আমার প্রিয় পোস্ট

যাদের কারনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়নি

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৭

শেয়ারঃ
0 2 0


ইদানিং বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে অনেক লেখালেখি, আলোচনা, পর্যালোচনা চলছে। পক্ষে-বিপক্ষে নানা গোলটেবিল-বক্তব্য চলছে হরদম। বুদ্ধিজীবী ও আইনবিদদের বিভিন্ন যুক্তি-তর্ক চলছে সমান তালে। রাজনৈতিক কর্মসূচী এবং বক্তব্য এখন নির্বাচন ভাবনা থেকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়েই ঘুরপাক খাচ্ছে। আর এই আলোচনা যিনি শুরু করেছেন তিনি কাদের সিদ্দিকী এখন পরিপূর্ণ চুপ করে আছেন। কাদের সিদ্দিকী বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত প্রিয় লোক ছিলেন এবং দীর্ঘদিন তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের এক নম্বর সদস্য ছিলেন। কাদের সিদ্দিকী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং কাদেরিয়া বাহিনী নামে একটি স্বতন্ত্র বাহিনী সেসময় মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিল।

কিন্তু তার এই বিরত্বপূর্ণ ভূমিকা একটি ঘটনাতেই মাটি হয়ে যায় বিজয় দিবসের দু'দিন পরেই। সারা বিশ্বের নিন্দা ও ধিক্কার কুড়াতে থাকে তার একটি ভুমিকায়। আর সেটা হলো ঢাকার পল্টন ময়দানে প্রকাশ্যে বিহারীদের হাত পা বেধে বেয়নেট দিয়ে হত্যা করা। দেখুন- ১৩ নভেম্বর ২০০৭ এর প্রথম আলোয় প্রকাশিত সৈয়দ আবুল মকসুদের লিখিত সহজিয়া কড়চায়। এছাড়াও কোন এক নিবন্ধে আমাদের সময় পত্রিকাতেও তার এই ভূমিকাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করা হয়েছিল। এছাড়াও পৃথিবী বিখ্যাত মহিলা সাংবাদিক ওরিয়ানী ফালাচি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর তার এক সাক্ষাতকারে পোষাক পড়ে আত্মসমর্পিত পরাজিত বাহিনীর সদস্যদের হত্যাকান্ডকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করেন (আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আইন অনুযায়ী)। হত্যাকান্ডের এই ছবি তখন নিউইয়র্ক টাইমসসহ বিশ্বের বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপা হয়। ইন্টারন্যাশনাল রিফিউজি অর্গানাইজেশন এঘটনা নিয়ে আর্টিকেল প্রকাশ করে যা অক্সফোর্ড জার্ণালেও প্রকাশিত হয়েছে। এছবিটি পিআইবি কর্তৃক বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ছবির একটি সংকলনেও প্রকাশিত হয়েছে।

সৈয়দ আবুল মকসুদ তার সহজিয়া কড়চায় লিখেছিলেন যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী যখন তুঙ্গে তখন যাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তখন ছিল তাদের কেউ কেউ তখনকার মন্ত্রী, এমপিদের আত্মীয়-স্বজন, ভাই-ভাতিজাও ছিলেন। মুলতঃ এসব বিষয় সামনে চলে আসায় তখন তাদের ক্ষমা করার বিষয়টি সামনে চলে আসে।

আবার আমেরিকা-চীন সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে। ভারতও চেয়েছিল পকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমার বিনিময়ে পাকিস্তানে আটক ভারতীয় সৈন্যের মুক্তির প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করতে।

শান্তি কমিটির যেসব সদস্যদের বিরুদ্ধে এখন যুদ্ধাপরাধের দাবী তোলা হচ্ছে তারাও সেসময় বহাল তবিয়তে ছিলেন। যেমন বিচারপতি নুরুল আমিন শান্তি কমিটির প্রধান ছিলেন। কিন্তু তিনি ২০০১ সালে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে এমপি প্রার্থী ছিলেন। ফরিদপুরে শান্তি কমিটির প্রভাবশালী সদস্য খন্দকার নুরুল ইসলাম ছিলেন বঙ্গবন্ধুর মামাতো বা ফুফাতো ভাই যার নাতির সাথে বঙ্গ্ন্ধুর নাতনির বিয়ে হয়।

এরকম বহু জটিল সমীকরণে তখন যুদ্ধাপরাধ বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা হয় সিমলা চুক্তির মাধ্যমে। বর্তমানে এ বিষয়টি নিয়ে তাই আবারো কোন জটিল সমীকরণ শুরু হয় কিনা তা এখন দেখার অপক্ষোয়।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: আপনার লিংকটি ওপেন করতে পারছিনা। আপনার নাম দিয়ে সার্চ করছি। অনুগ্রহ করে শিরোনামটি জানাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ

২. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৯
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: গণ **দন না খেলে ভালো লাগে না দাদা?
৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০১
ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন: আওয়ামীলীগ এখন ভন্ডদের দল ।
৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৪
ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন: ফটুকটাও কি অসত্য @ মুক্তিযুদ্ধব্যবসায়ী পিয়াল।
৫. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৬
মাহবুব সুমন বলেছেন: জনাব,
আপনার পোস্ট পড়ে মুগ্ধ।
প্রেম ও পঁচা ইঁদুরের মতো সত্যকেও চাপা রাখা যায় না।
আপনার লেখায় সত্যকে চাপা দিয়ে অসত্যকে প্রকাশ করার অপচেষ্টা হয়েছে যা অতীতে অনেক শুয়োরের বাচ্চাই করেছিলো। তবে সেই শুয়োরের বাচ্চারা তা প্রমান করতে পারে নাই।
কাদের সিদ্দীকীর যে ছবিটা দেয়া হয়েছে সেটা দুজন পশুর যারা একজন বিহারীর মেয়েকে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো গাড়িতে, গাড়ীর পেছনের বুটে ছিলো মেয়েটির বিহারী পিতা ও লুটে মাল। কাদের সিদ্দিকী গাড়ীর পাশ দিয়েই যাচ্ছিলেন, হাতে নাতে ধরেন ও পল্টন ময়দানে তাদের মারেন। এ ব্যপারে কাদের সিদ্দিকীর লেখা বই পড়তে পারেন।
( কাদের সিদ্দিকী ও মুক্তিযোদ্ধারা যদি ওরকম ভাবে রাজাকার-জামাতিদের কুত্তার মতো গুলি করে ও বেয়নেট চার্জ করতেন তবে ব্লগের অনেক জারজ নয়া রাজাকার দেখা যেতো না কারন তাদের বাইনচোদ বাপেরা মরতো )।

সিমলা চুক্তিটা কি পড়েছেন ?? না পড়লে গুগলে সার্চ মারলেই পেয়ে যাবেন। পড়েন ও তার পর বলেন।
---
মিথ্যাবাদী শয়তানের ভাই---- এটা হাদিস।
আপনার জন্য ।
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন: এই বিষয়টি আমিও চিন্তা করেছিলাম যে ঘটনা সেরকমই হবে। ওরিয়ানী ফালাচী যখন বঙ্গবন্ধুকে একথাটি বলেন তখন তিনিও তাকে বলেছিলেন যে ওরা রাজাকার ছিল। কিন্তু স্পষ্ট ভাষায় ফালাচি বলেন যে তারা নিরীহ ছিল। হাত-পা বাধা অবস্থায় ছিল। এমনকি এঘটনার জন্য ভারতীয় বাহিনী তাকে গ্রেফতার করেছিল। পড়ুন 'ইন্টারভিউ উইথ হিষ্টরী'- ওরিয়ানী ফালাচী

৮. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৭
মাহবুব সুমন বলেছেন: সিমলা চুক্তিটি পড়ে দেখতে পারেন ইচ্ছে হলে।
ওরিয়ান ফালাচি ছাড়া আর কোনো সুত্র দেখাতে পারবেন ?

আপনি রাজাকারের বিচার চান ?
আপনি যুদ্ধাপোরাধীদের বিচার চান ?
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার লিংক থেকে সিমলা চুক্তিটি প্রিন্ট করে নিলাম। পড়ে নেব। ফালাচী ছাড়াও আরও সূত্র আমি আগেই দিয়েছি। সেটা হলো ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব রিফিউজি ল' প্রকাশিত নিবন্ধে উল্লেখ আছে। নিবন্ধের লেখক সুমিত সেন।
[Sen, Sumit (1999). "Stateless Refugees and the Right to Return: the Bihari Refugees of South Asia, Part 1". International Journal of Refugee Law 11 (4): 625-645 Retrieved on 20 October, 2006. ]
এটা অক্সফোর্ড জার্নালেও প্রকাশ হয়েছে। তাছাড়া নিউইয়র্ক টাইমস-এ ১৯৭২ সালের কোন এক সংখ্যায় প্রকাশ হয়েছে।
আর ফালাচির বইতে পল্টন ময়দানের সেই ঘটনায় ৫০ জনের মত হত্যার ঘটনা বলা হয়েছে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমি অবশ্যই চাই। চাই রাজাকারদের বিচারও। কিন্তু আমি আগেই বলেছি যে আবার কোন জটিল সমীকরন হবে না তো? শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক কবির চৌধুরী কি পারবেন তার যে ভাই পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নিয়ে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দিনযাপন করছেন তারও যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিচার চাইতে? শেখ সেলিম কি পারবে তার বেয়াই ফরিদপুরের বিশিষ্ট রাজাকার মুসা বিন শমসির-এর বিচার চাইতে? ফরিদপুরের সেই নির্যাতিত সাংবাদিক প্রবীর চৌধুরীর মতো এটা আমারও প্রশ্ন। কারন আমিও একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।

৯. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৩
ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন: আপনার কথা ঠিক হলেও কাদের সিদ্দিকি আইনের চোখে অপরাধী যেমন রেজাকাররা ।@ মাহবুব সুমন
১০. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: কে কার আত্মীয়ের বিচার চাইবে সেটা তাদের ব্যাপার, সাধারণ মানুষ যারা ভুক্তভোগী, যারা স্বজন হারিয়েছেন তারা বিচার চাইছেন। সেখান কবির চৌধুরী, শেখ সেলিম কোনো বড় ব্যাপার না, এমনকি হাসিনা খালেদা না, কারণ দাবিটা জনগণের মাঝ থেকে উঠে আসছে, আপনার তা রাজনৈতিক রূপ দিতে ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। আর লিংকটায় একটা এইচটিটিপি ফেলে এন্টার দিন
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫

লেখক বলেছেন: @ অমি রহমান পিয়াল। আপনার লিংকটি দেখে খুব ভাল লাগল। আসলে মুক্তিযোদ্ধাদের আচরণ এমনই হওয়া উচিত। কিন্%E

১১. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৬
পথহারা বলেছেন: ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন: আপনার কথা ঠিক হলেও কাদের সিদ্দিকি আইনের চোখে অপরাধী যেমন রেজাকাররা ।@ মাহবুব সুমন


.........যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমি অবশ্যই চাই। চাই রাজাকারদের বিচারও। কিন্তু আমি আগেই বলেছি যে আবার কোন জটিল সমীকরন হবে না তো? শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক কবির চৌধুরী কি পারবেন তার যে ভাই পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নিয়ে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দিনযাপন করছেন তারও যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিচার চাইতে? শেখ সেলিম কি পারবে তার বেয়াই ফরিদপুরের বিশিষ্ট রাজাকার মুসা বিন শমসির-এর বিচার চাইতে? ফরিদপুরের সেই নির্যাতিত সাংবাদিক প্রবীর চৌধুরীর মতো এটা আমারও প্রশ্ন। কারন আমিও একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।

............সহমত
১২. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৮
মাহবুব সুমন বলেছেন: জনাব,
আওয়ামী লীগ করলো, কবির চৌধুরি কি করলো বা হাসিনা কি করলো সেইটা নিয়া আমি মাথা ঘামাই না। আমি পার্টিজান না।
ওরা না করলেই যে যুদ্ধাপোরাধীদের বিচার চাওয়া যাবে না বা করা যাবে না এই চিন্তা কই থেইকা পাইলেন ?
১৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৮
ডাক্যাইত বলেছেন: এই ছবিটা একটা ভালো উদাহরণ হয়ে থাকবে। "মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের" (সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত) শক্তি যদি কখনো ক্ষমতায় যায় তাহলে জামাত নেতৃবৃন্দ (তথাকথিত রাজাকার), কর্মী-সমর্থক এবং তাদের পরিবার-পরিজনদের (তথাকথিত নব্য-রাজাকার) কি অবস্থা হতে পারে তা এই ছবি দেখে আন্দাজ করা যায়। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি ৩৬ বছর অব্দি মুক্তিযুদ্ধের নাম ভেঙ্গে খাওয়া এই গোষ্ঠীর কোন শ্রদ্ধা নাই। তাই ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ২৮ অক্টোবর ২০০৬ পর্যন্ত অসংখ্য নিরপরাধ, নিরস্ত্র, দেশপ্রেমিক জামাত-শিবির কর্মীকে তাদের হাতে জীবন দিতে হয়েছে। উপরে উপরে "রাজাকারদের বিচার" চাইলেও তারা তাদের মূল টার্গেট জামাত খতম করা, আক্ষরিক অর্থে কাদের সিদ্দিকীর মতো বেয়নেট দিয়ে খুচিয়ে, ২৮ অক্টোবর মিরপুরের মাসুমকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে সেভাবে। তাই এখনি আমাদের প্রস্তুতি নেয়া উচিৎ আরেকটি যুদ্ধের। by any means necessary, তাদেরকে সফল হতে দেয়া যাবেনা।

by default, তারা ব্যার্থ হতে বাধ্য। মামলা করে বা বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জামাত নেতাদের দোষী প্রমাণ করা সম্ভব না। কারণ তারা কোন অপরাধে সংশ্লিষ্ট ছিলেন না। তাদেরকে জব্দ করার একমাত্র উপায় হচ্ছে আইন বর্হিভূত কোন পন্থা অবলম্বন করা। আইনি প্রক্রিয়ার ব্যার্থ হয়ে তারা ওই রাস্তাই ধরবেন। তাই আবারো বলতেছি there will be blood -- need to do something to ensure that is not ours.
১৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৮
পাশা বলেছেন: .........যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমি অবশ্যই চাই। চাই রাজাকারদের বিচারও। কিন্তু আমি আগেই বলেছি যে আবার কোন জটিল সমীকরন হবে না তো? শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক কবির চৌধুরী কি পারবেন তার যে ভাই পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নিয়ে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দিনযাপন করছেন তারও যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিচার চাইতে? শেখ সেলিম কি পারবে তার বেয়াই ফরিদপুরের বিশিষ্ট রাজাকার মুসা বিন শমসির-এর বিচার চাইতে? ফরিদপুরের সেই নির্যাতিত সাংবাদিক প্রবীর চৌধুরীর মতো এটা আমারও প্রশ্ন। কারন আমিও একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।

............সহমত
১৫. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৮
বাঙাল যুবক বলেছেন: @ অমি রহমান পিয়াল। আপনার লিংকটি দেখে খুব ভাল লাগল। আসলে মুক্তিযোদ্ধাদের আচরণ এমনই হওয়া উচিত। কিন্তু আইন এভাবে নিজের হাতে তুলে না নিলেই হতো। তাহলে এত বিতর্ক হতোনা। কাদের সিদ্দিকী সম্পর্কে আমার একটি উচ্চ ধারনা ছিল। আমার কোন এক আত্মীয়ের বিয়েতে তাকে দেখলাম তিনি মাংস খেলেন না। জানলাম বঙ্গবন্ধুকে যেদিন সপরিবারে হত্যা করা হলো সেদিন তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত মাংস খাবেন না। কিন্তু সেধারণা পাল্টে গেল যখন যৌথ বাহিনী তার অবৈধ দখলে থাকা কিছু সম্পত্তি উদ্ধার করে। এও কি সম্ভব? প্রখ্যাত অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এই সেদিন সমকালে লিখলেন রাজাকারদের তালিকা না করে সেদিন সবাই মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করায় ব্যস্ত ছিল। যেন একটা খাই খাই ভাব।
এজন্যই সন্দেহ হয় আদৌ বিচার হবে কিনা কারন যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবন।
১৬. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩০
ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: ভাল পোষ্ট। প্রিয়তে এড হলো।
১৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৯
আশরাফ রহমান বলেছেন: হুমমমমমমমম ....সত্য প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ
১৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩২
ফজল বলেছেন: সত্য এভাবেই উদ্ভাসিত হয়।

'মাহবুব সুমন' নামক ব্লগারকে একটা স্তরের মনে করেছিলাম। কিন্তু এ তো দেখছি এটীমের গালিবাজদেরই কপি।
১৯. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩১
মুক্তি বলেছেন: হা হা... মেহবুব মেরা আজকাল হাদীস বিষারদী কচ্চে হাদীসটা হচ্ছে 'অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই'। অবশ্য গালীবাজদের কাছ থেকে অপব্যাখ্যা ছাড়া কিছু আশা করা বৃথা।
২০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৪২
আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
মুকতিযুদ্ধের ব্যবসায়ীদের নিচের পোস্ট টি দেখে কমেন্ট করার অনুরোধ করছি।

Click This Link
২১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৪৪
আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
দয়া করে ঐসব মুক্তিযুদ্ধের ব্যবসায়ীদের গদবাঁধা প্রশ্নগুলো এড়িয়ে যান। কারণ, এদের নিজেদের মতো উততর জানা আছে। আপনি যতই যুক্তপূর্ণ উততর প্রমাণ সহকারে হাজির করেন না কেন, এরা গ্রহণ করবেন না।
২২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৮
বাঙাল যুবক বলেছেন: আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ।
২৩. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০৮
আবূসামীহা বলেছেন: যুদ্ধাপরাধ একপক্ষীয় কোন অপরাধ নয়। যুদ্ধে লিপ্ত সব গোষ্ঠিগুলোই অনেক সময় এ অপরাধে লিপ্ত হয়। এজন্য সবপক্ষের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়া দরকার।
যুদ্ধাপরাধ কি, কারা যুদ্ধাপরাধী? নীচের লিঙ্কে দেখুন।
Click This Link
২৪. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৭
বাঙাল যুবক বলেছেন: ধন্যবাদ আবু সামীহা
২৫. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৬
হমপজদ বলেছেন: সাধারন ক্ষমার জন্য শেখ মুজিবের মরোন্নত্তর বিচার চাই।
২৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:১২
যুিক্ত বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য
২৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০০
বাঙাল যুবক বলেছেন: সকলকে ধন্যবাদ।
২৮. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৪
সবুজ ভাই বলেছেন: বাঙাল যুবক : যখন যৌথ বাহিনী তার অবৈধ দখলে থাকা কিছু সম্পত্তি উদ্ধার করে। এও কি সম্ভব?

সম্ভব
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। তবে প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে পারেনা। স্বার্থের লড়াই হলে সেটা সম্ভব।

২৯. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:২৭
মাহমুদ রহমান বলেছেন: এটা এমন একটি পোস্ট যেটা প্রিয়তে এড করা যায়।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৯১২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই