আমার প্রিয় পোস্ট

মুনিয়া গুডগার্ল

বিশ্বাস

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৩

শেয়ারঃ
0 0

সামহ্যোয়ারের যে অবস্থা... কিছু লিখতে আর মন চায় না। তারপরও লিখছি। আসলে এমন হয়ে গেছে, কিছু কথা এইখানে শেয়ার না করলে ভাল লাগে না। রিসেন্ট যে এলোমেলো অবস্থা সামহ্যোয়ারে, এই জায়গাটা পর হয়ে গেল কিনা ভাবছি। যারা ব্যান হয়েছেন তাদের মধ্যে আমার পছন্দের ব্লগারও আছেন। কিন্তু প্রতিবাদের পন্থাটা আমার পছন্দ হয়নি। এ যেন আমাদের দেশের সেই চিরাচরিত হরতাল ডাকা সিস্টেম। এই অবস্থায় সামহ্যোয়ার ভিজিট করতে আসা নতুন কারো কি মনে হবে এই সাইট টা দেখে? ঐদিন এমনিতেও মন খারাপ ছিল। আরও কষ্ট পেলাম যখন অনেকে ব্যঙ্গ করছিলেন আমাকে। একটা কথা তখন খুব মনে হয়েছে- ভালবাসার চেয়েও অনেক বড় হল মানুষের নীতি। এটাকে বিসর্জন দিলে আর কিছুই থাকে না।

আসলে এই টোনে লেখাটা শুরু করতে চাই নি। লিখতে চেয়েছিলাম আমার এক ফ্রেন্ডের জীবনে ঘটে যাওয়া রিসেন্ট ট্র্যাজেডি নিয়ে। মেয়েটাকে প্রথম দেখাতেই পছন্দ করবে না এমন মানুষ আছে বলে মনে হয় না আমার। যেমন দেখতে সুন্দর, তেমনি জলি... ভাল লাগার মতই মেয়ে একটা।
ওর একটা নাম দেওয়া দরকার- ধরা যাক, ইলোরা।
বেশ কয়েক মাস, না না মাস না, প্রায় বছর হল ইলোরা একটা ছেলের সাথে প্রেম করছিল।
ছেলেটা অন্য ধর্মের... এজন্য ও প্রায়ই বলত- আমরা তো বিয়ে করতে পারব না, লিভ টুগেদার করব।
আমি হাসতাম। বলতাম- দোস্ত, এই বুদ্ধি কিন্তু সুবিধাবাদী ছেলেদের। যারা দায়িত্ব নিতে চায় না তারা এই ওয়েতে খালি মজাটা নিতে চায়। আবার যখন ভালো লাগবে না তখন ভাগবে।
ও বলতো- আমার জুজু(ছদ্মনাম) আমাকে ছেড়ে ভাগবে না।
তবে ওদের প্রেমটা খুব সুইট লাগতো আমার কাছে...
সাথে সাথে নিজের অবস্থাটা চিন্তা করতাম। আমার প্রার্থনা হত আমার অবস্থায় যেন এই সরল মেয়েটা না পড়ে।
কিন্তু ওর বয়ফ্রেন্ডটাকে ঠিক পছন্দ করতে পারতাম না। অন্তসারশূন্য মনে হত। মনে হত ইলোরার সৌন্দর্যটাই একে টেনেছে... ভালবাসার গভীরতা আছে বলে মনে হত না।
ওকে এর আগেও বলেছিলাম কথাটা। সুন্দরীদের বড় সমস্যা হল এদের চারপাশে চরিত্রহীন আর চামচাদের ভিড় হয়। ট্রু ফ্রেন্ড পাওয়া কঠিন হয়ে যায়।
প্রায়ই ও চলে যেত জুজুর সাথে ঘুরতে। জুজু আসতো ক্যাম্পাসে। ভালই ছিল ওরা। মাঝে মধ্যে ওদের মান অভিমান চলত। আবার ঠিকও হয়ে যেত। কিন্তু ছেলেটাকে রিলায়েবল লাগত না আমার কাছে। ওর পার্সোনালিটি পছন্দ করতে পারিনি ঠিক কী কারণে যেন।
মাঝেমধ্যে ওরা ঘুরতে যেত দূরে। ইলোরার মোবাইলে তোলা ওদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি দেখাতো আমাকে।
আমি হেসে বলতাম- এখনি এত কেন? বিয়ের পরের জন্যও রাখ।
ও বলতো- বিয়েই তো হবে না। বলে আবার হাসতো।
অনেক কথা মনে আসতো। এতটা বিশ্বাস করাটা ঠিক না। যদি ব্ল্যাকমেল করে তোকে? এইসব...
কিন্তু ওর গভীর আস্থা আর বিশ্বাসে ভরা দুটো চোখের দিকে তাকিয়ে বলতে পারতাম না কিছু।
কিছুদিন আগে থেকে মাঝেমধ্যে ওদের মধ্যে কঠিন ঝগড়া বাধছিল- ঐরকম হলেই আমার ভয় করত- হয়তো ভেঙে যাবে সম্পর্কটা।
প্রায়ই ছেলেটার জোরাজুরিতে ইলোরাকে অনেক প্রোগ্রাম চেইঞ্জ করে ওর জন্য সময় বের করতে হত।
কিছুদিন হল ইলোরার খবর নেই... ক্লাসে যাওয়া হয় না...নিজেকে নিয়ে অবসেস্ট... খবরও নেই না।
সেদিন হঠাৎই অন্য একটা ফ্রেন্ডের ফোনে ইলোরার খবরটা পেয়ে প্রচণ্ড একটা ধাক্কা খেলাম। ইলোরার জুজু, ওর আদরের জুজু ওকে প্রচণ্ড টর্চার শুরু করেছে। আগে থেকেই করতো... তবে এইবারেরটা নাকি অসহনীয় হয়ে গিয়েছিল।
জুজুকে সময় দেওয়ার জন্য ফ্যামিলি ট্যুরে বাইরে না গিয়ে ও দেশে রয়ে গেল। তখনই টের পেয়েছিলাম জুজুর আচরণে কষ্ট পাচ্ছে ও।
কিন্তু একটা রিলেশনশিপে আছে ও- এই অবস্থায় কিছু বললে যদি আমাকে ভুল বোঝে? এই ভয়েও বলিনি কিছু। অনেকটা স্বার্থপরও হয়েছে আচরণটা।
আর সর্বশেষ খবর হল- সহ্য করতে না পেরে ইলোরা আলাদা হতে চেয়েছে। আর তখনি ওর আদরের জুজুর আসল চেহারা বের হয়েছে।
ওদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তগুলোর ছবি, ওর ঠিকানা, ফোন নাম্বার সব ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছে ছেলেটা। ইলোরার প্রোফাইলে লিখেছে ''আমি প্রতারক, আমি জুজুকে ঠকিয়েছি'' এইসব।
হায়রে- বিশ্বাস করে পাসওয়ার্ডটাও দিয়ে রেখেছিল ওকে।
সত্যিকারের ভালবাসা কি কোথাও আছে?

 

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
ফারজানা১৬ বলেছেন: আছে।
সত্যিকারের ভালবাসা আছে। ট্রাস্ট মী, আমি দেখেছি।
এসব কুলাংগারের জন্যে ভালবাসার উপর বিশ্বাস হারাবেন না।
২. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩০
পাশা বলেছেন: অবশ্যই আছে। কিন্তু কিছু ব্যতিক্রম তো থাকবেই।
৩. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫
রাকিব বলেছেন: মুনিয়া গুডগার্ল, আশা করি ভাল আছেন...ফারজানার সাথে আমিও একমত।
৪. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০
মুনিয়া বলেছেন:
ফারজানা, থ্যাংকস। আপনার কথা বিশ্বাস করতে চেষ্টা করব।
পাশা, ধন্যবাদ।
রাকিব, অনেক ধন্যবাদ। আপনি ভাল আছেন তো?
৫. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩
বিপ্র বলেছেন: ''এই অবস্থায় সামহ্যোয়ার ভিজিট করতে আসা নতুন কারো কি মনে হবে এই সাইট টা দেখে''
--আপনার এই কথাটির সাথে একমত হতে পারছি না। যারা নতুন আসবেন তাদের জানা দরকার স্যামহোয়ার কতৃর্পক্ষের আসল চেহারা।
নাহলে তারা বেশি আশা করে পরে কষ্ট পাবেন। অবশ্য ঘুমন্ত কতৃর্পক্ষের তাতে কিছু যায় আসে না...এখনও হায়েনাদের প্রেস রিলিজ প্রথম পাতায় ঝুলে...


আর আপনার লেখার বাকী অংশটুকু পড়তে গিয়ে হুমায়ুন আজাদের 'সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে' কবিতার কিছু লাইন মনে পড়ে গেলো। আপনার বান্ধবীর জন্য শুভকামনা রইলো...তিনি কঠিন সময় কাটিয়ে উঠুন...
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৬. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩
রাকিব বলেছেন: আছি...দোয়া করেন যাতে জুলাই ২০০৮ এ ডাক্তার হয়ে বেরোতে পারি।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন:
ইনশাল্লাহ হবেন।

৭. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫
শাওন বলেছেন: খারাপ লাগল কিন্তু ঐযে এমন অনেকে আছে যারা সত্যিকার প্রেমের দেখা পেয়েছে ।
একজনকে দিয়ে সবার বিচার করা যাবেনা । ঐছেলেটা আসলেই স্টুপিড
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: কারা যে পেয়েছে...
তাদের দেখা আমি কেন পাই না কে জানে....

৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৪
নীল গোলাপ বলেছেন: সত্যিকারের ভালবাসা আছে। তবে কাউকে সত্যিকারভাবে ভালবেসে পাওয়া কষ্ট চিরদিন থাকে।
আপনার ফ্রেন্ডের জন্য খারাপ লাগছে।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফিল করার জন্য।

৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪৭
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: 'যারা ব্যান হয়েছেন তাদের মধ্যে আমার পছন্দের ব্লগারও আছেন। কিন্তু প্রতিবাদের পন্থাটা আমার পছন্দ হয়নি। এ যেন আমাদের দেশের সেই চিরাচরিত হরতাল ডাকা সিস্টেম।'

এবসলিউটলি সত্য।


আর কাহিনীটা মনকে ছোয়া দিল।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৬
ফারজানা১৬ বলেছেন: সত্যিকার ভালবাসা দেখার জন্যে বেশীদূর যাওয়ার দরকার নেই।
আপনার নানা নানী দাদা দাদীদের দেখুন।
আমার দাদা ভীষন রকম কঞ্জারভেটিভ ছিলেন, (তবে পৃথিবীর অন্যতম ভাল মানুষ ছিলেন), দাদা বেঁচে থাকতে দাদী কোথাও বেড়াতে পারতেন না। কিন্তু এখন আম্মুর সাথে বাংলাদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত ঘুরে বেড়ান।
আমাদের জেনারেশনের দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবলে দাদী দাদাকে দু’চোখে দেখতে না পারার কথা। অথচ সেই দাদী কে যখন দুষ্টুমী করে জিজ্ঞেস করি- দাদী, দাদা আপনাকে কেমন ভালবাসতো?
বৃদ্ধা দাদীর কুঁচকে যাওয়া ফর্সা চামড়া লাল হয়ে যায়!
বিলীভ মী, আমার দাদীর সেই লজ্জায় লাল মুখ দেখতে আমি তাই প্রায়ই এই শয়তানীটা করি, আর কী অদ্ভূদ, দাদী প্রতিবার সমান পরিমানে লজ্জা পায়!
আমার জন্মের ছয়মাস পরেই গত হয়ে যাওয়া আমার স্মৃতিতে না থাকা সেই মানুষটির জন্যে এতদিন পরেও আমার দাদীর এই ভালবাসা…………
মুনিয়াআপু , পৃথিবী সত্যি সুন্দর।


১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলো সত্যি হলে সত্যিই ভাল লাগার মত....

১১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩০
নূরে আলম বলেছেন: হুমমম/.....
খুব খারাপ..
সমাজটা কোথায়?
এত ভোগবাদী মানসিকতা সবার...
ভালো মানুষ পাওয়া দায়।
মানুষের নীতিবোধ চলে যাচ্ছে।
সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আর আমরা বসে বসে দেখছি।

মেয়েটার কী হল তারপর?
বলা যাবে?
না বললে অসুবিধা নাই।


তবে সত্যিকার ভালোবাসাও আছে। খুঁজে দেখতে হয়।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: হয়তো আছে... এটাই বিশ্বাস করার চেষ্টা করছি....

১২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৩
মাহবুবা আখতার বলেছেন: হুমমম.....
খারাপ লাগল আপনার ফ্রেন্ডের জন্য। এতটা বিশ্বাস করা বোধহয় ভুলই ছিল....
কি জানি?!
আজকাল ভালবাসা বলে দেখি এক জিনিস আর শেষে বুঝি আরেকটা....
মোটেমাটে- বিষয়টাই বুঝি না।
কি যে ভালবাসা, আর কি যে সাময়িক আকর্ষণ; আর কোনটা যে লালসা- এখনো বুঝলাম না।
খারাপ লাগল আপনার বান্ধবীর জন্য, তার জন্য শুভ কামনা রইল।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:২৯
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


+ হুমম ...পেলাস দাগাইলাম
পর সমাচার এই যে, কখনো ভালোবাসা দিল্লিকা লাড্ডু জো খায়া পস্তায়া জো নেহি খায়া ও ভি পস্তায়া। বিয়ে-শাদীর ব্যাপারটাও অনেক ক্ষেত্রে দিল্লিকা লাড্ডুর মতো।

তবে আপনার বর্ণিত কাহিনী বি্চ্ছিন্ন ঘটনা। সত্যিকারের ভালোবাসা অবশ্যই আছে। সেই ভালোবাসাকে সযতে লালন করতে হয়। মুল্যবান অলংকারের মতো সামলে রাখতে হয়। ওই সব বিচ্ছিন্ন ঘটনা গড্ডালিকা প্রবাহের ভেতরে পাওয়া যায়।
নারী পুরুষের ভালোবাসায় যখন অধিকার চেতনা লোপ পায়, স্বার্থান্ধতা এসে বাসা বাঁধে, লৈঙ্গিক রাজনীতি বড় হয়ে দেখা দেয়, তখন আর ওখানে ভালোবাসা থাকে না। থাকে শুধু প্রয়োজন পুরণের ইচ্ছা।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬

লেখক বলেছেন: সারওয়ার, বিচ্ছিন্ন ঘটনার সংখ্যাই তাহলে বেশি দেখতে পাচ্ছি....
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬
এই আমি মীরা বলেছেন: পড়ে খুবই খারাপ লেগেছে। এরকম ঘটনার কথা সবসময় বলা হয় সাবধান করার জন্য, কিন্তু সত্যি সত্যি না হওয়া পর্যন্ত এসব বোঝা মুশকিল।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: হুমম... আর এর চেয়েও বড় টেনশন এখন ওর বাবাকে নিয়ে। হার্টের সমস্যা ওনার। একবার অপারেশন হয়েছে অলরেডি....

১৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫
উধাও ভাবুক বলেছেন: প্রথমে আপনার সেই বন্ধুকে সমবেদনা জানাচ্ছি। এ ছাড়াতো আর কিছু করার নেই। আর আপনারা কিভাবে লিভটুগেদার এর চিন্তা করেন ? যদি এমন চিন্তাকে সাপোর্ট করেন তাহলে এমন হওয়াটাই স্বভাবিক। আর বিশ্বাস তো একদিনে জন্মায়না। আস্তে আস্তে মনের মধ্যে আস্তানা গড়তে থাকে। হুট করে কোনদিন ভালবাসা হয়না। ভালবাসা দেখেই হয়ে যাওয়ার মত কিছুনা। ভালবাসা সাধনার বিষয় আর চর্চার বিষয়।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন:
ওদের ভালবাসাটাও হুট করে হয়নি। ছেলেটা ওর স্কুল লাইফের ফ্রেন্ড।
দশ-বারো বছরের বন্ধুত্বও যদি একটা মানুষকে চেনাতে না পারে, তাহলে আদৌ চেনা সম্ভব কিনা সেটাই প্রশ্ন।
ছেলেটাও ওকে জয় করার জন্য যা করা দরকার ছিল তার সবই করেছে প্রথম দিকে। বিশ্বস্ত বন্ধুর প্রমাণ যুগিয়েছে- বয়ফ্রেন্ডের দায়িত্বও পালন করেছে.... হয়তো সবই অভিনয় ছিল। অথবা সময়ে ওর মন পরিবর্তন হয়ে গেছে....

১৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: খারাপ লাগছে...

ফারজানা আপু আমার নানা নানীর কথা মনে করিয়ে দিলেন। কত যুগ আগের যুগল... নানু গ্রামের মেয়ে। নানাভাই আশে পাশে সাত গ্রামে এক মাত্র বিএ পাশ ছিলেন এক যুগে। নানু গুণবতী বটে, কিন্তু ভীষণ কালো। তবু, কি করে কি করে বিয়ে হয়ে গেল আমার ফর্সা, রূপবান নানার সাথে। একদম অজপাড়া গায়ের মেয়ে নানু। নানাভাই নাকি সেই সময়ে গেরস্তের কাজ করতে থাকা নানুকে ধরে আনত কাজের ফাঁকে ফাঁকে, জোর করে দাবাকে খেলাতে বসাতো। কিংবা বই পড়ে শোনাতো, শেক্সপিয়ার, শার্লক হোমস! রাতের বেলা আকাশের তারা চিনাতো! নানু এখনও বলার সময় নানুর চোখে পানি চিক চিক করে, আমি বার বার শুনি। খুব হিংসা হয়... :(

একটু অপেক্ষা করো, আরও ৫ বছর পরে জানাবো নে, সত্যিকারের ভালোবাসা কতটা বাস্তবতায় আছে ;)
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: জানার অপেক্ষায় রইলাম।

১৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
উধাও ভাবুক বলেছেন: আসলে (এটা একান্ত আমার মত) বিশ্বাস করাতে এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে। এসবতো নাটক ছাড়া আর কিছুনা। বিশ্বাসতো করাতে হয়না। এটা সমযের সাথে সাথে এমনিতেই হতে থাকে। যদি আমার মন কলুষিত হয় তাহলে তা কো না কোন সময় ধরা পড়বেই।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: হয়তোবা...

১৮. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৬
শাওন বলেছেন: সন্ধ্যাবাতির কথায় মনে হচ্ছে ৫ বছরের মধ্যে একটা বিয়ের দাওয়াত পাওয়া যাবে ।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫

লেখক বলেছেন: হাহাহা... তাই নাকি?

১৯. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৭
বাঙাল যুবক বলেছেন: আপনি নিজেও কষ্টের মধ্যে আছেন। এরপর দেখলেন আপনার বান্ধবীর প্রতারিত হওয়ার ঘটনা। এজন্য হয়তো প্রকৃত ভালবাসার উদাহরণ আপনার কাছে খুব বেশী হয়ে ধরা দেয়নি।

লক্ষ করুন আপনার পোষ্টের টাইটেলের দিকে। মনে রাখবেন যদি বিশ্বাসটা ভালবাসার আগে হয় তবে সেটা প্রকৃত ভালবাসা হয়। আর যদি ভালবাসাটা বিশ্বাসের আগে আসে তবে তা স্বার্থপরতায়, শর্তানুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে পড়ে।

ফারজানা এবং সন্ধ্যাবাতি যে ভালবাসার উদাহরন দিয়েছেন তাতে বিশ্বাসের বন্ধনটাই আগে এসেছে।

আপনাকে ধন্যবাদ।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনার কথা মনে রাখার চেষ্টা করব।

২০. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৬
আমি কে বলেছেন: দ্যাটস লাইক আ রিয়েল মুনিয়া গুড গার্ল!! ব্লগের অবস্থা যাই হোক কাউকে না কাউকে তো কিছু লিখে প্রমান রাখার চেষ্টা করতে হবে ব্লগে কিছুইই ঘটে নাই! চালাইয়া যান। আপনার পছন্দ হয় নাই ধর্মঘট। কিন্তু আর কোন উপায় কি ব্লগাধিপতিগন রেখেছিল??
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: আমি এইসব প্রমাণ করার চেষ্টা করছি না। ব্যাপারটা শেয়ার করতে মন চাইছিল, তাই করেছি...
ঘটনা শুরু থেকে আমি দেখিনি। পরে জানলাম ফ্লাডিং এর কারণে অনেকে ব্যান হয়েছেন। তাদের মধ্যে আমার পছন্দের ব্লগারও আছেন।
ফ্লাডিং এর ব্যাপার আমি দেখিনি। তবে সাইট এর রুলস ব্রেক করাটা ঠিক না।
আপনি এইভাবে রিঅ্যাক্ট করলেন কেন বুঝলাম না।
আরো অনেকে দেখলাম এই প্রসঙ্গে গালাগালি শুরু করেছেন।
গালি তো ইতর লোকের অস্ত্র। অবশ্য আপনি ঠিক কী ধরনের পোস্ট দেন দেখা হয়নি।

২১. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২
আমি কে বলেছেন: আচ্ছা! ব্লগে স্বাধীনতা বিরোধী পোস্টের প্রতিবাদ করতে যেয়ে ফ্লাডিং করে তারা ব্যান হইছে। রুলস আপনি কতদিন কতক্ষন মানবেন? পোস্টের পর পোস্ট পরে মুক্তিযুদ্ধবিরোশী কথাবার্তা নিয়ে। শহীদ হওয়া মানুষের ছবিকে ফটোশপে বানানো পোস্ট আসে, আমি রাজাকার, আমি বাংলাদেশী রাজাকার নিক মোডুরা এক্সেস দেয় আর এইসব নিয়া প্রতিবাদ কি করা যাবে না? তারা ব্লগ বানাইয়া দিছে বইলা তো আর মাথা কিনে নেয় নাই, নাকি?

সাইটের রুলসের উপরে হইলো আমাদের স্বাধীনতার চেতনা। এইখানে কেউ হাত দিলে সহ্য কেউ করবে না কিছু সুবিধাবাদী ছাড়া।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: শহীদের ছবিকে ফোটোশপে বিকৃত করা কখনোই উচিত নয়। আমি অবশ্য দেখিনি এরকম। হয়তো তখন ব্লগে ছিলাম না।
তবে আমি যতদূর জানি কোনো পোস্টের ব্যাপারে আপত্তি থাকলে অভিযোগ করা যায়(আমি নিজে যদিও করিনি কখনো)।
সিস্টেম্যাটিক্যালি সলভ করাই তো বেটার। এখন যেমন ব্লগটা কেমন থেমে আছে। এটা তো কারোরই ভালো লাগে না।

২২. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩১
আমি কে বলেছেন: আমি বলি নাই ফটোশপে ছবি বিকৃত করা হইছে। বলছি একজন জামাতি বলছে যে ঐ ছবি ফটোশপে বানানো হইছে বলছে বলে পোস্ট দিছিল।
আপনার সাথে তর্ক করে লাভ নাই, যে ইচ্ছা করেই বুঝে না তাকে বুঝাবে কে!!
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০৬

লেখক বলেছেন:
আমার কাছে কিছুই ক্লিয়ার হল না... আর আমি তর্কও করছিলাম না। যাই হোক, আপনি যেভাবে রেগে যাচ্ছেন, তাতে এ নিয়ে আপনাকে আর কোনো প্রশ্ন করা ঠিক হবে না।

২৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪১
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: ঘটনা সব জায়গায় সমান। আমার বসের প্রিয় একটা উক্তি-সুন্দরী মেয়েগুলোকে দেখবে সব সময় পেনাদের (যারা সারাক্ষন নেশাগ্রস্ত থাকে, চুরি,মারামারি করে, জার্মানিতে ওদের এই নামে সম্বোধন করা হয়) সাথে। তোমার বান্ধবীর বিদ্যা আছে কিন্তু বুদ্ধি হয়নি।

জুজু'কে পেদানোর ব্যবস্হা করা যায় না???
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: মেয়েটা একটু বেশি রকমের সরল.... আর ওসব করেই বা লাভ কী? কথা আরো ছড়াবে....

২৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৪২
যীনাত বলেছেন: ছোটবেলা থেকেই এ বিষয়গুলো নিয়ে সচেতন ছিলাম। যথাসম্ভব এসব থেকে নিজেকে দূরে রেখেছি। মাঝে মাঝে মনে হত আমি কাউকে বিশ্বাসও করত পারলাম না, আর ভালবাসার আনন্দ সেতো দূরের কথা।

কিন্তু বাস্তবতা এটাই যে আমাদের মত মধ্যমপন্থিদের জন্য চুপ করে নিজ ভালবাসা বিসর্জন দেয়া ছাড়া উপায় নেই।

জানিনা আমাদের পরের জেনারেশণ কে সুন্দর মনের মানুষ উপহার দিতে পারব কিনা?

লেখা ভাল হয়েছে।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। তবে আশা করুন। হয়তো পারবেন।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮৪৬৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
গুডগার্ল
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই