ছেলেটা বলল বাবা গণতন্ত্র কি? বাবা কপালে ভাজ ফেলে বললেন
এক কথায় বলা মুশকিল। গনতন্ত্রের আছে অনেক উপাদান, প্রত্যেকের সতন্ত্র অবদান। যেমন ধর আমি উপার্জন করি সংসারে টাকা আনি।
আমি পুঁজিপতি। সেই টাকা খরচ করে তোমার মা সংসার চালান। তিনি সরকার। তোমার দাদু উপর থেকে সব দেখভাল করেন, তিনি পার্লামেন্ট।
কাজের বুয়া সংসারের সবব কঠিন কাজ করে, সে শ্রমিক শ্রেনি।
এতো যে আয়োজন সংসারে এ সব তোমার জন্য, তুমি জনগণ।
আর তোয়ালে জড়ানো তোমার যে ছোট ভাই, সে ভবিষ্যত।
অভিজ্ঞতার আলোকে জনগণ ভোটে যে রায় দেন সেটাই জনমত।
ভবিষ্যত ঘুমায় জনগণের সাথে এক বিছানায়। মাঝরাতে ছোট হিসু করে বিছানা বালিশ ভিজিয়ে ছেলেটাকে লেপটিয়ে ভ্যা ভ্যা কাঁদতে লাগল।
ছোটর জন্য কিছু করা দরকার ভেবে ছেলেটা মা-বাবাকে ডাকতে তাদের ঘরে গেল।
বাবা বিছানায় নেই, মা অঘোরে ঘুমাচ্ছেন
অনেক চেষ্টাতেও মায়ের ঘুম ভাঙানো গেল না
ছেলেটা কাজের বুয়ার ঘরে গেল
ওখানে বাবা বুয়াকে তুমুল তান্ডবে পীড়ন করছেন
দাদু জানালার ফাঁক দিয়ে কুত কুত চোখে দেখছেন
তারা নিজ নিজ কাজে এতটাই মত্ত যে ছেলেটা কিছুতেই তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে পারল না।
সকালে বাবা বললেন খোকা গতকাল
গনতন্ত্র সমন্ধে কিছু কি ধারণ হয়েছে তোমার?
ছেলেটা বলল জ্বী বাবা একদম পরিস্কার।
গনতন্ত্রে পুজিপতি শ্রমিকশ্রেণীকে বলৎকার করে
পার্লামেন্ট কুত কুত চেয়ে চেয়ে দেখে
সরকার তখন হাত-পা ছড়িয়ে ঘুমায়
জনগণ কারো কাছে পাত্তা পায় না
আর ভবিষ্যত আপন হিসুতে হাবুডুবু খায়।
গনতন্ত্র সম্পর্কে এটাই জনগণের রায়।
মূল, আদিত্য অনীক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

