আমার প্রিয় পোস্ট

এডিট করুন

বাস্তবের পাটাতনে স্বপ্ন দেখার অপরাধ ( ব্লগার শয়তান ভাইয়ের প্রতি নিবেদিত )

১২ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩২

শেয়ারঃ
0 0

যার যায় সে বোঝে। আমি হয়তো আপনার ব্যাথা ঠিক বুঝতে পারব না। তবে একদিন কলেজে ক্লাস করতেছি। হঠাৎ এক মামা (পিয়ন) আইসা বলে তোমারে ভাইস প্রিন্সিপাল আপার অফিসে ডাকতাছে। ব্যাগ গুছাও। আমি কিছুই বুঝলাম না। অফিসে যাইয়া দেহি আমার মা পাগলিনীর মত কানতাছে। আমি জিগাই কি হইসে? কয় তোর বাবারে সন্ত্রাসীরা মাইরা ফালাইছে। আমাগোর জমি জমা নিয়া অনেক ভেজাল আছে। সেই সূত্রে এই কাহিনী। আমি পোলাডা আসলেই মানুষ না, একটা অমানুষ, রোবট। আমার কোন বিকার হইল না। আমার হইল প্রতিশোধের চিন্তা। ঠান্ডা মাথায় প্রতিশোধের চিন্তা। আমার মাথায় তখন ঘুরতাছে যে আমার এক ফ্রেন্ডরে সাথে নিয়া ওর পরিচিত এক খালাত ভাইয়ের কাছ থিকা একটা শটগান কিনতে হইব। কয়েকদিন ধইরাই শুনতে ছিলাম ওর খালাত ভাই নাকি শটগান বেচব একটা। ৪৫ হাজার টাকা দাম। আমার বাপে মরে নাই। শক্ত সমর্থ মানুষ। তার কথা তো পড়ছেনই। অনেক সহ্য করতে পারে। আমার কলেজ আছিল উত্তরায়। মারে নিয়া গেলাম র‌্যাব অফিসে। রিক্সায় কইরা যাইতে ছিলাম। আমার মাথা পেশাদার খুনির মতই ঠান্ডা। আমি মোটেও বিচলিত হই নাই। আমি তখন খালি চিন্তা করতে ছিলাম আমার প্রতিশোধের প্লান নিয়া। জীবনে প্রথম বাস্তবের রূঢ়তার সম্মুখীন হইছিলাম। র‌্যাব অফিসে গিয়া দেখি আমার বাপে একটা সি এন জি তে বইসা রইছে আমার এক ভাগ্নির লগে। তার সারা জামা রক্তে ভেজা। মাথায় একটা ওড়না দিয়া পেচানো। রক্তে জব জব করতাছে ওড়নাটা। আমি বুঝলাম আমি আমার বাপেরে হারাই নাই। র‌্যাবের কার্যালয়ে আমার বাপে অভিযোগ করতে চাইল। কিন্তু তাগোর কোন বিকার নাই। আমি একচোট ঝাড়লাম উপস্থিত র‌্যাব সদস্যগুলিরে। কইলাম তোমাগোর এই আইন , সংবিধান আগুনে পুড়াইয়া দেও। এই সবের কোন দরকার নাই। আমার দেশটার অবস্থা যে কত খারাপ সেদিন বুঝছিলাম। র‌্যাব কি করব। তারেক রহমানের নজর আমাগোর জমির উপর। স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য বি এন পি নেতা ডাইরেক্ট র‌্যাবেরে ফোন দিছে, সরকারের উপর মহল থিকা ফোন দিছে। তারা কেউ যায় নাই ঘটনাস্থলে। আমাগো সেই জমিটা শেষ পর্যন্ত বেদখল হইল। কারো কাছ থিকা একটুকুও সাহায্য পাই নাই। কোন সাংবাদিকও কিছুই করে নাই। হাতে টাকা আছিল না। বাপেরে ঢাকা মেডিকেলে ঢুকাইছি। টেকা ছাড়া কিছুই হয় না ঐখানে। বাপেরে মেডিকেলে ফালাইয়া ওষুধের দোকানে দোকানদারের কাছে সাহায্য চাইছি। কেউ সাহায্য করে নাই। আমি ছিলাম একা। পুরা আইন, প্রশাসন, পুলিশ, র‌্যাব ছিল আমাগোর বিপক্ষে। কেউ আসে নাই। না পুলিশ, না র‌্যাব, না ওষুধের দোকানদার, না সাংবাদিক। আমার জন্মের দিন আমি না খাইয়া কাটাইছি। বাপে আসতে পারে নাই সময়মত। মার পেটে উলটা হইয়া গেছিলাম। আমি জন্ম থিকাই উলটা। মার পেট কাইটা আমারে বাইর করছে। আমার মা তার জীবনের বিনিময়ে আমার জন্ম নিশ্চিত কইরা গেছিলেন। তিনি ফিরা আসছিলেন। এ আমার মত পোড়াকপাইল্যার পরম সৌভাগ্য। আমার কাছে আসমান, জমিন, বেহেস্ত, স্বর্গ, পুরা দুনিয়া একদিকে আর আমার মা একদিকে। আমার রাশিফলের পঞ্জিকায় আমার জন্মের সেই দিন লেখা ছিল "কষ্ট"। আমারে ঢাকা মেডিকেলের এক নোংরা জায়গায় ফালাইয়া রাখছিল জন্মের পরে। সারা রাইত না খাইয়া, ময়লায় গড়াইয়া আমার গায়ে ঘা হইয়া গেছিল সেইসময়। আমার মার কাছে যখন আমারে আনল তখন আমার মা আমার চেহারা দেইখা কয় এইডা আমার পোলা না। পরে আমার বাপের হাতের আঙ্গুলের সাথে আমার আঙ্গুলের গঠন মিলাইয়া নিশ্চিত হইছে আমি তার পোলা। আসল প্রসংগ থিকা সইরা গেছি অনেকটা। যা বলতে চাইছিলাম, আমি জন্ম থিকাই পৃথিবীর কঠিন রূপ দেইখা অভ্যস্ত। সঠিকভাবে বলতে গেলে জন্মের আগে থিকাই। যাক বাদ দেই এই কথা। তা এই আমি সেইদিন আবার দেখলাম পৃথিবীর এক রূপ। ঠিকভাবে কইতে গেলে বাংলাদেশের সত্যিকার রুপ। আমার বাপে মরে হাসপাতালে আমি কিছুই করতে পারি না। আকজন পুত্রের কাছে এর থিকা যন্ত্রণার আর কি আছে। আর বলতে ইচ্ছা হইতাছেনা পরের কাহিনী। সেই রাত আর তার পরের রাতও আমি আমার জন্মস্থান ঢাকা মেডিক্যালের ফ্লোরে কাটাইছিলাম। ঢাকা মেডিক্যাল বোধহয় কেবল যন্ত্রণা আর কষ্ট নিয়াই আমার কাছে আসতে পছন্দ করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশের দুর্নীতি এর চরম খারাপ রূপ আর জোট সরকারের বল্গাহীন প্রভাব বিস্তারের ভয়ংকর অবস্থা আমি দেখতে পারছিলাম। দেখতে পারছিলাম বাংলাদেশের সাংবাদিকরা যতই স্বাধীনতার বড়াই করুক না কেন তারা কতটা পরাধীন। আওয়ামী সরকারও আমাগোরে কম বাশ দেয় নাই। আগে আমার বাপ মায় নৌকায় সীল মারত। ডলা খাইয়া স্বতন্ত্রতে সীল দিছিল যে কিনা ছিল বি এন পির এক দলছাড়া পরে আবার দলে ঢুকছে। স্বাধীনতার পর এত বছরে তাগোর হুশ হইছে। চারদিক থিকা বাশ খাইয়া এইবার না ভোট দিয়া আইছে। আপনে আমার অনেক আগেই সত্যিকার কঠিন জীবন দেখছেন ভাই। আপনে যে টিকে থাকার সংগ্রামে টিকতে পারছেন তার জন্য আপনারে আমি অভিনন্দন দিয়া ছোট করতে চাই না। বাস্তবের রূঢ়তায় আমাদের মাথায় স্বপ্ন আসে না ভাই আসে ৪৫ হাজার টাকা দামের শটগান কিনার কথা। স্বপ্ন দেখা তখন একটা বিলাসিতা হইয়া দাঁড়ায়। আপনারে লাল সালাম। আর কেউ জানি এই অবস্থায় না পড়ে আপনার মত।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪২
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: আমি ৪৫হাজার টাকা দামের শটগান কিনার কথাও ভাবতে পারি না অভাবের তাড়নায়।
১২ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনার জন্য জীবন আরো কঠিন।

২. ১২ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
শয়তান বলেছেন: জীবন এমনই আমাদের মত মানুষগুলার জন্য । সংগ্রাম করা ছাড়া উপায় কিইই বা আছে ।

১২ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: জীবন পুরাটাই সংগ্রাম।

৩. ১২ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫২
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: আপনার মত দুরাবস্থায় পড়েনি এমন নাগরিক বোধ হয় এ দেশে খুব কম'ই আছে। আর অল্প সংখ্যাক যাদের এরকম অবস্থায় পড়তে হয়নি তারা নিতান্তই ভাগ্যের জোর তবে যে কোন সময় এই দুর্ভাগ্য বরন করতে হতে পারে। এ দেশে এগুলা অযাচিত ঘটনা নয়, খুবই স্বাভাবিক। না ভোট যথার্থ প্রতিবাদ বটে। বিকল্প অন্য কিছু ভাবতে হবে।
১২ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: এই আমাদের দৈনন্দিন জীবন।

১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আপু মনে হয় ডি এম সির। ঠিক কিনা? জীবনটাই মাইনাসে ভরা রে বোন।

৫. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৩
দণ্ডিত পুরুষ বলেছেন: ঠিক একই রকম একটা সমস্যায় আমও নিপতিত হয়েছিলাম। উত্তরণ ঘটেছে বটে কিন্তু কিছু হারাতে হয়েছে। আপনার এই শটগান চিন্তা এখনও আমার মাথায় ঘুরপাক খায়। কিছুতেই ভাবনাটা বিতাড়িত করতে পারিনা। আপনার লেখাটা পড়ে ভাবনাটা আরও প্রকট হলো।

আপনার প্রতি শুভকামনা রইল।
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: সন্ত্রাসের জবাবে সন্ত্রাস। বাস্তবতা এটাই। আপনার পাশে যখন কেউ নেই তখন আপনি কি করবেন? বিচারের ভার নিজের হাতেই তুলে নিতে হবে। অনেকেই অনেক থিওরি কপচাবেন। কিন্তু একজন পিতাহারা পুত্রের কাছে শটগান ছাড়া আর সব মিথ্যা। যদি সত্যের পথে থেকে থাকেন তাহলে একজন ধর্ষকের বা খুনীর মৃত্যুদন্ড নিজ হাতে দেওয়ায় আমি কোন অপরাধ দেখি না। কারন আমাদের বিচার ব্যাবস্থা একটাই জঘন্য যে মনে চায় সব পুড়িয়ে দেই।

১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: মন খারাপের কিছুই নাই। বাস্তব চোখের জল দেখে না। দেখেনা আপনি মন খারাপ করলেন কিনা।

১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ভাইরে বস্তির যে পোলা যার মারে সবচেয়ে লজ্জাকর কজটি করে সন্তানকে ভাত খাওয়াতে হয় তার থিকা আমরা বেশী দূর্ভাগা নই। আমরা অনেক সুখে আছি।

১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: আপনেরে আর বেশী কি বলব মনজুরুল ভাই। আপনি বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষ। আপনি ভাল কইরাই এইসব জানেন।

৯. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:১৯
মমমম১২ বলেছেন: কি লিখছেন !!ভাবতেই পারি না,মাথা ঘুরতেছে
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: কি আর বলব। আমার কাহিনীতো সামান্য। আরো কত কাহিনী বস্তির পলিথিনের ছাপড়ায় ঘুরপাক খেয়ে মরে।

১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: আমাদের দেশের অবস্থা, সমাজের অবস্থা বাক্য রহিত করার মতই মর্মান্তিক।

১১. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৯
আহছানউল্লাহ বলেছেন: বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে এটা রাজ মো, আশরাফুল হকের লেখা।হাঁছাই জীবন বড় কষ্টের................
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: কেন ভাই? বুঝলাম না।

জীবন আর কষ্ট সমান্তরালে চলে।

১২. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
নিলাচল বলেছেন: অনেক কিছু মনে আসছে কিন্তু লিখার ভাষা জানা নেই। +
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: যেভাবে পারেন লিখেন। ভাষার গুষ্টি গিলাই।

১৩. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
আহছানউল্লাহ বলেছেন: এতদিন নিজেকে ভাবতাম পৃথিবীতে একমাত্র আমিই সব কষ্ট যন্ত্রণা ভোগ করেছি, এখন ও করছি।এখন দেখি এই কষ্টের জীবনের ভুক্তভোগী আর ও আছে।
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: আমরা আর কি রে ভাই। আরো যারা আছে তাদের কষ্ট দেখলে মনে হয় আমার আবার কষ্ট কিসের। শয়তান ভাইয়ের বাবা ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার সময় মারা গেলেন। উনার পরীক্ষা হল খারাপ। জীবনের সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ পরীক্ষা যদি কারো খারাপ হয় তাহলে বাকী জীবনটা কি রকম কষ্টে কাটছে তার চিন্তা করেন। কত কষ্ট হইছে দাড়াইতে। তাই তার উদ্দেশ্যে আমার এই লেখা।

১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: আসলেই কিছুই কওয়ার নাই। আছে শুধু একরাশ হতাশা আর জীবনের চিরচায়িত কষ্ট।

১৫. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:১২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: কঠিন বাস্তবরে ভাই ।

বাংলাদেশে এমন হইতেই থাকবো।

আপনার প্রতি সহমর্মিতা আর অভিনন্দন রইল । বেশীর ভাগ পুতুপুতু মানুষ জীবনের কঠিন দিকটা না দেইখাই পার কইরা দেয় ।

১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: এই পুতুপুতুদের একদিন হইলেও বস্তিতে ২৪ ঘন্টা কাটানি উচিত। তাইলে যদি কিছু বুঝে।

১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: ভাইরে কান্নার দাম সবাই দেয় না। অথচ এইটা এই জগতের সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু। মানুষ এর দাম বুঝে না।

১৭. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৪৫
হাসান মাহবুব বলেছেন: কমরেড, এতটা ভয়াবহ না হৈলেও সন্ত্রাসীদের চোখ রাঙানি আমাদের পরিবারকেও সহ্য করতে হৈসে। কি ভয়াবহ টেনশনের দিন গ্যাছে একসময়, ভাবতেও শিউরে উঠি। আপনার সংগ্রাম এবং স্পৃহাকে অভিবাদন।
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: আমিতো কিছুই করি নাই। আমাদের এই অবস্থা কে জানে আর কতদিন থাকবে। আর এই পোষ্টটা আসলে শয়তান ভাইয়ের উদ্দেশ্যে লেখা। উনার বাবার অকাল মৃত্যু এবং উনার সংগ্রামের সাথে একাত্ম হওয়ার চেষ্টা। আসলে আমরা কেউ একা নই সবাই সবার পাশে আছি।

১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: বলার মত কিছু থাকলেতোরে ভাই। আমরা সবাই নির্বাক দর্শক।

১৯. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:১৭
দেশী পোলা বলেছেন: শটগান না থাকলে মানুষ মাইরা শটগান জোগাড় করেন, সব শালায় চরমপন্থী কিন্তু মুখে মুখে মানবতার গান গায়।
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: নিজের বাপ মরছে, দুয়ারে দুয়ারে ঘুইরাও কোন কিছুই হইতাছেনা। কোন বিচার নাই। আপনার সামনে আপনার বাপের খুনিরা গায়ে বাতাস লাগাইয়া বেড়ায়, মৌজ মাস্তি করে। দিনের পর দিন আপনি কোন প্রতিকার পাইতাছেন না। তখন আপনি কি করবেন। আপনার শেষ অবলম্বন ঐ চরমপন্থাই। বাধ্য না হইলে কেউ চরমপন্থা অবলম্বন করে না।

১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: হেরে হের মত থাকতে দেন ভাই। আমার লেখা হের মাথার উপ্রে দিয়া গেছে মনে হয়।

২১. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৩৩
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: সব শালারে বাশ দিয়া টানাই থুইতে ইচ্ছা করে... গন মাইষের পাছায় লাত্থি দেয় যারা, ওদের গুলি কইরা না, জন সম্মুখে গুলি ট্যাবলেটের মত গিলাই মারা উচিত।

আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনার জন্যও শুভ কামনা রইল।

২২. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৪৯
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: চাপের মুখে ভালো খেলাটাই আসল। বাকাপ...
১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন: হুমমমম

২৩. ১৩ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৫:১৪
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: বিপদে কা্উকেই পাশে পাবেন ,এটা আমাদের দেশে আশা করা ভুল

মন টা খারাপ হয়ে গেল
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: সবাই ব্যাস্ত নিজেদের নিয়ে।

২৪. ১৩ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:১৫
আকাশ_পাগলা বলেছেন: কষ্ট করা সব মানুষকে সেল্যুট।
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৫. ১৩ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:১৪
অরণ্যচারী বলেছেন: লড়াই চলুক। মানুষ আসলে কখনো পরেজিত হয় না যতক্ষণ পর্যন্ত না সে হার মেনে নেয়। +
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: আবহমানকাল ধরে এই লড়াই চলছে। কবে মুক্তি কে জানে।

২৬. ১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এই লেখাটায় একটা জোশ আছে বস, প্রিয়তে লইতে ভুইলা গেছিলাম!
১৩ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: বস আপনে আমার এইসব ছাতা পাতা নিয়া প্রিয়তে স্পাম ভইরেন না। আমার লেখা থাকব এইখানেই, মুছুম না। প্রিয়তে নেয়ার দরকার নাই।

অনেক ধন্যবাদ।

১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: :(

১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: :(

১৩ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮

লেখক বলেছেন: ১০০% নিজের জীবনের বাস্তব সত্যি কথা। প্রচন্ড দূর্দিন গেছে তখন। পুরো দুনিয়া আমাদের বিপক্ষে ছিল।

১৩ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: বুঝিবে সে কিসে কি যাতনা বিষে কভু আশীবিষে দংশেনি যারে।

৩১. ১৫ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৪২
একজন সৈকত বলেছেন: কি লিখবো! বাক্‌হারা!
জীবনযোদ্ধারা ই আসল বীর এদেশের-
আর সভ্যসমাজে অত্যাচারিত হওয়ার মত অপমান, বন্চনার ব্যাপার আর কি আছে? জিঘাংসার আগুন কি জিনিস তখনই বোঝা যায় - তাই কখনো কখনো সারাজীবন মায়ের আঁচলের নীচে থাকা ভোলাভালা স্বপ্নবান কিশোরটিও হয়ে উঠে নির্মম সন্ত্রাসী।
আপনি সত্যের মুখোমুখি হতে পেরেছেন বা চেয়েছিলেন - এ বিষয়টি টেনেছে - বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমরা এ সময় সত্যকে ভয় পাই বা পালিয়ে যাই-
জীবনযুদ্ধ চলুক - ইনশাল্লাহ একসাথেই আছি-
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: ভাইরে পাশে দাড়ানোর মত একজন মানুষ তখন পাই নি। পারলে আমার মত হতভাগাদের পাশে দাড়িয়েন।

৩২. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:১১
নুশেরা বলেছেন: জীবনযুদ্ধের কিছু গল্প কল্পনাকে হার মানিয়ে দেয়। আপনার ব্লগটি পড়ার সুযোগ হয়েছে বলে ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।

যোদ্ধাসত্তার জন্য অপরিসীম শ্রদ্ধা ও শুভকামনা রইলো। পোস্টটি প্রিয়তে যোগ করছি।
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: আমার বয়স খুব বেশী না বোন। তবে এই অল্প বয়সে যা দেখেছি তাতে এতটুকু বুঝেছি যে বাস্তবে যা ঘটে নাটকের পরিচালকরাও তা নাটকে চিত্রায়ন করার সাহস পাবে পাছে দর্শকরা গাজাখুরি বলে প্রত্যাখ্যান করে।

আপনার জন্যও অনেক অনেক শুভকামনা।

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন: ব্যাপার নাহ!

৩৪. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
পাথুরে বলেছেন: রাজ ভাই..এইটা এতদিনে দেখলাম..আমারো একটা লাগব শটগান।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: সবার জীবনেই দুঃখ কষ্ট থাকে। সবারই আসলে একটা শটগান দরকার। কি আর করার আছে এ ছাড়া।

৩৫. ২২ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:১২
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন: আপনার এই লেখা, আপ্নারে আর শয়তান ভাই রে স্যালুট ।

পাচ জন ফেভ ব্লগারের নাম আম্রে জিগাইলে আপনার নাম ১-৩ এর মধ্য অবশ্য আমি ইন ক্লুড ক্রুম ।

ধন্যবাদ লেখাটার জন্য ।
২২ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: আমি খুবই নগণ্য মানুষ ভাই, আপনার সম্মানের যোগ্য না।

যাই হোক ভাল থাইকেন।

৩৬. ২২ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:২৬
রেজোওয়ানা বলেছেন: কোন কিছু বলার ধৃষ্টতা দেখালাম না।
২২ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: কি আর বলব...... আমাদের জীপন যাপন......

৩৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:২৯
শামীম শরীফ সুষম বলেছেন: খুব ভালো লাগলো পড়ে , আমন্ত্রণ রইলো আমার ব্লগে ...

আসবেন কিন্তু .... :)

++++++++++++++++++++++++++
১০ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮৮২৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার ব্লগটা মূলত একটা আজাইরা ব্লগ। নানা বিষয়ে এইখানে যেইসব কথা আমি আমি বলি তাতে আমার নিজেরই খুব একটা আস্থা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই