টোকিও থেকে ১২০কিমি দুরে অবস্থিত ইজো ওশিমা (伊豆大島, Izu-ōshima) দ্বীপ ভ্রমনের প্রারম্ভিক পর্ব আগেই লিখেছিলাম। কদিন আগে ইন্টাঃ স্টুডেন্ট অফিস থেকে মেইল পেলাম, ফরেন স্টুডেন্টদেক নিয়ে একটা প্রজেক্টের আওতায় ট্যুরের ব্যবস্থা হয়েছে, আমি ইচ্ছুক হলে, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রফেসরকে মেইল করতে বললো।বিস্তারিত জানতে চাইলাম, কেমন কি লাগবে, কি কি করতে হবে, ফিরতি মেইলে জানলাম পুরাই ফ্রি ট্যুর। ফরেন স্টুডেন্টদের সাথে জাপানের সংস্কৃতির বিনিময় সাধনের জন্যই এই ট্যুর, যা হোক হেলায় আর সুযোগ ছাড়লাম না।
অবশেষে ১৭জন ফরেন স্টুডেন্ট আর ১০জন জাপানীজ স্টুডেন্ট আর দু'জন প্রফেসর নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আমাদের যাত্রা শুরু হলো ক্যাম্পাস থেকে ঝিরিঝিরি বৃষ্টিকে পেছনে ফেলে। ক্যাম্পাসের পাশের রেল স্টেশন থেকে আর একটা স্টেশনে গেলাম (এই মুহুর্তে নাম মনে আসছে না), সেখান থেকে জাহাজে করে ইজো ওশিমা দ্বীপের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম ১০.৩০মিনিটে।

জাহাজে আমরা ফ্লোর এর টিকেট নিয়েছিলাম, কারন রাতের যাত্রা ফলে ঘুমানো যাবে। সাথে ১০০ইয়েন দিয়ে ১রাতের জন্য কম্বল ভাড়া করেছিলাম ঘুমানোর জন্য
সবাই নিজ নিজ জায়গায় ব্যাগ রেখে সোজা ডেকে দৌড়। রাতের জ্যোৎস্নার আলোতে ঝিলমিল করছিলো সাগরের পানি।
বৃষ্টির জন্য রেলিং এর ধারেও যাওয়া যাচ্ছিলো না, এরপরও সবাই মিলে ১২টা পর্যন্ত আড্ডা দিয়ে নিচে ঘুমাতে আসলাম। জোশ একটা ঘুম দিয়ে আমরা দ্বীপে পৌছলাম সকাল ৬টায়, ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে। সাথে বৃষ্টিও ছিলো সাথী হিসাবে...।।
আগে থেকেই হোটেল বুক করা ছিল। হোটেলের মিনিবাসে করে রওনা দিলাম হোটেলের উদ্দেশ্যে। ১৫মিনিটে পৌছে গেলাম হোটেলে। মেয়েদের নিচতলা আর আমাদের ২য় তলায় জায়গা হলো। সবাই ফ্রেশ হয়ে খেতে বসলাম একসাথে......
ডান হাতের কাজ সেরে ৩০মিনিটের রেষ্ট নিয়ে সবাই বাসে উঠলাম যাদুঘর দেখতে। এটা স্থানীয় মানুষ জনের পোষাক-হাতিয়ার-মূদ্রা ইত্যাদি সংগ্রহশালা।
ইজো ওশিমার ম্যাপ।
এরপর রওনা দিলাম, লাভা দেখার জন্য.........
......... চলবে!
ইজো ওশিমা-ঊইকি লিংক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



