somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মন খারাপের হতাশা

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আর ভাল্লাগেনা। এন্থনী মাস্কারেণহাসের বইটা পড়তেছিলাম। মনটা খুব খারাপ।

আর কত রে ভাই এইসব!!!!!!! বেলায় বেলায় দিন তো কম গেল না। কি আর হবে... কিছু কি হবে......... আমি এখন হতাশাবাদী... কে করবে বিচার???? জনগণ???? আমাদের জনগণ এখনো নিরক্ষর। স্বাক্ষরতা জ্ঞান যাদের আছে তাদের বাদ দেই, উচ্চশিক্ষিত কয়জন মুক্তিযুদ্ধ নিয়া ভাবে???? কয়জন একটু ঘাইটা দেখে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস????? এখন তো আর সেই জমানা নাই যে যারা যুদ্ধ করছিল তারা তারা সামাজিক কর্মকান্ড চালাইতাছে... আগের প্রজন্ম যারা যুদ্ধ করছিল তারা বাস্তবগতভাবেই যুদ্ধ এবং যুদ্ধপরাধীদের সম্পর্কে জানে। কিন্তু আমাদের স্কুল কলেজের ভার্সিটির পোলাপান????? তারা ত আর যুদ্ধ করে নাই...... তারা নিজের ক্লাসের পড়াটাও ফাকি দেয় সেইখানে ইতিহাস ঘাইটা যে জানবে তা কেমনে আশা করি...... এক প্রজন্ম চইলা গেছে। এখন আরেক প্রজন্ম আইছে... এই যে ব্লগে আমরা এত লাফালাফি করতাছি এর কোন লাভ আছে কি সত্যিই????? কয়জন জানে এই ব্লগের কথা যেখানে আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠী পড়তে লিখতে জানে না... এখনোও এরা ভোট পায়। না হইলেও কয়েক হাজার মানুষ এদের ভোট দেয়। জামাতীরা সর্বমোট কতগুলি ভোট পাইছে হিসাব করেন। কারচুপি বাদ দিয়া হইলেও অন্তত লাখখানেক মানুষ এদের ভোট দেয়। কারণ তারা কিছুই জানে না...... মানুষের জীবনযাত্রা এমনই কঠিন যে যুদ্ধপরাধ নিয়া চিন্তা করার সময় তাদের নাই। যে মহিলা ইট ভাঙ্গে তার কাছে পাকিস্তানো যা বাংলাদেশও তা মঙ্গল গ্রহও তা। আমরা কয়জন দুই লাইন পরাশোনা কইরা লাফালাফি করি কিন্তু এর কি কোন ফল আছে বাস্তবে??????? যে লোক একমাস আগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইয়া ফরমে স্বাক্ষর করল এখন যে বিষয়টাই ভুইলা গেছে বেলালুম। মধ্যবিত্ত শ্রেণী হইল মননশীল শ্রেণী কিন্তু মধ্যবিত্ত শ্রেণীই হইল নপুংসক শ্রেণী। এদের গাড়ীতে অলরেডী জাতীয় পতাকা উইঠা গেছে। আমরা বইসা বইসা বাল ফালাইছি। হ্যা আমরা সেই শ্রেণী যারা কেবলমাত্র বাল ফালাইতে পারি।

কি হবে এইসবে। আপনারই হয়তো আগামীকাল জীবনের তাগিদে কত কাজে ব্যাস্ত থাকতে হবে। এইসব চেতনার সেখানে স্থান কোথায়???? বাস্তব জীবন বড়ই রূঢ়। কৃষণ চন্দরের মুম্বাইয়ে দেবতাও সেখানে অন্ধ হইয়া বইসা থাকে।

আর কত নীতিকথা?????? নীতিকথা যখন নতুন নতুন বাজারে আসে তখন তার তাজা সব্জির মতই চাহিদা ও পুষ্টিগুণ থাকে। কিন্তু দিনের পর দিনে ফ্রীজে তা পুষ্টিগুণ ও আবেদন হারায়। কোন লাভ নাই এইসব নীতিকথা বলিয়া। কম তো আর শুনলাম না। কি হইছে ফলাফল???? এখনো মানুষ মার্কা দেইখা ভোট মারে। গত নির্বাচনে আমি ওয়েবে বইসা বইসা হিসাব করছি না ভোট মারা লোকের সংখ্যা কত। কতটুকু যুক্তির অধিকারী হইলে মানুষ না ভোট দেয়?????? আমাদের জনপ্রতিনিধিরা প্রতিদিন মাকলা বাশে তানা পেচাইয়া আমাদের সামনেই আমাদের পশ্চাৎদেশে প্রবেশ করাইতাছে। আমরা যন্ত্রণায় আহা উহু করতাছি। কিন্তু পরমূহুর্তেই তা ভুইলা যাইতাছি। আমরা এমন কেন?

এই যে ঢাকা কয়দিন আগে ডুইবা কি অবস্থাডা হইল কারও কি তা মনে আছে? না নাই। সবাই বেলালুম ভুইলা গেছে......... এই জনগণই আবার মার্কা দেইখা ভোট দিয়া আইব।

গরীব মানুষরে দোষ দিয়া কি লাভ??????? ওগোরে কেউ একটা শাড়ী দেই? পাচশ টাকা দেই? ভোটের সময় আইলে ওরা তা পায় তাই তাগর ভোটটা দিয়া আসে, বেইমানী করে না। হ ওরা কোন মার্কারে ভোট দিলেও আমি ওদের দোষ দিমু না। কারন যেই বালের রাষ্ট্র থিকা ওরা একটা কণা পরিমাণ কিছুই পায় না, সেই বালের রাষ্ট্ররে ওরা বাশ দিলেও কিছু যায় আসে না। গিভ এন্ড টেইক।

এইসব আল বাল ছাল সভা সেমিনার আইল বাউল ফাউল কইরা কিছুই হইব না। কেউ কি পারব এক মাসের ছুটি নিয়া নিজের গাটের পয়সা খরচ কইরা একটা প্রত্যন্ত এলাকায় যাইয়া কিছু পুলাপানরে বর্ণমালা শিখাইতে????? না পারব না। জীবন জীবিকার তাগিদে আর নিজের উন্নতিতে আমাদের সেই অবস্থা নাই। আর কেউ যদি এই কাজ করে, তবে আরেকজন তার এক মাসের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়া তারে জীবনের দৌড় থিকা পিছাইয়া দিব। নো স্যাক্রিফাইস! অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত সবাই। আমি ধনী হইলেই শেষ না, অন্যকেও গরীব হইতে হবে। নয়তো আমি সম্মান পাব না।

এইসব ধুলোবালির মাঝে আমরা কয়জন নিজামীরে ঠেকাইয়া রাখব???? এক নিজামীরে এত চেষ্টা কইরা কিছুই করতে পারতাছিনা। ঐদিকে প্রত্যন্ত এলাকায় জঙ্গী মাদ্রাসায় শত শত নিজামী তৈরী হইতাছে।

তাই জীবন যেখানে যেমন।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৩৩
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×