আটক করেছে পাঁচ বাংলাদেশীকে, পতাকা বৈঠকের পরও তিনজনকে ছাড়েনি। তাহলে কোথায় রইল বর্ডার কমিটমেন্ট আর কোথায়ই বা রইল বিশ্ববিখ্যাত সৈন্যদের মর্যাদা।
এক বাজারে এক পাগল থাকত। নেংটা পাগল।
তিনদিন ধরে কোন খাবার নাই।
কেহ ডেকে খেতেও দেয় না।
অবেশেষে সহ্য করতে না পেরে সাহসী হয়ে উঠল।
বাজারে হাটতে হাটতে এক ঝুলা গুরের হাড়ির ভিতর সম্পুর্ন হাত ঢুকিয়ে দিল। ঢুকিয়ে যেহেতু দিয়েই ফেলেছে তাই দোকানদার কিছুই বলতে পারল না।
পাগল মনের সুখে হাত চাটতে চাটতে হাটতে লাগল।
সামনে পরল মুড়ির দোকান।
এবার হাতে রস মাখা হাত ঢুকিয়ে দিল মুড়ির বস্তার ভিতর।
পুরু হাত ভরে গেল মুরিতে।
এবার পাগলের মুখে হাসি ফুটল।
গুড় দিয়ে মুড়ি খেতে লাগল আর বলতে লাগল, ডরাইলে ডর। হান্দাইয়া দিলে কিসের ডর।
গল্পটা থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।
ছোট বেলায় পুকুরে কিংবা খালে গোসল করার সাময় আমরা অনেকেই উচুঁ গাছ কিংবা ব্রিজ থেকে লাফ দিয়ে থাকি। অনেকে আবার ভয়ে নিঁচেও নেমে আসি। যদিও জানি যে লাফ দিলে কিছুই হবে না, তবু ভয়কে জয় করতে পারি না।
আমাদের অবস্থা হয়েছে ঠিক তেমনি। কোথায় যেন একটা ভয় কাজ করছে। অথচ ভয়ের কিছুই নেই। আমাদের আছে বিশাল জন শক্তি। আছে ভাল মাথা। ভাল ব্রেইন খাটিয়ে নতুন কিছু উদ্ভাবন করে খুব ভাল ভাবেই বাঁচতে পারব আমরা।
কিন্তু নিজের পায়ে দাড়াবার সাহসটাই কেন যেন আমাদের হয়ে উঠছে না।
ভারত অনেক বড় দেশ, শক্তিশালীও বটে। তাইবলে যে আমাদের তাদের করুনাতেই বাঁচতে হবে এমনটা ভাবছে আমাদে বৃহৎ একটি গোষ্টি।
অথচ, আমরা যদি একটু সাহস করে মাথা উচুঁ করি তাহলে ভারতও আমাদের যথেষ্ট সমীহ করবে।
যেমন:
মনমোহন সিং ও তার দলকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিয়েছি, এতে আমাদের কি কোন ক্ষতি হয়েছে?? হয়নি বরং আমাদের আরো দাম বেরেছে। কদর বেরেছে। ঠিক তেমনি ভাবে আমরা যদি ভারতের সাথে কোন চুক্তি না করি তবে যতদিন চুক্তি না করব ততদিন তারা আমাদের পিছন পিছন ঘুড়বে। আমাদের দাবি দাওয়া মানবে।
> বিপিএল। এখনো শুরুও হয়নি, অথচ আইপিএল কমিটির মাথা ব্যাথা শুরু হয়েগেছে। বিপিএল যদি সাকসেস হয় তবে আইপিএলের যৌলুস্য কমে যাবে। অথচ, তাদের টুর্নামেন্টে আমাদের মাত্র সাকিবকেই কেনা হয়েছে। তামিমের মত হার্ড হিটারকে বাদ দিয়ে তারা সাদা চামড়া খুজতে গিয়ে জিম্বাবুয়ের মত দেশ থেকে মুরগি কিনে আনে।
এখন বিসিবি যদি চালাক হয় তবে এখনি সময় গুটি চালার।
সাকিবকে নিষেধ করেদিক আইপিএলে যেতে। ব্যস্.... পুরু আইপিএল গড়ম হয়ে যাবে।
পাকিস্তানের সাথে কোন ক্রিকেটিয় সম্পর্ক নেই, শ্রীলন্কার সাথেও তাদের সম্পর্ক বেশ খারাপ বাংলাদেশও যদি তাদের এ্যভোয়েড করে তবে তারা অবশ্যই ভয় পাবে, লজ্জা পাবে। নতুন করে ভাবতে শুরু করবে।
> বিজিবি'র অবস্থা এমন দেখা যাচ্ছে যে, বিএসএফ বিনা বাঁধায় আমাদের সীমান্তে ঢুকে যাকে ইচ্ছে তাকে ধরে নিয়ে যেতে পারবে। যদি তাই না হতো, তবে গত কিছুদিন আগে যখন একজন বিজিবিকে ধরে নিয়ে গেল তখন বাকি দুইজন নাকি পালিয়েছিল। সথিকে রেখে যারা পালাতে পারে তারা সাধারণ মানুষের জন্য জীবন দিতে চাইবে এটা ভাবতে অনেক ধৈর্যের প্রয়োজন।
অথচ, ভারত বড় রাস্ট্র হয়েও আমাদের সাথে বিভিন্ন চুক্তি নিয়ে যেই আচরণ করছে এর পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের বিজিবিরই উচিত ছিল বিএসেএফের ভুমিকায় থাকা।
বর্ডারের বর্তমান অবস্থাঃ
বাংলাদেশ-ভারত ‘মৃত্যুর সীমান্ত’
Click This Link target='_blank' >পাঁচ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিএসএফ
ভারতীয় বোর্ড কর্তারা ভয় পাচ্ছেন আইপিএলের মতো একই রকম সফল কোনও টুর্নামেন্ট অন্য দেশে হলে আইপিএলের জৌলুস কমে যাবে। তাই তাঁরা প্লেয়ার ছাড়তে চাইছেন না।
আমরা আমাদের প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছি। ফেব্রুয়ারী মাসের এক তারিখ থেকে আমরা প্রায় সাত হাজার তরুণ সবধরনের ভারতীয় পণয় বয়কট করেছি। আপনিও দেশের স্বার্থে দেশীয় পণ্য কিনুন, নিজেকে ধন্য করুন।
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


