somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নির্যাতক সেনা কর্মকর্তাদের বিচার হবে না কেন?

২৮ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বাহিনীকে ব্যবহার করে দেশের নাগরিকদের নির্যাতনকারীদের দৃষ্টাস্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ওই সময়ে বিভিন্নভাবে নির্যাতিতরা। নির্যাতনের বিপক্ষে ‘ট্রাইবুনাল এগেইনস্ট টর্চার’ শীর্ষক প্রতীকী আদালতে শনিবার বক্তারা এ দাবি জানান। ট্রাইবুনালের শুনানিতে বক্তরা বলেন, যদি এদেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে বিচারের জন্য কাঠগড়ায় তোলা যায় তাহলে নির্যতনকারী সেনা কর্মকর্তা ও সেনাপ্রধানের বিচার করা যাবে না কেন?

শনিবার অধিকার আয়োজিত ওই ট্রাইবুনালে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যৌথবাহিনী কর্তৃক নির্যাতিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সেলিম রেজা নিউটন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দীন ইসলাম এঞ্জেল, অধিকারের পরিচালক এএসএম নাসিরুদ্দিন এলান, যশোরের মনিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আখতার ফারুক মিন্টু তাদের ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দেন। ট্রাইবুনালে জুরি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মইনুল হোসেন চৌধুরী, কলামিস্ট ফরহাদ মযহার ও ঢাবির আইনের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান।

প্রধান জুরি মইনুল হোসেন চৌধুরী বলেন, তথাকথিত ওয়ান ইলেভেনের পর যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল তা সংবিধান বিরোধী সরকার ছিল। যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে যে নির্যাতন চালানো হয়েছে তার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ভিত্তি নেই। যৌথ বাহিনী গঠনের ধারণাও ছিল মনগড়া। তিনি বলেন, সামরিক বাহিনীতে শৃঙ্খলা নষ্ট হয়ে গেলে এ ধরনের নির্যাতনের মানসিকতা তৈরি হয়। যার সর্বশেষ প্রমাণ বিডিআর হেডকোয়ার্টারে দেখা গেছে বলেও মন্তব্য করেন মইনুল হোসেন চৌধুরী।

নির্যাতনকারীদের বিচারের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের ট্রাইবুনালের উদ্দেশ্য জানিয়ে ফরহাদ মজহার বলেন, রাষ্ট্র যখন ক্ষয়প্রাপ্ত হয় তখন এ ট্রাইবুনালের প্রয়োজন হয়। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে নির্যাতনকারী ব্যক্তি যেমন দোষী, তেমনি পুরো ব্যবস্থাটাও দোষী।
৬টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×