ক. গতবছর এক বিচারক ফেন্সিডিল সমেৎ ধরা পড়ার পর পুলিশ তাকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। বাংলাদেশে এই গ্রেফতারের পর মিডিয়া ট্রায়ালের বিষয়টি চালু করেছিলো মঈন-ফখরু গং সরকার। আদালত এই বিষয়ে সর্বদাই চুপচাপ থাকতো। কিন্তু এই বিচারক গ্রেফতারের পর আদালতের খবর হয় যে এই মিডিয়া ট্রায়াল একটা বেআইনী বিষয়। কাউকে গ্রেফতার করা কিংবা মামলা করা মানেই কিন্তু সে দোষী না। "ইনোসেন্স আন্টিল গিল্টি" ব্রিটিশ আইনের বহু পুরনো একটি প্রিজাম্পশন। এই ধরণের মিডিয়া ট্রায়ালের বহু আসামীই পরবর্তীতে সাজা পায়নি, কিন্তু তাদের জীবন ছারখার হয়ে গেছে সামাজিক ভাবে।
খ. রাজীব হত্যাকান্ডের আসামী ধরা নিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকালীন ডিসির চাকরি করা মখা সাহেব সাংবাদিকদের কিছুদিন আগে জানালেন ৭জন গ্রেফতার হয়েছে। কারা এই ৭জন এই বিষয়ে কিছুই জানা গেল না। গতকাল ভোর থেকেই বাংলানিউজ এবং পরে সব পত্রিকায় জানা গেল নর্থ সাউথের ৫ ছাত্রকে গ্রেফতারের কথা। ছবি সহ তাদের সব প্ল্যানের এবং খুনের বিস্তারিত আসলো সব পত্রিকায়। প্রথম আলো আকারে-ইঙ্গিতে জানালো এরা হিজবুত তাহ্রীর এবং এদের এই খুনের প্ল্যান শাহবাগ আন্দোলনের মাস খানেক আগে থেকে করা। খুনের মোটিভেটর হিসাবে শিবিরের এক "বড়ভাইকে" আনা হলো। প্রশ্ন হলোঃ
১) এই বড়ভাইয়ের কোন পরিচয় পুলিশ কেন জানালো না? তার গ্রেফতার কোথায়?
২) এই খুনের সাথে তাহলে শাহবাগ আন্দোলনের সম্পর্ক কি?
৩) কোন ক্লু থেকে পুলিশ এদের গ্রেফতার করলো?
৪) সাগর-রুনী হত্যাকান্ডের আলামতের ডিএনএ আমেরিকা থেকে পরীক্ষা করার দরকার হলে রাজীব হত্যাকান্ডের বেলায় সেটা ঢাকা মেডিকাল থেকে কেন করতে বলা হলো?
গ. দেশকে পরিকল্পিত ভাবে যে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে এর দায়-দায়িত্ব হাসিনার সরকার কতটুকু নেবেন?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



