আমার প্রিয় পোস্ট

সেজদা শিরায় জমাট রক্তের পিন্ড হওয়ার পথরোধ করে

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0

হৃৎপিন্ড ও শিরা অস্ত্রোপচারকারী এক বিশেষজ্ঞ তার গবেষণার রিপোর্টে নামাজে সেজদাকে শিরার রক্তপিন্ডে (জমাট রক্ত) আক্রান্ত হওয়ার প্রতিষেধের উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ডক্টর মোহাম্মদ আয্ যেহার,- হৃৎপিন্ড ও শিরা অস্ত্রপোচারকারী -নামাজের সেজদার ব্যাপারে গবেষণা সম্পাদনের পর বলেন: সেজদা উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করার কারণ হয় আর সেজদার মেয়াদ যদি দীর্ঘতর হয়, উচ্চ রক্তচাপ অনেকটা হ্রাস পাবে যা রক্তবাহী নালিতে রক্ত জমাট বাঁধার পথরোধ করে। আয্ যেহার আরও বলেন: প্রতিদিন খাওয়া-দাওয়ার সাথে শরীরে কোলস্ট্রোল ও চর্বি প্রবেশ করছে আর এই চর্বিগুলো কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সাথে সংযোগ হচ্ছে এবং আমরা তা থেকে নিষ্কৃতি পেতে বাধ্য; কেননা এই চর্বিগুলো অবসাদগ্রস্ততা, মাথা ব্যথা, পেশীর ব্যদনা বা মাংসপেশির প্রদাহ ও ঘাড়ে ব্যথার কারণ হয়ে থাকে। তিনি আরও বলেন: মানুষ সেজদার সময় এ সকল চর্বিগুলো থেকে অব্যহতি পেতে পারে, কেননা সেজদার সময় মানুষের শরীরের অবস্থা এরূপ যে, তাতে চর্বি দূর হয়।হৃৎপিন্ড ও শিরা বিশেষজ্ঞ স্মরণ করিয়ে দেন যে: সেজদারত অবস্থায় মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং বিপুল পরিমানে খাদ্যবস্তু ও অক্সিজেন তাতে পৌঁছায় আর এ সময় মস্তিষ্ক তার সম্ভাব্য সর্বোত্তম কর্তব্য পালন করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন: মানুষ সেজদাতে যে অবস্থায় থাকে তা শিরাতে কম রক্ত জড়ো হওয়া ও অর্শরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রতিষেধে সাহায্য করে। নামাজ অবস্থায় সমস্ত মাংসপেশী নড়াচড়া করে আর এই কর্মপন্থা মাংসপেশীকে হেফাজত ও শক্তিশালী করার অনুশীলনে সাহায্য করে। একইভাবে নামাজের অভ্যাস সমস্ত আত্মিক রোগের জন্য শেফা বা আরগ্য, কেননা নামাজ ও খোদাকে স্মরণ এ সকল রোগ প্রকাশে বাঁধা দান করে।
[সূত্র: সাপ্তাহিক ওফোক্ব, ৬'ষ্ঠ বর্ষ, সংখ্যা: ১৮৪, বুধবার ২১'শে ফারভারদিন ১৩৮৭ ফারসি সাল, ২'রা রবিউস্ সানি ১৪২৯ হিজরি, ৯'ই এপ্রিল ২০০৮ ইং:।]

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জমাট রক্তসেজদাসিজদারক্ত পিন্ড ;

 

১. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২১
ব্রাইট স্‌মাইল্‌ বলেছেন: সেটার জন্য নামাজের সেজদার দরকার হয়না। কিছু ব্যয়াম নিয়মিত করলে অনেক রোগই প্রতিহত করা সম্ভব।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৪

লেখক বলেছেন: আপনার কথা কিছুটা ঠিক যে, নিয়মিত কিছু ব্যয়াম করলে অনেক রোগই প্রতিহত করা সম্ভব। কিন্তু নামাজের সময় যে আত্মবিশ্বাস জন্ম নেয় তাতে হৃৎপিন্ড ও শিরাতে রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বাড়ায়। এ সুস্থ সবল থাকতে সাহায্য করে।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৩
চানমেয়া বলেছেন:
পুবপছিম একদিকে দিলেই হৈব, না দিকের লগেও সম্পক্ক আছে!

জাতি ঝান্তে চায়।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। যখনই নামাজের প্রশ্ন সাভাবিক ভাবেই তার শর্তের মধ্যে দিকের প্রশ্ন চলে আসে। আর নামাজ পরার অর্থ হচ্ছে নিজেকে আত্মিক ও বাহ্যিক ভাবে প্রভূর কাছে সঁপে দেয়া। তাতেই শরীরের শান্তি।

৪. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৮
নাজিম উদদীন বলেছেন: তাহলে সেজদায় পড়ে থাকলেই তো ভাল,ওঠার কি দরকার।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১০

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু এক্সেস এনি থিং ইজ ভেরি ব্যাড। তাই নয় কি।

৫. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৭
শয়তান বলেছেন:
সেজদায় আরও ম্যালা উপকার হয়ঃ

জানতে চাইলে পড়েন -মাথাব্যথা এবং অঙ্গের বেদনা কমানোর বৈজ্ঞানিক প্রতিবিধান: সেজদা


পাঠকদের জন্য সতর্কিকরনঃ এইটা মুল পোষ্ট না । মুল পোষ্ট হাপিশ হয়ে গ্যাছে
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৭

লেখক বলেছেন: আমার জ্ঞ্যানের ভান্ডারে অতিরিক্ত কিছুটা জ্ঞ্যান জমা হল। উপকৃত হলাম। সত্যিই ধন্যবাদ।

৬. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৮
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: সাপ্তাহিক ওফোক্ব!!
কট্টিন নাম লইচে রে ...
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২০

লেখক বলেছেন: ওফোকের বাংলা শব্দ হচ্ছে দিগন্ত মনে হয় আর কঠিন মনে হবে না। ধন্যবাদ।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৮. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: ওরে.. ব্যাপাক গ্যায়ান লাভ করলাম।

আর রুকু দিলে গিলমানদের ঠিক কি ধরনের 'লাভ' হয় সেইটাও একটু খুইলা বইলেন।

খ্যাক!
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিফুর্ রহমান সাহেব। আসলে খবরটা ম্যাগাজিনে পড়ে ভাল লাগল তাই বন্ধুদের উদ্দেশ্যে পোষ্ট করলাম মাত্র। রুকুর সম্মন্ধে এখনও কোথাও কিছু চোখে পড়েনি। তবুও আপনার পশ্ন আমার মাথায় থাকবে যা আমার গবেষনাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। আবারও ধন্যবাদ।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও পোষ্টটি পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

১০. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১০
হোরাস্‌ বলেছেন: ঐ ডাক্তার কোন সাইন্স জার্নালে এইটা পাব্লিশ করছে ঐ জার্নালের লিঙ্কটা দেন। জানেনতো বৈজ্ঞানিক গবেষণার রেজাল্ট সাইন্স জার্নালে প্রকাশ না করলে তার ফুটা পয়সাও দাম নাই। এই রম কিছু গবেষণা আমিও করছি, কমু নাকি সেগুলার রেজাল্ট?
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: জনাব হোরাস্ মনে হয় আপনার জন্য হেডমাষ্টার সাহেব জবাব লিখেছেন। আপাতত মনে হয় যথেষ্ঠ। ভাল থাকুন।

১১. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১২
শয়তান বলেছেন: শুভস্য শীঘ্রম @ হোরাস্‌
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: আপনার মুখে হোরাস্‌ এর জন্য শুভস্য শীঘ্রম বলাই স্বাভাবিক। কারণ আমার পোষ্টটি ইসলাম সম্পর্কিত আর আপনি হলেন শয়তান। তাই আর কিছু বল্লাম না।

১২. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
সাহোশি৬ বলেছেন: বিজ্ঞানের আবিস্কার কিংবা থিউরিগুলো সায়েন্টিফিক জার্নালে প্রকাশ করাই নিয়ম। এতে যে সমস্ত বিজ্ঞানী একই বিষয়ে কাজ করছেন তাদের মতামত জানানো সহজ হয়।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার কথাই হয়তো ঠিক। সায়েন্টিফিক জার্নালে হয়তো প্রকাশ করা হলেও হতে পারে যা আমার জানা নেই। লেখাটি কোন এক ম্যাগাজিনে আমার নজর কেড়েছে তাই বন্ধুদের উদ্দেশ্যে দিয়ে দিলাম। ধন্যবাদ।

১৩. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫১
শাফিন বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১১

লেখক বলেছেন: পোস্টটির প্রতি আপনার সুনজর আমাকে আগামি পোষ্টের জন্য উৎসাহিত করল। তার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

১৪. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
ফিরোজ-২ বলেছেন: কিন্তু নামাজের সময় যে আত্মবিশ্বাস জন্ম নেয় তাতে হৃৎপিন্ড ও শিরাতে রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বাড়ায়। এ সুস্থ সবল থাকতে সাহায্য করে।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: হুমম! এতে সুস্থ সবল থাকতে সাহায্য করে। বেচে থাকুন।

১৫. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
হেডমাষ্টার সাহেব বলেছেন: নামাজ একটা জিমন্যাষ্টিকস। এখানে দুই ধরনের উপকার হয় যেমন: ১) শরীরের ২) আত্মার

আর জিমন্যাষ্টিকস শুধু শরীরের উপকার সাধন করে এবং আর্থিক ক্ষতি করে।
আমরা মাগনা জিমন্যাষ্টিকস এর মাধ্যমে যদি দুই প্রকার উপকার পাই তাহলে তা পালন করতে ক্ষতি কি?

হোরাস্ ভাই বলেছেন সাইন্স জার্নালের লিংক দিতে। আসলে যদি একই কথাটা লেখক সিজদা না বলে উপুড় হওয়ার কথা বলতেন তাহলে হয়তো কেউ লিংক খুজতো না। তখন হত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, সমস্যা হল সিজদার সাথে ইসলামের সম্পর্ক তাই অমুসলিম ভাইয়েরা এটা মেনে নিতে চান না।

যাই হোক সত্য কথাটা একদিন সাইন্স জার্নালে প্রকাশিত হোক এটাই চাই।
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: সাধারণ একজন জ্ঞ্যান পিপাশুর পক্ষে হেডমাষ্টার সাহেব-এর জন্য কিছু বলার প্রয়োজন হয়না তাই আমি খামোশ। তবে আমার (হক্ব কথার) পক্ষ থেকে হোরাসকে জবাব দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৬. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭
এস এম শাখওয়াত আহমেদ বলেছেন: ধন্যবাদ ।

নতুন কিছু জানলাম
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ, যে কষ্ট করে পড়েছেন।

১৭. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৪
ইসটুপিড বলেছেন: আমি আস্তিক এবং তাই কমেন্ট করতে এলাম।

দয়া করে এইসব নাম না জানা পত্রিকার রেফারেন্স না দিয়ে কোন মানসম্পন্ন জার্নালে পাবলিশড হওয়া পেপারের রেফারেন্স দিন, সেটা আরো বিশস্ত হবে। এইসাব পত্রিকার প্রতি একধরণের সন্দেহ সবসময় কাজ করে।

ঢাকা শহরের অসংখ্য দেয়ালে দেখবেন পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি দেশে প্রচারিত দৈনিক আল-ইহসানের সিল মারা আছে। কিন্তু আমার পরিচিত কেউ আজ পর্যন্ত এই পেপারের চেহারাও দেখেনি। নাম না জানা যেকোন ইসলামি/ বামপন্থী পত্রিকা সম্পর্কে কারোই খুব একটা জানাশোনা নেই।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ওফোক হচ্ছে ইরানের ইসলামী শিক্ষাবোর্ডের (হাউযা এলমিয়্যা) তত্বাবধানে প্রচারিত একটি নির্ভরযোগ্য পত্রিকা। যার নেটে যার ঠিকানা হচ্ছে: http://www.ofoghhawzah.ir আবারও ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৮৯ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
হে খোদা আমার! আমাকে তোমার বান্দা হবার তৌফিক দান কর। সেরূপ বান্দা যারা তোমার থেকে রাজি আর তুমি তাদের থেকে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই