আমার প্রিয় পোস্ট

গাহি সাম্যের গান...

কোয়ান্টাম মেথডের নামে প্রতারনা ও ঠগবাজি থেকে সাবধান!

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪৫

শেয়ারঃ
2 0

শান্তিনগরে বড় রাস্তার উপরে এখনো যে বিরাট সাইনবোর্ড চোখে পড়ে তা হলো 'কোয়ান্টাম মেথড' । নামটা সাধারন মানুষের জন্য কিছুটা দাঁত ভাঙা
এবং কৌতুহলোদ্দীপকও বটে। কোন পরিসংখ্যান না থাকলেও পত্রপত্রিকার চটকদার বিজ্ঞাপন, হাতে বিলিকরা লিফলেট এবং এরকম সাইনবোর্ডের
আকর্ষনে প্রচুর খদ্দের আকৃষ্ট হচ্ছেন এবং অনেকেই ঐ 'মেথড' বা পদ্ধতিতে উপকৃত হচ্ছেন বলে সংবাদ পাওয়া যায়। 'কোয়ান্টাম মেথড' নামটি কোন চতুর ব্যবসায়ীর উদ্ভাবন সন্দেহ নেই কারণ এ নামের আড়ালে মনোচিকিৎসা বিজ্ঞানের (Psychiatry) কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি এবং অন্যান্য কিছু গাজাঁখুড়ি বিষয়ের উপর একদিকে বিজ্ঞান এবং অন্যদিকে অলৌকিক বিশ্বাসের প্রলেপ দিয়ে প্রচুর লোককে অতি সাফল্যের সাথে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে এসব লোক ঠকানো ব্যবসায়ী।

বাংলাদেশে এ ব্যবসায়ের প্রধান উদ্যোক্তা 'মহাজাতক' নামধারী জনৈক জ্যোতিষি। এই ব্যক্তি এখনো 'কোয়ান্টাম মেথড' নামে নানান কোর্স চালু করে বইপত্র লিখে তার প্রতারনাপূর্ণ ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে। সে 'কোয়ান্টাম মেথড' নামে একখানা ঢাউস বই লিখে ফেলেছে যেটা মুলত ভিত্তিহীন, পরস্পরবিরোধী এবং চাতুরীপূর্ন বিজ্ঞানের বাগাড়ম্বর ও আবালীয় বক্তব্যে পরিপুর্ণ একটি জগাখিচুরী ছাড়া কিছু নয়। পদার্থবিজ্ঞানের ন্যুনতম জ্ঞানসম্পন্ন যেকেউ এই বই পড়লে বুঝতে পারবে 'কোয়ান্টাম মেথড' এর আড়ালে কি উপায়ে লোক ঠকানো ব্যবসা চলছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞান, চিকিৎসা বিজ্ঞান বা নিউরোসাইন্সে 'কোয়ান্টাম মেথড' বলে কোন বিষয়ের অস্তিত্ত্ব নেই। মহাজাতক এ পদ্ধতিকে বৈজ্ঞানিক বলে দাবী করছে এবং এ পদ্ধতি ব্যবহার করে সাধক দরবেশদের মতো মনের অলৌকিক ক্ষমতা ব্যবহার করে সবকিছু নিয়ন্ত্রন করা, জীবনে সাফল্যলাভ, প্রজ্ঞা অর্জন, গুরুতর ব্যাধি থেকে আরোগ্যলাভ এমনকি মহামানবে পরিণত হওয়া যাবে বলে দাবী করেছে। মন কেন্দ্রিক দর্শন, স্নায়ুকোষ ও মস্তিস্ক ব্যতীত চিন্তা, বস্তু অস্তিত্ত্ব বর্জিত তথ্য, ডেল্টাতরঙ্গে মহাচৈতন্য, থিটাতরঙ্গে সচেতনতা, মনের ধ্যান দিয়ে ডিএনএ প্রোগ্রামিং ইত্যাদি ছাগলীয় বিষয়গুলোকে মহাজাতক এমনভাবে উত্থাপন করেছে, পড়লে মনে হবে এগুলো যেন বিজ্ঞানের বিষয়। সে লিখেছে " ... যে কোন ওষুধ কোম্পানীর চেয়ে মানবদেহ বেশি ভালভাবে পেইনকিলার, ট্রান্কুলাইজার, এন্টিবায়োটিক ইত্যাদি তৈরী করতে এবং সঠিক মাত্রায় সঠিক সময়ে ব্যবহার করতে পারে ।" (কোয়ান্টাম মেথড/মহাজাতক, পৃষ্টা -১৩৯)

প্রশ্ন হলো -

১. মনের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সর্বপ্রকার রোগব্যাধি নিরাময় করা গেলে ওষুধশিণ্প,এর উৎপাদন, বিজ্ঞাপন ও বিপননে যে বিলিয়র বিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে তার প্রয়োজন কি? এইডস ও ক্যান্সারের কথা বাদ দিলাম, সাধারন ডেঙ্গুজ্বর কি মহাজাতক মনের জোরে ভাল করতে পারবে?
২. মানুষের স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিস্ক ব্যতীত চিন্তা বা চেতনার কথা বিজ্ঞানের কোন বইতে লিখা আছে?
৩. তথ্য কিভাবে বস্তু নিরপেক্ষ হয়?
৪. ব্রেনের বাম বলয়ে বা ডান বলয়ে স্বতন্ত্র চিন্তা করা কি সম্ভব?
৫. মহাচৈতন্য বিষয়টি কি খায় না মাথায় দেয়?
৬. দুর্ঘটনায় ব্যাথাপ্রাপ্ত হলে মহাজাতক কি মনের শক্তিতে দেহের ভিতর পেইন কিলার ও এন্টিবায়োটিক উৎপাদন করেন?
৭. এভাবে উৎপাদিত পেইন কিলার ও এন্টিবায়োটিক কি দেহ থেকে পৃথক করে বাজারজাত করা সম্ভব?
৮. মনের শক্তি দিয়ে ডিএনএ প্রোগ্রামিং এর তত্ত্বটি কি নোবেল কমিটি জানে?

চাতুরী ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে আধুনিক বিজ্ঞানের ভারী ও জনপ্রিয় শব্দ ব্যবহার করে নিজেদের ভন্ডামীপূর্ণ ভাওতাবাজি লোকঠকানোর কারবারকে
মহাবৈজ্ঞানীক প্রতীয়মান করা জ্যোতিষি ও মৌলবাদীদের পরিচিত কৌশল। তাহলে মহাজাতক সাফল্যের সাথে তার অধিকাংশ খদ্দেরকে সন্তুষ্ট করছে কিভাবে এবং কি কৌশলে ? প্রকৃতপক্ষে এখানে কথিত 'কোয়ান্টাম মেথড' এর আড়ালে যা হয় তা হলো মনোচিকিৎসা বিজ্ঞানের চিকিৎসা পদ্ধতি সাইকোথেরাপীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সম্মোহন (Hypnosis), আত্মসম্মোহন (Self-Hypnosis), মেডিটেশন (Meditation) ইত্যাদি, যেগুলোর মাধ্যমে যে কেউ তার কিছু ক্ষমতাকে বাড়াতে বা কিছু অক্ষমতাকে দুর করতে পারে যেমন - মনোযোগ বাড়ানো, দুশ্চিন্তা কমানো, বদভ্যাস ত্যাগ ইত্যাদি । কিন্তু অল্পকিছু ক্ষেত্রে এবং নির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে তা সম্ভব। মনোবিজ্ঞানীরা এসব ক্ষেত্রে মনোচিকিৎসা বিজ্ঞানের উপরোক্ত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে একটি নির্দিস্ট সীমার মধ্যে সফল হয়েছেন। এগুলো মহাজাতক বা কোন জ্যোতিষের আবিষ্কৃত পদ্ধতি নয় এবং এগুলোর নামও 'কোয়ান্টাম মেথড' নয়; বরং 'কোয়ান্টাম' শব্দটি এখানে ব্যবহার করা সামঞ্জস্যহীন এবং অর্থহীন অপপ্রয়োগ ছাড়া কিছু নয়

শারীরিক বা ফিজিক্যাল সমস্যার ক্ষেত্রে প্রয়োজন উপযুক্ত চিকিৎসা, পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য দরকার সঠিকভাবে মেধার ব্যবহার ও অধ্যয়ন, ব্যবসায় উন্নতির জন্য দরকার উন্নত ব্যবসায়িক জ্ঞান ও দক্ষতা - মন নিয়ন্ত্রনের ভুমিকা এখানে গৌন। সাইকোথেরাপীর পদ্ধতি ব্যবহার করে মহাজাতকের সাহায্য ছাড়াই সামান্য কিছু ক্ষেত্রে সাফল্য সম্ভব কিন্তু মহাজাতক যেভাবে 'চরম সাফল্যলাভ', 'প্রাজ্ঞ হওয়া' বা 'মহামানব হওয়া' কিংবা জটিল 'রোগ সারানো'র কথা বলছে তা নিতান্তই প্রতারনা ও ঠগবাজীর উদ্দেশ্যে রচিত ছাগলীয় গাল গল্পো।


অবশ্যপাঠ্য: প্রতারণার কোয়ান্টাম মেথড

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অপবিজ্ঞান ;
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫০
নোবেলজয়ী বলেছেন: "আবালীয়" কথা টা ভালো লাগলো...বাংলা সাহিত্যে নতুন সংযোজন
২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫১
ত্রিভুজ বলেছেন: আপনি খুব বুদ্ধিমান!
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: আপনেও তো কমনা, আপনার বুদ্ধির উৎস কি কোয়ান্টাম মেথড ??

৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৩
লাল পিপড়া বলেছেন: মনের শক্তি দিয়ে ডিএনএ প্রোগ্রামিং > হাসতেই আছি :)
৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৪
লাল পিপড়া বলেছেন: তবে মেডিটেশন এ কাজ হয় ।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: কোন কোন ক্ষেত্রে ।

৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৮
হমপগ্র বলেছেন: এই বিষয় ত্রিভুজ ভাইয়ের বক্তব্য চাচ্ছি।
৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০১
বিডি আইডল বলেছেন: আমার মূল্যবান বক্তব্য পরে দিচ্ছি...একটু কাজ আছে এখন
৭. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৩
হমপগ্র বলেছেন: আমি কোয়ান্টাম এ গেছি।

কিন্তু কোর্স করি নাই। কোর্স করতে ৮০০০ টাকা লাগে। দিনে ১০ ঘন্টা ধ্যান করলে আমাকে বলা হবে কোয়ান্টাম গ্রজুয়েট!

আমার কথা হচ্ছে মেডিটেশন করে রোগ সেরে যাবে তা একেবারেই ভুল ধারণা।

আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে এদের যারা স্টুডেন্ট আছে তারা আবার কোয়ান্টামের ওপেন মার্কেটিং করে। আমার এক বান্ধবী তো আমাকে জ্বালিয়ে মারছে কোর্স করার জন্য। এইরকম ভাওতাবাজী জন্মে দেখি নাই।

এক মহিলা নাকি কোয়ান্টাম করেছেন। তার পেটের টিউমার ভাল হয়ে গেছে। ডাক্তার কবিরাজও নাকি ফেল! এইসব কথায় পরে মানুষ যদি বিভ্রান্ত হয় তাহলে ক্ষতিটা কার হবে?

ওনারা কেন ৮০০০ টাকা করে নিচ্ছেন আল্লাহই জানেন।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: কোয়ান্টাম গ্রেজুয়েট? জটিল জিনিষ শুনাইলেন ...

গ্রেজুয়েট হৈতে আইজকাইল তাইলে আইএ বিএ পাশ দেওন লাগে না। মহাজাতকের কোর্চ কর্লেই হয় ... :D

৮. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১২
আরিফ জেবতিক বলেছেন: আমি বিষয়টিকে অন্যভাবে দেখছি ।
হয়তো পুরো বিষয়টাই প্রতারনা , কিন্তু এর একটি লাভ হচ্ছে এই কোর্সটি কোন কোন মানুষকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলে ।

সে এই সব কোর্স করে ( ভূয়া হতেই পারে , যেহেতু জ্যোতিষির করা )
মনে করে যে সে সবকিছু অর্জন করতে পারবে । তখন সে ঐভাবে ঝাপিয়ে পড়ে ।

আমার পরিচিত একজন ছিল অত্যন্ত দুর্বলচিত্ত । কিন্তু সে কোর্স করার পরে এখন বেশ সবল মনের অধিকারী । কোন বিপদ আপদ আসলেই সে নাকি ''মনের বাড়িতে'' গিয়ে বলে আসে এবং তারপর সেটা থেকে সাহায্য পায় ।

অনেক বিপদ কিন্তু এমনিতেই সময়ের সাথেই সেরে যায় , কিন্তু এই যে মানসিক শক্তি পাওয়ার বিষয়টা এটা মনে হয় খারাপ না ।
তবে কোর্স ফি ৮০০০ টাকা যে অতিরিক্ত সেটা মনে হচ্ছে প্রাথমিক ভাবে ।



এদের একটা ভালো জিনিষ আছে , সেটা হচ্ছে ব্লাড ব্যাংক ।
সেই ব্লাড ব্যাংক থেকে ভালো কোয়ালিটির রক্ত পাওয়া যায় ।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: নিজের মনের বাড়ি যাইতে ৮০০০ টেকা লাগে, আপসুস!!!

৯. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৩
মানুষ বলেছেন: উনার পশ্চাদ্দেশে গাইট্টা বাঁশ ঢুকিয়ে বলা উচিৎ, নে বাবা এইবার তোর মেথড প্রয়োগ করে ব্যাথা নিরাময় কর।

মাঝে মাঝে অবাক হই এই ভেবে আমরা কেন এতো আহাম্মক। যুগে যুগে এই টাইপ পাবলিক আমাদের ঠকাচ্ছে আর আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঠকে যাচ্ছি।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: কমেন্টে উত্তম জাঝা!

১০. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৪
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমি এত কিছু বুঝি না। খালি একটা প্রশ্ন, মহাজাতক বাবার নামটা কি তার বাপ মা রেখেছেন? এর মযেজা কি?
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: কইত্থেইকা এই নাম পাইসে আল্লায় জানে, বাংলা ইংলিশ সব ডিকসনারি খুইজা দেকসি...

১১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৭
লাল পিপড়া বলেছেন: কই নাই মহাজাতকের কাসে । কইলাম এমন কামহয় ।
১২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৮
একজন ব্লগার বলেছেন: বনহুর ভাই, হাটেঁ তো হাড়ি একদম ভাইংগা দিলেন!:D

মহাজাতক নামের এই মহা ভন্ডকে নিয়া পত্র-পত্রিকায়ও এইরকম প্রতিবেদন হওয়া উচিৎ। তাতে জনসচেতনতা আরো বাড়বে।
১৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৯
মানুষ বলেছেন: যারা মহাজাতকের কাছে ৮০০০ টাকা দিয়া ধরা খায় তারা আসলে লজ্জায় বলতে পারে না যে ধরা খাইছে। এই জন্য কয় মেডিটেশনে কাজ হয়।
১৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৯
একজন ব্লগার বলেছেন: সেবা প্রকাশনী হইলো এই ভন্ডটার একটা বিরাট বড় স্পন্সর!
১৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২২
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: সিলভা মেথড বলিয়া আরেকটি বস্তু আছে। এরাও ধ্যান করিয়া গ্রাজুয়েট হয়। তাদের সম্পর্কে কেউ মুখ খুলেন তো দেখি।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: গ্রাজুয়েট হওয়ার এমুন সহজ তরিকা দেশ ও জাতিকে জানানো দরকার ... :)

১৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৭
একজন ব্লগার বলেছেন: কত বড় জোচ্চর এই শালা! আলফা লেভেল, বিটা লেভেল, গামা লেবেল, মনের বাড়ী, আরো কি কি জানি ছিলো হাবি জাবি! তখন তো ভাবতাম না জানি কি এইগুলা!
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: আলফা বিটা লেভেল এইগুলা নিউরোফিজিলজির বিষয়। হালায় এইগুলানরে গনহারে ব্যবহার কইরা নানান ফালতু থিওরি বাইর করসে। জন একলসের লিখা the understanding of the brain বইটা পইড়া দেখতে পারেন।

১৭. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৮
পথিক!!!!!!! বলেছেন: মনের জোর অনেক সমস্যায় সাহস যোগায়...সম্ভবত...মেডিটেশন এই কাজটি করতে মানুষকে সাহায্য করে.....

এর বেশী কিছু নয়....
ইন্টারে নটরডেম কলেজে ভর্তির আগে কোচিং করেছিলাম কোয়ার্ক নামক এক কোচিং এ
ওখানের সব হত্তাকর্তারা কোয়ান্টাম গ্রাজুয়েট ছিলেন,,..
মেডিটেশন সম্পর্কে আগ্রহ তাদের ব্যাপক সুক্ষ্ম প্রচারণার ফলে কিঞ্চিৎ জেগে ওঠে মনে..তখন সম্ভবত ৪/৫ হাজার টাকা লাগত.....ইচ্ছে হলেও তাই ঐ জগতে আর ঢু মারিনি....
তবে একটা টেকনিক শিখেয়েছিল কোয়ার্ক....মানুষের নাম মনে রাখার টেকনিক...বেশ কােজর

কারও নাম শুনলে সেই ব্যক্তির চেহারাটা সাথে সাথে ঐ একই নামের খুব পরিচিত কারও চেহারায় সেটে দিতে হবে.....মনে থাকবে ...নতুন ব্যক্তির নাম যখন প্রয়োজন পড়বে....

এসব মন কৌশল সেখনোর বিষয়গুলো মনস্তািত্বক মানা যায়...তবে পিজিক্যাল অসুখ সেরে যাবে ....ভাবাটা ভন্ডামী
১৮. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩১
পথিক!!!!!!! বলেছেন: সিলভা গ্রাজুয়েট আর কোয়ান্টাম গ্রাজুয়েট..একই টাইপ
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: সার্টিফিকেট নিয়া বিসিএসে দাড়ান যাইব কিনা হেইডা কন...

১৯. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
হমপগ্র বলেছেন: একটা জিনিস বলি।

আমার সেই বান্ধবী কোয়ান্টাম করে কেমন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তার কারণ হিসেবে আমি কয়েকটা জিনিসকে দাঁড় করিয়েছি।

১) আমি আধা ঘন্টার মেডিটেশন করেছি (মঙ্গলবার ফ্রী আধাঘন্টা করতে দেয়) সেখানে মনের বাড়ি টারি গিয়ে বহুত কিছু করতে কয়। মেডিটেশন শেষ হলে বলতে হয়, "মাশাল্লাহ বেশ ভালো আছি"। যে ভাল নাই সেও বলছে। তারমানে তার মনের সাথে একটা বিশাল দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা হচ্ছে। এতে মন কীভাবে শক্তি পাবে?

২) আমি মনের বাড়ি দুনিয়ার সুন্দর জিনিস দিয়ে সাজিয়েছি। তাতে লাভটা কী? এতে নিজের মধ্যে একটা অস্থিরতা বাড়ে। যেমন আমার বি এম ডাব্লুই নাই। কিন্তু মনে মনে চালাই আর কেনার জন্য অনেক অস্থির হই।

৩) মেথডের মানুষের কথাগুলো ডাক্তার বিরোধী। এরপর ডাক্তারের কাছে গেলে তার বিশ্বাসের লেভেলটা কী হতে পারে?

আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে নিজের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। আমি ডিবেট করার সময় বাথরুমে গিয়ে এটা করতাম। এখন কোন প্রেসেন্টেশনে আমার সমস্যা হয় না।

আর মনের শক্তিটা কী জিনিস রে ভাই! এইটা দিয়ে রোগ ভালা হইব কেমনে।

এখন আমার বান্ধবী আমাদের কাছ থেকে একটু দূরত্ব বজায় রাখে। বন্ধু সুলভ আনন্দ থেকে নিজেকে বঞ্চিত করে। কারণ তার মনের বাড়িতে অনেক আনন্দ(!!!!)

আমি ভয় পাচ্ছি শেষটায় পাগল না হয়ে যায়!
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: হাসতে হাসতে পইড়া গেলাম ... =p~

২০. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আমি আগেই কইছিলাম এইসব বালছাল পুরোটাই ভুয়া।

প্রমান চাইলে আমার সাথে দেখা করতে পারেন।আমার বড়ভাই সেই ৯৩ সালেই এই কোর্স করছিল।লাভ যে কি হইছে সেটা ভালোমতই টের পাইছি আমরা!
২১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৫
বিবর্তনবাদী বলেছেন: গ্রাজুয়েট হওয়ার এমুন সহজ তরিকা দেশ ও জাতিকে জানানো দরকার ..

ইস আগে জানলে ঢাবিতে ছয় বছর ধরে চার বছরের অনার্স করতাম না। ধরা খাইছি? তা পিএইডির ব্যাপারে কেউ কিছু জানলে জানান।
২২. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৫
একজন ব্লগার বলেছেন: কি টের পাইছেন ইকটু কিলিয়ার কইরা বলেন@শিমুল।


আপনি জানলে আমারেও ইকুট জানায়েন। তাইলে আমি পনের হাজার ডলার দিয়া আর সি পি এ'তে ভর্তি হমু না। আট হাজার টাকা দিয়া কোয়ান্টামের কোর্স করমু।@বিবতনবাদী।
২৩. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৭
হাসিব মাহমুদ বলেছেন: ঐখান থিকা গ্রাজুয়েশন করলে কি নামের পাশে ডিগ্রি হিসাবে ঐটা লেখা যাইবো ? তাইলে আমার নামের নীচে দুইটা লাইন হয় ;)
২৪. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৬
লাল পিপড়া বলেছেন: হাসিব মাহমুদ ( মনের বাড়ী বিশেষগ্য )
২৫. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৩
পূর্ব বলেছেন: বাপরে কি জাঁদরেল আলোচনা।
২৬. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৪
এরশাদ বাদশা বলেছেন: পোস্টটা সত্যিই ভাবিয়েছে। আমি বইটা পড়েছিলাম, তবে মেডিটেশন এর ধারেকাছ দিয়েও যাইনি।

এখানে আলোচনা করতে হলে বইটা আরেকবার পড়তে হবে। তবে একটা জিনিস বলতে পারি, আপনার কথায় ম্যালা যুক্তি আছে।
২৭. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪০
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: মহাজাতককে আইপিসহ ব্যান করা হউক......;)
২৮. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৫
নূহান বলেছেন: পুস্টে জাঝা ।মানু ভাইয়ের কমেন্টে ডবল জাঝা ।:)
২৯. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:২১
বিডি আইডল বলেছেন: মানুষ বলেছেন:

মাঝে মাঝে অবাক হই এই ভেবে আমরা কেন এতো আহাম্মক। যুগে যুগে এই টাইপ পাবলিক আমাদের ঠকাচ্ছে আর আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঠকে যাচ্ছি।
৩০. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:০৮
লুকার বলেছেন:
মনুষ্য সমাজে একটি বেকুব প্রজাতি রহিয়াছে।
তাহারা সিলভা ও কোয়ান্টাম গ্রাজুয়েট তকমা লাগায়।
তাহারা রাশিফল দেখিয়া কাজ কর্ম শুরু করে।
মুশকিল আসানের জন্য রত্ন পাথরের আংটি পরিধান করে।
পীর-ফকিরের আস্তানায় আর মাজারে দৌড়াদৌড়ি করে।
প্রকৃতপক্ষে তাহারা ঘিলু ব্যবহার করিতে জানে না।
এই সকল নির্বোধদের জন্য রহিয়াছে কেবল করুণা।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৩

লেখক বলেছেন: জটিল কোবতে হৈসে ...

( আবুল ও বেকুব প্রজাতির জন্য ইহা উৎচর্গিত হৈল)

৩২. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫
সাতরং বলেছেন: আপনার লেখায়ও চাতুরতা আছে
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৪

লেখক বলেছেন: আমি আবার কি করলাম ... :(

৩৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০০
মেহেডি হাসান বলেছেন: লেখক এবং যারা মন্তব্য করেছেন... তাদের... কোন বিন্দুমাত্র " কোয়ান্টাম মেথড" সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেই.....

কোয়ান্টাম মেথড" সম্পর্কে জানতে.. ভিজিট করুন নিচের লিকং গুলোতে Click This Link
Click This Link
৩৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬
মেহেডি হাসান বলেছেন: "কোয়ান্টাম" সম্পর্কে আরও ভালভাবে জানতে চাইলে.... ( কোয়ান্টাম ২০০ তম কোর্স পূর্তি স্মারক ) ডাউনলোড করতে পারেন....

ডাউনলোড লিংক :
Click This Link)_(low).pdf

৩৭. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
মেহেডি হাসান বলেছেন: সঠিক ডাউনলোড লিংক :

Click This Link)_(low).pdf
৩৮. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১
মেহেডি হাসান বলেছেন: দুঃখিত পূর্বের দেওয়া লিংক কাজ করছে না!!!!
( কোয়ান্টাম ২০০ তম কোর্স পূর্তি স্মারক ) ডাউনলোড করতে চাইলে...নিচের লিংক-এ ভিজিট করুন...

Click This Link

তারপর.... 200th Course Completion Souvenir ক্লিক করুন...

ধন্যবাদ.....
৪০. ২৫ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: বনহুর ভাই কোন ইন্টারনাল কেস আছে নাকি?

এত খেপলেন কেন কোয়ান্টাম মেথডের উপর?

আপনার এত লেকচারের পরেও হাজার হাজার মানুষ কোয়ান্টাম মেথড ৮০০০ টাকা দিয়েই শিখছে। এত বড় প্রতারণা আপনি ছাড়া আর কেউ ধরতে পারল না, আফসোস।
৪১. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:০২
লিবিব বলেছেন: বনহুর ভাই কোন ইন্টারনাল কেস আছে নাকি?

এত খেপলেন কেন কোয়ান্টাম মেথডের উপর?

আপনার এত লেকচারের পরেও হাজার হাজার মানুষ কোয়ান্টাম মেথড ৮০০০ টাকা দিয়েই শিখছে। এত বড় প্রতারণা আপনি ছাড়া আর কেউ ধরতে পারল না, আফসোস।

দস্যু বনহুর নিজে ই ভন্ড।
২৫ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: বিশ্বাস যখন অন্ধ হয়, যুক্তি কাজে আসে না। "এত লেকচারের পরেও হাজার হাজার মানুষ কোয়ান্টাম মেথড ৮০০০ টাকা দিয়েই শিখছে" এতে কোয়ান্টাম মেথডের সত্যতা প্রমাণ হয় না, এতে বড়জোর প্রমান হয় দেশ আবালচোদে ভরে যাচ্ছে এবং আবালচোদের দেশে মানুষ ঠকানোর ব্যবসা কেমন রমরমা হতে পারে।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯২৫০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ