আমার প্রিয় পোস্ট

এডিট করুন

আকাইম্মা প্যাচাল (১৮+ এবং কুশীল)

০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৬

শেয়ারঃ
0 0 0

রুচিশীল পাঠকের দয়া করে ঢুকবেন না। আমি প্রথমেই আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

দুস্ত আমারে মাফ কইরা দিও।

..................
আমিঃ হ্যালো দুস্ত
দুস্তঃ আরে রাখ তোর দুস্ত, খবর শুনছস?
কি খবর?
মিয়ানমার তো বাংলাদেশ আক্রমণ কইরা ফালাইল।
কস কি!
হ বেটা, আসলেই।
তাইলে তো অবস্থা খারাপ! এখন কি হইতাছে।
আমি কিছু জানিনা, তুই নেটে দেখ পারলে।
আমি এহন বাইরে। দুকানে যাইতাছি জিনিস কিনতে।
আইচ্ছা তোর যেনে মন চায় যা কিন্তু মিয়ানমার বাংলাদেশ আক্রমণ কইরা ফালাইছে।
নাহ এইডা কেমনে সম্ভব?
বেটা চিটাগ্নে যুদ্ধ লাইগা গেছে।
ঐ আমারে লাইনটা কাইটা আমারে একটু ফুন দে। আমার মুবাইলে টেকা নাই।
আইচ্ছা দাড়া দিতাছি।
আমিঃ তা দুস্ত এহন কি করা।
দুস্তঃ কিছুই করার নাই। বাংলাদেশ শেষ।
ধুর বেটা কি কস এইসব।
হ যা ঠিক তাই কইতাছি। বাংলাদেশ অর্ধেক নিব মিয়ানমার আর অর্ধেক নিব ইন্ডিয়া। আমি এখন থেকে ইন্ডিয়ার নাগরিক। :|
চুপ! কিছুই হইব না। আমগো সেনাবাহীনি আছে। হেরা ঠিকই ব্যাবস্থা কইরালাইব।
হ ব্যাবস্থা আর করছে। বাংলাদেশ শেষ আমি আর নাই। আমি এখন ভারতীয়। X(
শালা ুানি তুমি ভারত ুাও। তোমারে পিটানি কাম। আগে আছিল পাকিস্তানী রাজাকার এহন হইছে ভারতীয় রাজাকার। তুই হইলি ভারতীয় রাজাকার। বাংলাদেশী লাল ভাই (একজন নেপালী ভাই তবে মনে প্রাণে ভারতীয় )।
তোর যা খুশী ক। আমি এখন ভারতীয় নাগরিক। আমার পার্সপোর্ট এখন অন্য। ভারতরে দেহস না কেমন সবাই সম্মান করে। বাংলাদেশের নাম কইলেই কেমন ভেটকি মারে। আমাকেও এখন সবাই সম্মান করবে। হা হাহ হা হা হাX((
তোমার সম্মান আমি বাইর করতাছি। দুস্ত সিরিয়াস হ। আসলেই অবস্থা কি খারাপ।
অবস্থা যাই হোক আমি আর নাই। আমি এখন আমেরিকা চলে যাব। সেখানে গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করব। আমি এখন আমেরিকার নাগরিক। যা ফোট:|
আরে বেটা কিছুই হইব না দেখিস। আমাগোর আর্মি বহুত শক্তিশালী। আর অনেক সাহসী। ঠিকই সব ম্যানেজ কইরা ফালাইব। আর যেহেতু হাসিনা আছে ক্ষমতায় সেহেতু ইন্ডিয়াও সাহায্য করতে পারে।
ইন্ডিয়া সাহায্য করবে পরে। ভাগ নেওয়ার সময়।
আরে না বেটা কিছুই হইব না। দরকার হইলে আমরাও দেশে যামুগা। যা পারি করুম। আর আমাগো সেনাবাহিনী যথেষ্ঠ দক্ষ আর সাহসী। এগোর লগে মিয়ানমার পারব না।
হ আমার দুস্তরা আছে না কতডি সেনাবাহিনীতে। আমি তো ঐগুলানরে ভালা কইরাই চিনি। কিছু হইলে উলটা সব ফালাইয়া থুইয়া দৌড় মারব, সাহস তো পরের কথা। :|
াল তুমার তুমি বেশী বুঝ। তুমার আর চিন্তা কি। তুমি হইলা গিয়া ভারতীয় রাজাকার।
না আমি ভারতীয় না। তুই ভারতীয়। তুই ইন্ডিয়ান। তুই হইতাছস গিয়া লাল ভাই । আমি আমেরিকান। সর যা ভাগ। আমি আমেরিকান। তুই তো দেশে যাবি। দেশে যাইয়া মিয়ানমার বাহিনীর হাতে পইড়া ুদা খাবি। পরে তুই হবি ভারতীয় রাজাকার। আমি এখন একজন মহান আমেরিকান।
তোর আমেরিকানগিরি আমি ছুটাইতাছি শালা ভারতীয় চামচা। শালা আম্রিকার দালাল। তুই হইল গিয়া এই যুগের ভারতীয় রাজাকার। হারামী আম্রিকা ুাও। আম্রিকা তোমার পিছন দিয়া পার্স্পোট দিব। যাও তোমার লাইগা হেরা পার্সপোট নিয়া বইয়া আছে।
সর ভাগ। আম্রিকার একজন নাগরিকের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় এখনো শিখিস নি।
দেখ দুস্ত আসলেই অবস্থা খারাপ হইলে কি করা যায়। না জানি ঢাকার অবস্থা কেমন।
হ অবস্থা যাই হোক আমি এখন আমেরিকান।

এরপর আরো কতক্ষণ গেজাইছি। অনেক কিছু মনে নাই। কিছু অংশ বাদ দিছি। খারাপ শব্দ ব্যাবহারের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।


 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২২
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: হাসাইতে হাসাইতে গাছে তুইলা ফেলসে রে........... =p~ =p~
আমারে তুরা কেউ নামা............. =p~ =p~

=p~ =p~
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৬

লেখক বলেছেন: =p~ =p~

২. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৩
সাধারণমানুষ বলেছেন: যে যা বলুক বাংলাদেশের না আছে আধুনিক যুদ্ধ বিমান, যুদ্ধ জাহাজ , যুদ্ধাস্ত্ত কিন্তু একটা জিনিস ভালই আছে তা হইল সাহস।


আপনার বন্ধুরে পাইলে নগদে চড়াইতাম ....।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: নাহ ভাই দুস্ত আমার ভালা আছে। অন্তত দেশের জন্য জীবন দিতে পারে এইরকম একটা পোলা। আমরা খালি মজা করি। =p~ =p~

৩. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩১
হিটলারের সাগরেদ বলেছেন: বারতীয় রাজাকার!! হা হা হা =p~ =p~ =p~ =p~
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ফাকিস্তানী রাজাকার। =p~ =p~ =p~ =p~ =p~

০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: :|

৫. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৫
হাসান মাহবুব বলেছেন: আমি মিয়ানমারের দালাল হমু।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৮

লেখক বলেছেন: :|

৬. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৬
রথে চেপে এলাম বলেছেন: হে হে হে হে ...... মজা ফেয়েচ্ছি।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২০

লেখক বলেছেন: =p~ =p~

৭. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৩২
জয় সরকার বলেছেন: ভালোই লাগল............বন্ধু-বান্ধবের আলাপনে যে ক্যাজুয়াল রূপটি দেখা যায় সেটি আসলেই অকৃত্রিম......খারাপ ভাষা সেখানে যেন অন্তরের আত্নীয়তারই বহিঃপ্রকাশ.........

আমার কাছে ভালোই লেগেছে রাজ............তবে একটা কথা কই......তুমি একটা কম্যুনিটি ব্লগের নিয়মিত ব্লগার.........অনেক পরিচিত.........সুতরাং তোমার কাছে থেকে অন্যান্য ব্লগারদের আশা আকাঙ্খা কেমন তা একটু হিসেব করতে হবে বৈকি! অবশ্য সে হিসেব তোমার যে নেই তা আমি বলছিনা.........আমি বলছি সচেতন ভাবটা যেন এক মুহুর্তের জন্যেও উবে না যায়.........

অনেক ভালো থেকো.........আর হ্যা, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপর কেন যেন আমি নিজে খুব একটা ভরসা করে উঠতে পারিনা.........আমার মনে হয় বড় কিছু হলে জনগনকেই সবচেয়ে বড় এবং অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে...............

আমি শুধু বলতে পারি যে আমি প্রস্তুত............
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। আমি আসলে দুই বন্ধুর বাস্তব জীবনের একটা চিত্র তুলে ধরার একটা ছোট চেষ্টা করেছি। একটা বিষয় হল যে, দুইটা ছেলের বন্ধুত্ব যখন নতুন তখন তারা একে অপরের প্রশংসা করে। বন্ধুত্ব যত পুরানো ও নতুন হয়, গাঢ় হয় তত তারা একে অপরের আত্মার কাছে আসে। তখন তারা একে অপরকে পচানো শুরু করে। এতে আন্তরিকতাই প্রকাশ পায়, খারাপ কিছু না।

আমাদের সেনাবাহীনি অত্যন্ত দক্ষ, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক বলেই আমি মনে করি। কারণ তাদের যে কঠিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তা পৃথিবীর খুব কম সেনাবাহিনীতেই দেওয়া হয়। আর আমরা তো আছিই। সো নো টেনশান।

৮. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪
একাকী বালক বলেছেন: হ আমার দুস্তরা আছে না কতডি সেনাবাহিনীতে। আমি তো ঐগুলানরে ভালা কইরাই চিনি। কিছু হইলে উলটা সব ফালাইয়া থুইয়া দৌড় মারব, সাহস তো পরের কথা। >>> বি.এম.এ লং কোর্সের ৫৩, ৫৪ ব্যাচে আমাদের ব্যাচের অনেক বন্ধু আছে। সবাই এখন cap। আমাদের ব্যাচের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ছেলেটাও আর্মিতে জয়েন করছিল। এস.এস.সি , এইচ.এস.সিতে আগের ডাবল প্লেস করা অনেক অফিসার দেখছি। মাইনাস :)
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: কিয়র মধ্যে কি পান্তা ভাতে ঘি। বন্ধুদের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে ৭ নং মন্তব্যের জবাবা পড়ুন। আর আমার এই দুস্তও একটা ক্যাডেটের। ওর অনেক বন্ধুই বি,এম, এ তে আছে। আমি ক্যাডেটের না। তবুও আমারও অনেক দুস্ত এখন বি,এম,এ তে আছে। তাদের ফেসবুকের ছবিতে কালি ঝুলি মাখা ছবিতে আমি পচানি মন্তব্যই করি। কারণ তাদের সাথে সম্পর্ক অন্যরকম। এইখানে আমরা মজা করছি। আপনে গুলাইয়া ফালাইছেন।

৯. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪২
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আমি তো ঐগুলানরে ভালা কইরাই চিনি। কিছু হইলে উলটা সব ফালাইয়া থুইয়া দৌড় মারব, সাহস তো পরের কথা।


হা হা হা হা হা হা হা
হাসতে হাসতে অবস্থা খারাপ হয়ে গেল।

আর্মি কখনও দৌড়ে পালায় না। সাহসী লোকজন আছে নিশ্চয়। তবে, আফসোস লাগে নিজের দেশের বিডিয়ার দের সাথে পারল না।

আপনাদের কথা শুনে হাসতে হাসতে অবস্থা খারাপ। মিয়ানমারের সাথে যুদ্ধ লাগলে সম্ভবত, মিয়ানমারের জনগণই আমাদের হেল্প করতে পারে। আমরা কমু, আমাদ্র হেল্প করলে সু চি মিনরে আমরা ছাইড়া দিতে বাধ্য করুম।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: ৭ আর ৮ এর জবাবগুলি পড়েন। ক্লিয়ার হইয়া যাইব সব।

১০. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৬
জয় সরকার বলেছেন: আকাশ_পাগলা বলেছেন:


আপনাদের কথা শুনে হাসতে হাসতে অবস্থা খারাপ। মিয়ানমারের সাথে যুদ্ধ লাগলে সম্ভবত, মিয়ানমারের জনগণই আমাদের হেল্প করতে পারে। আমরা কমু, আমাদ্র হেল্প করলে সু চি মিনরে আমরা ছাইড়া দিতে বাধ্য করুম।


ওই আশা দয়া করে ত্যাগ করুন.........আর কিচ্ছু বললামনা.........
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: ফিকশান ইজ মোর পাওয়ারফুল দেন ফ্যাক্টস! - রাজাষ্টাইন =p~ =p~

১১. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫
আকাশ_পাগলা বলেছেন: @জয় সরকার

আপনি রাজী না থাকলে নাই, আমি সু চি মিনরে ছাইড়া দিমু।
১২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৩
একজন সৈকত বলেছেন: মজা পাইছি হেভী ....

তবে এই ছোট দেশরে কোন দেশই বেশি ঘাটাইতে চাইবো না বলে আমার বিশ্বাস!

আর আমাদের সেনাবাহিনীও যথেষ্ট সাহসী ও করিৎকর্মা - জাতিসংঘ মিশনে তাদের সুনাম ও দেশের যে কোন দুর্যোগে ( রাজনৈতিক কিংবা প্রাকৃতিক ) তাদের ভূমিকাই এর প্রমান।
কাজেই স্বদেশের সেনাবাহিনীকে যারা ছোট করে দেখতে চায়, আসলে তাদের দৃষ্টি ভঙ্গীটাই ছোট মাপের।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: হ একটা দেশরে ঘাটানি খুব ভেজালের জিনিস, তবে কিছু নিশ্চিত বলা যায় না কখন কি হয়।

আমদের সেনাবাহীর অস্ত্র সস্ত্র আর যাই হোক না কেন, কঠিন প্রশিক্ষনটা আছে। আর আসলে এখনকার যুদ্ধ যতটা না সেনাবাহিনী নির্ভর তার থেকে বিমানবাহিনী নির্ভর। যার গোলায় যত রকেট মিসাইল তার লাফানি তত বেশী।

১৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪১
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ১৯৯১ সালের দিকেও বাংলাদেশ একটা জটিল মুভ করছিলো, তখন বাংলাদেশ এতটাই ক্ষমতাশালী ছিলো কামান টামান দেখে বার্মা ঠান্ডা হয়ে যায়...তখন নাকি এমনও প্লান ছিলো বার্মার রেঙ্গুনে ঢোকা নাকি ৩ ঘন্টার ব্যাপার আমাদের সেনাবাহিনীর জন্য!

েরপর অনেক সময় পেরিয়ে গেছে ১৯৯৮ না ২০০৩ এর দিকে তারা সোভিয়েতের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় পারমানবিক স হযোগিতার এছাড়া সামরিক জান্তাতো আছেই তাদের অস্ত্রের গোডাউন আরও শক্তিশালী করার....তবে আমার মনে হয় আমরা যার সাথেই যুদ্ধ লাগি না কেন, সাহায্যের হাত অনেকেই বাড়াবে কিন্তু যুদ্ধ শেষ হলে সেই সাহায্য নিয়ে আমাদেরকে আরও ৪০-৫০ বছর ফেসে থাকতে হবে ঐ দেশের সাথে!
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: সেই দিন আর নাই মনে হয়। আমার কেন জানি মনে হয় আমার ছোটবেলাটাই বাংলাদেশের স্বর্ণযুগ আছিল। একটা গতি টের পাইতাম তখন চারপাশে। সেই গতিটা এখন আর নাই।

রাশিয়া তো আছেই সস্তায় অস্ত্র বেচনের লাইগা। কয়েকদিন আগে টিভিতে দেখলাম খোদ সস্তার দেশ চীনের কাছেও নাকি ট্যাংক বেচছে দশ হাজার। কপাল আর কি! আর মাইনশের তো খাইয়া দাইয়া কাম নাই বিনা স্বার্থে আমারে সাহায্য করব। এইর লাইগাই চাইছিলাম রকেট ইঞ্জিনিয়ার হইবার। মাগার কপালে সইল না। তয় আমার এক দুস্ত পড়তাছে এইডা নিয়া। ঠেলার চোটে কয় ভাই আমি এই জিনিস পড়ুম না। কারণ ফার্ষ্ট ইয়ারে পুলাপান থাকে ৫০ জন। থার্ড ইয়ারে গিয়া দাঁড়ায় ২০ জনে। পাশ করে বলে চৌদ্দ পনেরজন। এহন ভাবি সুখেই আছি।

১৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৪
জলপাই দেশি বলেছেন: সংবিধান বিষয়ক আপনার বক্তব্য খুব ভালো লাগলো। তাই আপনার ব্লগে এসে শুভেচ্ছা দিয়ে গেলাম।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: বক্তব্য দিলাম কই? দুইটা খোচা মারছি খালি B-))

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৮২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার ব্লগটা মূলত একটা আজাইরা ব্লগ। নানা বিষয়ে এইখানে যেইসব কথা আমি আমি বলি তাতে আমার নিজেরই খুব একটা আস্থা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই