লন্ডনের এসে বাস্তবতা এবং স্বপ্নেরে দোলাচলে আটকে পড়া নবাগত বাংলাদেশি ছাএদের মধ্যে অনেকের ক্রান্তি কাল এখনও কাটেনি। ক্রিস্টমাছ বা বড় দিন উপলক্ষে কিছু ছাএ কাজ পেলেও অনেকেই হয়তো স্হায়ী হতে পারছেননা। কম করে হলেও ৬০ ভাগ ছাএ বেকার আর বাকি ১০ ভাগ ছাএ রেস্টুরেন্টে মালিকদের অত্যাচার সহ্য করছেন। বাকি ৩০ ভাগ ছাএদের কাজ থাকলেও অনকেই কাজের ঘন্টা পাচ্ছেননা ঠিক মত।
[যারা লন্ডনে গিয়ে অনলাইনে চাকরি খুজছেন তাদের জন্য নিচের লিংকটা খুবই হেল্পফুল। এতে রিক্রুমেন্টের ডাইরেক্ট লিংক দেওয়া আছে।
http://solidbangla.com/jobcentre.htm
]
তবে ৯০ ভাগ নতুন ছাএরা যেন আকাশ থেকে পরেছেন তাদের "সো কলড" কলেজে অবস্হা দেখে। না আছে লারনিং রিসোর্স আর নাইবা আছে দেশে বসে ওয়েব সাইটে দেখা রঙিন ক্যাম্পাস। কলেজের আর কলেজ মালিকদের কথা বিস্তারিত নাই বললাম।
ট্যায়ার/টিয়ার ফোরের আন্ডারে IELTS না করে এসে দুর্বল communication skill এর কারনে অন্যান্যদের সাথে কম্পিটিশনেও পিছিয়ে পরছেন তারা। যেটা একটি বড় বাধা হয়ে দারিয়েছে। ভিসা কলেজ গুলোও এ সুযোগে শুধু ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ করিয়েই কাটিয়ে দিচ্ছেন প্রথম বসর।
তবে নতুন ছাএ ধরিয়ে দিতে পারলে কমিশন টা পেতে পারেন
বাংলাদেশী রেস্টুরেন্টের মালিকরা পেয়েছেন যেন মহা পাওয়া। চল্লিশ পাউন্ডে ফুল টাইম করেও রেস্টুরেন্টের মালিকদের মন ভড়াতে পারছেন না তারা।
তাছাড়া লন্ডনে কলেজ হওয়াতে অনকেই বেশী দুরে গিয়ে কাজ করতে সাহসও পাচছেননা। এক দিকে পুলিশ রেইডের ভয় আর এক দিকে কলেজ এটেন্ডেনস না থাকলে হোম অফিস রিপোর্ট এবং ভিসা রিনিওয়ের ভয়।
অনেক কষ্টকরে আয় করা কিছু টাকাও নাকি আগামী ছেশনে কলেজ কে দিতে হবে টিউশন ফি হিসবে! একথা ভেবে অনেক ছাএদের সাময়িক টেনশন স্হায়ী ডিপ্রেশনে রুপ নিচ্ছে। ভেবে যেন কুল করতে পারছেননা অনেকেই।
অনকে সমস্যা থাকলেও ইউরোপের কোন দেশ বা লন্ডনে গমনের স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে ওঠা তরুন সমাজ হয়তো ভয় পাচ্ছেন যদি ভিসা দেওয়া বন্ধ হয়ে যায় তাহলে কিভাবে তারা আসবেন লন্ডনে। তবে একটা কথা ভুলে গেলে চলবেনা যে লন্ডনে এসে যেন আপনার স্বপন দুঃস্বপ্নে পরিনত না হয়।
ধন্যবাদান্তে
বাস্তুহারা, হোয়াইট চ্যাপেল, টাওয়ার হামলেটস থেকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

