মাসকট থেকে চট্টগ্রাম আসার পথে ডিসি ১০ বিমানের পাখার একটি অংশ গত শনিবার সকালে ভেঙে পড়েছে। পরে বিমানটি নিরাপদে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে। বিমানে অবস্থিত ৩০৭ জন যাত্রীর সবাই নিরাপদে ছিল। পটিয়া উপজেলার শিকলবাহা কলেজ বাজার এলাকায় বিমানের পাখা ভাঙ্গার ঘটনাটি ঘটেছে। বিজি ০২২ নম্বরের ফ্লাইটটি ৩০৭ জন যাত্রী নিয়ে মাসকাট থেকে চট্টগ্রাম আসছিল। পাখা ভেঙ্গে পড়ার পরও বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়। অবতরণের পরেই পাখা ভেঙ্গে যাওয়ার বিষয়টি তা সবার নজরে পড়ে।
জানা যায়, গত শনিবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট (বিজি-০২২) মাসকাট থেকে চট্টগ্রাম আসছিল। বিমানটি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণের আধা ঘণ্টা আগে ডান পাখার গতিরোধকের একটি অংশ টুকরা হয়ে পটিয়া এলাকায় ভেঙ্গে পড়ে। কিন্তু তা বিমানের পাইলট জানতে পারেননি। যাত্রীরা চলে যাওয়ার এক ঘণ্টা পর বিমানের লোকজনের নজরে আসে যে, পাখার একটি অংশ ভেঙ্গে পড়েছে।
এদিকে, স্থানীয় লোকজন বিমানের ভেঙ্গে পড়া একটি টুকরা পটিয়া থানার কলেজ বাজারের পুকুর থেকে ও বাকি দুইটি অংশ ওই এলাকার একটু দূরে ধানের ক্ষেতে খুঁজে পায়। পরে এলাকাবাসী পটিয়া থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তিনটি টুকরা নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেয়।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের ওসি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
পটিয়া থানার উপ-পরিদর্শক নূরুল ইসলাম বলেন, বিমানের পাখার তিনটি টুকরা স্থানীয় লোকজন খুঁজে পাওয়ার পর থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তা নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। বিমান বাংলাদেশের কর্মকর্তারা পুরো বিষয়টি জানতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
বিমান বন্দরে কর্মরত বিমানের কর্মকর্তারা জানান, শনিবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটি ঐদিন রাত নয়টায় ঢাকা ফিরে গেছে। মাসকট থেকে যাত্রী নিয়ে বিমানটি চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকা যাওয়ার সিডিউল ছিল। পাখার অংশ ভেঙ্গে পড়ায় বিমানের কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


