আমার প্রিয় পোস্ট
- পাহাড়, নদী,ঝরনা পেড়িয়ে এক অদ্ভুত স্বর্গরাজ্যে-শেষ পর্ব এবং আমাদের সাতভাইখুম আমিয়াখুম আবিষ্কারের গল্প - শিবলী১২৩
- ইসলামিক স্থাপত্য কলার কিছু মুল বিষয় বস্তু - কিংবা কিভাবে এসেছে আজকের ইসলামিক স্থাপত্য কলা?? - নষ্ট কবি
- বাংলা ব্লগ ও কিছু উল্লেখযোগ্য ব্লগারদের একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষন!!! - প্রজন্ম৮৬
- হাজার বছরের পুরোনো রক্তে ভেজা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি, অমর একুশের চেতনা এবং ভিনদেশী সংস্কৃতির নগ্ন আগ্রাসন - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- এন্ড্রয়েড ফোনে বাংলা লিখুন , পড়ুন ! (without rooting) । টেকি পোস্ট - অন্ধকারের রাজপুত্র
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- চর্যাপদ - বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন (চর্যাপদের উপর প্রাথমিকতথ্য…… পোষ্টটি বাংলা ভাষাতত্ত্ব - সাহিত্যর ছাত্র, পেশাজীবি এবং সংস্কৃতি উদ্যমীগণের জন্য নয়
) - সংবাদিকা
- ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় উৎসর্গ:ইমন জুবায়ের - সাঈদ০০৭
- আমাদের ইতিহাস, আমাদের কিংবদন্তী: বোবা মেয়েটির কথা! - ম্যাভেরিক
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- মনকে দোলা দেয়া কিছু রবীন্দ্রসঙ্গীত (১ম পর্ব) - জাহিদুল ইসলাম জুয়েল
- ইন্টারনেটে বাংলা লিখতে ও পড়তে সমস্যা??? (রি-পোস্ট) - একজন নিশাচর
- প্রয়োজনীয় কিছু Android Applications . - ই মানব
- ছবি ব্লগ - ইয়ানস ফ্রিবে ও ব্ল্যাক - টর্মেণ্টর্ বিষু
- ............ আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প সংকলন.......... - রেজোওয়ানা
- পাঁচ হাজার বছর আগের মিশরে বাংলাদেশের স্কুলছাত্র অনন্য - হাফিজুর রহমান মাসুম
- একশত ব্লগার/লেখকদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হলো ই-বুক ঈদ সংকলন “ সৃজন ” - সকাল রয়
- অন্তর্জালে আহমদ ছফাঃ একটি লিংক সর্বস্ব পোষ্ট - মুরাদ-ইচছামানুষ
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- (Mozilla Firefox) ফায়ারফক্স কে আমি যেভাবে ব্যাকআপ রাখি - কেন
- আমি কেন হিন্দু? - পাপ্রদজ
- আন্ডারস্ট্যান্ডিং মোহাম্মদ -১ (মূল : আলি সিনা, অনুবাদ: দুরের পাখি) - দুরের পাখি
- বাংলাপিডিয়াতে বাংলা ফন্ট পড়তে পারছি না- প্লিজ হেল্পান।। - বাক স্বাধীনতা
- ভুমির মালিকানা, স্বাধীন গারো রাজ্য এবং আধিপত্যবাদের কাছে গারোদের আদিম সাম্যবাদী সমাজের পতন - কুঙ্গ থাঙ
- মজিলা ফায়ারফক্সের যেই এড ওয়ান গুলো আমারে পাগল করল
- পুশকিন
- ২০টি অতীব জরুরি সফটওয়্যার [টেকি পোস্ট] - শব্দ সৈনিক
- রাজকান্দিঃ লুকানো রাজ্য - দুখী মানব
- বেচারা ইমন জুবায়ের.................ব্যাপারনা - ব্যাপারনা
- মোবাইল থেকে বাংলা লিখুন... - আজব ঢাকা
- আইরিন সুলতানা আমি দুঃখিত কিন্তু কথাগুলো না বলে থাকাটা আরো কষ্টকর - আজিব পোলা
- ব্লগের সব লেখা আপনার কম্পিউটারে!!!!! - আলী প্রাণ
- ডয়েচে ভেলে আন্তর্জাতিক ব্লগ প্রতিযোগিতার আর মাত্র ৬দিন বাকী,প্রতিদিন ইমন জুবায়ের ভাইকে একটি করে ভোট দিন। - তৌফিকতুহিন
- ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই - এমন ভোটের মানে কি? - ২ - তর্পন
- ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই - এমন ভোটের মানে কি? - তর্পন
- ব্ল্যাক এর সব গান! (এপিক পোস্ট)
- দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- আন্তর্জাতিক ব্লগ প্রতিযোগীতায় সামহোয়ারইন এর ব্লগার ইমন জুবায়ের কে ভোট দিন - রেজোওয়ানা
- ডয়চে ভেলে সেরা বাংলা ব্লগ প্রতিযোগিতা। ইমন জুবায়ের। - আকাশ অম্বর
- ইমন জুবায়েরকে সেরা ব্লগার হিসাবে দেখতে চাই! - কৌশিক
- এই ব্লগে সবচেয়ে বেশি লেখা পোস্ট করেছেন কে? ইমন যুবায়ের যেমন করেছেন ১১১১টি। - লেখোয়াড়
- কিছু দেশের গান - একলা একজন
- Paintings by Phan Thu Trang - রানা
- ICC Cricket 2011 World Cup - Opening Ceremony *HQ* 550MB MKV - বন্ধুআমার
- আজকে আমার অতি অতি প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়ের ভাইয়ার জন্মদিন আর সেই উপলক্ষে কিছু স্পেশাল গিফট
- রেজোওয়ানা
- পুরনো দিনে বাংলা সিনেমার যে গানগুলো এতদিন খুঁজছিলাম (প্রায় ২০০ টি গানের লিংক) - shapnobilash_cu
- INSTRUMENTAL--একজন বিদেশী লোকের ফিউশনে যখন বাংলাফোক গান - গানচিল
- ডাউনলোড করলে ফাইল আসব ভাইরাস আটকাইয়া যাইব । (পিছিরে জাল দিয়া আটকান) - সুব্রত সরকার
- ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় আর ছবি আটকে যাবে না - শরীফ মরকার
- আইডিএম ভার্সন ৬.০৩ সাইলেন্ট ইন্সটল! ক্র্যাক/প্যাচ কিস্যু লাগবেনা, খালি ইন্সটলে ক্লিক আর রেজিস্টার্ড রেডিমেড!!
- রাফি মাহমুদ
- মুক্তিযুদ্ধে ভিনদেশী বন্ধুদের তিনটি অজানা গল্প শুনুন - কাঊসার রুশো
৫০টির বেশি বাংলা ইবুক এর ডাউনলোড লিঙ্ক এক পোস্টে!
- ডিজে আরিফ রক্স
- বিশ্বব্যাপী মহা মানব ইউনুস নামা প্রকাশিত হইতাছে । এই বার বিশ্ব চিটিং পদকটা যেন দেশের হাত ছাড়া না হয় - রাহিদুল সামান্না রকি
- যে ছোট সফটওয়্যারের কাজ দেখে আমার মুখ হা হয়ে গিয়েছিল….. - হাসান জোবায়ের
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর কিছু ই-বুক - ইদিপাস
- আহাদিলের ভ্রমণ ব্লগ সমগ্র
- আহাদিল
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- ফাইল আপলোড শেয়ারিং আর ব্যাকাপ এর ফাটাফাটি একটা সার্ভিস - ড্রপবক্স! - আমড়া কাঠের ঢেকি
- ♫♫ ♫♫
গান গাওয়া, লিখা, সুর করা, গিটার বাজানোর সহজ A টু Z কৌশল
♫♫♫♫ - Beginner to Advanced Level - কবির চৌধুরী
- আমার আপলোড করা ১০১ টি সেরা ইস্টার্ন/ওয়েস্টার্ন ইনস্ট্রুমেন্টাল - রাত জাগা দের জন্য পোষ্ট
- কবির চৌধুরী
- কবিয়াল বিজয় সরকার ও তাঁর গান - আরেফ রিওনেন
- বাংলাদেশী ওয়েবসাইটের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা - সাইদ বীন হাবীব
- বর্ষা ও গ্রাম (ছবি ব্লগ) !!!!! - হিবিজিবি
- চৈনিক পুরাণ: বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি বিষয়ে ছয়টি কথকতা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আত্মগোপন প্রতিটি লেখকের ধর্ম হওয়া উচিত : দেবেশ রায় - সফেদ ফরাজী......
- উইন্ডোজের ড্রাইভারগুলো সংরক্ষণ করুন - শামীম আল মামুন
- জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ - কায়সারহেলাল
- মিশেল ফুকোর বাতি জ্বালানি - সলিমুল্লাহ খান ( দ্বিতীয় পর্ব) - ইকারুসের ডানা
- ই-প্রথম আলোতে দেখুন ব্লক করা বিজ্ঞাপন আর সব খবর পড়ুন জুম করা ছাড়াই

- টেকি মামুন
- অফিস ২০০৭ এর যে কোন Text কে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রুপান্তর করুন - কাজু
- জিযিবেল: সংযুক্তি - আল মুজাহিদ
- প্রসংগঃ আস্তিকের ধর্মকথা-১ - }নবজাতক{
- বিনয় মজুমদারের কয়েকটি কবিতা - পদ্যপালক
- বাংলাদেশের নদ-নদী: কে কোথায় বহমান....৩ (শেষ) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- বাংলাদেশের নদীর নাম : হাজার বছরের কাব্যকীর্তি ! - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- আমার যত প্রিয় বল্গারস পর্ব ৩ … তোষামোদি পোস্ট - ধীরে বৎস
- রক উইথ রবীন্দ্রনাথ - ক্যামেরাম্যান
- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি........ - রেজোওয়ানা
- মানিকগঞ্জের জমিদার বাড়ি (ছবি ব্লগ) - মুহম্মদ জায়েদুল আলম
- Ubiquity - ফায়ারফক্সের সেই অল-ইন-ওয়ান এ্যাডঅন যার প্রেমে আজো হাবুডুবু খাচ্ছি
- নাফিস ইফতেখার
- আমার দেখা সবচেয়ে সহজ ইউটিউব ডাউনলোডার
- কুঁড়ের বাদশা
- যাদের লেখা মনোযোগ দিয়ে পড়ি:: আমার প্রিয় ব্লগার সমগ্র-১ - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- ছবি ব্লগঃ পুরাতন প্রাণের টানে - আহমেদ রাকিব
- আসুন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সেরা খাবারের তালিকা করি। - মুকুট
- Google Transliteration: বাংলা লেখার সহজতম উপায় - চল বদলাই
- রামপ্রসাদী গান এবং শ্যামাসংগীত - ১ - মে ঘ দূ ত
- আন্তর্জাতীক মুদ্রার হতে বাংলাদেশি টাকার পরিমন নির্ণয় পদ্ধতী - হেডফোন
- কিভাবে Free Ebook/Thesis/Article/Journal Download - স্স্পরসের বাহিরে
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- কয়েকটি ওয়েব সাইটের লিংক যেখান থেকে পেতে পারেন সম্পুর্ন গেম,মুভি,সফটওয়্যার,ই-বুকের ডাওনলোড লিংক। - গিফার
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করবার দারুন উপায় (১) - রিমঝিম বৃষ্টি
আজ প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের জন্মদিন
- সাদা কালো এবং ধূসর
- ইমন জুবায়ের - জন্মলগ্নের শুভেচ্ছা - আকাশ অম্বর
- শুভ জন্মদিন ইমন জুবায়ের ভাই - শ্রাবনসন্ধ্যা
- অভিমান ..... (ব্ল্যাক) - বিষাক্ত মানুষ
- ফায়ারফক্সের দরকারী কিছু অ্যাড-অন - নাসির খান
- তাকে আবার দেখতে উৎসর্গ ইমন জুবায়ের কে - সাদা কালো এবং ধূসর
- তোমাদের জন্য - অপ্সরা
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- প্যালেস্টাইনের লোককবিতা - গেওর্গে আব্বাস
' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

চট্টগ্রাম শব্দের উৎপত্তি
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৫২
চট্টগ্রামের পুরনো নাম ছিল হরিকেল।
আর সেই হরিকেল রাজ্যের পুবে ছিল যে রাজ্যটি সেই রাজ্যের নাম ছিল আরাকান । এই আরাকান রাজ্যেরই প্রাচীন নাম ছিল “রাখাইনপিয়ে”। হ্যাঁ, আপনারা যে রাখাইন শব্দটির সঙ্গে কমবেশি পরিচিত সেই শব্দের উৎপত্তির মূলে ওই রাখাইনপিয়ে। আর আপনারা যে রাখাইন সম্প্রদায়ের নাম জানেন তাদের পূর্ব পুরুষের নিবাস ছিল ওই রাখাইনপিয়ে রাজ্যে।
তো, এবার বলি ৯৩০ খ্রিস্টাব্দ কী ঘটল।
সমগ্র ইতিহাসজুড়েই তো দেখি, কথায় কথায় যুদ্ধ বাধে। তেমনি কী কারণে রাখাইনপিয়ে রাজ্যের আরাকানী সৈন্যরা হরিকেল রাজ্য-মানে বর্তমান চট্টগ্রাম আক্রমন করে বসল । তখন আরাকানের রাজা ছিলেন সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া। যুদ্ধের নেতৃত্ব তিনিই দিয়েছিলেন সম্ভবত। সময়টা দশম শতাব্দী। তখন তো তেমনি হত। রাজারা স্বয়ং হাতির পিঠে চড়ে যুদ্ধের ময়দানে পৌঁছে যেতেন।
তো আরাকানের রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া হঠাৎই যুদ্ধ বন্ধ করার ঘোষনা দিলেন।
সবাই তো অবাক। কেন?
হয়তো অযাথা রক্তপাত রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়ার ভালো লাগেনি। সম্ভবত তিনি ছিলেন শান্তিবাদী।
রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া বললেন, সেট ত গোইং।
সেট ত গোইং? কী এর মানে?
আরাকানী ভাষায় সেট ত গোইং শব্দগুচ্ছের মানে, যুদ্ধ করা অনুচিত।
কারও কারও ধারনা এই কল্যানকর আরাকানী বাক্যটি থেকেই কালে কালে চট্টগ্রাম শব্দটির উৎপত্তি। ভাবলে কেমন লাগে। বাংলাদেশ এমনিতেই কল্যানকর শান্তিবাদী দেশ। চট্টগ্রামে তার গুরুত্বপূর্ন সমুদ্রবন্দর রয়েছে। প্রতিদিন কতশত জাহাজ ভিড়ছে সেখানে; দেশের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখছে। সেই চট্টগ্রাম শব্দের পিছনে এমন কল্যানকর সদিচ্ছা! ভাবলে কেমন যেন লাগে।
অবশ্য একটি বৌদ্ধসূত্রমতে, চট্টগ্রাম শব্দের উৎপত্তি চৈত্যগ্রাম থেকে । হয়তো এককালে চট্টগ্রামে চৈত্যগ্রাম নামে কোনও বৌদ্ধবিহার ছিল, আর সে বিহারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল গ্রাম-লোকালয়-জনপদ।
হতে পারে। তেমন সম্ভাবনা আমি একেবারেই উড়িয়ে দেব না।
তবে আমারদের ভাবতে ভালো লাগে যে এক শান্তিবাদী আরকানী রাজার সদিচ্ছাই ছিল চট্টগ্রাম শব্দটির উদ্ভবের পিছনে। এবং আমাদের দেশে যে রাখাইন সম্প্রদায়
রয়েছে তাদের কাছে যাওয়ার পর আমরা যেন একবার হলেও রাখাইনদের পূর্বপুরুষ সেই মহৎ হৃদয়ের রাখাইনরাজের কথা ভাবি।
আর আমরা যেন রামুতে রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া-এর একটি ভাস্কর্য গড়ে তুলি। আর, কোনও এক ভাদ্রের ঝকঝকে দিনে সে ভাস্কর্যটি যেন উদ্বোধন করে কোনও এক রাখাইন শিশু । সে সময় যেন ওখানে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষে উপস্থিত থাকে। কেননা, রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া ছিলেন দ্বিতীয় অশোক। মৌর্য সম্রাট অশোক কলিঙ্গ যুদ্ধের পর অহিংস বৌদ্ধধর্ম গ্রহন করেছিলেন।
এমন ভাবতে উৎসাহিত হই-রাখাইন রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া কি যুদ্ধবিরোধী কোনও শিলালিপি স্থাপন করেছিলেন?
হয়তো।
তা হলে সেটি কোথায়?
হয়তো সেই শিলালিপিটি আজও পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘন কোনও বাঁশঝাড়ে ঢেকে আছে। সম্ভবত রামুর গহীন জঙ্গলে।
বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের সেই শিলালিপিটি আজ যে খুঁজে বার করতেই হবে।
আর আশ্চর্য এই-আমরা কত কত নাম জানি-কত কত সাবষ্ট্যান্ডাড রাজনীতিবিদের নাম জানি-কেবল যুদ্ধবিরোধী ওই মহৎ হৃদয়ের রাখাইন রাজার নামটিই জানি না!
তথ্যসূত্র
(১) বাংলাপিডিয়া।
(২) বছর কয়েক আগে অদিতি ফাল্গুনী রাখাইনদের নিয়ে একটা উপন্যাস লিখেছিলেন কোনও এক ঈদসংখ্যায়। সেখানেও ওই আরাকানী রাজার কথা রয়েছে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): চট্টগ্রাম ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বাংলা: ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
টিংকু ট্রাভেলার বলেছেন:
দেশেরপথে.......
লেখক বলেছেন: দেশের পথে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লালন অনিক বলেছেন:
চট্টগ্রামের ইতিহাস নিয়ে হাজারো গ্রন্থ লিখা হয়ে গেছে, পড়ে দেখতে পারেন, বিশিষ্টজনেরাই এসব লিখেছেন যথেষ্ট সমাদৃতও হয়েছে।চট্টগ্রাম নাম করনের যে ঘটনা উল্লেক করেছেন সেটি অনেকগুলো কারনেন একটি....
চৈত্যগ্রাম থেকে চট্টগ্রাম হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে...দীর্ঘ সময়ধরে বৌদ্ধ ধর্মের প্রাধান্য তারই প্রমাণ দিচ্ছে...
চৈত্য একটি নয়...অসংখ্য চৈত্য নির্মাণের কথিত কাহিনী ইতিহাসও সমর্থন করে...
আরাকানের সীমানা উত্তরের ফেনী নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল, যে যুদ্ধের কথা বলছেন সেটি ঘটেছে ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে...প্রায়ই ঘটত...
১৩০০শতকের পরে সে দ্বিমুখী সংঘর্ষ ত্রিমুখী সংঘর্ষে রূপ নেয়, নতুন পক্ষটির নাম মুসলিম...
অনেক বলে পেল্লাম...
সবার ভালথাকা হউক
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
রাগিব বলেছেন:
রাখাইনদের নিয়ে উপন্যাসটা পড়েছিলাম গতবছর দেশে গিয়ে। বেশ ভালো লেগেছিলো। তবে চট্টগ্রাম এলাকার নাম দশম শতকের আগে থেকেই শোনা যায় বলে অনেক সূত্রে উল্লেখ আছে।
লেখক বলেছেন: ইতিহাসবিষয়ক গবেষনা এ কারণেই থেমে থাকে না, এগিয়ে যায়।
নুশেরা বলেছেন:
পরীর পাহাড় (বর্তমানের কোর্টহিল থেকে চেরাগী পাহাড়)এর কল্পকথার "চাটি" (প্রদীপ; যা বড়পীর সাহেব পরীর উপদ্রব তাড়ানোর জন্য জ্বালিয়েছিলেন বলে কথিত) থেকে চাটিগাঁও->চাটিগাঁ->চাটগাঁ->চট্টগ্রাম নামটা এসেছে, এমনও বলেন কেউ কেউ। এই কাহিনীর চেয়ে শান্তিপ্রচেষ্টার সঙ্গে জড়িত ইতিহাসটিই বেশী ভাল লাগে।
লেখক বলেছেন: বড় পীর/ পরী - এসব অনুষঙ্গ তেরো শতকের পর। আরবরা অবশ্য চট্টগ্রামে আরও আগেই এসেছে। বিখ্যাত সমন্দর বন্দরটি ওখানেই ছিল। তবে প্রাচীন চট্টগ্রাম বা হরিকেলের পুবউত্তর সীমানায় ছিল ত্রিপুরা/মনিপুর/ আরাকান রাজ্য। কাজেই আরবরা চট্টগ্রামে আসার আগে সেই সুদীর্ঘকালজুড়ে সময়টায় কতকিছু যে হয়ে গেছে ওদিকটায়!
অদিতি ফাল্গুনীও শান্তিবাদী আরাকান রাজার উপখ্যানটি বিশ্বাস করেন বলেই মনে হল।
আর আসলে তো আমি একটা স্বপ্নের কথা বললাম। রাখাইনদের সঙ্গে সখ্যতার স্বপ্ন।
সেটাই আসল।
লেখক বলেছেন: স্বপ্ন সত্য হওয়ার আর সময় কই!
রাগিব বলেছেন:
চট্টগ্রামের ইতিহাস খুব ইন্টারেস্টিং। উপকূলীয় এলাকা বলে এখানে দীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন জাতির আগমন হয়েছে, এলাকার লোকদের চেহারা তাই বলে। আমি চট্টগ্রামের বস্তিতে ব্লন্ড বাচ্চা দেখেছি ... নাবিকদের আনাগোনা থাকলে যা হয়, তাই। এখানে অনেক লোক আছে, নির্ঘাত বলা যায় চেহারা দেখে যে, ৬০% আরব রক্ত । আবার একই পরিবারের আরেক দিকে হয়তো ৮০% মগ রক্ত। এলাকার বৌদ্ধ সম্প্রদায় বেশ প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী। এমনকি, পুরো ভারত থেকে যখন বৌদ্ধ ধর্ম গায়েব হয়ে গেছে, তখন কেবল চট্টগ্রাম এলাকাতেই এটা টিকে ছিলো বেশ ভালো ভাবে। উনবিংশ শতকের ব্রিটিশ শাসনামলে সম্ভবত বৌদ্ধদের একমাত্র বড় জনগোষ্টীর উপস্থিতি এখানে ছিলো।
লেখক বলেছেন: সম্রাট বিম্বিসার ছিলেন বুদ্ধের সমসাময়িক মগধের সম্রাট। তিনি মগধের প্রতিবেশী চম্পা রাজ্য আক্রমন করেছিলেন। সেই সময় চম্পারাজ্যের যুবরাজ বিজয়গিরি করতোয়া নদী পার হয়ে পুব দিকে চলে আসে। তার মন্ত্রী ছিল রাধারমন। চাকমা উপকথামতে তারা গভীর অরন্যে এক রাজ্য গড়ে তুলেছিল। এই বিজয়গিরিই চাকমাদের পূর্বপুরুষ। গভীর অরণ্যটি আর কোথাও না। পার্বত্য চট্টগ্রাম। চাকমারা আজও এক চম্পক রাজ্যের কথা বলে। রাজ্যটা চম্পা রাজ্য-সম্রাট বিম্বিসার যে রাজ্যটি আক্রমন করেছিলেন। অবশ্য দ্বিমত আছে। বোঝেনি তো ইতিহাস বলে কথা। আসলেই চট্টগ্রামের ইতিহাস বিস্ময়কর। এককালে বঙ্গোপসাগরের পাড়ে সমন্দর নামে একটা নৌবন্দর ছিল। আরবদের জাহাজ ভিড়ত সেই বন্দরে। সেই সমন্দর বন্দর-এর অবস্থান আজও আবিস্কৃত হয়নি। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের একটি কোম্পানী জাহাজ নির্মান করে জাপানে রপ্তানী করছে। ৫০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি। অথচ, বাংলা সেই নবম-দশম শতকেই জাহাজ নির্মান করে বিদেশে রপ্তানী করত। মূল ক্রেতা ছিল তুরস্কের অটোমান সুলতানরা।
নুভান বলেছেন:
সত্যিই ইতিহাস খুব ইন্টারেস্টিং
লেখক বলেছেন: আমারও তাইই মনে হয় নুভান।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
নুভান এর কথার সাথে আমিও সুর মেলাবো। আচ্ছা "চট্টগ্রাম" ইংলিশ এ Chittagong হয়ে গেল কেন এই নিয়ে আপনার কিছু জানা আছে?
লেখক বলেছেন: ঠিক এখনই বলতে পারছি না। পরে জেনে আপনাকে জানাব। ধন্যবাদ।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আপনাকে , রাগীব ভাইকে, লালন অনিক ও নুশেরা আপুকে অনেক ধন্যবাদ। প্রিয় শহরের অনেক কিছু জানা হলো কিছু আগেই জানা ছিলো। এর আগে বিপ্রদাশ বড়ুয়ার 'টাইগারপাস উপাখ্যান' পড়ে আরো কিছু মিথ জেনেছিলাম চট্টগ্রামকে নিয়ে।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। বিপ্রদাশ বড়ুয়া অনেক কাজ করেছেন চট্টগ্রাম নিয়ে।
অনেক ধন্যবাদ।
বর্তমানের চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার সাথে মূল আঞ্চলিক ভাষার অনেক পার্থক্য রয়েছে, দিনে দিনে বদলাচ্ছে। শিক্ষার আলো যায়নি এখনো এমন গ্রামের মানুষের কথা শুনলে মনে হয়, এর মানে কি? বাংলা শব্দ সেটাও বুঝা যায়না।
অবাক করা ব্যাপার হল রাখাইনদের আঞ্চলিক ভাষার সাথে চট্টগ্রামের খাঁটি আঞ্চলিক ভাষার অনেক শব্দ মিলে যায়। এটা আমি দেখেছি আমার কলেজ জীবনে একজন রাখাইন ছেলের কাছে ওদের ভাষা শিখতে গিয়ে। আমি খুব সহজেই শিখে ফেলতাম, রহস্য কি তা আর কাউকে বলতে যেতাম না।
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আসলে চট্টগ্রাম নিয়ে আরও অনেক গবেষনা আর অনুসন্ধান বাকি। হবে হয়তো। তখন জানা যাবে। রাখাইনরা ওখানে আছে প্রায় হাজার বছর। কাজেই-
ধন্যবাদ।
আকাশ অম্বর বলেছেন:
দারুন। জানলাম।
চিটাগনিয়ান ভাষা নিয়ে একটা পোষ্ট রেডি করছি। এটাও একটা স্বতন্ত্র ভাষা। কিন্তু এদের কোন হস্তলিপি ছিলো না। জানতাম যে এরা বাংলা এবং অনেক আগে আরবী হস্তলিপি ব্যবহার করত। আরবী কেন? জানতাম না।
'এককালে বঙ্গোপসাগরের পাড়ে সমন্দর নামে একটা নৌবন্দর ছিল। আরবদের জাহাজ ভিড়ত সেই বন্দরে।' - এখন বুঝলাম।
অনেক ধন্যবাদ ইমন ভাই।
লেখক বলেছেন: আরবরা প্রথম এল ওখানেই।
ধন্যবাদ।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
রাখাইনদের ভাষার সাথে চট্রগ্রামের আন্চলিক ভাষার অনেকখানি মিল রয়েছে। যতটুকু জানি রাখাইনরা আরাকান রাজ্যের ছিলো। তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। রাখাইনরা আরাকান রাজ্যের ছিলো।
ওপরে তারার হাসি-র মন্তব্যটি পড়ুন।
অনেক ধন্যবাদ।
ঊনমানুষ বলেছেন:
এতো কিছু জানতে পেরে আনন্দিত। ইমন ভাই কি চট্টগ্রামের লোক নাকি?
লেখক বলেছেন: আমার জন্ম ঢাকায়। আমার বাপ-দাদারা চাঁদপুরের মতলব-এর। তবে আমার বাপ-চাচার পড়াশোনা চট্টগ্রামে। বড় চাচার বাড়িও চিটাগাঙ শহরে।
ধন্যবাদ।
পাথুরে বলেছেন:
প্রিয়
লেখক বলেছেন: ধন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্য।
নিহন বলেছেন:
তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লালসালু বলেছেন:
তথ্যবহুল লেখা, চালিয়ে যান।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সৌম্য বলেছেন:
'কোম্পানী আমলের ঢাকা' বইটাতে এই তথ্য পাইছিলাম। রাইটার জেমস টেলর বলছেন বর্তমান কুমিরা নামক স্থানে সীতাকুন্ডের পার্বত্য অরন্যে এই বিজয় স্তম্ভ (নাকি শান্তি স্তম্ভ)। বইটা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাষনামলে লিখা। প্রায় ৩০০বছর আগে। এখন কুমিরা উন্নত শহর। কুমিরাতে কেউ কোন দিন এমন কিছু দেখছে বলে শুনি নি। আরাকান রাজ্য ছাড়াও ত্রিপুরার রাজারও খুব লোভ ছিল চিটাগাং এর উপরে। আরাকানী রাজ্যের মগ (মনে হয় মারমা, মারমাদের নামের টাইটেল হয় মং) রা দুর্দান্ত ছিল। ওরা পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বেসর্বা (এখনো বান্দারবানের গ্রাম্য এলাকা যেখানে বাংলা খুব একটা প্রচলিত না সেখানে একজন বম একজন ম্রো এর সাথে কথা বলবে মারমা ভাষায়। একজন জাপানী যেমন ফরাসীর সাথে কথা বলবে ইংলিশএ)। মংরা দুর্দান্ত যোদ্ধা। প্রায় সময় লড়াই করতে করতে ঢাকার নদী বন্দর পর্যন্ত চলে আসতো। মগদের অত্যাচারে বাংলাদেশের নদীর কাছের গ্রামগুলো উজার হতে শুরু করে। কিন্তু সুবহে বঙ্গালের সুবেদাররা গা করতেন না। ন্যাভাল ফোর্সের চেয়ে যুদ্ধের ময়দানে ক্যাভিলারী বা অশ্বারোহী টেকটিস তাদের পছন্দের। তারা ভয় করতো শেরশাহএর মতো কোন আফগানী বা আর কেউ ঘোড়া নিয়ে আক্রমন করবে। আর সুবেহদারদের মুল কাজ ছিল নিয়ম করে বিদ্রোহ করা। কারন শুধুমাত্র শিতকাল ছাড়া নদী আর জঙ্গল বেষ্টিত বাংলায় দিল্লীর আর্মি আসতে পারতো না। বাকিটা সময় কেন্দ্রে ট্যাক্স না দিলেও মুঘল সম্রাটের কিছুই করার ছিল না। আরো সমস্যা হলো যখন ইউরোপীয়ান পর্তুগীজরা আসলো। ইংরেজ/ফরাসী/ডাচরা বানিজ্য বা ধর্মপ্রচারে ব্যাস্ত থাকলেও পর্তুগীজদের মুল কাজ ছিল জলদস্যুতা। এরা চট্টগ্রামকে সেটগাং (ইংরেজরা সেটগাংকে চিটাগাং) বলতো। পাইরেট কিং গনজালেভস ক্ষমতায় আসলে চট্টগ্রাম বাসের অযোগ্য হয়ে পরে এদের অত্যাচারে। স্বন্দীপ এদের রাজধানী ছিল। স্বন্দীপে গনজালেভস একটা দুর্গ তৈরি করে। সেখানে ৮০০ অশ্বারোহী পাইরেট ছিল। সবচেয়ে খারাপ হলো যখন এদের সাথে মগদের দোস্তি হয়। মগরা এদের মাধ্যমে জলবিদ্যা শিখে নেয় এবং ধুরন্ধর জলদস্যু হয়। মগ রাজা কাউয়া মং (নামের শেষে মং, নিঃসন্দেহে মারমা) এর রাজত্ব ছিল কক্সবাজারের দিকে কোথাও। সে নাকি ঐ অঞ্চলে বিপুল গুপ্তধন রেখেছে যা এখনো উদ্ধার হয় নি। কাউয়া মং এর এক চোখ কানা। ভয়ঙ্কর এই জলদস্যু নেতা কানা রাজা নামে বাঙ্গালীদের মাঝে ত্রাস সৃষ্টি করে।
মীরজুমলা প্রথম বিশাল রনতরীর সমন্বয়ে নৌবহর তৈরি করলেন। গুলিস্তানের কামানের অরজিনাল নাম মীর জুমলার কামান। জন্মসুত্রে উনি ইরানদেশীয় জেনারেল ছিলেন। কিন্তু এদেশের অদ্ভুত গঠনের কারনে ক্যাভিলারী বেজ যুদ্ধ সম্ভব না এটা বুঝে নৌবহর তৈরি করলেন। মগ আর পুর্তুগীজদের পাশা পাশি ত্রিপুরার রাজাও ফি বছর তার হাতি বাহিনী নিয়ে হানা দিতেন। মীরজুমলা ফন্দি আটলেন। মগদের কাছে তার গুপ্তচরেরা বললো, মীরজুমলার সাথে পুর্তুগীজদের নিয়ে যুদ্ধ করতে। যুদ্ধে ইচ্ছে করে মগরা নিষ্ক্রিয় থাকবে। ফলে যুদ্ধে হারার পরে উনি পুর্তুগীজদের বের করে দিয়ে তাদের ধন সম্পত্তি এবং বিশাল বোনাস মগদের দেবেন। একই প্রস্তাব পুর্তুগীজদেরকেও দিল। পূর্তুগীজ জেনারেলরা তাদের দলপতি গঞ্জালেভসের সাথে বেঈমানী করবে। এবং নিজেরা নিষ্ক্রিয় দাঁড়িয়ে থাকবে যুদ্ধে। মগ আর গঞ্জালেভসের সৈন্যরা মারা গেলে তাদেরকে মগ আর পূর্তুগীজদের সম্পত্তি বোনাস দেবে। আর ইংরেজ/ফরাসী/ডাচদের বদলে তাদেরকে ট্যাক্স ফ্রি বানিজ্য দেয়া হবে।
এই ফাঁদ কাজ করে। যুদ্ধে মগরাও চুপ করে থেকে হারলো, পূর্তুগীজরাও চুপ করে থাকলো। মীরজুমলা বিনা বাধায় চিটাগাং দখল করে দুই দলকেই ঝেটিয়ে বিদায় করে দিলেন। মগ রা চলে গেল পার্বত্য চট্টগ্রামের গহীনে আর পূর্তুগীজদের দেশছাড়া হতে হলো। মীরজুমলা এক ঢিলে দুই পাখি মেরে চট্টগ্রামের নতুন নাম দিলেন ইসলামাবাদ। এই নামটা টিকে নাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ডলুপূত্র বলেছেন:
জনাব অনেক শুভেচ্ছা নিন।আপনি অদিতি ফাল্গুনির কল্পবস্তু পড়েই একটি পোস্ট লিখে পেলেছেন! খুব একটা খারাপ লেখেননি। তবে ইতিহাসের উল্লম্পন হয়েছে। কিছুটা বিকৃতিও।
অদিতি ফাল্গুনি চট্টগ্রামের বাইরের। তার ইতিহাস পাঠ খুবই নবিসি পর্যায়ের। অতএব লেখার কি আর বলবো।
চট্টগ্রামের ইতিহাস নিয়ে:
জামালউদ্দিনের (দেয়াং বন্দর) কেন্দ্রীয় একটি গবেষণাগ্রন্থ আছে। বলাকা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত।
দৈনিক আজাদী (হাজার বছরের চট্টগ্রাম) নামে একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছিল।
অধ্যক্ষ মোশতাক আহমদ রেঙ্গুনের আর্কাইভ থেকে (সিনপিয়ান) ইংরেজিতে পেয়ে বাংলায় অনুবাদ করেছেন।
আরও অনেক ইতিহাসগ্রন্থ আছে।
ওইগুলো পড়ে তারপর পোস্ট লিখলে অনেক ভাল হত। তারপরও আপনাকে ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: জামালউদ্দিনের (দেয়াং বন্দর) কেন্দ্রীয় একটি গবেষণাগ্রন্থ আছে। বলাকা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত। (২)দৈনিক আজাদী (হাজার বছরের চট্টগ্রাম) নামে একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছিল। (৩)অধ্যক্ষ মোশতাক আহমদ রেঙ্গুনের আর্কাইভ থেকে (সিনপিয়ান) ইংরেজিতে পেয়ে বাংলায় অনুবাদ করেছেন।
...এই বইগুলিতে কি আছে তা আপনি একটি পোস্ট দিয়ে জানাতে পারেন জনাব। আমরা একটু ধন্য হই।
ধন্যবাদ।
রেজোওয়ানা বলেছেন:
ডলুপূত্র বলেছেন: জনাব অনেক শুভেচ্ছা নিন।আপনি অদিতি ফাল্গুনির কল্পবস্তু পড়েই একটি পোস্ট লিখে পেলেছেন! খুব একটা খারাপ লেখেননি। তবে ইতিহাসের উল্লম্পন হয়েছে। কিছুটা বিকৃতিও।.........
লেখা ও তথ্য যথারীতি চমৎকার।
আপনি শিক্ষকতা পেশায় গেলে ছাত্ররা খুব উপকৃত হতো।
লেখক বলেছেন: লেখা ও তথ্য যথারীতি চমৎকার।আপনি শিক্ষকতা পেশায় গেলে ছাত্ররা খুব উপকৃত হতো ...
কারে কইলেন? আমারে না ডলুপুত্ররে?
ঝাতি ঝানতে চায় ...
রেজোওয়ানা বলেছেন:
কোথায় আক্কাস আর কোথায় গাবগাছ..........টিউবলাইট........
আমি এইটা তারেই কইছি, যে হেলিকাপ্টারে চইড়া বিকালে হাওয়া খাইতে বাইর হয়
লেখক বলেছেন: অ। বুঝছি।
আরে আমি তো শিক্ষকতাই করি সামু ব্লগে। মাগনা
অট: আপনি কেবল খাই খাই করেন। কালকে দুপুরে অফিসে লিচু খাইলেন। আজকে আমের গাছের পোস্ট দেখে খাব খাব খাব করলেন। আবার বলেন কোণ আইসক্রিম নাকি সবচে প্রিয়। আচ্ছা আপনি কী শুরু করলেন
রেজোওয়ানা বলেছেন:
আপনি এসব খেয়াল করেছেন সুন্দর খাবারের ছবি দেখেলেই খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করে,
প্রতিক্ষাকে যে গুলো আইসক্রীম আর কেক দেন ওগুলোও খেতে ইচ্ছা করে
অ ট: আপনার স্মৃতিশক্তি তো অসাধারণ.....
লেখক বলেছেন: বারে খেয়াল করব না? লেখক দের এই কাজ।
আচ্ছা, প্রতীক্ষারটায় ভাগ বসাতে হবে না, এবার থেকে আপনাকেও দেব।
ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি আপনার স্মৃতিশক্তি তো অসাধারণ..... ঘরে কোথায় কী খাবার/দাবার লুকানো থাকত ৪/৫ বছর বয়েসেই সব মনে থাকত।
রেজোওয়ানা বলেছেন:
উহু, আমাকে খাদ্য দ্রব্য দিতে হবেনা, সবাই পেটুক বলবে ও আচ্ছা ছোটবেলায় তাহলে আপনি নাড়ু গোপাল ছিলেন....
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী বলেছেন:
জন্ম থেকে চট্টগ্রামে প্রায় ২৭ বৎসর কাটিয়েছি এবং লেখাপড়াও শেষ করেছি এখানেই....ফলে বিভিন্ন ইতিহাস বা পত্রপত্রিকা পড়ে যে কয়বার তথ্য গুলো পড়েছি তাতে আমার কাছে নুশেরার মতামতকে সঠিক বলে মনে হয়। কারন যতটুকু মনে পড়ে বরাবরেই আমি ঐ একই তথ্য পেয়েছি।পরীর পাহাড় (বর্তমানের কোর্টহিল থেকে চেরাগী পাহাড়)এর কল্পকথার "চাটি" (প্রদীপ; যা বড়পীর সাহেব পরীর উপদ্রব তাড়ানোর জন্য জ্বালিয়েছিলেন বলে কথিত) থেকে চাটিগাঁও->চাটিগাঁ->চাটগাঁ->চট্টগ্রাম নামটা এসেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমি তুমি আমরা বলেছেন:
ভাল লাগল প্রিয় শহর সম্পর্কে জানতে পেরে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সীমানা পেরিয়ে বলেছেন:
তথ্যবহুল ....অনেক ধন্যবাদ....+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নভোচারী বলেছেন:
আমার জানা মতে ইবনে বতুতার বর্ণিত সুদকাওয়াং আর চট্টগ্রাম একই স্থান।চট্টগ্রামের অধিবাসীদের নিয়ে রাগিব ভাই যা বললেন তার সত্যতা প্রায় দেখতে পাবেন। সমুদ্র উপকূল বলেই হয়ত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠির মিলনস্থল হিসেবে এই অঞ্চল কাজ করেছে।
মগদের নিয়ে বড়দের মুখে বিভিন্ন ঘটনা শুনেছি। কোন একদিন শেয়ার করব ইনশাল্লাহ।
লেখক বলেছেন: আপনার পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম।
ধন্যবাদ।
মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেছেন:
আমি ৩ বছর রামুতে ছিলাম , অসাধারন একটা জায়গা , অসাধারন সেখানের মানুষ গুলা। আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময় কাটছে ওখানে ............লেখায় প্লাস অবশ্যই , আর প্রিয় তে
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















