন। হের আয়োডিনগত সমুস্যা থাকতারে...

৪৯. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
এস্কিমো বলেছেন: এখনও কি প্রমান হইছে - ডিম আগে না মুরগী আগে! :)
৫০. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: ধূর! এগুলি নিয়া মানুষ এখনো কথা কয়? আস্তিকের ডিফেন্ড করার দরকার পরে সামাজিক অর্থনৈতিক কারণে। নাস্তিকের মাথা ঘামানোর মত নতুন অনেক কিছু আছে।
বিশ্বাসকে যুক্তি দিয়া ডিল করার কোন মানে নাই। যেমন রাজাকারগো কাছে ৭১ এ কোন যুদ্ধই হয় নাই এইটা যেমন একটা বিশ্বাস। আর এই বিশ্বাসের কারণও খুবই যৌক্তিক। অস্তিত্ব রক্ষা। আস্তিকগো নিজের আত্মপরিচয় ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য নাস্তিক্যরে আরেকটা বিশ্বাস হিসেবে দাঁড় করানোর প্রয়োজন হয়। যেমন প্রয়োজন হয় এক ধর্মের অন্য ধর্মরে খারিজ করণের, এক রাজনৈতিক দলের আরেক দলের বাদ দেওনের। যারা ঈশ্বর বিশ্বাসে মহত্ত্ব খুইজা পান তাদের শান্তি কামনা করি, কিন্তু বিরক্ত হই তখনি যখন তারা বিশ্বাসের গল্পরে যুক্তি দিয়া বৈধতা দেওনের চেষ্টা করেন। এইটা খুব অবিশ্বাসী সুলভ কাজ। ব্লগে একজনও নিবেদিত বিশ্বাসী পাইলাম না।
৫১. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৯
নতুন বলেছেন: যারা আস্তিক তারা তাদের বিশ্বাস নিয়া ভালো থাকুক....

যারা নাস্তিক তারা তাদের বিশ্বাস নিয়া ভালো থাকুক....


এর মধ্যে ঝামেলা করার তো কারন দেখিনা....

এখন পযন্ত কোন আস্তিক প্রমান দেখাতে পারেনাই যে সৃস্টিকতা` আছেন... তেমনি নাস্তিকরাও প্রমান করতে পারেনাই যে কেউই নেয়...

এই তকে`র শেষ ককনো হবেনা....

সাহসী ..কৌতুহলী মানুষ মাত্রই নতুন কিছু চিন্তা করবে.... তারা কোন জিনিস টক করেই বিস্বাশ করবে না....

তাই আমার আহবান হলো... আস্তিকরা আপনারা আপনাদের বিশ্বাস নিয়া ভালো থাকেন...
৫২. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
মাহমুদ রহমান বলেছেন: @দস্যূ বনহর, আমি কি আপনার বিশ্বাসকে অসম্মান করেছি? আমি যুক্তি দেখানোর চেষ্টা করেছি স্রষ্টার অস্তিত্বের ব্যাপারে। অসম্মানের ইচ্ছা ছিল না, সেটা হয়ে থাকলে ক্ষমাপ্রার্থী........

ইনফ্যাক্ট, যারা অনেক স্রষ্টায় বিশ্বাসী তাদের থেকে নাস্তিকদের চিন্তা চেতনা আমার ভাললাগে...... কারণ, তাঁরা কালেমার অর্ধেকটায় বিশ্বাস স্থাপন করেন ' কোন ইলাহ নেই'...... কেবল ইলাহটা যে আল্লাহ সেটাই ধরতে পারেন না। ....কোন ইলাহ নেই আল্লাহ ছাড়া।।
৫৩. ০২ রা জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: হাহাহাহহা....

এট্টু পিটটা চুলকাইয়া দে নাইলে.... ;) (মনে পৈরা গেল জুক্স টা.. )
৫৫. ০৩ রা জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৫৪
শাইরি বলেছেন: মাহমুদ রহমান বলেছেন:
ইনফ্যাক্ট, যারা অনেক স্রষ্টায় বিশ্বাসী তাদের থেকে নাস্তিকদের চিন্তা চেতনা আমার ভাললাগে...... কারণ, তাঁরা কালেমার অর্ধেকটায় বিশ্বাস স্থাপন করেন ' কোন ইলাহ নেই'...... কেবল ইলাহটা যে আল্লাহ সেটাই ধরতে পারেন না। ....কোন ইলাহ নেই আল্লাহ ছাড়া।।

হাসতেই আছি..................:(
হাসতেই আছি..................:(


আল্লাহ আছে এইটা আমার বিশ্বাস। আমারে না দেইখা বিশ্বাস করতে বলা হইছে, আমি করছি। এরপর আর কোনো কথা নাই।
৫৬. ০৩ রা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:০৫
হ্যারি সেলডন বলেছেন: এখানে দেখি যুক্তির ফ্লাড হয়ে গেছে। আমার ইসলাম/আস্তিকতা/নাস্তিকতা পোস্টগুলো দেখি জামাতিদের "প্রিয়পোস্টে" শোভা পাই, তাই লজ্জা লাগে এ বিষয়ে বাতচিত করতে।

যুক্তিবাদীরা আমাকে নিচের যুক্তিগুলো বুঝিয়ে দিন। তারপরে কোন সমাধানে পৌঁছলেন সেটাও বলবেন, দেখি আপনাদের যুক্তির দৌড়।



এক আইনের ছাত্র। থার্ড ইয়ারে পড়ত। কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে। তার বাবা হঠাৎ ধুম করে মরে গেল। এতদিন গায়ে বাতাস লাগিয়ে চলত। এখন পড়ালেখা বন্ধ হওয়ার অবস্থা। ধান্ধ্যাবাজ টাইপের তার এক শিক্ষক ছিল। শিক্ষক তার কাছে এসে বলল "তোমার লেখাপড়ার বাকি একবছরের খরচ আমিই দিব। তয় শর্ত হল তুমি আইন পাশ করার পর কোর্টে কেইস নিলে প্রথম কেইসে যদি তুমি জিত, টাকাটা আমার।" ছাত্র বিনা বাক্য ব্যয়ে রাজি হল। আইন পাশ করা হল। কিন্তু ছাত্র গ্রামের বাড়িতে গিয়ে হালচাষ শুরু করে দিছে। কোর্টে উকালতি করতে যাইনা। শিক্ষক মহা ক্ষেপা। তিনি বুঝলেন টাকা দেওয়ার ভয়ে ছাত্র আর কোর্টে কোন কেইস নিচ্ছেনা। শিক্ষক ছাত্রের বিরুদ্ধে কেইস করে দিল। শুনানিতে শিক্ষক এবং ছাত্র নিজেদেরকেই নিজেদের আইনজীবী হিসেবে রাখল শিক্ষকঃ ইউর অনার, আমি প্রমান করে দেব এই কেইসে আমি জিতি অথবা হেরে যায়, উভয় ক্ষেত্রেই আমি ছাত্রের কাছ থেকে টাকা পাচ্ছি। ধরলাম আমি জিতেছি। তাহলে আমি কেইস করেছিলাম টাকা পাওয়ার জন্য। কেইসে জিতলে তো আমি এম্নিতেই টাকা পাচ্ছি তার কাছ থেকে। কারন কেইসে যে জিতে তার পক্ষেই তো রায় যায়। আর যদি আমি হেরেই যাই, তাহলে আমার ছাত্র জিতে গেল। তার সাথে আমার শর্ত ছিল যদি প্রথম কেইসে সে জিতলে টাকাটা আমিই পাব। সুতরাং, এ কেসটা তার প্রথম কেইস, এ কেইসে সে জিতলে আমাকে টাকা দিতে বাধ্য সে। তার মানে এ কেইস চালানোর লজিক নেই। কেইসে জিতি অথবা হারি আমাকে সে টাকা দিতে বাধ্য। ছাত্রঃ আমি মেনে নিলাম যে কেইস চালানোর কোন মানে নেই। কারন আমি প্রমাণ করে দিচ্ছি কেইসে জিতি অথবা হারি আমাকে টাকা দিতে হচ্ছেনা।ধরে নিলাম, আমি কেইস জিতলাম। তার মানে শিক্ষক হেরে গেলেন। শিক্ষক কেইস করেছিলেন টাকা পাওয়ার জন্য। হেরে গেলে তো টাকা পাওয়ার প্রশ্নই আসেনা। আবার ধরলাম, আমি কেইসে হেরে গেছি। তাহলে শর্ত মোতাবেক আমি প্রথম কেইসে জিতলেই তো টাকা দেওয়ার কথা। যেহেতু এটা আমার প্রথম কেইস, আমি হেরে গেলে তো টাকা দেওয়ার কথা আসতেছেনা। তার মানে কেইস আমি জিতি অথবা আমার শিক্ষক জিতেন, কোন ক্ষেত্রেই তিনি টাকা পাচ্ছেননা।
৫৭. ০৩ রা জুন, ২০০৮ সকাল ১০:১৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আরিফ ভাই - আপনার নাস্তিকতাও কিন্তু পোক্ত হল না। মরনের পরেও যে আমার দু:খ হতে পারে সেটা বলার মাধ্যমে আপনি কিন্তু বিশ্বাসের পথে দুই পা এগিয়ে এসেছেন। - প্রথমত আপনি বিশ্বাস করেছেন মৃত্যুর পরে আমার দু:খ হবে - দ্বিতীয়ত আমার বিশ্বাস অনুযায়ী পরকালীন জীবন থাকলে আপনি কি করে বাঁচবেন সে কথার কোন উত্তর আপনার কাছে নাই। তার মানে আপনি মানছেন নাস্তিক হওয়া আসলেই বিপজ্জনক। ঠিক যেমন বিপজ্জনক খুনি-ধর্ষক-চোর-ডাকাত হওয়া। এসব বিপজ্জনক কাজ ছেড়ে নিরাপদ ভাল মানুষের পথে চলে আসুন।

আর ভাই বনহুর - তোমার সাথে এতক্ষন অযথাই কথা বল্লাম। তুমি তো নাস্তিকতা বিষয়ে আমার চেয়েও অনেক পিছিয়ে আছ। নাস্তিকতাকে তুমি একটা বিশ্বাস হিসেবেই দেখছ - ওহ হো.. তুমি তো আবার বল অবিশ্বাস - বিশ্বাস আর অবিশ্বাস উভয়েই যে একই মুদ্রার দুই পিঠ - উভয়ের জন্যই যে কোন যুক্তি প্রমান লাগে না - এই সাধারন বিষয়টাই তো তুমি বুঝ না - তোমার সাথে আর কি কথা বলব?
যাই হোক নাস্তিকতা যদি বিশ্বাস(বা অবিশ্বাস) হয় তাহলে তা একটা নতুন ধর্মেরই সুচনা করে - তার চেয়ে বেশি কিছু নয়।

যারা যুক্তি তর্কের বিষয়ে বলেছেন তাদেরকে বলছি - আমি কোন যুক্তি প্রমান ছাড়াই বিশ্বাস করি আল্লাহ আছে - করণ এটা আমার বিশ্বাস আর বিশ্বাসের জন্য কোন যুক্তি প্রমান লাগে না। কিন্তু সমস্যা হল তাদের নিয়ে যারা তাদের নাস্তিক বিশ্বাস(বা অবিশ্বাস) কে যৌক্তিক-বৈজ্ঞানিক সত্য ইত্যাদি বলে নিজেদের খুব জ্ঞানী হিসেবে জাহিরকরতে চায়। তারা বলুক আস্তিকরা যেমন প্রমান ছাড়া আল্লাহকে বিশ্বাস করে - তারাও তেমনি প্রমান ছাড়া আল্লাহকে অবিশ্বাস করে - তাহলেই বিতর্ক শেষ হয়ে যাবে - মৃত্যুর পর দেখা যাবে কারটা ঠিক।

আর একটা কথা, এই পোস্টের এক কমেন্টে আরিফ ভাই স্বীকার করেছেন বিজ্ঞানের সময় নাই ইশ্বর নিয়ে গবেষনা করার বা নাস্তিকতা বৈজ্ঞানিক সত্য নয়। আবার তারা দাবি করেন নাস্তিকতা বিশ্বাসও নয়। নাস্তিকতা তাহলে কি? আসলে নাস্তিকতা একধরনের অহমিকা-বিভ্রান্ত অহমিকা- মানুষ যেদিন এই বিভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে - সেদিনই এই বিতর্কের অবসান হবে।
০৩ রা জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: দুর মিয়া, আপনেরে পাল্টা যুক্তি দিবার কইসি, ক্যাচাল পাড়তে বলি নাই। ব্যক্তি আক্রমন বাদ দিয়া আমার প্রশ্নগুলার উত্তর দেন। মগবাজারি কিতাবের জ্ঞান নিয়া তর্ক করবার আইসেন আর এখন বলতেছেন "আমি কোন যুক্তি প্রমান ছাড়াই বিশ্বাস করি আল্লাহ আছে" । আপনে যুক্তিপ্রমাণের ধার ধারেন না এইটা আগে বললেই হৈতো, এতো ত্যানা পেচনোর দরকার ছিলোনা।



৫৮. ০৩ রা জুন, ২০০৮ রাত ৮:৪৯
পাপী বলেছেন: আিরফুর রহমান বলেছেন: মনে কর কাঙ্গাল, তুমি মরলা, কব্বরে গেলা, বহুতক্ষন পর দেকলা কেউ তো আসে না, তখন তুমি কি করবা?

তোমার কি দুঃখ হবে না, প্রতারিত মনে হবে না? সারা জীবন একটা জিনিস বিশ্বাস করলা, তারপর দেখলা পুরাটাই ভুয়া.... আহহারে!

--- আপনার বিশ্বাসটাও যে ১০০% ঠিক তা প্রমাণ করতে পারবেন?? আপনার চিন্তাধারাটাও তো পুরোটাই ভু্য়া হতা পারে..তখন মউজ মাইরা এই আহারে কওন বাইর হইবো..। বনহুর রে কইতাছি.. আজাইরা মাইনষের ভালা কমেন্ট মুইছা খারাপগুলাই রাইখো না। এই রিপ্লাই এই নিয়া ৩বার দিলাম ..তুমি ডিলিট মারলা।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: কুনো কমেন্ট ডিলিটমারা হৈনায়।

৫৯. ০৩ রা জুন, ২০০৮ রাত ৮:৫০
পাপী বলেছেন: তোমার কি দুঃখ হবে না, প্রতারিত মনে হবে না? সারা জীবন একটা জিনিস বিশ্বাস করলা, তারপর দেখলা পুরাটাই ভুয়া.... আহহারে!
--পারলে প্রমাণ দেন আপনার চিন্তাধারা ১০০% ঠিক, পারলে.. আমি আপনার দলে আছি।
৬০. ২৭ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: এই পোস্টে কিছু মজা পাইছিলাম. আপনেরে বেন মার্ছিলো কেন?
২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: হুদাই ব্যান খাইসিলাম। সামোয়ারে ব্যান খাইতে কারণ লাগেনা।

৬১. ২৮ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:০৭
হ।স।ন বলেছেন:
সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করলে আপনারে এইটাও মানতে হবে সৃষ্টিকর্তার শুরু বা শেষ নাই(eternal), অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বইলা তেনার কিছু নাই। অর্থ্যাৎ তিনি সময়ের বাইরে এবং সময়ের শুরু বা সৃষ্টি তিনিই করছেন।

স্থান সৃষ্টি করছেন যে স্থানে তিনি অনন্তকাল ধরে বিদ্যমান।

স্রষ্টা যদি বইলা থাকেন ইহলৌকিক সমৃদ্ধি বা পরলৌকিক মুক্তির জন্য তেনার কাছে প্রার্থনার কথা তাইলে কি সেইটা তেনার নিয়মের মধ্যে পরবেনা?

আর যার অস্তিত্ব অনন্তকাল ধইরা তারে সৃষ্টি করা বেসম্ভব। তাই সৃষ্টিকর্তার কোন স্রষ্টা নাই।
২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: আপনে লাইনে আসতেছেন। এরম নিউরনে অনুরনন চালাইতে থাকলে আস্তে আস্তে সময়, স্থান বা বস্তু এইগুলাও যে অনন্ত সেইটা বুঝবার পারবেন।

৬২. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:০৯
সুপ্ত সবুজ বলেছেন: আরজ আলী মাতাব্বরের কাছ থিকা ধার কইরা নিয়া এইসব অখাদ্য প্রশ্ন যে কেন এখনো বাজারে চলে বুঝি না। মগজ ধুলাই বলতে যে একটা কথা আছে, সেইটা লেখকের ভালভাবেই হইছে বইলা মনে হয়। অজ্ঞতারো একটা সীমা থাকে। পড়াশোনা কম করলে এবং একমূখী পড়াশোনা করলে এরকমই হয়। শুধু নাস্তিকতা নিয়া আজীবন লম্ফঝম্ফ কইরা বুইড়া বয়সে সব নাস্তিকরেই দেহি ফজরের আগে গিয়া মসজিদে বইসা থাকতে। আশা করি বুইড়া বয়সে লেখক এইরকম ভীমরতি করবেন না। আর সেইসাথে আশা রাখি নাস্তিকতা ও আস্তিকতা দুই দিকটাই বেশি কইরা পড়েন মনটারে নিরপেক্ষ বানাইয়া। আমি বিশ্বাস করি উভয় প্রকার বই নিরপেক্ষ মন নিয়া পড়লে যে কোন লোক নাস্তিকতা থিকা আস্তিকতার দিকে ঝুকবে। অন্তত আমার ক্ষেত্রে যেহেতু তাই হয়েছে।
২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: আপনে যেইগুলা পড়ার কথা কইলেন সেগুলান কেলাস ফাইভে খতম দিয়া আসছি ।

৬৩. ২৮ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:১১
সুপ্ত সবুজ বলেছেন: এখন পারলে আপনি আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর দেন তো দেখি। কোন গুজামিল না, যুক্তিসংগত উত্তর চাই। না পারলে মাফ চান সবার কাছে।
২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬

লেখক বলেছেন: এক বছর পরে মগজ পরিণত কইরা আইসেন। শাকশব্জি বেশী কইরা + আয়োডিনযুক্ত লবন নিয়মিত। ঠিকাসে? এখন অপ যান।

৬৪. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
েছাটন বলেছেন: আপনার যুক্তির ভিত্তিগত সমস্যা আছে। আপনি ধরে নিয়েছেন, যেসব প্রাকৃতিক নিয়ম মানুষের বেলায় খাটছে, সেগুলো সৃষ্টিকর্তার জন্যও প্রযোজ্য। কিন্তু স্রষ্টা বলছেন তিনি নিয়ম সৃষ্টি করেন কিন্তু তিনি নিয়মের উর্ধ্বে।
২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: যে বিষয় নিয়মের উর্ধ্বে সেইখানে যুক্তি খাটে না। এটা পুরাটাই বিশ্বাসের বিষয় আশা করি স্বীকার করবেন। আমার পোস্টটা ছিল যারা এই বিশ্বাসের সাথে যুক্তি বা বিজ্ঞানকে জড়িত করে তাদের উদ্দেশ্যে।

৬৫. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪০
র‌্যাভেন বলেছেন:
পোস্টটা ভালো হইনাই রে ভাই, খুবই ছেলেমানুষি মুলক কিছু প্রশ্ন করে ততোধিক খোড়া যুক্তি দিয়ে সৃষ্টিকর্তা নাই এইডা প্রমানের চেষ্ট করেছেন

সময়ের যে রুপটা আমরা দেকতেছি ( প্রবাহমান সময়) সেইটাই কি সময়ের একমাত্র রুপ ! আর ভিন্ন রুপ কি থাকতে পারেনা? স্হানের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য

গজফিতা দিয়া মাইক্রো বা ন্যানো মিটার মাপতে বা এনালগ ঘড়ি দিয়া পিকোসেকেন্ড মাপতে যাওয়া আর আপনার যুক্তি মত সময় সৃষ্টি হল কোন সময়ে প্রশ্ন করা দুইটাই একই পর্যয়ের বোকামী।

২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: পুরান এবং সাদামাটা যুক্তি এটা পোস্টের শিরোনামেই বলেছি।

৬৬. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১
েছাটন বলেছেন: আবশ্যই বিশ্বাসের বিষয়। ধর্মগ্রন্থগুলোতে বারবার বলা হয়েছে, তোমরা স্রষ্টার উপর বিশ্বাস স্থাপন করো। এবার একটা কবিতার দুই লাইন শুনাই

যুক্তিবাদীদের পা তো খোড়া কাঠের তৈরি
তারা কিভাবে মাকসুদে মঞ্জিলে পৌছাবে?

আমি যুক্তিবাদীদের বদনাম করছি না, তাদের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরছি।
২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৬৭. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০
স্বপ্নশিকারী বলেছেন: আপনার যুক্তিগুলা মুরগী আগে না ডিম আগে ঠিক এই রকম।
৬৮. ২৮ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬
েছাটন বলেছেন: কয়েকটা প্রশ্ন ছিল,
আপনি কি যুক্তিবাদী?
আপনি কি মকসুদে মঞ্জিলে পৌছাতে চান?

বিশ্বাস করুন, যুক্তির যাত্রা যেখানে থেমে যায়, বিশ্বাসের যাত্রা শুরু সেখান থেকে।
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন: মকসুদে মঞ্জিলে পৌছার শর্টেস্ট তরিকা ঝানতে চাই।

৬৯. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:১৬
ফাহমিম বলেছেন: ইন্টারেস্টিং।

প্রিয় তে রাখলাম।আমার এক ফ্রেন্ড আসে এইগুলা নিয়া গবেষনা করে।ওরে দেখামু।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭০. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২১
শিট সুজি বলেছেন: নতুন বলেছেন: যারা আস্তিক তারা তাদের বিশ্বাস নিয়া ভালো থাকুক....

যারা নাস্তিক তারা তাদের বিশ্বাস নিয়া ভালো থাকুক....


এর মধ্যে ঝামেলা করার তো কারন দেখিনা....

এখন পযন্ত কোন আস্তিক প্রমান দেখাতে পারেনাই যে সৃস্টিকতা` আছেন... তেমনি নাস্তিকরাও প্রমান করতে পারেনাই যে কেউই নেয়...
৭২. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫১
স্বাধীন_০৮ বলেছেন: --- দিলাম।ফাউল পোস্ট
২০ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩০

লেখক বলেছেন: আপনার পোস্টে বলেছেন - H.S.C পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) এর অধ্যায়ে ১৫ পড়ুন। (লেখক- তফাজ্জল) .... আপনার কথামতো পড়লাম, সেইখানেতো জনাব পৃথিবী সৃষ্টি স্থান এইগুলা নিয়া কিছু নাই! এখন কি হবে, জাতিতো অন্ধকারেই রয়া গেল!

৭৩. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৮
বিডি আইডল বলেছেন: সবকটা ছাগুর লেজ একসাথে দেখা যাইতেছে
৭৪. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫২
বিগব্যাং বলেছেন: ভালো ও যৌক্তিক পোষ্টে + দিতে বাধ্য হলাম...
৭৫. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:২৯
যাযাবর পাখি বলেছেন: পেলাস এবং পেলাস,
৭৭. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪২
জেমসবন্ড বলেছেন: স্রষ্টাকে অবশ্যই প্রমাণ করা যায় , যাবে না কেন ? তবে তাকে সৃষ্টির মত করে ভাবলে চলবে না । আর যারা বলে কুরআন মহানবীর তৈরী তারা তো না চিন্তাই করে ই এ কথা বলে ।

মহানবী কেন একজন যিনি অক্ষরজ্ঞানহীন হয়ে ও মহাজ্ঞানী ?

আল-কুরআন কেন একমাত্র গ্রন্হ যা এখোনে অবিকৃত এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎস ?

কেন ধর্মের ধারাবাহিকতা চলে আসছে ? আর হাজার হাজার বছর আগের পুস্তকে কেন মহানবীর নাম পাওয়া যায় ?

বিজ্ঞান দিয়ে পুরোপুরিভাবে স্রষ্টাকে কিভাবে প্রমাণ করা সম্ভব যেখানে প্রতিনিয়ত বিজ্ঞানের উন্নতি হচ্ছে , যা মহাবিশ্বের অতিক্ষুত্র প্রাণীর সামন্য কয়েকদিন বেচে থাকার সামান্য প্রচেষ্টা মাত্র ।

স্রষ্টা যদি না ই থাকত, তাহলে একটা নয় অনেক বসবাসযোগ্য গ্রহ থাকত আর শুধু মানুষ কেন , মানুষের মত আরও প্রাণী থাকত যাদের সঙ্গে মানুষের লড়তে হতো ?

সবকিছুই কেন সুন্দর সুশৃংখল , বিনা কারণে ? বিনা রক্ষাণাবেক্ষণে ?
৭৮. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮
স্বপ্নশিকারী বলেছেন: vai apnar jukti gulo onekta

dim age na murgi ager moto.

৭৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৩৩
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
>>জেমসবন্ড বলেছেন: স্রষ্টা যদি না ই থাকত, তাহলে একটা নয় অনেক বসবাসযোগ্য গ্রহ থাকত আর শুধু মানুষ কেন , মানুষের মত আরও প্রাণী থাকত যাদের সঙ্গে মানুষের লড়তে হতো ?

মানুষ সবার সাথে লড়াই করে নিজের শৌর্য বীর্য বুদ্ধি খাটিয়ে টিকে থাকলো আর, আপনে ক্রেডিট দিলেন স্রষ্ঠারে? হেয় কি মাইনষের সব কামের কপিরাইট নিয়া রাখসে???????
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: ...হ, সকল কৃত্বিত্তই উনার!

৮০. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৩৬
কুয়াশা বলেছেন: যদি কেউ আমারে বৃঝাইতে পারে তবে তারে আমি আমার বৌকে দিয়ে দিব। বহুল প্রচলতি একটা কথা কইলাম।
৮১. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:০৭
অর্ক আিসফ শাওন বলেছেন: কয়েকদিন পড়ার পর মন্তব্য করা সমীচীন।

বিষয়টা বস ভালই লিখছিলেন কিন্তু পাবলিকে প্যাচাই ফালাইছে।

দেখি .............???
৮২. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৯
অরণ্যদেব বলেছেন: বলো, তুমি তোমার সৃষ্টিকর্তার কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে?

চিন্তাভাব্না কৈরা দেক্লাম ঝামেলায় না যাইয়া হেরে অস্বীকার কর্লেই সারে...
৮৩. ২২ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৩৩
হারান সত্য বলেছেন: "বিশ্বজগৎকে নাহয় সৃস্টি করলেন স্রস্টা, কিন্তু স্রস্টাকে সৃস্টি করলেন কে? তারপরেও প্রশ্ন আসবে - স্রস্টার স্রস্টাকে সৃস্টি করলেন কোন স্রস্টা? সেই স্রস্টাকেই বা কে সৃস্টি করলেন? এমন করে প্রশ্নমালা চলতেই থাকবে, শেষ সমাধানে পৌঁছানো যাবেনা। কাজেই বিশ্বজগৎ সৃস্টি করা কারো পক্ষে সশ্ভব নয়, অর্থ্যাৎ বিশ্বজগৎ সৃস্টিতে স্রম্টা বা অন্য কারো করনীয় কিছু নাই।"

আপনার এই চতুর্থ যুক্তিটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে - আপনার যুক্তি অনুযায়ী যদি আমার সামনের কম্পিউটারটা থাকে তাহলেই প্রশ্ন আসবে এটা বানাল কে? তারপর প্রশ্ন আসবে তাকে বানাল কে? এভাবে প্রশ্নের পর প্রশ্ন চলতেই থাকবে - অর্থাৎ এই কম্পিউটারটা কারো পক্ষে বানান সম্ভব নয়। ঠিক আছে? সুতরাং কম্পিউটারও নেই, আমিও নেই, আপনিও নেই, কিছুই নেই - করাণ কিছু থাকলেই প্রশ্ন আসবে তার স্রস্টা কে .. এবং তার পর প্রশ্ন আসবে...। তার চেয়ে কিছু না থাকাই ভাল। কি বলেন??
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: কম্পিউটারটি যে বানাল তাকে বের করার জন্য ২য় ধাপে অগ্রসর হবার প্রয়োজন নেই। যেমন, আমি বাথরুমে মুত্রত্যাগ করলাম - মুত্রগুলো যে আমার - এটা প্রমান করার জন্য যুক্তি তর্কের প্রয়োজন নেই। এগুলো সব প্রত্যক্ষ এবং প্রামাণিক বিষয়... 'স্রস্টা কর্তৃক বিশ্বজগৎ সৃস্টি'র মতো বায়বীয় বিষয় নয়।

৮৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:১৫
র হাসান বলেছেন: ভালো পোষ্ট! প্লাস+++++

Free Bangladesh travel guide
৮৫. ০১ লা অক্টোবর, ২০১১ রাত ১২:৪৬
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: অনেকদিন পর পোষ্টটা চোখে পড়ল। আপনি সামুতে এখনো আছেন কি না জানি না।

স্থান যে অসীম নয় সেটা এখন বিজ্ঞান দিয়ে প্রমাণিত সত্য।

কিন্তু সময়ের ব্যাপারে সেটা সত্যি নয়।

আচ্ছা আমি যদি বলি সময়ই হল আমাদের স্রষ্টা- মেনে নিতে পারবেন?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪০২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ