
যাবো পল্টন।
শঙ্কর থেকে বাস এ উঠতে গেলাম।
মোটামোটি সব বাসেই কমবেশী ভিড়।
দাঁড়িয়ে ছিলাম একটা ফ্রেন্ডের জন্য। ভাবলাম, ও আসলে কোন একটা বাসে উঠে যাবো। হঠাত করে মেগাসিটি বাস আসলো। হুট করেই খেয়াল করলাম ওদের কোন কাউন্টার নেই। কেউ ডাকছেও না যাত্রী উঠার জন্য।
বাস থেকে দুজন হেল্পার নামল।
যাত্রী ডাকাডাকি শুরু করলো। বললাম টিকেট কোথায় পাবো?
বলে কি। টিকেট লাগবেনা। গাড়ির ভিতরে টিকেট।
যেহেতু যেতেই হবে পল্টন। সিটও ফাঁকা আছে তাই উঠে গেলাম। তারপর দেখলাম এক গাজাখুরি কারবার।
যার কাছ থেকে যেভাবে পারছে,যত পারছে ভাড়া নিচ্ছে কারো কিছু বলার নেই।
যার যেখানে ইচ্ছা নেমে যাচ্ছে।
যেখান থেকে যার ইচ্ছা হাত বাড়িয়ে উঠে যাচ্ছে।
কোন নিয়ম শৃঙ্খলার বালাই নেই। কোন একদিন ভুল করে ১৩ নম্বর বাসে উঠে গিয়েছিলাম। আমার মনে হল মেগাসিটির অবস্থা তার চেয়েও খারাপ এখন। কেউ প্রতিবাদ করলে বেশী টাকা মুল্যের টিকেট ধরায়ে বেশী টাকা আদায়ও করা হচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে। মানুষও ভাবছে এটা মনে হয় আগের সেই মেগাসিটিই। সবাই ঝুলে ঝুলে হলেও যাচ্ছে। কিন্তু উঠার পরই আমার মত হয়তো বুঝতে পেরেছে এটা লোকাল বাস। মেগাসিটির নামটা ব্যবহার করে চালাচ্ছে,মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে। সাহস করে কন্ডাক্টরকে জিজ্ঞাস করলাম। দিনের জমা কত রে? বলে ১৪০০ টাকা। তার মানে ড্রাইভার সহ দু-তিন জন কন্ডাক্টর মালিকের কাছ থেকে চুক্তিতে গাড়িটা নিয়ে চালাচ্ছে। পুরা সার্ভিসটাই যেখানে প্রশ্নের মুখে।
প্রশ্ন হলো...সাতমসজিদ রোড এখন নতুন করে ভি আই পি রোড বানানো হয়েছে। রিক্সা উঠিয়ে দিয়েছে। তা দেক। আমার সমস্যা নাই। বাসেই অভ্যস্ত হবো। কিন্তু বাসের যা অবস্থা শুরু হয়েছে সামনে তো কোথাও যাওয়াই অনেক বড় সমস্যা হয়ে যাবে। সরকারের এসব বিষয়ে চোখ পড়বে কবে???
জাতি জানতে চায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

