আমার প্রিয় পোস্ট

দয়া করে ব্লগ সাইটের নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলুন।

লন্ডনি বিয়ে-বাণিজ্যের ফাঁদ

১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

কিছুদিন আগে সিলেটের বিয়ানীবাজারের এক লন্ডন প্রবাসী বৃদ্ধ তার প্রতিবন্ধী ছেলের জন্য এক এক করে ঘরে আনেন তিন পুত্রবধূ। নিজের প্রাসাদোপম অট্টালিকায় তাদের আটকে রাখেন। একপর্যায়ে পুত্রবধূদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে গেলে পুত্রবধূরা তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। শ্বশুরকে কারাগারেও যেতে হয়।

গত ২৬ জুন রাতে সিলেট শহরের একটি বাসায় বিয়ের আসর থেকে ভুয়া লন্ডনি কন্যা চাঁদনী বেগম (২০), ঘটক সোহেল (৩৫) ও রুনু বেগমকে আটক করে পুলিশ। এর আগে ১৮তম বিয়ে করতে যাওয়ার সময় ২৫ জুন ১৭তম স্ত্রীসহ জনতার হাতে ধরা পড়ে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার মোস্তফাপুর গ্রামের লন্ডন প্রবাসী মইনুল ইসলাম। সর্বশেষ গত ২ জুলাই রাতে সিলেট নগরীর একটি হোটেলে তৃতীয় বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার স্বজনদের সহযোগিতায় যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল বাছিত চৌধুরী (৪০) ও তার পিতাসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মৌলভীবাজার শহরতলীর এক তরুণ (২৮) জানান, ২০০৫ সালে একই গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী তরুণীর সঙ্গে তার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের ঘটকালি বাবদ তরুণীর এক বড়ভাইকে দিতে হয় চার লাখ টাকা। বিয়ের মাসখানেক পর স্ত্রী লন্ডনে ফিরে যায়। শশুরবাড়ির লোকজন তরুণটিকে লন্ডনে নিতে গড়িমসি শুরু করে। নানা সালিশ-বৈঠক শেষে আরো তিন লাখ টাকা পরিশোধের পর ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে তাকে লন্ডনে নেয়া হয়। তার শাশুড়ি তাকে কাজ জুটিয়ে দেন পূর্ব লন্ডনের একটি বাঙালি রেস্টুরেন্টে। সপ্তাহান্তে পারিশ্রমিক ১২০ পাউন্ডের পুরোটাই তাদের হাতে তুলে দিতে হতো। এর প্রতিবাদ করতে গেলে স্ত্রীর ভাইয়েরা মিলে মারধর করত এবং পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার ভয় দেখাত। স্ত্রী অনেক রাতেই ঘরে ফিরত না। ২০০৮ সালের নভেম্বরে লন্ডনের শ্বশুরালয় থেকে পালিয়ে তরুণটি আশ্রয় নেন কার্ডিফে দূরসম্পর্কের এক চাচাতো ভাইয়ের রেস্টুরেন্টে। কিন্তু তার স্ত্রীর দায়ের করা নির্যাতন মামলায় তাকে জেলে যেতে হয়। পরে ২০০৮ সালের ৪ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরে আসেন।

২০০২ সালে ২০ জুলাই মৌলভীবাজার শহরের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার কলেজপড়ুয়া কন্যার বিয়ে হয় নবীগঞ্জের যুক্তরাজ্য প্রবাসী এক যুবকের সঙ্গে। বিয়ের পর জানা যায়, লন্ডনের ম্যানচেস্টারে স্বামীটির পূর্বের স্ত্রী-সন্তান রয়েছে। স্বামী লন্ডন ফিরে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে তার সঙ্গে সব যোগাযোগই বন্ধ যায়। বিয়ের সাত বছর পেরিয়ে গেছে, এখনো তিনি স্বামীর পথ চেয়ে আছেন।

সাপ্তাহিক ২০০০-এর ১০ জুলাই ২০০৯ সংখ্যায় উল্লেখ রয়েছে, যুক্তরাজ্য পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ অফিসের কনস্যুলার সার্ভিসের পরিচালক জুলিয়ান ব্রেইথওয়েইট গত ২ জুন মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান, সিলেটে ফোর্স ম্যারেজ ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। আগে বছরে এ ধরনের ৬২ থেকে ৬৫টি অভিযোগ পাওয়া যেত। এ বছর প্রথম পাঁচ মাসে অভিযোগ পাওয়া গেছে মাত্র ১২টি।

 

 

  • ১৩ টি মন্তব্য
  • ৩২৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:০৫
comment by: ধ্রুবনীল বলেছেন: hay re sylhoti ar hayre mor sadher london
১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৬

লেখক বলেছেন: লন্ডন যাইতে চাই

২. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:২৩
comment by: সাব ষ্ট্যান্ডার্ড বলেছেন: এরকম অনেক ঘটনা আছে, ছেলে-মেয়ে উভয় পক্ষেরই। আর এটা সিলেটি-নোয়াখালীর লোকদের মধ্যে বেশী দেখা যায় কারন তাদের মধ্যে প্রবাসী বেশী।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৭

লেখক বলেছেন: নোয়াখালিতে কম

৩. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮
comment by: দূরন্ত বলেছেন: :-* :-*
১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৭

লেখক বলেছেন: যাইতে চান নাকি :)

৪. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৫
comment by: রাহি বলেছেন: Dream Never Comes True but Some time...
৫. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪২
comment by: দূরন্ত বলেছেন: চাই চাই। তা্ও যাইতে চাই ;)
৬. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫০
comment by: এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: সিলেটিদের সাথে লন্ডনে কাজ করতে ভাল লাগে না,এক একটা খচ্চর প্রকৃতির ।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: বিস্তারিত লেখেন

৭. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৫
comment by: আকাশ আমার সীমানা বলেছেন: @এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি: আপনার ভাষা শোভনীয় নয়। আপনার লেখার ভাষায় প্রকাশ পেয়েছে আপনি কি প্রকৃতির?
৮. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯
comment by: দূর্ভাষী বলেছেন: সুত্র হিসাবে সাপ্তাহিক ২০০০ এর নাম উল্লেখ করলে লেখাটি তার স্বকীয়তা ফিরে পাবে।
১৮ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: this is not from 2000

 

 


দুঃখিত, আপনার এখানে মন্তব্য করার অনুমতি নেই ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই