আমার প্রিয় পোস্ট

My idea of a writer: someone interested in everything. Susan Sontag

ইতিহাসের পাঠ: প্রাচীন বাংলা (প্রথম পর্ব)

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১৪

শেয়ার করুন:                   Facebook



বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের কত গর্ব,না?
“এমন দেশটি কোথা ও খুজে পাবে নাকো তুমি।”
তো, সব কিছুরই তো শুরু আছে। সেই রকম বাংলার শুরু কীভাবে হয়েছিল? কেমন ছিল প্রাচীন বাংলার মানুষ,জনপদ, ভূপ্রকৃতি?
আসুন, সংক্ষেপে বাংলাদেশের সুপ্রাচীন ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাই।
তবে একটা কথা। ইতিহাসের কোনও তথ্যই চূড়ান্ত নয়। আজ যা সত্য হয়ে আছে কালই তা মিথ্যে প্রতিপন্ন হতে পারে। কাজেই,কিছুই ধ্রুব সত্য ভেবে নেওয়ার কোনও কারণ নেই।
প্রাচীন বাংলায় মানুষ এসেছিল অস্ট্রেলিয়া থেকে!
কীভাবে?
আজ থেকে ৪০ হাজার বছর আগে একদল মানুষ পূর্ব আফ্রিকা থেকে নৌপথে অস্ট্রেলিয়া এসেছিল।
নৃবিজ্ঞানী ক্রিস ষ্ট্রিনজার এবং পিটার অ্যান্ডুস একটি তত্ত্ব দিয়েছেন। তত্ত্বটিকে “আউট অভ আফ্রিকা মডেল” তত্ত্ব বলে। এই তত্ত্বানুযায়ী, আধুনিক মানুষ বা হোমো সাপিয়ান্স আফ্রিকায় বিবর্তিত হয়েছিল ২ লক্ষ বছর আগে। তারপর আজ থেকে ৭০ হাজার থেকে ৫০ হাজার বছর আগে আফ্রিকা থেকে বেরিয়ে ইউরোপ ও এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
তাদেরই একদল নৌপথে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলআজ থেকে ৪০ হাজার বছর আগে।
তাদেরই একটা দল আবার অস্ট্রেলিয়া থেকে উত্তরমূখি হয়ে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে এমন একটা জায়গায় পৌঁছেছিল- যাদের আমরা বলি প্রাচীন বাংলা।
কত বছর আগে?
সঠিক বলা যাবে না। তবে বিগত ৮/১০ হাজার বছরের মধ্যেই সম্ভবত অষ্ট্রেলিয়া থেকে অভিপ্রয়াণের ঘটনাটা ঘটেছিল।
যারা অষ্ট্রেলিয়া থেকে প্রাচীন বাংলায় এসেছিল তারা কথা বলত অষ্ট্রিক ভাষায়।
অষ্ট্রিক ভাষা কি?
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভাষাগোষ্ঠী।
অষ্ট্রিকভাষী ওই মানুষগুলো দেখতে ছিল কালো, বেঁটে। চুল কোঁকড়া।
অন্য একটা তত্ত্বমতে অবশ্য প্রাচীন বাংলায় অস্ট্রিকভাষীরা এসেছিল দক্ষিণ ভারত হয়ে।
যাহোক। ওরা বাংলায় এসে কি করল? কি আর । বসবাস করতে লাগল। অনুমান করি, তখন প্রাচীন বাংলা ছিল জল ও জঙ্গলে পরিপূর্ন। তারা অরণ্যেই বসবাস করতে লাগল। ফলমূল কুড়িয়ে খেত, পশু-পাখি শিকার করত। আর উপাসনা করত।
ওদের দেবতার নাম ছিল বোঙ্গা।
অনেকের অনুমান এই বোঙ্গা শব্দ থেকেই বঙ্গ শব্দটির উদ্ভব।
তারপর?
পরে বলব। আজ এ পর্যন্তই।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলা ;

 

  • ২৩ টি মন্তব্য
  • ২১৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২৪
comment by: তানজু রাহমান বলেছেন: প্রাচীন বাংলা সম্পর্কে জানার আমার অনেক আগ্রহ ছিলো। আপনার এই উদ্যোগের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এখনো পড়িনি, তার আগেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি!
২. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২৭
comment by: ইমন জুবায়ের বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। তেমন কোনও প্রশ্ন থাকলে প্লিজ জানাবেন, উত্তর দেবার চেষ্টা করব। প্রাচীন বাংলা আমার প্রিয় বিষয়।
৩. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২১
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: রেফারেন্স ?
৪. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৪
comment by: ইমন জুবায়ের বলেছেন:
১)Human evolution;Wikipedia.( “আউট অভ আফ্রিকা মডেল” তত্ত্বটা ওখানেই পাবেন। আর Ancient Australia ...অষ্ট্রিক ভাষা ...
২) বাংলাপিডিয়া ...অষ্ট্রিক ভাষা ...
৩) কাবেদুল ইসলাম: প্রাচীন বাংলার জনজাতিগোষ্ঠী। (বোঙ্গা থেকে বঙ্গ)
৪) বাঙালির ইতিহাস। কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়।
৫. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৬
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: যাদের রেফারেন্স দিলেন উনাদের গবেষণার কি মৌলিক ?
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: আমি আগেই লিখেছি-তবে একটা কথা। ইতিহাসের কোনও তথ্যই চূড়ান্ত নয়। আজ যা সত্য হয়ে আছে কালই তা মিথ্যে প্রতিপন্ন হতে পারে। কাজেই,কিছুই ধ্রুব সত্য ভেবে নেওয়ার কোনও কারণ নেই।

একটা জায়গায় সব পাবেন না। আপনাকে তথ্য মেলাতে হবে।
ইতিহাস সম্পর্কে মৌলিক গবেষনা বরাবরই প্রশ্নসাপেক্ষ।
প্রাগৈতিহাসিক কাল সম্পর্কে কথাটা আরও সত্য।

৬. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৯
comment by: শয়তান বলেছেন: কয় পর্বে সমাপ্য ?
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: এখনও ঠিক করি নি। তবে প্রাচীন বাংলা নিয়ে ধারণা পরিস্কার করতে চাই।

৭. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৯
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: নতুন শুনলাম .. বেশ কল্পকাহিনীর মত লাগলো
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: আসলেই তাই। অপেক্ষা করুন। আরও চমক বাকি। বাঙালির শেকড় সত্যিই বিস্মকর ...

৮. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৪
comment by: সূর্য বলেছেন: পূর্ব আফ্রিকা থেকে নৌপথে অস্ট্রেলিয়া আসার তথ্য সম্ভবতঃ ঠিক নয়। বরং আফ্রিকা থেকে বেরিয়ে একটি দল এশিয়ার সমুদ্রতট অনুসরণ করে স্থলপথে পূর্বদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল বলে এখনকার বিজ্ঞানীরা মনে করেন। কাজেই প্রথমে অস্ট্রেলিয়া তারপর সেখান থেকে ভারতবর্ষ তত্ত্বটি ঠিক মনে হচ্ছে না
বিস্তারিত জানতে এই বইদুটি দেখতে পারেন:
Before The Dawn by Nicholas Wade
Guns, Germs, and Steel: The Fate of Human Societies
by Jared Diamond
৯. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৩
comment by: শয়তান বলেছেন: এর আগেও উৎস এর ব্লগে পড়ছিলাম এনিয়া কিছু
১০. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৫
comment by: ইমন জুবায়ের বলেছেন: তা হলে আমার তথ্য পুরনো। বাংলার প্রাচীন ইতিহাস অস্ট্রিকভাষীদের দিয়ে আরম্ভ করলেও হত; আমি আরও খোলাসা করতে আরও পিছিয়ে গেলাম, মানে ওই আউট অভ আফ্রিকা মডেল ...আর লক্ষ করবেন, আমি লিখেছি-‍‍"...অন্য একটা তত্ত্বমতে অবশ্য প্রাচীন বাংলায় অস্ট্রিকভাষীরা এসেছিল দক্ষিণ ভারত হয়ে।"
মানে ওই সমুদ্র উপকূল ঘেঁসে ...
যা হোক। আমি আপনার উল্লেখ করা বই দুটো অবশ্যই দেখব। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
১১. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
comment by: আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
আপনার লেখার ভঙ্গিটি ভালো। বিষয়টি জটিল বলেই যতো সহজ করে বলা যায়, পাঠকদের জন্য ততোই সুবিধা। তবে এ ধরনের লেখার সঙ্গে রেফারেন্স দেয়া দরকার। পাঠক জিজ্ঞেস করুক আর না করুক, রেফারেন্সের উল্লেখ এই ধরনের লেখার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়।

সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১২. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১২
comment by: অশোক দেব বলেছেন: মানুষ যখন ফনমূল কুড়িয়ে খাচ্ছে তার আগেই তাহলে তারা এত দীর্ঘ জলপথ পাড়ি দেবার মত নৌ বিদ্যা আয়ত্ত্ব করে ফেলে, আশ্চর্য। আফ্রিকায় তাদের কী সংকট হল যে, তারা এত বড় ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র পাড়ি দিল? প্রাচীন মানুষের উপর আধুনিক মানুষের বুদ্ধি আরোপের পশ্চিমা ইতিহাসবিদেরা চিরকাল মনে করে, বাংলা, ভারতীয় উপমহাদেশে খালি বাইরে থেকে লোক এসেছে, কেন? যতটুকু জানি নর কংকালের ক্রমবিকাশের ধারায় আফ্রিকার নরকংকালগুলো প্রাচীনতম। সেখানেই মানুষ সৃষ্টি হয়েছে প্রথম। তবে তারা অন্য কোথাও পাড়ি না জমালেও অন্য কোথাও পরবর্তীকালে মানব সৃষ্টির বাধা কোথায়। আউট অভ আফ্রিকা মডেল একটা মত, তা চরম নয়। কী বলেন?
১৩. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৫৮
comment by: ইমন জুবায়ের বলেছেন: আপনার সঙ্গে দ্বিমত পোষন করব না। আসলে আপনার প্রশ্নগুলি আমারও। লেখার সময় কথাগুলি মাথায় ঘুরেছে।
নৌপথে আসার বিপরীতে একটা তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনি লক্ষ করে থাকবেন। ভারতীয় উপমহাদেশে মানুষ বাইরে থেকে না-এলে কখন থেকে ছিল তা নিয়ে গ্রহন যোগ্য মত কোথায়? পরবর্তীতে আর্যআগমন নিয়েও একটা তর্ক তৈরি হয়েছে।
আউট অভ আফ্রিকা মডেল অবশ্যই চূড়ান্ত কোনও মত নয়।
প্রাচীন মানুষের উপর আধুনিক মানুষের বুদ্ধি আরোপের পশ্চিমা ইতিহাসবিদেরা চিরকাল মনে করে-আপনার এই কথাটি ঠিক। কেননা, যখন বলি, হিমযুগ, তখন ইউরোপের ছবি ভাসে মনে। বাংলা বা ভারতবর্ষের ছবি ভাসে না।
আর একটা কথা। আমি প্রাগৈতিহাসিক বাংলা নিয়ে লিখছি। এই জমিনটা নতুন। আর হিমালয় সংলগ্ন উত্তর ভারতের জমিন লক্ষ লক্ষ বছরের পুরনো। তাই মনে হয় মানুষ এখানে আগে থেকে থাকলেও একটা-দুটো দল বাইরে থেকে এসেছে। যেমন পরবর্তীতে দ্রাবিড় ভাষাগোষ্ঠীর মানুষ।
১৪. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১০
comment by: ফারিহান মাহমুদ বলেছেন: ১। অশোক দেবের প্রশ্ন গুলো আমারও।
২। প্রথম সৃষ্ট মানবগুষ্টি পৃথিবীর কোন্ জনপদে অবতরণ করেছিল? বিভিন্ন দেশ আবিষ্কারের কাহিনী পড়ি, যেমন কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার (ডিসকভার) করেন, ইত্যাদি। পৃথিবীর প্রথম আবিষ্কৃত দেশ কোন্ টি, কে তা আবিষ্কার করেছিলেন? আপনি যেহেতু অনেক গোড়ার দিকে গেছেন, তাই মনে করি এ প্রশ্ন গুলোর উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে পারেন।
৩। তারপর আরও অনেক প্রশ্ন আছে, খুব নিকট অতীতের। আপনার লেখা আসুক, টেক্স্টের ভেতর না থাকলে তখন জিজ্ঞাসা করে জেনে নেব।
৪। ভালো উদ্যোগ, সহজবোধ্য করে লেখায় খুব আকৃষ্ট হচ্ছি।
১৫. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
comment by: ইমন জুবায়ের বলেছেন: অশোক দেব-এর প্রশ্নগুলো আসলে আমারও। আমি বিশেষ কোনও তত্ত্বের পক্ষে নই। প্রাগৈতিহাসিক বাংলা সম্বন্ধে আমার ধারণা আমি স্বচ্ছ করতে চাই মাত্র।

প্রথম সৃষ্ট মানবগুষ্টি পৃথিবীর কোন্ জনপদে অবতরণ করেছিল?

এখন যেমন জনপদগুলির নাম জানেন তখন মানে প্রাগৈতিহাসিক কালে তেমন নাম ছিল না। নামগুলো অনেক পরে। বিজ্ঞানীদের মতে প্রায় ২ লক্ষ বছর ধরে আধুনিক মানুষ বা হোমেসাপিয়ান্স আফ্রিকায় বিবর্তিত হয়ে আজ থেকে ৭০ হাজার থেকে ৫০ হাজার বছর আগে আফ্রিকা থেকে বেরিয়ে ইউরোপ ও এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। কলম্বাস আমেরিকায় পৌঁছে ওখানে যে আদিবাসীদের দেখেছিল (রেড ইন্ডিয়ান, চেরোকি ...ইত্যাদি) তারাও ৭০ হাজার থেকে ৫০ হাজার বছর আগে আফ্রিকা থেকে বেরিয়ে এশিয়া হয়ে বেরিং প্রনালী পার হয়ে উত্তর আমেরিকায় পৌঁছেছিল।

পৃথিবীর প্রথম আবিষ্কৃত দেশ কোন্ টি,

আপনার এই প্রশ্নটা আসলে হয় না। কেননা, দেশের ধারনা ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল মধ্যযুগে। তাই এখন আপনি জার্মানি গেলে একরকম। আর ১০,০০০ বছর আগে গেলে ইউরোপ বা পশ্চিম গোলার্ধ। তবে এক মহাদেশে সঙ্গে অন্য মহাদেশের যোগাযোগ বরাবরই ছিল। সেই ৫০ হাজার বছর আগেই আদিম মানুষ অস্ট্রেলিয়ায় অবতরণ করেছিল।
প্রাচীন ভারতে আর্যরা আমাদের বঙ্গ বলে চিনত। আসলে বঙ্গ ছিল একটা ছোট রাজ্যমাত্র।
১৬. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৬
comment by: অশোক দেব বলেছেন: আর্যরা আমাদের বঙ্গ বলে চিনত। আমরা তাদের কী নামে ডাকতাম? যদি আর্য নামে ডাকি তবে বলা যায় সংস্কৃতটা আমরা জানতাম
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:২২

লেখক বলেছেন: ঋগ্বেদে বঙ্গর নাম পাওয়া যায় না। বঙ্গর নাম প্রথম পাওয়া যায় ঐতরেয় অরণ্যকে।
(দ্র. কাবেদুল ইসলাম। প্রাচীন বাংলার জনজাতিগোষ্ঠী। পৃষ্ঠা,১৯/২০)
আমরা মনে হয় সংস্কৃত শিখলাম যখন মৌর্যরা এসে বগুড়া মানে পুন্ড্রনগর দখল করল তার পর। যেমন সপ্তদশ শতকে ইংরেজরা বাংলা দখল করার পর বাঙালির ইংরেজি শেখার হিড়িক পড়েছিল।
আমরা আমাদের নিয়েই গুটিয়ে ছিলাম। খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ শতকে লোহার আবিস্কার হল। তাতে ওদের আগ্রাসনে সুবিধে হল।আর্যরাই বরং বঙ্গ নিয়ে কৌতূহলী ছিল। তবে ভালো চোখে যে দেখত না তার ঢের প্রমাণ রয়েছে। বৌধায়ন তার ধর্মশাস্ত্রে বলেছিল, বঙ্গে এলে পায়শ্চিত করতে হবে। আপনি জানেন, বঙ্গ সহজে আর্যমত গ্রহন করেনি। কারণ, ওরা ছিল যজ্ঞপ্রবণ। আমরা? তীর্থপ্রবণ।
আপনার প্রশ্ন ছিল, বঙ্গবাসী সংস্কৃত জানত কি না। জানত, তবে খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে পুন্ড্রবর্ধন মৌর্যদের দখলে চলে যাওয়ার পর।

১৭. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন:

আমি যেরকম জানি সেটুকু উল্লেখ করি। এই বিষয়ে তেমন লেখা পড়া নাই, তবে ইচ্ছা আছে।

আজকের মানুষের উদ্ভব হয় আফ্রিকাতে। ঠিক তার পরবর্তি মানুষ পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়াতে। তারপর আফ্রিকার সমুদ্র উপকুল ধরে মানুষ পৌছায় ককেশাস অঞ্চল পর্যন্ত। সেখান থেকে একটা ভাগ চলে যায় ইউরোপে, একটা ভাগ রাশিয়ার দিকে অন্য অংশ ভারতে।

তবে অস্ট্রেলিয়া থেকে মানুষ আবার ভারতবর্ষে ব্যাক করেছিল এমনটা আপনার এখানেই প্রথম শুনলাম। যাইহোক, রেফারেন্স সহ লিখে যান, আপনার ভার্সনটা জানা হবে। ধন্যবাদ।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:২৩

লেখক বলেছেন: পরের কিস্তিগুলোয় বিষয়টি আরও স্বচ্ছ করেছি। পড়বেন আশা করি।

 

 


Save your tears, you've got years and years ...
Chris Rea
zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৩৯৫৪১