বিশ্বকাপের আড়ালে দক্ষিন আফ্রিকায় মানব প্রাচার।
http://www.dailyinqilab.com/june18/index.htm
এটা কি সামর্থন যোগ্য?
Click This Link
পোষ্টেরদিকে না তাকিয়ে ছবিটার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকুন।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) গতকাল শনিবার বিকেলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ক্লাস করা না-করা নিয়ে দুই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি এবং এ নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নেয়।
কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গতকাল রাত সাড়ে আটটার মধ্যে সব ছাত্র হল ছেড়ে যান। ছাত্রীদের আজ রোববার সকাল ১০টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুয়েটের সহ-উপাচার্য হাবিবুর রহমান এ বিষয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ক্লাস করা নিয়ে সিনিয়র ও জুনিয়র ব্যাচের মধ্যে মারামারির কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে।’
শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্বকাপ ফুটবল শুরুর পর থেকে বুয়েটের ২০০৭ শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা খেলা দেখার জন্য ক্লাস বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছিলেন। এই দাবিতে গতকাল সকালে তাঁরা বুয়েটের মূল প্রবেশপথ আটকে দেন। বেলা ১১টার দিকে ২০০৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ক্লাস করার জন্য ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে মূল প্রবেশপথ আটকে রাখা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাঁদের প্রথমে কথাকাটাকাটি ও পরে মারামারি হয়। এতে পুরকৌশল (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) বিভাগের ছাত্র রাফী, ফাইজুল ও মমসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন।
এ ঘটনায় ক্যাম্পাস ও হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সহ-উপাচার্য এবং বিভিন্ন হলের প্রভোস্টরা হলগুলোতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের উত্তেজনা নিরসনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
সূত্র জানায়, এর পরিপ্রেক্ষিতে বিকেল চারটায় সহ-উপাচার্যের সভাপতিত্বে ডিন ও প্রভোস্টদের বৈঠক হয়। বৈঠকে বড় ধরনের সংঘর্ষ এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যেন অবনতি না হয় সে জন্য অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০০৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বিশ্বকাপ চলাকালে ক্লাস না নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ জুন কর্তৃপক্ষ আগামী ২৬ জুন থেকে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা পর্যন্ত ক্লাস বন্ধ করার ঘোষণাও দিয়েছিল।
এ বিষয়ে সহ-উপাচার্য হাবিবুর রহমান জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির কারণে ১৬ জুন এক বৈঠকে বিশ্বকাপ চলাকালে ক্লাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারপরও শিক্ষার্থীরা ক্লাস না করার দাবিতে আন্দোলন করেন।
(পুত্তুম আলো থেকে কপি)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


