ক. নেপালে বাংলাদেশী ৫ চিত্রশিল্পীর চিত্র প্রর্দশনী হবে। উদ্ভোধনে আসবেন নেপালের কৈরালা পরিবারের সদস্যা, অভিনেত্রী মণিষী কৈরালা। প্রদর্শনীর উদ্ভোধন করে তিনি বাসায় চলে গেলেন। তার পিছন পিছন গেলেন নেপালের বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত। মণিষার রুপে-গুণে মুগ্ধ হয়ে তিনি একান্ত সাক্ষাৎকার চান। কিন্তু মণিষার বাসার দাড়োয়ান বড় বেয়াড়া। আধাঘন্টার উপর অনেক ইনিয়ে বিনিয়েও তিনি দারোয়ানের মন গলাতে পারেন নি। ব্যার্থ মনোরথে ফিরে আসেন জনগণের ট্র্যাক্সের টাকায় ভাড়া করা সরকারী বাসায়।
খ. একই ধরণের ঘটনা তিনি ঘটিয়েছেন ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তা অপূর্ব শ্রীবাস্তবের বাসায়। গাড়ীতে আধাঘন্টা বসে থেকে তিনি গেট খোলাতে পারেন নি বাসার। কিন্তু মাদকাসক্ত এই রাষ্ট্রদূত এইসবের থোড়াই পরোয়া করতেন!
গ. বাংলাদেশী দূতাবাসের অফিস-বাসভবনে স্হানীয় নেপালী নারীদের নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা গোপন অভিসার চালাতেন এই ভদ্রলোক। দূতাবাসে নানা অনুষ্ঠানে আসা নারীদেরকেও নানান কায়দায় উত্যক্ত করতেন তিনি।
ঘ. ড্যান্স বারে যাবার প্রবল শখ তার। দূতাবাস থেকে তাকে একটি মার্সিডিস বেন্জ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরিচয় প্রকাশ হয়ে যেতে পারে এই কারণে তিনি দূতাবাসের এক কর্মচারীর বাইকে করে যান ড্যান্স বারে। মদ ও মাদকে নৃত্যে মৌজ হন।
ঙ. সাইড নোট: ২১ শে জুনের একটি সংবাদ নিউজঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক অন্যকারো মোটরসাইকেলে চড়ে মদের আসর ও ড্যান্স পার্টিতে যেতে পারেন না। তার ও দূতাবাসের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করতে মহলবিশেষ এ সম্পর্কিত অপপ্রচার চালিয়েছে। আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেছেন প্রাক্তন সেনা প্রধান কেএম শফিউল্লাহ।
বিক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিমচন্দ্র ভৌমিকের প্রশংসা করে তিনি বলেন, নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের কূটনৈতিক সাফল্যে স্বার্থান্বেষী মহল অপপ্রচারে নেমেছে। কয়েকটি পত্রিকায় গত ৪ জুন এ সম্পর্কিত সংবাদ ছাপা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মনোয়ারুল হক খান লাভলু, আবির আহাদ, আবদুস সালাম পিন্টু প্রমুখ।
চ. এই ভদ্রলোক ভারত-বাংলাদেশ সম্প্রীতি পরিষদের নেতা। সম্প্রীতির নির্দশন স্বরুপ মাঝে-মাঝেই তিনি গাড়ীতে ভারতীয় পতাকা লাগিয়ে চলেন। জয় হিন্দের চেতনায় উজ্জীবিত তিনি।
ছ. নেপাল থেকে সার্ক চু্ক্তির আওতায় বাংলাদেশে শিক্ষার্থী আসে বৃত্তি নিয়ে। এই সিলেকশন-ভিসার প্রক্রিয়ায় তিনি ঘুষের সিস্টেম চালু করেছেন। তিনি ঘুষ খেয়ে খেয়ে সিলেকশন করেছেন কে বৃত্তি পাবার যোগ্য।
জ. তার পরিচয় নিয়ে যদি কৌতুহল থাকে তবে জেনে নিন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক, তারচেয়েও বড় পরিচয় তিনি আওয়ামী সমর্থিত নীল দলের নেতা। গত আওয়ামী আমলে ছিলেন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি। তার বিরুদ্ধে উঠা সব অভিযোগের সকল সত্যতা প্রমাণ হয়ে তদন্ত রিপোর্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে জমা হয়ে আছে ২ মাসের উপর। তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি হবে রাষ্ট্রদূত পদ থেকে সরিয়ে আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরৎ আনা, লিখে রাখতে পারেন।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



