আমার প্রিয় পোস্ট
- কোরানে বিজ্ঞান খুঁজতে যেয়ে যখন কোরান হয় বিকৃত আর বিজ্ঞান হয় ধর্ষিত!! - হোরাস্
- স্যালারী সার্ভে (বেতন জরিপ ) সবাই সাহায্য করুন!!! - ফরহাদ মাহমুদ সোহাগ
- পাকমন পেয়ার - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- সময় কী ? - আনোয়ারুল আলম
- ঈশ্বরচিন্তা - ৪ - আরিফুল হোসেন তুহিন
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- স্পিনোজার নির্বিকার ঈশ্বর - ইমন জুবায়ের
- ধর্মে বিজ্ঞানঃ নিম গাছে আমের সন্ধান - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- দস্যু বনহুর নামে একজন আছেন..................... - সবুজপাতা
- মুসলমানদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত-১৯ - মোহাম্মদ আলী আকন্দ
ইশ্বরবিশ্বাস ও ধর্মবিশ্বাসের রকমফের আছে; প্রচলিত কোন ধর্মবিশ্বাসের প্রতি আনুগত্য না থাকলেই কেউ ধর্মবোধহীন হয়ে যান না।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৪
ইশ্বরবিশ্বাস এবং ধর্মবিশ্বাস শব্দ দুটোকে প্রায় সমার্থক মনে হলেও এ দুটোকে স্পস্টভাবে পৃথক করে দার্শনিক চিন্তার বিকাশ ঘটেছে অনেক আগেই। এরকম একটা দার্শনিক ধারা অনেক আগে থেকেই প্রবলভাবে বিদ্যমান, যেখানে ইশ্বরকে কল্পনা করা হয় বিশ্বসৃস্টির নৈর্ব্যক্তিক পরম কারণ হিসাবে - সৃস্টির পর থেকে যার আর কোন ভূমিকা নেই - অর্থ্যাৎ সৃস্টির পর থেকে বিশ্ব চলছে আপন নিয়মে সৃস্টিকর্তার কোনপ্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই। একটা চাবি মাইরা দিছে ছাইড়া জনম ভইরা চলতে আছে - বহুলশ্রুত এই পংক্তিতে উপরোক্ত দার্শনিক চিন্তার ছোঁয়া পাওয়া যায়। এই দার্শনিক ধারার সুসংসহত রূপ হলো দেইজম(Deism )।
অন্যদিকে প্রচলিত ধর্মবিশ্বাসের তত্ত্বগত ভিত্তি হলো থেইজম (Theism) - এতে ইশ্বরের কথিত বিভিন্ন সৃস্টি, মানুষ, বিশ্বজগতের প্রতিটি ঘটনাবলীর উপর ইশ্বরের সক্রিয় প্রভাবের কথা বলা হয়েছে। থেইজম-এর প্রাবল্যের বিপরীতে দেইজম ছিলো মুলত নাস্তিকতা বা এথেইজম (Atheism)-এর বহিঃপ্রকাশ, সামন্ত-ধর্মীয় অনুশাসনের যুগে যা হয়ে দাঁড়ায় বস্তুবাদীদের চিন্তা প্রকাশের এক কৌশলী মাধ্যম। ফ্রান্সের রুশো ভলতেয়ার থেকে শুরু করে ইল্যান্ডের লক, নিউটন, টল্যান্ট, রাশিয়ার রাদিচেভ সবাইকে দেইজমের পুনর্জাগরনকারী বলা হয়। বর্তমান সময়ে অবশ্য ধর্মকে যুক্তিসংগত প্রমাণ করার জন্য দেইজম এর সাহায্য নেয়া হয়, ধর্মবিশ্বাসকে সমর্থন করতে গিয়ে তুলে নিয়ে আসা হয় দেইস্টদের ইশ্বরবিশ্বাসের কথা। এক্ষেত্রে সচেতনভাবেই ভুলে যাওয়ার বা ভুলানোর চেষ্টা করা হয় ইশ্বরবিশ্বাস আর ধর্মবিশ্বাসের গুণগত পার্থক্যের কথা। আধুনিক বিজ্ঞান, বিশেষ করে পদার্থবিজ্ঞান ওয়েভিকলস থেকে শুরু করে কোয়ান্টাম রিলেটিভিটি তত্ত্ব এরকম কিছু প্যারাডক্স নির্ভর হয়েছে যাতে কেউ কেউ দেখা যায় দেইস্টিক ভাবনা দ্বারা উৎসাহিত হচ্ছেন, কিন্ত দেইষ্টদের ব্যক্তিগত ভাবনার সমর্থন খুঁজবার কোন যৌক্তিকতা নেই।
ইশ্বরবিশ্বাসের রকমফেরের মতো ধর্মবোধেরও রকমফের রয়েছে। নির্দিস্ট কোন ধর্মবিশ্বাসের প্রতি আনুগত্য না থাকলেই একজন মানুষ অধার্মিক বা ধর্মবোধহীন হয়ে যাবেন এমন কোন কথা নেই। মানুষের ধর্মবোধ কোন ঐশ্বরিক গ্রন্থ, কোন মহান সর্বশক্তিমান, স্বর্গ-নরক, বেহেশত-দোজখ, মৃত্যুপরবর্তী পুরস্কার বা শাস্তিভয় জাতীয় বিষয়গুলো দ্বারা প্রভাবিত হতেই হবে এমন ভাবনার কোন কারণ নেই। ঐশ্বরিক বাণী-নির্দিষ্ট ক্রিয়াকানুন- বিশ্বাস-ভীতি নয়, মানুষের নৈতিক আচরনের চমৎকার ভিত্তি হতে পারে তার শিক্ষা, বিবেকবোধ, সহানুভুতি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা।
নিঃসীম সমু্দ্রের অথৈ জলরাশি বা সুউচ্চ পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদেরকে মুগ্ধ করে, গ্রহ তারা জ্যোতিস্কমন্ডলীর আশ্চর্য শৃংখলা আমাদের মনে জাগায় বিশেষ অনুভুতি, শ্রাবণের বৃষ্টিধারা কিংবা ভোরের শিশিরকণার অপার সৌন্দর্য আমাদের আলোড়িত করে, পত্রিকার পাতায় শিশুধর্ষনের খবর পড়ে আমরা বিমর্ষ হই, শত সহস্র মাইল দুরবর্তী ইরাক বা ফিলিস্তিনে গণহত্যা আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়, নিঃসহায় মানুষের বিপদে দুর্দশায় পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ পাই, কোথাও অধিকার লঙ্ঘিত হলে সুবিচার প্রতিষ্ঠিত নাহলে আমরা প্রতিবাদে মুখরিত হই - এই বোধই প্রকৃত ধর্মবোধ।
আর সত্য সুন্দরের সন্ধানে মানুষের যে সংগ্রাম সেটাই প্রকৃত ধর্মপালন।
প্রেরণাঃ প্রকৃত মানবতাবাদী ও প্রগতিশীল হতে হলে মৃত্যুপরবর্তী জীবন ও এই মহাবিশ্বের একজন মহান স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাস করতেই হবে
তালগাছের মালিকানাঃ এস. এম. রায়হান
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: তারপরেও তালগাছ যার ছিল তারই থাকবে ![]()
সত্যান্বেষী বলেছেন:
'নিঃসীম সমু্দ্রের অথৈ জলরাশি বা সুউচ্চ পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদেরকে মুগ্ধ করে, গ্রহ তারা জ্যোতিস্কমন্ডলীর আশ্চর্য শৃংখলা আমাদের মনে জাগায় বিশেষ অনুভুতি, শ্রাবণের বৃষ্টিধারা কিংবা ভোরের শিশিরকণার অপার সৌন্দর্য আমাদের আলোড়িত করে, পত্রিকায় পাতায় শিশুধর্ষনের খবর পড়ে আমরা বিমর্ষ হই, শত সহস্র মাইল দুরবর্তী ইরাক বা ফিলিস্তিনে গণহত্যা আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়, নিঃসহায় মানুষের বিপদে দুর্দশায় পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ পাই, কোথাও অধিকার লঙ্ঘিত হলে সুবিচার প্রতিষ্ঠিত নাহলে আমরা প্রতিবাদে মুখরিত হই - এই বোধই প্রকৃত ধর্মবোধ।'গভীর সহমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জটিল বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: ঠিকাসে।
সুফিয়ান ডট কম বলেছেন:
কটিন হৈসে... সহমত
লেখক বলেছেন: সহমত প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দ্বিতীয়নাম। ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখাটির ২য় পর্ব চাই।
পল্লী বাউল বলেছেন:
ভালো লাগলো ++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: .... সেজন্যেই তালগাছটা আগেই দিয়ে রেখেছি।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
বস লেখা...
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু বস...
হযরত মামুন আব্দুল্লাহ্ বলেছেন:
জটিল...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: আপনার আসুন একটি দোররা কিনি -
লেখাটার কথা মনে পড়ে গেল।
লেখক বলেছেন: ![]()
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
এটাকে ধর্মবোধ না বলে শুধু বিশ্বাস বা বোধ বলাই ভাল। কারন প্রচলিত অর্থে বিশ্বাস ছাড়াও ধর্মের একটা লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থাকে। লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ছাড়া ধর্ম নিছকই বিশ্বাস, যার কোন পরিনতি নাই।
লেখক বলেছেন: লক্ষ্য-উদ্দেশ্যটাই সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয়। প্রচলিত প্রতিটি ধর্মমত নিজের শ্রেষ্টত্তের কথা বলে, সব ধর্মমত চায় পৃথিবীতে নিজের শ্রেষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা করতে। এই অর্থে প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিটি ধর্মমতই অপরাপর ধর্মের মানুষের জন্য তথা সভ্যতার জন্য সর্বদাই হুমকিদায়ক।
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
"নিঃসীম সমু্দ্রের অথৈ জলরাশি বা সুউচ্চ পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদেরকে মুগ্ধ করে, গ্রহ তারা জ্যোতিস্কমন্ডলীর আশ্চর্য শৃংখলা আমাদের মনে জাগায় বিশেষ অনুভুতি, শ্রাবণের বৃষ্টিধারা কিংবা ভোরের শিশিরকণার অপার সৌন্দর্য আমাদের আলোড়িত করে।"কখনও জানতে ইচ্ছা করে কি এগুলোর স্রষ্ঠা কে? আমাদের জন্য যিনি এতো কিছু দিয়েছেন তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন কিভাবে?
"পত্রিকায় পাতায় শিশুধর্ষনের খবর পড়ে আমরা বিমর্ষ হই"
ধর্ষকও কিন্তু আমাদেরই কেউ। তাকে কে শেখাবে এই অপকর্ম থেকে বিরত থাকতে?
"শত সহস্র মাইল দুরবর্তী ইরাক বা ফিলিস্তিনে গণহত্যা আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়, নিঃসহায় মানুষের বিপদে দুর্দশায় পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ পাই, কোথাও অধিকার লঙ্ঘিত হলে সুবিচার প্রতিষ্ঠিত নাহলে আমরা প্রতিবাদে মুখরিত হই"
ধর্ম চর্চা আমাদের এই গুন গুলোকে আমাদের মধ্যে লালিত হতে সবচেয়ে বেশী সহায়ক হয়।
"এই বোধই প্রকৃত ধর্মবোধ।"
অবশ্যই
লেখক বলেছেন: ১. জানতে তো ইচ্ছা করে অবশ্যই। কিন্তু সবকিছুই কার্যকারণে এবং প্রাকৃতিক নিয়মেই ঘটে। ভোরের শিশিরকনার সৃস্টিও পেছনে এমন কার্যকারণ ও ব্যাখ্যা রয়েছে। এখানে স্রস্টার করনীয় কিছু আছে বলে মনে হয়না। তবে আপনি যদি সেই কার্যকারণকেই স্রস্টা বলতে চান তাহলে এস. এম. রায়হান সাহেবের কাছ থেকে তালগাছের শেয়ার দাবী করতে পারেন।
২. সেটাই প্রশ্ন। কে দেবে? অবশ্যই কোন ঐশ্বরিক গ্রন্থ থেকে নয়! কারণ ওগুলোতে পাপ, পাশবিকতা এবং চরম অপরাধ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এবাদত বন্দেগী, স্রস্টার সম্মানে উপবাস, পবিত্র স্থান পরিক্রমন, ইত্যাদি অসংখ্য পন্থার কথা বলা আছে। অপরাধ যারা করে তাদের মধ্যে বিশ্বাসীদের সংখ্যাই বেশী। কই বিশ্বাস তো তাদের অপরাধ থেকে দুরে রাখতে পারেনা।
৩. বাস্তবে যা দেখি তা হলো ইরাক বা ফিলিস্তিনে গণহত্যায় কেবল মুসলিমরা অশ্রুবর্ষন করে, বাকী ধর্মের লোকেরা তামাশা দেখে। আসলে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলোর মধ্যে সহিষ্ণুতার এতই অভাব এগুলোর মাধ্যমে কোনভাবেই এসব মানবিক গুণের স্ফুরন সম্ভব নয়। প্রচলিত ধর্মচর্চা ছাড়াই কিভাবে এই গুনগুলোকে লালন করা যায় সেসমন্ধে কিছু কথা পোস্টে বলেছি।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ...লিংকে গিয়া ব্যপক মজাক পাইলাম।
লেখক বলেছেন: হ, বড়ই সৌন্দর্য!
কখনও মানব কখনও দানব বলেছেন:
নাজিম উদদীন বলেছেন: তালগাছের ছবিটা খুব সুন্দর হইছে।
লেখক বলেছেন: ![]()
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
মানবতাবাদের টিউন হিসাবে আপনার চিন্তা মন্দ নয়। কিন্তু আরও কথা আছে। তা হচ্ছে, আপনি যে ভাবে বুঝেছেন তা নাস্তকি বা আসি্তকের প্রচীন ধারনা। যেমন আপিন যদি ভারতীয় দর্শন দেখেন তাহলে তা প্রধাণত দুই ভাগে বিভক্ত- ১। আস্তিক (সনাতন ধর্ম) ২। নাস্তিক (জৈন, বৌদ্ধ ও চার্বাক)। তাহলে এখানে নাস্তিকতার সংজ্ঞা হল বেদান্তে বিশ্বা না করা। সে হিসাবে মুসলমানরাও নাস্তিক। এখন কি এধারণার কোন ভিত্তি আছে? না, নাই। এখন নাস্তিক মানেই যার সৃষ্টি কর্তায় বিশ্বাস নেই। ধর্ম বলতে সাধারণ ভাবে কোন কিছুর স্বভাবিক কিছু বৈশিষ্ট বুঝায়। যেমন আগুনের, পানির বা প্রত্যেকটি পদার্থেরই ধর্ম আছে। কিন্তু ধর্ম মানা না মানার ক্ষেত্রে সেটা বুঝায় না। তখন অলৌকিক কোন শক্তির উপর বিশ্বাস অবিশ্বাসের কথা বুঝান হয়।
লেখক বলেছেন: নাস্তিকতা নিয়ে আপনার সংজ্ঞার সাথে এই পোস্টের কোন দ্বিমত তো দেখিনা। ... ধর্ম মানে কি কেবল অলৌকিক কোন শক্তির উপর বিশ্বাস বা অবিশ্বাস? ব্যক্তির কি নিজস্ব ধর্মমত বা নিজস্ব ধর্মচেতনা থাকতে পারেনা? নাকি ধর্ম শব্দটির একতরফা পেটেন্ট রাইট প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলো নিয়ে নিয়েছে?
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
না, পারে না। কারণ বর্তমানে দর্শন প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত-১। বস্তুবাদ ২। ভাববাদ (ভাববাদীরা ধর্ম বিশ্বাসী হতেও পারে আবার নাও পারে)। মানুষের চিন্তা কোন না কোন ভাবে এই দুইয়ের মধ্যে হতে বাধ্য। তাই ব্যক্তির নিজস্ব চিন্তাও সতন্ত্র কোন কিছু নয়।
লেখক বলেছেন: ছাগদর্শনে হয়তো তা পারেনা, তবে 'ধর্ম' যেখানে অলীক চিন্তায় ন্যুজ নয়, ধর্ম যেখানে মানুষের 'বৈশিষ্ঠ্য' বা 'গুণ' হয়ে ওঠে সেখানেই ধর্ম শব্দটি অর্থবহ বা সার্থক,, এই দৃষ্টিতে দেখলে একজন বস্তুবাদী বা ঘোর নাস্তিকও প্রকৃত ধার্মিক হতে পারেন, আবার প্রচলিত ধারনার অনেক মহাধার্মিককেও অধার্মিক বা বকধার্মিক বলা যায়।
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
অবিশ্বাসীরা প্রাকৃতিক নিয়ম বলতেই পছন্দ করে আর বিশ্বাসীরা প্রকৃতির এই সুশৃঙ্খল নিয়মতান্ত্রিকতার পেছনে স্রষ্ঠার হাতকেই বিশ্বাস করে। চালক ছাড়া চালিত হচ্ছে এমন কোন উদাহরন পৃথিবীতে নায়।কোন সমাধান যদি কোন গ্রন্হ (ঐশ্বরীক বা পার্থীব) থেকে পাওয়া যায় তাতে আপত্তি থাকা উচিত না। কেউ যদি স্রষ্ঠাতে বিশ্বাস করে রিপুকে দমন করে সমাজের জন্য কল্যান করতে পারে তাহলেও আপত্তি থাকা উচিত না। তালগাছ নিয়ে টানাটানি করে কটাক্ষ করার মধ্যে কিন্তু এক ধরনের অসহিষ্ণুতার প্রকাশ পায়, যা আপনার বর্ণিত ধর্মের মধ্যে পড়ে না।
বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীদের তালিকা আপনার কাছে আছে কি? বিশ্বাসের গবিরতা বা ধর্ম পালনকারীর ধর্মের প্রতি দৃঢ়তাও বিবেচনা করা দরকার কিন্তু। বিশ্বাসীরা বেশী অপরাধ করে না অবিশ্বাসীরা তখন না হয় এটা হিসেব করা যাবে।
লেখক বলেছেন: Click This Link
মনির হাসান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তারপরেও তালগাছ যার ছিল তারই থাকবে ... ক্যাম্নে কি ? (পোস্ট না পইড়া আগে কমেন্ট করতেছি ...
লেখক বলেছেন: হেঃ হেঃ
... এইবার পোস্ট পইড়া একটা কমেন্ট করেন ![]()
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
"ছাগদর্শন" বলে কোন দর্শনের সঙ্গে আমি পরিচিত নই। বিস্তারিত জানাবে।
আপনার জবাবে বুঝলাম আপনি ধর্মকে মানবতার সমর্থক হিসাবে ধরতে চাইছেন। কিন্তু আপনাকে সঠিক পথে এগুতে হলে এদুয়ের পার্থক্য বজায় রেখেই চলতে হবে। ধর্মের মধ্যেও যে মানবতা নেই তা নয়। কারণ তা তো মানুষেরই সৃষ্টি বিভিন্ন বাস্তবতায়।
লেখক বলেছেন: ...এটা ঠিক প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মগুলোর মধ্যে মানবিক কিছু উপাদান রয়েছে, যেগুলো ধর্মপ্রনেতারা কৌশলে ব্যবহার করেছেন। এগুলোর অধিকাংশই কিন্ত সময়োপযোগিতার বিচারে বাতিলের খাতায়...
লেখক বলেছেন: হুমম
লেখক বলেছেন: তালগাছটা সবসময় উনাদেরই থাকে।
কার্ল মার্কস বলেছেন:
কার্য কারনের কার্য কারন এভাবে পেছনে চলতে থাকলে ফ্যালাছি তৈরী হয়। ফ্যালাছি ঠেকাইতে গড আসে ?অবশ্যই ব্যক্তির ধর্ম (রিলিজিয়ন) থাকতেই পারে।
আপ্নের তাল গাচের চবি লইয়া লইচি
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন। ...ধন্যবাদ।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
১২নং এর জবাবে দেয়া সাধারন তত্ত্ব তো রাজনীতিসহ অনেক কিছুতেই প্রযোজ্য হওয়ার কথা!! সেক্ষেত্রে অবশ্য এক দল আরেক দলের জন্য সর্বদাই হুমকিদায়ক হওয়ার কথা। কিন্তু এ ধরনের রাজনৈতিক হুমকি সব দেশে দেখা যায় না। সমস্যাটা বোধহয় ধর্মের ব্যাপারে সঠিক দৃষ্টিকোণের অভাব!!!
সিউল রায়হান বলেছেন:
হয়রান বাঈরে পোস্ট উৎসর্গ করার জন্যে মাইনাস আপনারে ( রেটিংটা দিতে পারলাম না....... প্লাসটা পরে দিয়ে যাব )
আপাতত বলব, উনারে নিয়ে কয়েকদিন আগে একটা গেম শো এর পোস্ট দিসিলাম...... টাইম পেলে পইড়েন:
ক্যাপচার দ্য তালগাছ : ব্লগের নতুন গেম শো
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
এ বিষয়ে দেশ ও জাতি হয়রান ভাঈ এর বিদগ্ধ বক্তব্য শুনতে চায়।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: না, পারে না। কারণ বর্তমানে দর্শন প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত-১। বস্তুবাদ ২। ভাববাদ (ভাববাদীরা ধর্ম বিশ্বাসী হতেও পারে আবার নাও পারে)। মানুষের চিন্তা কোন না কোন ভাবে এই দুইয়ের মধ্যে হতে বাধ্য। তাই ব্যক্তির নিজস্ব চিন্তাও সতন্ত্র কোন কিছু নয়।
______________________________________
এই ভাগটা কোন আবুল বা বাবুল করেছে জান্তে পারি কি? এই বিভক্তি কি সবাইকে মাথা পেতে মেনে নিতে হবে? আপনে তো সাবেক সোভিয়েট ইউনির রাস্ট্রনায়কদের মতো কতা কইলেন - মানুষ দুইপ্রকার কম্যুনিষ্ট এবং কম্যুনিস্ট - এইরকম শোনাইল।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট।
এস. এম. রায়হান বলেছেন:
"ইশ্বরবিশ্বাস ও ধর্মবিশ্বাসের রকমফের রয়েছে। প্রচলিত কোন ধর্মবিশ্বাসের প্রতি আনুগত্য না থাকলেই কেউ ধর্মবোধহীন হয়ে যান না।" --- এই কথা তো আমি কোথাও বলি নাই।
লেখক বলেছেন: বলেন নাই দেইখাই তো পোস্টটা দিলাম
... কমেন্টেও কপি পেস্ট করেন নাকি? আমার পোস্টের বিষয় ছিল প্রকৃত মানবতাবাদী হতে হলে মৃত্যুপরবর্তী জীবন বা স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাস করতেই হবে এমন অযৌক্তিক ধারনার বিরুদ্ধে। একদম নীচের লাইনের লিংক দেখুন।
মনির হাসান বলেছেন:
ভাই ... বিশ্বাস করেন এত সুন্দর কইরা বোঝালে এরা বোঝেনা না ... গাড় ঘুম ভাঙ্গাইতে গেলে মাঝে মধ্যে চটকানা দিতে হয় ... আমি এইটা মানি ... মাঝে মধ্যে সেই রকম কাজ করি ।
যাই হোক শুভ কামনা ।
দীপান্বিতা বলেছেন:
'...সত্য সুন্দরের সন্ধানে মানুষের যে সংগ্রাম সেটাই প্রকৃত ধর্মপালন...'প্রথমটা গুরু-গম্ভীর ব্যাপার দেখে পড়তে একটু ভয়ই লাগছিল......খুব যে বুঝলাম তাও না! তবু পড়ে ভাল লাগল...
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
অসাধারন লেখা,তাও যদি মানুষ একটু বৃত্ত থেকে বেড়িয়ে আসতে পারে।
শয়তান বলেছেন:
পোস্টগুলা ফিরায়া আনায় কৃতজ্ঞতা ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















