ছেলেবেলার পড়াশোনা ওখানেই। অবশ্য কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য ১৯০২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন।
পাশ করার পর সাংবাদিত করেন।
বিয়ে করেন ১৯০৬ সালে। তারপর জার্মানির মিউনিখ শহরে চলে যান।
দুই ছেলে হয়। তাঁর অনেক বই ছেলেদের উদ্দেশ্য করে লেখা।
মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি এইচ ডি করেন।
ইতিহাস সক্রান্ত বই লিখতে থাকেন। ইতিহাসকে ভীষন জনপ্রিয় করে তোলেন।
এই THE STORY OF MANKIND বইটি সেরকমই একটি বই। তাঁর লেখার স্টাইল আর কারও মতো নয়। তাঁর বোঝানোর ক্ষমতা অসাধারণ। বইটির প্রতিটি লাইনে এই কথার প্রমাণ পাবেন।
জীবনভর ইতিহাস ও শিল্প ব্যাখ্যা করেছেন লুন।
ছিলেন দারুন জনপ্রিয়।
১৯৪৪ সালে মৃত্যুবরন করেন।
বেঁচে থাকলে জিজ্ঞাসা করতাম- মানবসভ্যতার ইতিহাস বলতে তিনি কেবল ইউরোপীয় সভ্যতার বুঝতেন কি না!
কেননা, এই বইটির নাম হওয়া উচিত ছিল: THE STORY OF EUROPEAN MANKIND
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


