আমার প্রিয় পোস্ট
- অপরাধীর কোন ধর্ম নাই, তবে "মুসলিম" হলে আলাদা কথা... - ত্রিভুজ
- হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - বিগ মব
- বব ডিলান, তার একটি গান “ব্লোয়িং ইন দ্যা উইন্ড” এর অনুবাদ আর কিছু প্রাসঙ্গিক কথা - ফাহাদ চৌধুরী
- বিদ্যাশ (আঞ্চলিক ভাষায় ছড়া) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- গাযা আগ্রাসন: কেন তারা আমাদের ঘৃণা করে? - রবার্ট ফিস্ক - ত্রিভুজ
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- ইসরায়েলী শিশুদের পাঠানো ভালবাসার বার্তা - ত্রিভুজ
- জ্বালা ও যন্ত্রণা : ধর্মেও আছি জিরাফেও আছি - মাহবুব মোর্শেদ
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একজন পিপড়া, একটা কবি এবং..... - মাঠশালা
- শীতল সঞ্জীবনী - মুনিয়া
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- নোংরা মেয়ে - মুনমুন
- পৃথিবী দেখতে সাথে নিতে না পারার কৈফিয়ত (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- যখন থামবে কোলাহল - রন্টি চৌধুরী
- স্বাধীনতা দিবসে একজন সৈনিকের গল্প - অহেতুক অকারণ
- আকাশ কুসুম (পদ্য) - রোডায়া
- বডি ল্যাঙ্গুয়েজ: আমাদের শরীরী ভাষা এবং 'মোনালিসা স্মাইল' রহস্য - মাহবুবা আখতার
- বালক - বালিকা - স্বপ্নকর
- খিদে,অনেক খিদে - ফারহান দাউদ
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
মিছে খেলার ভেলায় ভাসি আরো একবার...
২৩ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৪০
যখন তিন-চার বয়স ছিল, ভাইয়াকে দেখতাম ছেলেদের সাথে একটা বল নিয়ে লাথালাথি করতে। আমি বুঝতাম না এতে কী লাভ। আমি বরং সারাটা বিকাল বারান্দায় বসে পাতা ছেঁচে চপ বানাতাম। পুরো ফ্যামিলির জন্য খাবার তৈরি করতে হতো আমাকে- কি যে জ্বালা। গিন্নিদের ঝামেলার শেষ নাই!
আবার রান্নার জন্য মাটি দিয়ে হাঁড়ি-পাতিল, খাওয়ার জন্য প্লেট-গ্লাস-জগ- সব বানিয়ে রাখতাম। এই কাজে অবশ্য বেশি সময় লাগত না। বানানোর টেকনিক খুব ইজি- ছোট একটা গোল্লা বানিয়ে তার মধ্যে আঙুল দিয়ে গর্ত করে দিতাম। পাত্রটার সাইজ দেখে বুঝে নিতে হত ওটা পাতিল না প্লেট!
রান্নাবান্না শেষে ভাইয়াকে ডাকতাম খাওয়ার জন্য। ভাইয়ার বন্ধুরাও আসত- ফুটবল খেলা শেষে সবারই তো খিদে লেগে যায়! খেয়ে দেয়ে সব ছড়িয়ে ফেলে দিয়ে দৌড় মারতো সবাই। তারপর আবার সব ক্লিন করার দায়িত্ব গিন্নির
মুখে একটা রুমাল পেঁচিয়ে সুন্দর করে ঝাড়ু দিয়ে রাখতাম খেলার জায়গাটা। মাঝে মাঝে প্রতিবেশিদের ছোট বাচ্চারা চলে আসত এবং সুন্দর করে আমার ম্যাটটা ভিজিয়ে দিয়ে চলে যেত! আমি আম্মুকে গিয়ে ইচ্ছামত ঝেড়ে আসতাম যাতে ছোটদেরকে আমার খেলার জায়গায় না পাঠায়- বড়দের কাজের মধ্যে ছোটরা এলে তো খুব ঝামেলা!!!
আস্তে আস্তে আরেকটু বড় হলাম। শুরু হল এলাকার ছেলেমেয়েদের সাথে কুতকুত খেলা। আমি আর বান্ধবী পাপিয়া- স্কুল থেকে ফিরেই শুরু করতাম- আম্মু এসে ধমক দিয়ে বাসায় নিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত চলত।
লাঞ্চের পর আম্মুর ঘুমানোর অপেক্ষায় থাকতাম- আম্মু ঘুমিয়ে পড়লেই চুপি চুপি গিয়ে পাপিয়াদের দরজায় নক করতাম। ও জেগেই থাকত। নিঃশব্দে বের হয়ে আসত। তারপর এই বাসা ঐ বাসা করে অনেকজন যোগাড় করে ফেলতাম।
একটা মজার খেলা ছিল- সাতচারা।
সাতটা সিমেন্টের পাতলা প্লেট একটার পর একটা সাজিয়ে তারপর বল মেরে একটা একটা করে ফেলতে হত। দুইটা টীমে খেলা হত। এখন সব মনেও নেই। তবে কাউকে আউট করার জন্য তার গায়ে বল থ্রো করতে হত- আর আমার থ্রো ছিল ওয়ার্স্ট! কিন্তু খুব উৎসাহের সাথে খেলতাম। অবশ্য দেখতে ছোট(বয়সেও ছোট কিন্তু আমি তা মানতাম না) বলে ওরা আমাকে ''দুধভাত'' বানিয়ে দিত মাঝে মাঝে। দুধভাত হল সেই প্লেয়ার, যাকে কাউন্ট করা হবে না- দুধভাত হতে আমার খুবই খারাপ লাগত। শুধু ভাবতাম কবে যে বড় হব আর আমিই হব টীমের ক্যাপ্টেন... তখন উজ্জ্বল ভাইয়াকে(এই ভাইয়াটাই আমাদের গুরু ছিল!) দুধভাত বানিয়ে দেব।
তবে আমাদের গেইম কোনোদিনই শেষ হত না। কারণ কাউকে না কাউকে তাদের মায়েরা এসে ডেকে নিয়ে যেত। তখন মনে মনে ঐসব মায়েদের অভিশাপ দিয়ে গেইম রিস্টার্ট করতাম।
মাঝেমধ্যে চলত চরম এক্সাইটিং বৌ-ছি। এটা ছিল আমার সবচে প্রিয় খেলা। খেলার ধরনের জন্য না। মাঝে মধ্যে ছেলেমেয়েরা অনেক ডায়ালগ দিত। কেউ বলত- বউ এত লাজুক কেন? দৌড় দেওয়ার সময় লজ্জা কই যায়? কেউ আবার বলত- তোমাদের বউ বেহায়া। আমাদের বউ বেশি সুন্দর... আমি মন দিয়ে এই ডায়ালগ গুলো শুনতাম। অবশ্য খেলোয়াড় ছিলাম একেবারেই বাজে। আমি ছুটতে পারতাম বেশ। কিন্তু দম থাকত না একদম ![]()
একটা খেলার সময় সত্যি ভয় পেতাম আমি- আবার পছন্দও করতাম- যখন কাবাডি কাবাডি করতে করতে দুপদাপ করে দৌড়ে আসতে ছেলেমেয়েরা, উত্তেজনায় কথা আসত না মুখে। খেলাটা হাডুডু, তবে অনেকে কাবাডি বলত।
এই খেলার সবচে মজার ব্যাপার ছিল ছড়াগুলো-
হা-ডু-ডু মজার খেলা
চার পাচটা মাইরা ফালা...
এইরকম ছড়া শুনে আমার আত্মা উড়ে যেত।
আমাদের সাথে খেলত জীবন নামের একটা ছেলে- এখন কোথায় আছে জানি না। সে সবচে দারুণ ছড়াগুলো বলত-
চিলিকাবাডি চিলিকদার
হাড্ডিগুড্ডি খবরদার!
(প্রথম লাইনটার অর্থ জানি না!)
দুঃখের বিষয় এই খেলায় আমাকে নিতে চাইত না কেউ ![]()
শীতকালে চলত ব্যাডমিন্টন। এইখানেও সেই সমস্যা। আমি পিচ্চি বলে ককটা নাগালই পেতাম না। ওদিকে খেলার জন্য উদগ্রীব ছিলাম!
বৃষ্টির দিন আসলে অবশ্য আবার তিন বছর বয়সে ফিরে যেতাম। কাদামাটি দিয়ে হাঁড়িপাতিল বানানোর আনন্দটা আলাদা! তবে ফর্ম আর শেইপ এর অনেক বেটার পার্সেপশন নিয়ে তখন অনেক বেটার কাজ করতাম। জগগুলোকে দেখতে জগই মনে হত। এমনকি সুন্দর একটা মেয়ের স্কাল্পচারও করে ফেললাম একবার! কোন একটা আংকল দেখে বলল ওকে চারুকলায় পড়ানো দরকার। চারুপাঠ নামে ভাইয়ার বই ছিল জানতাম। কিন্তু চারুকলা কি তা বুঝলাম না। ভাবলাম ক্লাস থ্রিতেই সিক্স এর মত বুদ্ধি দেখিয়েছি। মনে মনে গর্বে আকাশে উড়তে লাগলাম!
আস্তে আস্তে টিনেজে পা পড়ল। খেলা যে দেখারও ব্যাপার আছে সেটা তখন বুঝলাম। বন্ধুদের জ্বালায় ক্রিকেট নামক খেলার নিয়মকানুন শিখতে হল। আমি অবশ্য এটাকে সাতচারার সাথে মিলিয়েই বোঝার চেষ্টা করতাম। খেলোয়াড়দের প্রেমে পড়াও শুরু হল।
ক্লাস এইট শেষের ছুটি... অন্য মেয়েরা ততদিনে খেলা ছেড়েছে। কারও কারও বিয়ে হয়ে গেছে। কিন্তু আমার নেশাট কাটে নি...
সকালে উঠে বেরিয়ে যেতাম মাঠে। ঘণ্টা তিনেক চলত প্রজাপতি ধরার অভিযান। আট- দশ বয়সী মেয়েদের সাথে দল বেঁধে প্রজাপতি ধরতাম। কুতকুত খেলতাম তখনো সুযোগ পেলেই। আর বেলা এগারোটা বাজলে শুরু হত ব্যাডমিন্টন সেশন। একটা ঢোলা শার্ট আর শর্ট স্কার্ট পরে খেলতে নামতাম। মাথায় ক্যাপ।
পলি বলত ক্যাপ পরলে নাকি আমাকে আফ্রিদির মত লাগে!!!
সুতরাং, যত গরমই লাগুক, ওটা থাকতই মাথার সাথে। খা- খা রোদের মধ্যে সারাটা দিন খেলে সন্ধ্যার সময় বাসায় ফিরতাম। মুখ ধুতে গিয়ে নাক দিয়ে গলগল করে রক্ত পড়ত। আম্মু দেখার আগেই কোনরকমে নাক চেপে ব্লিডিং বন্ধ করতাম।
নাইট সেশন হল পুতুলের বিয়ে দেওয়া! চৌদ্দর মেয়ের জন্য হাস্যকর কিন্তু আমার উৎসাহের ঘাটতি ছিল না কোনো...
তারপর আরো বড় হলাম। একসময় বুঝে গেলাম পুতুলের বিয়ে দেওয়া অর্থহীন। নাক দিয়ে রক্ত ঝরার আগ পর্যন্ত ব্যাডমিন্টন খেলে কোন লাভ নেই। আমার হার্টথ্রব আফ্রিদিও কেমন মলিন হয়ে গেল মনের মধ্যে...
একসময় শুনলাম চম্পা আপুর বিয়ে। পাপিয়ারা চলে গেল কোথায় যেন...
তবু কোথা থেকে মনের ভেতর তাকিয়ে রইল ইথিকা, উজ্জ্বল ভাই, জীবন ভাই,সুমি আপু, দিতি, কান্তা... আমার খেলার সাথীরা সব।
মাঝে মাঝে যখন পিচ্চিদের দেখি কম্পিউটার গেইম খেলে চোখ নষ্ট করতে, তখন খুব খারাপ লাগে। মনে হয় ঐসব সোনালি দিনগুলো থেকে কয়েকটা দিয়ে দেই ওদের। মাউস ক্লিক না করে, গেইম এর নায়ককে দিয়ে দৌড়ানোর সাধ না মিটিয়ে ওরা যেন একটু খেলতে পারে বাস্তব প্রজাপতির সাথে। ভার্চুয়াল এর চেয়ে যেন সত্যিকারের বন্ধু বেশি হয় ওদের। ঝুম বৃষ্টিতে ভেজা ঘাসের উপর বন্ধুদের ধাওয়া করে ধুপ ধাপ করে পড়ার স্বাদ যেন ওরা একটু হলেও পায়। কারণ, আমার এখনো পেতে ইচ্ছে করে যে!
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ইউনুস খান বলেছেন:
মনে হলে নস্টালজিয়ায় ভুগি। ভাল লাগল লেখাটা।+
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
ভালো লাগলো।লেখার ধরণটা বিশেষত।
লেখক বলেছেন: ভালো লেগেছে জেনে ভাল লাগল।
আজনবী বলেছেন:
ইয়ে দৌলত ভি লে লো, ইয়ে শহরত ভি লে লো ভালে ছিন্ লো মুঝসে মেরে ইয়ে জওয়ানি
মাগার মুঝকো লটাদো বাজপান কা শাবান
ও কাগাজ কি কাসতি, ও বারিষ কা পানি।
লেখক বলেছেন: বুঝি নাই ভাই!
পড়ার জন্য থ্যাংকস।
ইমরান মামা বলেছেন:
ভাল্লাগলো +
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা। ধন্যবাদ।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
জট্টিল করে লিখেছেন!আহ সেইসব সাতচাড়া ডে গুলো....
প্রিয় পোস্ট এ নিয়ে গেলাম।
আপনার লেখাগুলোর মধ্যে এটা ভিন্নস্বাদের হয়েছে।
সত্যিই খু-উ-ব ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রিয় পোস্টে ঢুকতে পেরে গর্বিত বোধ করছি।
আপনার লেখার আমি একজন ভক্ত।
এত বড় লেখাটা কষ্ট করে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
ছবি ভালো হয়েছে, তবে মনে হয় ছোট মানুষের ছবি বেশি মানাত এই লেখার সাথে। ছবির গোলাপটা তো জোসলেখক বলেছেন: ছবিতে তো ছোট মানুষই। হাতে শুধু গোলাপ এই আর কি!
Click This Link
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে এত বড় লেখাটা পড়ার জন্য।
আজ তো সময় নেই। পরে ইনশাল্লাহ আপনার পোস্ট টা পড়ে দেখব।
++
লেখক বলেছেন: + দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ, সত্যদা।
লেখক বলেছেন: স্মৃতিগুলো যত সুন্দর, তত সুন্দর করে বোধহয় পারিনি!
আসলেই অসাধারণ হত ফিরে যেতে পারলে।
রুধীণ বলেছেন:
ফেলে আসা দিন গুলি......কেবলই স্মৃতি । ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
শিমু নুমান বলেছেন:
কিছু খেলা বাদ পড়েছে। বলেন তো এটা কিভাবে খেলেআমি ছড়াটা বলছি
##########################
ওপেনটি বাইস কোপ
লাইন টানা তেইসকোপ
চুল টানা বেবি আনা
সাহেব বাবুর বৈঠক খানা
স্প্রিংয়ের ছবি আটা
যার নাম রেনু বালা
তার গলায় মুক্তার মালা
############################
ইচিং বিচিং ছিচিং ছা
প্রজাপ্রতি উড়ে যা
লেখক বলেছেন: আরে, দারুণ ছড়াগুলো মনে করিয়ে দিলেন! লেখার সময় মনে আসেনি- অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তাই নাকি? কেন?
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
অসাধারন।পুতুল খেলিনি কখনো। তবে অন্যান্য খেলার স্বাদই পেয়েছি। সাধারনত শুক্রবারে সকালে রান্নাবাটি খেলা হতো।এতো আয়োজনের সাথে শুরু করে শেষটা খুবই খারাপ হতো। দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলতে হতো। একজন আরেকজনের বাসায় দাওয়াত খেতে যেতে হতো। ৩/৪ ঘন্টা খেলার পর সবাই সবকিছু ফেলে রেখে চলে যেতো।
এক্কাদুক্কা, দড়ির লাফ, গোল্লাছুট, কাবাডি, ফুটবল, কানামাছি, বেডমিন্টন, মার্বেল, লাটিম, ডাংগুটি...। আর বর্ষার দিনে ছিলো নৌকা নিয়ে চুরি করে ঘুরতে যাওয়া। কে নৌকা চালাবে সেটা নিয়েও মারামারি। শাপলা ফুল তুলতে যাওয়া, পানিফল খাওয়া, ইচ্ছেমতো সাতার কাটা। বিকেলে মায়ের হাতের মার খাওয়া।
অনেকগুলো ভাই-বোন ছিলাম। তাই ঝগড়া হতো বেশী। তবে খেলার পার্টনারের অভাব ছিলো না।
এখনো ফিরে যেতে চাই ঐসব দিনে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে এত বড় লেখাটা পড়ার জন্য।
আসলেই ফিরে যেতে ইচ্ছে করে...
আবীর বলেছেন:
অনেক দিন পর একটি ভিন্ন লিখার স্বাদ পেলাম। লিখার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। আশা করি আরও লিখবেন।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে এত বড় লেখাটা পড়ার জন্য।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
ভাল লাগলো। এখন কি খেলা ধুলা করেন?
লেখক বলেছেন: নাহ! এখন আর হয়ে ওঠে না...
অরুনাভ বলেছেন:
নষ্টালজিক বড় খারাপ জিনিস.....
লেখক বলেছেন: হুমম.. ![]()
িজল্লুর রহমান সবুজ বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না।
সাইফুর বলেছেন:
ভালো স্মৃতি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হুমম...
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
when words fall short...i use pix...DO NOT try to understand it...it's something which needs to be felt.
লেখক বলেছেন: ওকে...
শেষ প্যারাটা মনের কথা,তাই কপি-পেস্ট করে দিলাম (ভার্সিটিতে ৫ বছর এই কাজই করলাম,সবার অ্যাসাইনমেন্টই আমার চেয়ে ভাল হয়ে যেত কিনা
লেখক বলেছেন: আপনার মনের কথা! ধন্যবাদ।
আজনবী বলেছেন:
ইয়ে দৌলত ভি লে লো, ইয়ে শোহরত ভি লে লো
(এই ধন সম্পদ নিয়ে নাও, এই খ্যাতি নিয়ে নাও)
ভালে ছিন্ লো মুঝসে মেরে ইয়ে জওয়ানি
(পারলে ছিনিয়ে নাও আমার থেকে আমার যৌবন)
মাগার মুঝকো লটাদো বাজপান কা শাবান
(কিন্তু আমাকে ফিরিয়ে দাও শৈশবের শ্রাবন)
ও কাগাজ কি কাসতি, ও বারিষ কা পানি।
(ওই কাগজের নৌকা, ওই বৃষ্টির পানি)
জগজিৎ সিং এর বিখ্যাত গজল, নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে শুনে দেখুন, আপনার স্মৃতিচরনের অসাধারন অপরূপ ছন্দ (Woh Kagaz Ki Kash Ti )
Click This Link
লেখক বলেছেন: বেশ তো কথাগুলো... অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
দারুন লেখা! প্রিয় পোষ্টে নিয়ে গেলাম।
আমরা হাডুডু খেলার সময় কী বলতাম জানেন? হিহিহিহি......
হাডুডূ বাই
তবলা বাজাই
তবলার সুরে
মৌমাছি ঘুরে ঘুরে ঘুরে ঘুরে ঘুরে......
ঘুরে ঘুরে করতে করতেই সাঁই সাঁই একটা দুইটাকে গাপ করে উলটা দৌঁড়। আমি ছিলাম চোট্টা, আই মিন ঘুরে ঘুরে বলতে বলতে ফাঁকে ফাঁকে নিঃশ্বাস নিয়ে নিতাম!
লেখক বলেছেন: ওয়াও! জোস তো ছড়াটা।
প্রিয়পোস্টে নিলেন? থ্যাংকু থ্যাংকু
মুহিব বলেছেন:
ছেলে হয়েও শৈশবে এই খেলা কম খেলিনি
লেখক বলেছেন: তাই?
রাতমজুর বলেছেন:
৫+
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
প্রোফাইল ফটো চেঞ্জ করলেন যে?
লেখক বলেছেন: করলাম আর কি...
ত্রিভুজ বলেছেন:
অসাধারণ লেখা... আপনার উপস্থাপন চমৎকার....
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনিও ভাল থাকুন।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
বৌছি ১ দিন খেলছিলাম প্রাইমারীতে পড়ার সময়ে । আপনার পুতুল আর রান্নাবান্না বাদে বাকিগুলোর সাথে মোটামুটি পরিচয় আছে । অনেক খেলার কথাই মনে পড়লো । বেশ কিছু খেলার নাম-ই ভুলে গেছি ।
আর চিলিকদার-> চিলিক শব্দটা বিদ্যুতের ঝিলিক শব্দের মত অর্থের কোন কিছু । হঠাৎ-আকষ্মিক তীব্রতা এসব বুঝাতে ব্যবহার হয়
নাক দিয়ে গলগল করে রক্ত পড়ার ব্যাপারটা বুঝলাম না । ঘুষাঘুষি না করলে নাক দিয়ে রক্ত পড়বে কেন ?
লেখক বলেছেন: ঘুষাঘুষির ভাবই করতাম। বাস্তব ঘুষাঘুষির অভ্যাস ছিল না কোনোদিন।
নাক দিয়ে রক্ত পড়া এটা একটা শারীরিক সমস্যা। অনেকেরই থাকে। রোদের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি করলে নাক দিয়ে রক্ত পড়ে।
কালপুরুষ বলেছেন:
ভাল লিখেছো গুড গার্ল। মজার সব স্মৃতিকথা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনাকে অনেকদিন পর দেখলাম আমার ব্লগে। কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
এম্নিতেই বলেছেন:
হাততালি!!!!!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস!
আর দেখেই থাকলে ভাল করে চোখহ মুছে লেখকের নাম টা একটু পইডেন.......তারপর আওয়াজ দিয়েন.....।
লেখক বলেছেন: বাচ্চা বেলায় ছড়া কবিতার বইতে পড়েছি কবিতাটা। কবির নাম মনে নেই।
তার পরে পত্র পত্রিকায় অনেক জায়গায় অনেকেই এই কবিতা নকল করে দিয়েছেন।
স্পষ্টতই লেখাটা আপনার নিজের না। আরেকজনের লেখা কপি করে দিয়েছেন। আপনার সৎ সাহস থাকলে আমার কমেন্ট পোস্ট হতে দিতেন। ওপেন ডিসকাশনে আসতেন।
যাহোক, যদি আপনার সত্যিই এবিলিটি থাকে তাহলে তো মাঝে মাঝেই এরকম লেখা দিয়ে ব্লগকে ধন্য করবেন। আর না থাকে তো আরও কপি করবেন। তবে কাজটা করে কতটুকু তৃপ্তি পাচ্ছেন সেটাই ভাবছি। আরেকজনের লেখা কপি পেস্ট করে অ্যাপ্রিসিয়েশন পাওয়া যেতে পারে, সৃষ্টির আনন্দ নয়।
য়েখন দেখছি আপনিও জানেন......।
বেশ বেশ বাংলা সাহিত্যে ভাল তার্কিক য়ের আগমন ঘটতেছে.....।
কিন্তু পরিতাপের বিষয় আপনি কোন ধরনের হিন্ডস দিতে পারেন নাই বলেই আমি আপনর কমেন্ট ডিলিট করছি......।
বিবেক সত্যি নামের য়েক ব্লগার মোটামুটি দিছেন.....
তাই তাহারটা আমি য়েকসেপ্ট করছি....।
জবাবও দিছি...।
বলে রাখা ভাল য়েটা আমার ক্লাস ৭ য়ে রচিত...।
আর কপি নয়.....।আমি ছোট বেলার বই পডে ইন্সপায়ার্ড হয়েই লিখছি.......।
মাসুদ খান যদি ফিল্ম দেইখা কবিতা লিখতে পারেন,
রবী বাবু যদি লালন পেয়ে ইন্সপায়ার্ড হন.....
তো আমি পেলে পাপের কি?
আর য়েকটা কথা না কইলে আপনার কনফিইশন থেকেই যাবে...।
আমি য়েকটা শিশুতোষ কাগজে মোটামুটি কাজ করি....।
য়েকাদিক দৈনিকে লেখারও য়েকটা অপচেস্টা করি.....।
লেখক বলেছেন: আপনার অপচেষ্টা সফল হোক!!!
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
দারুণ লিখেছো..........।অনেকদিন তোমাকে দেখি না মুনিয়া।কেমন আছো?
তোমার কথা মনে পড়ছিলো।
ভালো থাকো।
লেখক বলেছেন: এইতো আপু। তুমি কেমন আছো?
সত্যি দারুণ লিখেছি? তোমার প্রশংসা পেয়ে গর্ব হচ্ছে(সত্যি)....
আমার কথা তোমার মনে পড়ছিলো?(আরও ভাল লাগছে...)
তুমিও ভালো থাকো আপু
সুতরাং বলেছেন:
আপনার লেখাটি পড়ে আমিও সেই বয়সে ফিরে গেলাম। আর মনে পড়ে গেলো, সারাদিন টই টই ঘুরে, খেলা করে বাড়িতে এসে ছোটবোনের সাজিয়ে রাখা ঘর এলোমেলো করে দিতাম। তার শখ করে বানানো পিঠা, নুডুলস্, পায়েস খেয়ে ফেলতাম আমি ও আমার দু'একজন বন্ধুরা। লেখক বলেছেন: হায় হায়... ভাইয়েরা এত শয়তান হয় কেন?
শেখ রহিম বলেছেন:
+
স্মৃতিদের ঘুরোঘুরি। নষ্টালজিক!
একটা সময় আসে! এসে চলে যায়!
পেছনে ফেলা স্মৃতিদের নিয়ে বসবাস করতে হয়
এ প্রান্তরে!
ভালো লাগলো !
শুভেচ্ছা এ দ্বারে! কুঁড়িয়ে নিলে খুশি হবো!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা...
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
"খেলোয়াড়দের প্রেমে পড়াও শুরু হল।"তখই ঠিক বুজছি .. হয় ইনজামাম , নইলে আফ্রিদি ।
গোলাম আঙকেলের ভাতিজি আর কার প্রেমে পড়বো !!
(ফিরনী পুস্টগুলা ভালো হৈতাছে... পইড়া আবেগে ভাইসা যাইতাছি.. ভালো টেকনিক)
লেখক বলেছেন: গোলাম নামে আমার কোন আংকেল নাই।
পোস্ট ভালো হয়েছে বলার জন্য থ্যাংকস!
বাঙাল যুবক বলেছেন:
পুরাপুরি পিছনের কথা মনে করে দিলেন। কাল এটা পড়েছি। আজ ছোট বাচ্চাদের সাথে ফুটবল খেললাম। নষ্টালজিয়ায় আক্রান্ত হলে কেমন অনুভূতি তা বুঝলাম। এখন এখানে ধন্যবাদসহ মন্তব্য করে গেলাম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
বাচ্চাদের সাথে খেলার মজাই আলাদা।
বাঙাল যুবক বলেছেন:
আমার নতুন পোষ্ট সাতচারা জিনিসটা আমার অসম্ভব ফেবারিট ছিল। হাডুডু শুধু নানাবাড়ি গেলেই দলবেধে খেলা হত। বৌচি থেকে শুরু করে দাড়িয়াবান্ধা - কি খেলিনাই।
ঐ সব দিনগুলা খুব খুব বেশি মিস করি। ইদানিং স্মৃতিকাতরতার মাত্রা ভয়ংকর ভাবে বেড়ে গেসে কেন জানি। এর মধ্যে আবার এই লেখা পড়লাম।
আজকালকার ছেলেমেয়েদের জন্য আমার আসলেই দু:খ হয়। এমনকি আমাদের সমসাময়িক অনেকেই কম্পিউটারে ছাড়া বাস্তবে গেমস কি জিনিস চোখে দেখেনাই। এইসব ভাবলে নিজেরে অনেক লাকি মনে হয়। কারণ এই স্টেজটাতে এসে বুঝতেসি আমার ছোটবেলাটা কত বেশি বর্ণাঢ্য ছিল।
বর্তমানের সময়ের এত অস্থিরতা, বড় হবার সাথে সাথে দায়িত্ববোধের বোঝা সব মিলিয়ে অনেক হাসফাস লাগে। খুব বেশি বেশি ইচ্ছে করে আমি আবার ছোট হয়ে যাই।
লেখক বলেছেন: আরে!
অনেকদিন পর ব্লগে দেখলাম।
তোমার সাথে আমার ছোটবেলার অনেক মিল আছে দেখছি!
ভাল আছ?
র্যাভেন বলেছেন:
ওসব কুতকুত ফুতফুত এর চায়া কম্পু গেমস ১০০০০০ টাইমস এক্সাইটিং
যে পিসিতে এনএফএস রেসিং গেম খেলে নাই কুনোদিন তার জীবনই বৃথা
প্রচেত্য বলেছেন:
যথেষ্ট ভাল লাগার ভাল লেখা
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আরে... সো অ্যাম্বিগিউয়াস....
লেখক বলেছেন: দ্ব্যর্থক...
বোকামাষ্টার বলেছেন:
সুপার্ব লেখা দিদি। আমার অবশ্য ইদানিং কিছু কিছু খেলার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে হচ্ছে। যেমন এলাটিং বেলাটিং, লুকোচুরি, রান্নাবাটি এগুলো। আমার দুই কণ্যার সৌজন্যে। আমি এখন স্মৃতিকাতরতায় ভুগিনা, মেয়েরা যে আমাকে ছোটবেলার আনন্দটুকু ফিরিয়ে দিচ্ছে!
"কারণ, আমার এখনো পেতে ইচ্ছে করে যে! "
সত্যি সত্যি ইচ্ছে করলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমার মেয়েদের সাথে খেলায় অংশগ্রহণ করতে (হাসবেন না, আমি সিরিয়াসলিই বলেছি কথাটা। কারণ আমি জানি এই আনন্দের অনুভূতিগুলো কেমন)।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: দাদা আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
জেসন বলেছেন:
অনেক ভাল লেগেছে। সোনালী অতীত গুলো শেয়ার করার অন্য অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।প্লাসাইলাম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনিও ভাল থাকবেন।
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
এতদিন পরে পড়ে কমেন্ট করা হয়তো উচিত না। কিন্তু ভালো লাগলো দেখে বলে ফেললাম...আমারো ফিরে পেতে ইচ্ছে করে সেই দিন গুলি, যখন আমিও আপনার মত সব খেলায় খারাপ ছিলাম, কিন্তু উৎসাহের কমতি ছিলোনা কখনো।বড় হতে হতে দেখলাম খারাপ খেলিনা, কিন্তু উইড়া গেছে।
লেখক বলেছেন: হুমম। এমনি হয়.... কি আর করার। জীবনটাই এমন।
সজল৯৫ বলেছেন:
আজনবী বলেছেন: ইয়ে দৌলত ভি লে লো, ইয়ে শহরত ভি লে লো ভালে ছিন্ লো মুঝসে মেরে ইয়ে জওয়ানি
মাগার মুঝকো লটাদো বাজপান কা শাবান
ও কাগাজ কি কাসতি, ও বারিষ কা পানি।
জটিল হইছে আজনবীর.........
লেখককে অনেক ধন্যবাদ সেই ছোট্টবেলা থেকে ঘুড়িয়ে আনার জন্য++++ আমার শৈশবটা প্রায় এরকমই ছিল...
হায় মজার ছেলেবেলা..... ]
রইলোনা সেযে আমার নানা রঙ্গের দিন গুলি.........
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















