শিক্ষার্থীদের শিক্ষার জন্য শিক্ষক বেত মারে।এতে অনেক দুষ্ট ও অমনোযোগি শিক্ষার্থী নিয়ম নীতির আওতায় আসে এবং শিক্ষায় সাফল্য লাভ করে।
আজকের প্রথম আলো থেকে জানলাম-২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সামাজিক অনুষদভুক্ত অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা একই সাথে ভর্তি হয়েছিলেন।৬বছর শেষে অর্থনীতির শিক্ষার্থীরা মাষ্টারস শেষে বর্তমানে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত।পক্ষান্তরে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের এখনো ক্লাস চলছে!কারন হচ্ছে-
শিক্ষার্থীদের ভাষায়-আগে ধর্মঘট,হরতাল,অবরোধ সহ নানা রাজনৈতিক কারনে ক্লাস বন্ধ থাকলেও এখন সেগুলি নাই।এখন শিক্ষকেরা ঠিকমত ক্লাস নেয় না।পরীক্ষার খাতা জমা দেয় না।কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরীক্ষার হলের স্বল্পতার কারনে নির্ধারীত সময়ে পরীক্ষা হয় না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও অনুষদের ডিনরাও শিক্ষার্থীর পিছিয়ে পরার কারন হিসাবে কিছু শিক্ষকের অবহেলাকে দায়ী করেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে-শিক্ষার্থীদের বেত মেরে শিক্ষক গন নিয়মনীতির আওতায় আনেন! কিছু শিক্ষকদের কে বা কারা বেত মেরে নিয়মনীতির আওতায় আনবেন? অন্তত দেশ,সমাজ ও পরিবারের জন্য....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


