সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা এবং বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমানের দায়ের করা এক মামলায় সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের চেয়ারম্যান ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যসহ মোট ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।
মাহমুদুর রহমান গতকাল বুধবার দুপুরে ঢাকার সিএমএম কোর্টে হাজির হয়ে দণ্ডবিধি ৪৯৯/৫০০ ধারা অনুসারে এ মামলা দায়ের করেন। সরকারীভাবে নয়, ব্যক্তিগতভাবে তিনি এ মামলা দায়ের করেন। এতে প্রধান আসামি করা হয় সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীকে।
অন্যরা হলেন ডঃ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ডঃ এম সাইদুজ্জামান, রেহমান সোবহান এবং লায়লা কবীর। গতকালই আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে। মামলার ঘটনার বিবরণে বলা হয়, “গত ৮ আগস্ট সিপিডি কার্যালয়ে আসামিগণ এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের কাছে বাদীর বিরুদ্ধে মানহানিকর, অসম্মানজনক, কুরুচিপূর্ণ, অসৌজন্যমূলক, বিভ্রান্তিমূলক ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা ও বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন মন্তব্য ও বক্তব্য পরিবেশন করেছেন।
সূত্র: ইত্তেফাক, আগস্ট ১০, ২০০৬
ঠিক একইভাবে মানহানিকর, অসম্মানজনক, কুরুচিপূর্ণ, অসৌজন্যমূলক, বিভ্রান্তিমূলক ও ষড়যন্ত্রমূলক, মিথ্যা ও বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন মন্তব্য ও খবর পরিবেশনের কারণে তথাকথিত সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করলে সমস্যা হবে কেন? যে ব্যক্তি নিজেই অন্যের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে শ্রদ্ধা করে না আন্দোলনের ইস্যুর প্রয়োজনে তিনিই এখন "মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রতীক" বনে গেলেন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

