আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

প্রাচীন মিশরের Book of the Dead ; মানবসভ্যতার সবচে স্থূল ও বিভৎস গ্রন্থ!

০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১

শেয়ারঃ
0 0 0


যখন প্রথম Book of the Dead আবিস্কৃত হল -তখন একে ভাবা হয়েছিল প্রাচীন মিশরের বাইবেল। না। এটি স্বর্গীয় প্রত্যাদেশ নয়; প্রণালীবদ্ধ ধর্মীয় বিধানও নেই এতে। যা আছে তা পরলোক সম্বন্ধে বিকৃত ধ্যানধারনা।
জার্মান মিশরতাত্ত্বিক কার্ল রিচার্ড লেপসিয়াস Book of the Dead শব্দটি উদ্ভাবন করেছিলেন। ১৮৪২ খ্রিস্টাব্দে তিনি এর কিয়দংশ প্রকাশ করেন।
Book of the Dead কে প্রাচীন মিশরীয় ভাষায় Reu nu pert em hru বলা হত। বাক্যটিকে ইংরেজি করলে দাঁড়ায়:The Chapters of coming forth by day. বাংলা করলে দাঁড়ায় "আসন্ন দিনের অধ্যায়।"
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে Book of the Dead-এর বক্তব্য বিবর্তিত হয়েছিল। তবে মূল বিষয় ছিল একটাই-মৃতের জগৎ। এ কারণেই প্রাচীন মিশরের Book of the Dead ; মানবসভ্যতার সবচে অসুস্থ গ্রন্থ; কেননা এটি পরকালবাদের উৎস। পরলোকে বিভৎস ও স্থুল ধারনাটি প্রাচীন মিশরীয়রাই ছড়িয়েছে; যা এখনও তিনটি আব্রাহামিক ধর্মে গৃহিত হয়ে ক্ষতের মত টিকে রয়েছে।
Book of the Dead আসলে প্যাপিরাসের উপর লেখা তন্ত্রমন্ত্র সম্বলিত কতগুলি অধ্যায়ের সংগ্রহ। পরকালে কী ভাবে সুখি থাকা যাবে সে বিষয়ে বর্ননা । ভয়ানক অজ্ঞ উন্মাদ লোকের কান্ড। প্রকান্ড এক বিভ্রম! যা আমরা আজও টিকিয়ে রেখেছি!
মানবশিশুকে যা শেখাবেন- সে তাই শিখবে। তাকে ৩ হাজার বছর ধরে পরকাল সম্বন্ধে শেখানো হয়েছে। সে তাই শিখেছে! কাজেই একাল ও পরকালের মধ্যে দাঁড়িয়ে সে ঘোঁট পাকিয়েছে। তার কারণ: Book of the Dead নামে
ওই মানবসভ্যতার সবচে অসুস্থ মিশরীয় গ্রন্থটি!
ইচ্ছে হলে পড়ে দেখতে পারেন-

http://www.wsu.edu/~dee/EGYPT/BOD125.HTM

http://www.egyptartsite.com/book.html



 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): প্রাচীন মিশর ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রাচীন ইতিহাস  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৬
মেঘলা মানুষ বলেছেন: আরেকটু ডিটেইলে বললে ভাল হত। লিংকে গিয়ে পড়ে কিছু বুঝলাম না।
২. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৯
এম্নিতেই বলেছেন: পরকাল বিশ্বাস করেন না??
০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: সেমেটিক রুপকথায়?
না।

৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩২
ধীবর বলেছেন: আব্রাহামিক ধর্ম ত্রয়ি মতানুলম্বি মানুষরাই সংখ্যাগুরু। হাজার বছর ধরে এতগুলো মানুষকে "ভুল" শিক্ষা দেয়া আদৌ সম্ভব কিনা সেটি একটি বড় প্রশ্ন। এই তিন ধর্মের সাথে মিশরের বুক অফ থে ডেড এর পরকাল নিয়ে সামঞ্জ্যতা তুলে ধরতে লেখক ব্যার্থ হয়েছেন। লেখকের বক্তব্যে যা বুঝলাম, সেটি হলো তিনি যেহেতু পরকালে বিশ্বাস করেন না, তাই পরকাল বিষয়ক যে কোন তথ্যই তার কাছে অগ্রহনযোগ্য। তাহলে আর এই লেখাটির প্রয়োজনই বা কি ছিল? মাইনাস।
৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৬
ঐক্যতান বলেছেন: ধীবর, সংখ্যাধিক্য দিয়ে কোন তত্বের সত্ততা যাচাই হয় না। একসময় পৃথিবীর সব লোক বিশ্বাস করত, সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরে। তাই বলে মানুষের সংখ্যাধিক্যকে সম্মান দেখাতে গিয়ে সূর্য সত্যি সত্যি পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরা শুরু করে নাই। পরাচীনকালে মানুষ নিজেদের মত করে সহজ ভাবে সবকিছুর ব্যখ্যা করত। একটা জিনিষ খেয়াল করলে দেখবেন, পুরাতন প্রায় সবকিছুর‌ ব্যখ্যাই বর্তমানকালে এসে পরিবর্তন হয়ে গেছে। সবকিছু মানুষ মেনেও নিয়েছে, কিন্তু যে পরিবর্তন গুলো ধর্মের সাথে রিলেটেড সেগুলোর পরিবর্তন মানুষ মানতে চায়না সহজে। একেবারে নিরুপায় না হলে মানুষ কখনো সেগুলো মেনে নেয়নি, ইতিহাস তাই বলে।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: +++

৫. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮
ঐক্যতান বলেছেন: তত্ব* = ত্বত্ত, সত্ততা* = সত্যতা
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ।

৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯
আন্দালীব বলেছেন: ইন্টারেস্টিং।
বুক অব ডেড বিষয়ক কিছু তথ্যাদি বিচ্ছিন্নভাবে জানা ছিলো। আরো কিছু এইখানে জানা গেলো। তবে আরো বিশদ আলোচনা হলে বা লেখা হলে পাঠকদের কিছু সুবিধা হতো।

বা এই বিষয়ক আরো পোস্ট দিতে পারেন পরে। ধন্যবাদ এরকম পোস্টের জন্য।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: আরও পোস্ট দেব। আমার নিয়ম হচ্ছে একটা লেখার সূত্রপাত করে বারবার ফিরে আসা। নৈলে কনসেপসন ক্লিয়ার হয় না।
ধন্যবাদ।

৭. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৯
ঐক্যতান বলেছেন: আরও ডিটেইলস লিখবেন, আশা রইলো...
৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৫
জেমসবন্ড বলেছেন: এমন কোন ধর্ম আছে যেখানে পরকাল নিয়ে আলোচনা নাই ?

ইব্রাহিম (আঃ) কে আল্লাহ পছ্ন্দ করেছেন । উনার দোয়া আল্লাহ কবুল করেছেন এবং উনার বংশের মাধ্যমে ,ঈসা (আঃ), মোহাম্মদ (সাঃ) এর মাধ্যমে উনার প্রকাশের চুড়ান্ত রূপ দিবেন ও দিয়েছেন ।

বিভ্রান্তিমূলক লেখা না লেখাই ভালো । আপনার কারণে একটা লোক পথভ্রষ্ট হলে তার জন্য আপনি দায়ী হবেন ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৫১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ