কলেজিয়েট স্কুল (চট্রগ্রাম) ভালো রেজাল্টের জন্য বিখ্যাত...সাথে আছে এর পোংটা পোলাপানের খ্যাতি (
১৯৯২ এর দিকে স্কুল ম্যানেজমেন্ট এক ধূর্ত বুদ্ধি নিল...নতুন একটি সেকশন খোলা হলো ই সেকশন নামে...উদ্দেশ্য সারা চট্রগ্রাম থেকে টপ ছেলে পেলেদের কলেজিয়েটে নিয়ে আসা...এবং রাগিব আসলো সে সুত্র ধরে...
প্রথম বছরই তার পরিচিতি স্কুলে মোটামুটি ছড়িয়ে পড়ে ফলাফলের কারণে..এসএসসিতে প্রথম স্ট্যান্ডটি পায়নি..সেটি পেয়েছিল শুভাষিশ নামে আরেক পোংটা পোলা (বুয়েটে পরে ছাত্র আন্দোলনের কারণে সেশন লস করেছিল)...দল বেধে সবাই ভর্তি হলাম চট্রগ্রাম কলেজে...মোটামুটি স্কুলের সবাই এক সেকশনে...ব্যাচে প্রাইভেট পড়ার সময়ও তাই...সে সময় ইয়াকুব আলী রসায়ন বিদ্যার ব্যাপক জনপ্রিয় শিক্ষক...টাইপ করা দূর্দান্ত চোথা দিতেন....আমরা সেটা নিয়ে বইয়ের তাকে ফেলে রাখতাম...আর রাগিব পরের দিন এসে প্রশ্ন করতো এটা কি সেটা কি...
এইচএসসির পরীক্ষায় চট্রগ্রাম বোর্ডে রাগিব প্রথম হলো..কিন্তু তার নম্বর ছিলো ঢাকা বোর্ডের ২০ তম স্হানের নাম্বারের সময়...তার ক্ষোভ ছিল কিনা জানি না..কিন্ত চট্রগ্রাম বোর্ডে নাম্বার কম দেয়ায় (সেবারই প্রথম এই বোর্ড হয়েছিল) আমাদের সবার ক্ষোভ ছিল চরম...
বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে তার মেধার প্রমাণ সে ঠিকই রাখলো...এরপরের ইতিহাস অনেকেরই জানা...বাংলা কম্পিউটিং..বিশেষ করে উইকিডিয়া এবং ব্লগে তার সরব উপস্হিতি..
এই অক্টোবরে পিএইচডি শেষ করে রাগিব এখন জন হপকিন্সে পোষ্ট ডক ফেলো হিসাবে কাজ করছে...
অভিনন্দন ডঃ রাগিব হাসান...তার সহধর্মিণী জারিয়াও আমাদের কলেজের বান্ধবী ছিল....শুভকামনা এই পরিবারের জন্যও....
ব্লগার হিসাবে তার কাছে এই ব্লগের চেয়ে সচলয়াতন গুরুত্ব পায় বলে আমার ক্ষাণিক ক্ষেদ আছে অবশ্য....এই বেলায় জানিয়ে রাখলাম....
ডিসক্লেইমারঃ ছবিটা মুখবই হতে সংগৃহীত...আমার স্মৃতি শক্তি মাঝে মাঝে বিভ্রম ঘটায়...কোন তথ্য ভুল পেল শোধরানো হবে...
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


