মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে এ বিয়ের ব্যাবস্থা করার জন্য ধন্যবাদ। তিনি তার দায়িত্ব পালন করেছেন। যদিও এটা অনেক ব্যাক্তিপর্যায়ে এবং সর্বব্যাপী নয়, তবুও আমি বলব মন্দের ভাল। আমার মতে এটা তার কাজ ছিল, বিরোধী দল বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমেই কাজটা হওয়া বেশী গ্রহনযোগ্য বলে আমি মনে করি।
অনেকে বলছেন যে শোকের আবহ না কাটতেই এ বিয়ের অনুষ্ঠান করাটা ঠিক হয় নি। আমি বলব, মানুষের জীবনে সব কিছু আনন্দের মাধ্যমে ঘটে না। অনেক বড় কাজ অনেক খারাপ অবস্থার মধ্যে করতে হয়। অনেকেই কপর্দক শুণ্য অবস্থায় পালিয়ে বিয়ে করেন, অথবা গরীবি হালতে থাকা সত্ত্বেও অনেকে বিয়ে করেন। অনেকের বিয়ে কোন সুখস্মৃতি নয়, বরং তিক্ততার ইতিহাস। আর তাছাড়া এ অনুষ্ঠানটা দ্রুত হওয়াই যুক্তিযুক্ত বলে মনে করি। আনুষ্ঠানিকভাবে শোক পালন করে, শোকের আবহ কাটিয়ে, অতঃপর আনন্দের বিবাহ অনুষ্ঠান করাটাই বরং অমানবিক হত। এটা কোন আনন্দের বিয়ে নয়, এটা সামাজিকতা বা দায়িত্বের বিয়ে, যান্ত্রিকভাবে যা সম্পন্ন হয়েছে এবং এটা দরকার ছিল। এর মাঝে স্বাভাবিক বৈবাহিক অর্থ খোজাটা ভুল হবে।
প্রধানমন্ত্রী নিজে দায়িত্বটা নিয়েছেন এবং তা সম্পন্ন করেছেন। অনেকে বলবেন তাহলে তো দেখা যাচ্ছে মেয়েদের বিয়ে করাটাই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে এখানে দেখা দিচ্ছে যা আমাদের আদর্শ সমাজের সাথে বিপরীত অবস্থান ধারণ করে। এক্ষেত্রে আমি বলব, আমাদের সমাজ এখনও সে অবস্থায় পৌছয়নি, আর রাতারাতি তার পরিবর্তনে আশা করা ভুল এবং পরিবর্তনের প্রদায়ক হিসেবে এই অনুষ্ঠানকে ব্যাবহার করাটা ঠিক হবে না।
এটা কোন মহানুভবতার নিদর্শন নয়, এটা একটা দায়িত্ব পালন। এখানে মহানুভবতার সংগীত পরিবেশনের কিছু নাই, বরং দায়িত্ব পালনের জন্য ধন্যবাদ দেবার ভদ্রতাটুকু আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

