জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির তথ্য বরাতে জানা গেছে ফখরউদ্দিন সাহেব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী আবাসিক কার্ডধারী। তার সোশ্যাল সিকিউরিটি নাম্বার- ১৪৮-৫২-৮৯৯২।
অর্থাৎ ড. ফখরুদ্দিন আহমদ মার্কিন নাগরিকের সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে থাকেন। তার স্ত্রী-সন্তানরাও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া ও মেরিল্যান্ডে তার দুটি বাড়ি রয়েছে।
--> কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা পদে শপথ নেয়ার আগে বা পরে কখনই ড. ফখরুদ্দিন আহমদ তার মার্কিন আবাসিক কার্ড এবং অর্থ-বিত্ত সম্পর্কে সরকারকে কিছু জানাননি। অথচ সংবিধান ও আইন অনুযায়ী অন্য কোনো দেশের নাগরিক বা স্থায়ী রেসিডেন্ট হয়ে থাকলে তিনি বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বা উপদেষ্টা হতে পারেন না। তেমন কেউ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বা সংসদ সদস্যও হতে পারেন না।
--> তথ্য গোপন করে বিদেশের রেসিডেন্ট কার্ডধারী ড. ফখরুদ্দিন আহমদের প্রধান উপদেষ্টা পদে নিযুক্তি যদি সংবিধানের লংঘন ও বেআইনি হয়ে থাকে তাহলে তার সরকার এবং সে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত ও কর্মকান্ডও বৈধ বা আইনসম্মত হতে পারে না। ব্যাখ্যার এই দৃষ্টিকোণ থেকে ফখরুদ্দিন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচন এবং সে নির্বাচনের ভিত্তিতে গঠিত সরকারের বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্নের সৃষ্টি হতে পারে।
আমাদের পদত্যাগী অভিমানী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীও মার্কিন গ্রীনকার্ড হোল্ডার....প্রধানমন্ত্রীর আরেক উপদেষ্টা গওহর বিট্রিশ নাগরিক...কোন সমস্যা নাই....আমরা এখন গ্লোবাল ভিলেজের বাসিন্দা....
ফজলুল বারীর পর মঈন উ ও আমেরিকার বাসিন্দা হচ্ছেন...নাই মূল (মামাদের সময়ের সম্পাদক) এর তৃতীয় কন্যা হয়েছে আমেরিকাতে....আমেরিকা যাইতে মন্চায়....
সংকলিত: কীর্তিমান তিন উদ্দিনের কথা-শাহ আহমদ রেজা। নেট থেকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

