১) বগুরার খলিল ভাই, মাস্টার্স করতেন কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ে। শহজ সরলের চলতি ফিরতি উদাহরন তিনি। লজ্জাবতি লতাকেও তিনি ফেল করিয়ে দেন। অনেক কষ্ট করে তাকে বিয়ে করানো হলো। স্ত্রী হলেন ফ্যামিলির এক মেয়ে। তাই খলিল ভাইয়ের শ্বশুর শ্বাশুরী তাকে ছেলের মতই ভাল বাসত ও খুজ খবর রাখত। বিয়ের কিছুদিন পরেই খলিল ভাই চলে আসলেন কায়রোতে। ভাবিজানের সাথে সে কি কুটি কুটি করে আলাপ।
বাহিরে যাওয়া প্রায় বন্ধ। আমরাও তার আনন্দে বেশ আনন্দিত। হটাৎ তিনদিন খলিল ভাইয়ের ফোন বন্ধ। মন মেজাজ খুব ভাড়। কারো সাথে কথা বলে না। ঠিকমত খাওয়া দাওয়াও করে না। বিকেল বেলা বললাম চলেন পার্কে যাই। সম্মতি হলো। তারপর ভাল করে জিজ্ঞেস করলাম, কি হয়েছে? কোন সমস্যা?
--- খলিল ভাই বলতে লাগলেন, গত পারশুদিন সকালে উঠে তোমার ভাবিকে ফোন দিয়েছি, আর ধরে না। কয়েকবার ট্রাই করার পর একজন পুরুষ ফোন রিপ্লে করে বলল হ্যালো। আমি বললাম, আপনি কে বলছেন ভাই? ওপাশ থেকে জবাব এলো। আমি অমুক বলছি। সাথে সাথে খলিল ভাই ফোন রেখে দিলেন। কোন সমস্যা হয়েছে কি না জানার জন্য দেশ থেকে বার বার ফোন আসতে লাগল। খলিল ভাই লজ্জায় কাপতে লাগলেন এবং ফোন বন্ধ করে দিলেন।
(ও পাশের পুরুষ লোকটি ছিলেন খলিল ভাইয়ের শ্বশুর

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

