আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৭

শেয়ারঃ
0 37 1

এই সশস্ত্র ব্যাক্তিটির একটি অসম্ভব রক্তাক্ত অভিলাষ রয়েছে। বিশ্বময় একটি শান্তিরধর্ম প্রতিষ্ঠা করা। সে অভিলাষ চরিতার্থ করবার জন্য যত রক্ত ঝরে ঝরুক। এই লোকটি জানে না পৃথিবীতে অন্তত কমবেশি ৭৬টি সংস্কৃতি রয়েছে। এবং সে তার একটির অর্ন্তগত। এবং ৭৬টি সংস্কৃতি ধ্বংস করে শান্তির ধর্ম প্রতিষ্ঠা কোনওদিনই সম্ভব নয়। আশৈশব মধ্যযুগীয় প্রাচীন পুঁথিপুস্তক পাঠ করার ফলে এই সশস্ত্র ব্যাক্তিটির পৃথিবী সম্পর্কে কোনও স্বচ্ছ ধারনাই গড়ে ওঠেনি। এই লোকটি এক অন্ধ আবেগের বশবর্তী হয়ে বেঁচে আছে। যে কারণে এরা ধর্মান্ধ বলে চিহ্ণিত। এরা জানে না একজন সুন্নি মুসলমানের কাছে তার ধর্মটি যেমন সত্য; একজন ফিলিস্তনী ম্যারোনাইট খ্রিস্টানের কাছেও তার ধর্মটি তেমনই সত্য।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে একটি মরুময় গ্রামে। গ্রামের নাম ইউআআনা। প্রদেশের নাম নাজদ। ১৭০৩ সালে ঐ ইউআআনা গ্রামেই বনু তামিম গোত্রে কট্টরপন্থি ধর্মতাত্ত্বিক আবদুল ওয়াহাব-এর জন্ম। আবদুল ছেলেবেলা থেকেই বাবার কাছে ইসলামী জ্ঞান অর্জন করেন ওয়াহাব। ওয়াহাব-এর পরিবারটি ছিল হাম্বলী মাজহাব (মাজহাব মানে স্বুল অভ থটস্)-এর অনুসারী। ওই সময়ে নাজদ প্রদেশে ইবনে হাম্বলীর ব্যাখ্যা জনপ্রিয় ছিল। কঠোর শাস্ত্রভিত্তিক বলে হাম্বলীর ব্যাখ্যা ইষৎ কট্টর। হাম্বলী মাজহাবকে কট্টর বলার কারণ আছে। হাম্বলী ছাড়াও অন্য মাজহাবগুলি হল মালেকী, হানিফি ও সাফায়ি। এই মাযহাবগুলিতে আত্মরতি বৈধ। একমাত্র হাম্বলী মাজহাবে তে আত্মরতি নিষিদ্ধ। বাংলাদেশে হানিফি মাজহাবের প্রাধান্য।
যাক। তখনকার দিনে ইরাকের বসরা নগরটি ছিল ইসলামী জ্ঞানচর্চার অন্যতম কেন্দ্র। তরুন বয়েছে ওয়াহাব বসরায় গেলেন। মুসলিম পন্ডিতদের সান্নিধ্যে পড়ালেখা করেন। ওখানে সবাই তার মতো কট্টরপন্থি ছিল না। অনেকেই ছিলেন উদার সূফিসাধক। এরা ছিল ওয়াহাবের দুচোখের বিষ। ওয়াহাব উদারপন্থিদের সঙ্গে তর্ক করে আলোচিত হন। হাম্বলী ছাড়াও কট্টরপন্থি সালাফি মতবাদে উজ্জীবিত হন ওয়াহাব। যে কারণে তার মতবাদকে সালাফি মতবাদও বলা হয়।এক কথায় সালাফি মতবাদ হল ইসলামের আদি ও অকৃত্রিম ধ্যানধারনার ধারক।
বসরায় থাকতেই ইসলামী বিশ্বে এক আমূল সংস্কারের চিন্তা করেছিলেন ওয়াহাব। যথাসময়ে জন্মস্থান নাজদ প্রদেশের ইউআআনা গ্রামে ফিরে এলেন। আমরা অনেকেই জানি- যায়াদ ইবন আল খাত্তাব ছিলেন ইসলামের নবীর একজন প্রখ্যাত সাহাবা এবং ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমরের ভাই। যায়াদ ইবন আল খাত্তাব-এর কবরটি ছিল নাজদ প্রদেশে। স্থানীয়রা কবরটি জিয়ারত করত। কবর উপাসনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন ওয়াহাব। নাজদ প্রদেশের তৎকালীন শাসক ছিলেন ওসমান ইবনে মুয়ামার। ওসমান ইবনে মুয়ামার ওয়াহাবের শিষ্যত্ব বরণ করেছিলেন। যায়াদ ইবন আল খাত্তাব-এর কবরটি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে ওসমান ইবনে মুয়ামারকে রাজী করান ওয়াহাব।
এটি ছিল তার প্রথম পদক্ষেপ।
ওয়াহাবের ২য় পদক্ষেপটি ছিল পরকিয়াকারীণিকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা। ইসলামের নির্দেশ থাকলেও যে অপকর্মটি ওই সময়ে করা হত না। আসলে ইসলাম ৭ম শতক থেকেই কট্টরপন্থি ও উদারপন্থিতে বিভক্ত। যে কারণে ওয়াহাবের সংস্কার অনেকেই পছন্দ করেননি। যেমন বনি খালিদ গোত্রের প্রভাবশালী নেতা সুলাইমান ইবন মুহাম্মাদ ইবন ঘুরাইয়ার। তিনি ওসমান ইবনে মুয়ামারবে নির্দেশ দিলেন-ওয়াহাবকে হত্যা কর। ওসমান ইবনে মুয়ামার তা পারেননি। বরং ওয়াহাবকে হিজরতের নির্দেশ দিলেন।
তখন ১৭৪০ সাল। নাজদ প্রদেশের প্রতিবেশী দিরিয়া অঞ্চল। তার শাসক ছিলেন মুহাম্মাদ ইবন সাউদ। (সাউদ লক্ষ করুন) এঁর দু-ভাই ইউআআনায় ওয়াহাবের ছাত্র ছিলেন। তারাই
মুহাম্মাদ ইবন সাউদকে রাজী করালেন ওয়াহাবকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য, ওয়াহেব মতবাদ গ্রহন করার জন্য। মুহাম্মাদ ইবন সাউদ-এর স্ত্রী নাকি দেওরদের মুখে ওয়াহাবের ব্যাখ্যাবয়ানে রীতিমত ম্গ্ধু। ওই মহিলাই স্বামীকে ওয়াহাবী হতে রাজী করালেন।
যাক। ওয়াহাব দিরিয়া পৌঁছলেন। পৌঁছার পর মুহাম্মাদ ইবন সাউদ-এর সঙ্গে এক চুক্তি হল তার। চুক্তি অনুযায়ী মুহাম্মাদ ইবন সাউদ ওয়াহাবের শিক্ষা মেনে নিবে। এবং তা প্রচার করবে।
মুহাম্মাদ ইবন সাউদ তাই করেছিলেন।
আবদুল ওয়াহাব, ১৭৯২ মুহাম্মাদ ইবন সাউদ-এর ছত্রছায়া থেকে মারা যান।
তারপর ১৪০ বছর ধরে যুদ্ধ করে মুহাম্মাদ ইবন সাউদ এবং তার উত্তরসূরীরা আরব উপদ্বীপের অধিকাংশ অঞ্চল দখল করে নেয়। ১৯২২ সালের পর যা হয়ে ওঠে কিংডম অভ সৌদি আরাবিয়া। যার রাষ্ট্রীয় আর্দশ হয়ে ওঠে কট্টরপন্থি ওয়াহাবীবাদ।
ওয়াহাবিরা সালাফিপন্থী নামেও পরিচিত।
ওয়াহাবীবাদের প্রভাব আজও এই একুশ শতকেও অপ্রতিরোধ্য।
প্রথমে বলি মিশরের কথা। সৌদি ওয়াহিবারা যে সব সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে বিপুল অর্থ দিয়ে সাহায্য করে তার অন্যতম হচ্ছে মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুড। এই বিশাক্ত সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা ১৯২৮ সালে। প্রতিষ্ঠাতা হাসান আল-বাননা। বলাবাহুর‌্য কট্টরপন্থি লোক ছিলেন বাননা। এর শিষ্যরা সবাই বিশ্বজুড়ে নাকি ওয়াহাবীবাদ কায়েমের জন্য মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার শপথ নিয়েছিল।পঞ্চাশ ও ষাট দশকে এদের এক তাত্ত্বিক নেতা ছিলেন সৈয়দ কুতুব। সৈয়দ কুতুব আমেরিকায় কলরাডোতে পড়তে গিয়েছিলেন । ফ্রি সেক্স আমেরিকান সমাজ তার ঘৃনার উদ্রেক ঘটিয়েছিল। এমন কী সঙ্গীতও ঘৃনা করতেন সৈয়দ কুতুব। বিশেষ করে জ্যাজ । জ্যাজ নাকি যৌনগন্ধী! সমুদ্রপাড়ে বিকিনি পরা মেয়েদের দেখে মাথা গরম হয়ে গেল কুতুবের। এদের পাথর ছুঁড়ে মারতে না - পেরে শরীর ভরতি রি রি ঘৃনা নিয়ে মিশরে ফিরে এলেন। তারপর ইসলামের নামে মধ্যযুগীয় আচারপ্রথা কায়েমের জন্য মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হলেন।
পাশ্চাত্যপন্থি মিশর সরকার এই কট্টরপন্থিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল।
সৈয়দ কুতুবই ছিলেন আলকায়দার স্বপ্নদ্রষ্টা।
সৈয়দ কুতুবের পথে তারপর হাঁটল ওসামা বিন লাদেন। আইমান আল জাওয়াহিরি। এঁকে কান্ডকারখানা আমরা কমবেশি জানি বলেই বিস্তরিত লিখব না।
আমাদের এই নিবন্ধের বিষয়: বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওহাবী কানেকশন।
সে প্রসঙ্গে বরং আসি।
১৯০৩। ২৫ সেপ্টেম্বর। তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের হায়দারাবাদের আওরঙ্গাবাদ। ঐ আওরঙ্গাবাদ-এ জন্ম হল এক খুনে কট্টরপন্থির। আবুল আলা মাওদূদী। অনেকেই এর নামের আগে মাওলানা বসায়। আমি সূফি রুমির জীবনী পড়েছি: জানি যে মাওলানা পবিত্র শব্দ। কাজেই এর আগে মাওলানা না বসালেই ভালো।
প্রথম জীবনে সাংবাদিকতা করেছেন মাওদূদী। সেই সময়ই সালাফি-হাম্বলী ও ওয়াহাবী মতবাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন । প্রচুর লিখেছেন। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: তাহফিমুল কোরান। এটি কোরানের তফসির। (আধুনিক প্রকাশনীর ১৯ খন্ডে বাংলা অনুবাদ পাওয়া যায়।) প্রচুর লিখলেও এই লোকটি জানতেন না যে পৃথিবীতে কমবেশি ৭৬টি সংস্কৃতি রয়েছে। সে তার একটির অর্ন্তগত। এবং ৭৬টি সংস্কৃতি ধ্বংস করে শান্তির ধর্ম প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। প্রাচীন পুঁথিপুস্তক পড়ার কারণে পৃথিবী সম্পর্কে মওদূদীর কোনও স্বচ্ছ ধারনা গড়ে ওঠেনি। যে কারণে ধর্মান্ধ হয়ে ওঠাই ছিল অনিবার্য।এক অন্ধ আবেগের বশবর্তী হয়ে জীবনভর চলেছেন। মওদূদী কি জানতেন না যে একজন শিয়া মুসলমানের কাছে তার ধর্মটি যেমন সত্য একজন আহমেদীয় মুসলিম জামাতের সদস্যের কাছেও তার ধর্মটি তেমনি সত্য । এই সহজ কথাটা মওদূদীর জানা থাকলে তিনি পাকিস্থানী সৈন্যদের আহমদীয় মুসলিম জামাতের সদস্যদের হত্যা করতে প্ররোচিত করতেন না। দেশবিভাগের পর পশ্চিম পাকিস্থানের প্রভাবশালী ব্যাক্তিতে পরিনত হয়েছিলেন মওদূদী। তারই প্রভাবে ১৯৫০ সালে পাকিস্থানী সৈন্যরা ট্যাঙ্কের চাকার নিচে পাঞ্জাবে আমেদীয় প্রধান গ্রামগুলি মাটি মিশিয়ে দিয়েছিল। ঘুমন্ত অবস্থায় হাজার হাজার নিষ্পাপ নিরীহ শিশুকে মৃত্যুকে বরণ করতে হয়েছিল। (এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত পড়ুন তারিক আলী রচিত “ক্ল্যাশ অভ ফান্ডামেন্টালিজম।”)
তাই তখন বলছিলাম যে মওদূদী খুনি। আর তার পূর্বাঞ্চলীয় শিষ্যরা খুন করেছিল পুর্ব বাংলায়। ১৯৭১ সালে।
১৯৪১ সালে রাজনৈতিক দল গঠনের সিদ্ধান্ত নিলেন মওদূদী। দলটির নাম রাখলেন- জামাত ই ইসলাম। দলটির প্রথম লক্ষ ছিল ব্রিটিশ ভারতে ইসলামী মূল্যবোধের প্রসার ও জাগরন। পরে অবশ্য ভারত বিভাগ হলে মওদূদী ও তার দল ১৯৪৭ সাল থেকে পাকিস্থানকে সমর্থন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। (যে কারণে আজও জামায়াতের মতিয়ূর রহমান নিজমী বলেন-পাকিস্থান আল্লার ঘর!)
আমরা জানি দেশবিভাগের পর পূর্ববঙ্গের আপামর বাঙালি মুসলমান মেনে নিয়েছিল পাকিস্থান, তারা বৃহৎ ভারতে বিলীন হয়ে যেতে চায়নি। কিছু শর্তের অধীন, মানে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য অক্ষুন্ন রেখেই পূর্ববঙ্গের আপামর বাঙালি মুসলমান পাকিস্থান রাষ্ট্রর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। (এটি জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের মত) সেই নিজস্ব বৈশিষ্ট্যর ওপর ক্রমে ক্রমে আঘাত এলে প্রথমে ১৯৫২ তারপর ১৯৬৯ তারপর ১৯৭১ সালে পূর্ববঙ্গের সেই আপামর বাঙালি মুসলমানই অখন্ড পাকিস্থান জন্য হয়ে উঠল হুমকি। আসলে পশ্চিম পাকিস্থানের কাছে পূর্ব পাকিস্থান ছিল ঔপনিবেশ, পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী ইসলামী ব্রাদারহুডের কথা ভুলে পূর্বপাকিস্থানকে উপনিবেশ বানিয়েছিল। পূর্বপাস্থিানের বাঙালীর প্রবল অন্দোলনের মুখে উপনিবেশ হাত ছাড়া হতে থাকলে অর্থনৈতিক স্বার্থের কথা ভেবেই পাকিস্থানী অখন্ডতায় রক্ষায় পশ্চিম পাকিস্থানী শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশে রক্তলোলুপ দুধর্ষ পাকিস্থানী সেনাবাহিনী ঝঁপিয়ে পড়ে নিরীহ ও নিরস্ত্র পূর্ব বাংলার মুক্তিকামী জনগনের ওপর। মওদূদীপন্থি জামায়াত ই ইসলামীর গর্ভদ সদস্যরা তথাকথিত আল্লার ঘর বাঁচাতে পাকিস্থানী সেনাবাহিনীকে সাহায্য (রাজাকার শব্দটি আরবী। অর্থ রাজাকার) করার জন্য একেক জন কসাই ও জল্লাদ হয়ে ওঠে।
যে কারণে তৎকালীন জামাত নেতারা মানবতার কাছে বিশ্ব জনমতের কাছে যুদ্ধাপরাধী।
আসলে সৈয়দ কুতুব-মওদূদী-লাদেন সবাই একই সূত্রে গাথা।
এদের প্রেরণার মূলে সালাফি-হাম্বলীপন্থি রক্ষণশীল কট্টরপন্থি আবদুল ওয়াহাবীব।এবং এদের পৃষ্টপোষক সালাফি/ওয়াহাবী সৌদি রাজতন্ত্র।
আমরা যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে চাই। অথচ, আমরা
এ প্রসঙ্গে ওয়াহাবী কানেকশানের কথা উল্লেখ করি না। বাংলাদেশে যুদ্ধপরাধীদের বিচারের একটি বড় অন্তরায় সৌদি আরব। বাংলাদেশে যুদ্ধপরাধীরা জামায়াত ই ইসলামীর সদস্যরা সালাফি-হাম্বলী-ওয়াহাবী চক্রের অনুসারী। সৌদি আরবও ওই সালাফি-হাম্বলী-ওয়াহাবী চক্রের মূল পান্ডা। তারা বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে দেবে না। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার মানে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে যাওয়া। আপাতত তা সম্ভব নয়। কেননা, বাংলাদেশ দরিদ্র বলেই জ্বালানীসহ অর্থনৈতিক ভাবে সৌদি আরবের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। বাংলাদেশের বিশাল অঙ্কের রেমিন্টেস আসে ও দেশ থেকেই। তা ছাড়া বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সৌদি সরকারের প্রতি নতজানু। মুসলিম উম্মার নামে এরা সৌদি সরকারকে খুশি রাখতে চায়। ৭৫ এর পর যুদ্ধাপরাধী জামাত নেতা গোলাম আযমকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে নিরাপত্তা দিলেন উগ্র ডানপন্থি নেতা জিয়াউর রহমান। জাতীয় পার্টির পান্ডা জেনারেল এরশাদ সৌদি সরকারকে খুশি করার জন্য বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করলেন। সামান্য সর্দি কাশী হলে বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রধান প্রধান সৌদি আরব দৌঁড়ায়। ঘন ঘন ওমরা করে। সুটকেসে সম্পদ পাচার করে। এদের গাজীপুরের বালাখানার নাম “খোয়াব।” টেকনাফের জনযানের নাম কেয়ারি-সিন্ধাবাদ। এদের মগজে মগজের কোষে কোষে সৌদি তোষামোদ।
এবং শেখ হাসিনাও কি এক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম? তিনি বলেছেন যে তিনি (২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে) নির্বাচিত হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবেন। আসলে এটি একটি নির্বাচনী ফাঁকা বুলি মাত্র। তার পক্ষেও সৌদি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে যাওয়া সম্ভব হবে না।
আপনাদের মনে থাকার কথা। জোট সরকারের আমলে যুদ্ধাপরাধী জামাত নেতা মতিয়ুর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে দূনীর্তির অভিযোগ গঠন করার সঙ্গে সঙ্গেই সৌদি আরব ও কুয়েতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন শুরু করে। তাদের ছাঁটাই করে। এভাবে ওয়াহাবীদের স্পর্শ না করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সতর্ক করে দেয়।
বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যেহেতু সৌদি সরকারের ওপর অধিকাংশ নির্ভরশীল। সে কারণে আমরা আশাবাদী দৃষ্টিতে ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে পারি। সৌদি আরবে সালাফি ওয়াহাবীদের ধ্বংস করে সৌদি আরবে প্রগতিশীল গনতান্ত্রিক শক্তির উত্থান ঘটলেই বাংলাদেশে ওয়াহাবী যুদ্ধপরাধীদের বিচারের সম্ভবনা সৃষ্টি হতে পারে। কাজেই, সৌদি আরবে হাম্বলীপন্থি সালাফি-ওয়াহাবীদের ধ্বংস চাই!
এমন কথা উচ্চারণে আমাদের বুক কেঁপে ওঠার কথা না। আমরা ভুলে যাইনি ১৯৭১ আমাদের অগ্রজরা পাক বর্বরদের বিরুদ্ধে কীভাবে রুখে করেছিল।
সবশেষে বলছি-
প্রথম থেকেই ইসলাম কট্টরপন্থি ও উদারপন্থি-এ দুধারায় বিভক্ত হয়েছিল। এবং বাংলার মাটি কট্টরপন্থি ইসলামের জন্য সহনীয় নয় বলেই প্রমাণিত। আমরা জানি, উদারপন্থি ইসলামের অন্যতম ধারা সূফিবাদ। সাত শ বছর আগেই মরমী বাংলা মরমী সুফী মতবাদকে মনেপ্রাণে গ্রহন করেছে। তার কারণ-
সারা বাংলার মানুষ প্রকৃতিগত কারণেই মিস্টিক। সমাজতন্ত্রীদের ও বাঙালির এই মরমীপ্রবণতাটি মেনে নিতে হবে। ওয়াহাবী জামাতীরা এ দেশে ঠাঁই পাবে না -কারণ- ওয়াহীবা কোনও প্রকার রহস্যবাদের ধার ধারে না। তখন আমি মওদূদীকৃত
কোরানের তফসির তাহফিমুল কোরান-এর কথা উল্লেখ করেছি। আমরা জানি, কোরানে সুরা ফিল নামে একটি সুরা রয়েছে। যে সুরায় অলৌকিক আবাবিল পাখির কথা রয়েছে। যে পাখি কঙ্কর রেখে আগ্রাসী আবরাহা বাহিনীকে ধ্বংস করেছিল। বাংলাদেশের মানুষ অলৌকিক আবাবিল পাখির। মওদূদীর ব্যাখ্যা একেবারেই অন্যরকম। আবদুল ওয়াহাবের মাজার ভাঙ্গার ঘটনাটি স্মরণ করুন। কাজেই জামায়াত ই ইসলাম মিষ্টিক নয়। যে কারণে এরা বাংলাদেশে অস্পৃশ্য: এদের উত্থান সালাফি-ইবনে হাম্বল>আবদুল ওয়াহাব> সৈয়দ কুতুব> আবুল আলা মাওদূদী ...
আর বাংলাদেশে ইসলামের ক্রমবিকাশ- বুদ্ধ>সুফিবাদ> হজরত শাহ্ জালাল ...বাংলার মাঠেপ্রান্তরে লক্ষ লক্ষ সূফি মিস্টিক বাউল আজও ঘুরে বেড়াচ্ছে। কাজেই এই ক্ষুদ্র যুদ্ধাপরাধী রক্ষণশীল কট্টরপন্থি গোষ্ঠীর আপাতত আবহমান কোনও ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি না। এরা দু-বার অন্যের ঘাড়ে জেঁকে বসে ক্ষমতার স্বাদ পেয়েছিল। (১) ১৯৭১ সালে। পাকিস্থানী সেনাবাহিনীর ঘারে চেপে বসে। (২) ২০০১ সালে ফ্যাসিবাদী উগ্র ডানপন্থিদের ঘাড়ে এরা চড়ে বসেছিল ৪ দলীয় জোট নামে।
ওয়াহাবীবাদের পাকিস্থানী সংস্করনকে গ্রহন করতে হলে রাতারাতি আবহমান বাংলার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ভুলে যেতে হবে। সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে যা সম্ভব নয়।
আর যুদ্ধাপরাধীর বিচার?
রক্ষণশীল কট্টরপন্থিদের উৎস সৌদি রাজতন্ত্রে ধ্বংস কামনা করে সমগ্র আরব উপদ্বীপে উদারপন্থি গনতান্ত্রিক গ্রগতিশীল আরব শক্তির মানবিক উত্থানের জন্য অপেক্ষায় থাকা।

তথ্য উৎস:

আবদুল ওয়াহাব,সৈয়দ কুতুব, মওদূদী প্রসঙ্গে উইকিপিডিয়ার নানা প্রবন্ধ।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ওয়াহাবী ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ/নিবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৭
নাদান বলেছেন: একটানে পড়লাম। প্রিয়তে।
২. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯
এস্কিমো বলেছেন: একমত। সৌদী কানেকশানই জামায়াতের মুল শক্তি।

নামটা মনে হয় হবে মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহাব। বাবার নাম ছিলো আবুদল ওয়াহাব। উত্তর আমেরিকার শক্তিশালী ইসলামী সংগঠন ইসনা এই মতবাদ অনুসরন করে।

বাংলাদেশে যে ইসলাম অনুসরন করা হয় - তা মুলত সুফীবাদের উপর প্রতিষ্টিত। ওহাবী মতবাদ চালু করা কঠিন হবে। ওহাবী মতবাদের চুরমপন্থার কারনেই জামায়াতের কোটি কোটি টাকার প্রকল্প শুধু নিজেদের বিলাসী জীবনের জৌলুস বাড়ানো ছাড়া সাধারনের মাঝে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি।
৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৮
নস্যরাজ বলেছেন: এ বিষয়ে আরো কিছু লেখা চাইছি
৫. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৬
সপ্ন বলেছেন: এ বিষয়ে আরো কিছু লেখা চাইছি - সহমত
৬. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৪
পথিক!!!!!!! বলেছেন: হু অনেক টুকরো টুকরো জানা অজানা বিষয় ..সম্মিলিত আকারে পেযে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

প্রিয় সোকেজে ঢুকালাম
৭. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৩
পাপী বলেছেন: ঠান্ডা মাথায় পুরোটা আবার পড়তে হবে।
৮. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: যতক্ষন পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র জামাতীঁ সৌদী কানেকশন উপেক্ষা না করতে পারবে ততক্ষন পর্যন্ত জামাতীরা এই দেশে নিরাপদ।
৯. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
বিবর্তনবাদী বলেছেন: একটানে পড়লাম। আমাদের সকলের এইপোস্টটি পড়া উচিত। কিছু বলার ছিল।

অনেকদিন ধরেই ইসলামে কট্টরপন্থিদের দ্বারা কি ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে একটি পোস্ট দিতে চাচ্ছিলাম। সময় করে পোস্ট দিয়ে, সেই পোস্টে বলব।

পোস্টটি প্রিয়তে রেখে দিলাম।
১০. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: ভাল লাগল।

শুধু উইকিপিডিয়ার উপর নির্ভর করেঅনেক কিছু গুলিয়ে পেলেছেন।

এই সম্পর্কে আরো অনেক পড়ুন।
১১. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯
সত্যান্বেষী বলেছেন:
তোমাকে নিশ্চয়ই একদিন এনে দিব বর্বর ইসলাম মুক্ত পৃথিবী
যেখানে ভালবাসার জন্য আদিমের দল
আমাদেরকে অর্ধেক মাটিতে পুতে পাথর ছুড়ে মারবে না।
যেখানে ক্ষুধার অন্ন চুরির মতো অপরিহার্য অথচ তুচ্ছ ঘটনায়
আমার ডান হাত এক কোপে কব্জি থেকে আলাদা করে দিবে না কুৎসিতের দল।

কিন্তু তার আগে চাই সমাজতন্ত্র।



কৃতজ্ঞতা: নির্মলেন্দু গুণ।
১২. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৬
রাজর্ষী বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। একেবারে খাটি ইতিহাস আর বিশ্লেষন
১৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৫
রাঙা মীয়া বলেছেন: অন্যতম সেরা এই পোস্ট। সাবলীল ভঙ্গিতে অনেক কিছুই তুলে ধরেছেন দেখছি। সময় নিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়তে হবে।
১৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৪
সত্যান্বেষী বলেছেন: দুর্দান্ত পোস্ট।
১৫. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৬
নারিকেল-জিন্জিরা বলেছেন: +++++
খুবই ভাল লাগল।
অনেক শ্রম, মেধা আর যত্ন দিয়ে পোষ্টি লিখেছেন। এই জন্য অনেক অনেক সাধুবাদ।
আরো লিখবেন আশ করছি।
১৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫২
অ্যালন বলেছেন:
আপ্নার পোষ্টগুলো সব্সময়ই ভাল লাগে..+..
১৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৭
নীল অরন্য বলেছেন: আপ্নার পোষ্টগুলো সব্সময়ই ভাল লাগে..+..
১৮. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫০
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:

পুরো পড়া হলো না, সময় করে পরে পড়বো। প্রিয়তে নিলাম, যতটুকু পড়েছি খুব ভালো লেগেছে, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

এ পর্যন্ত তো ৩৪ হলো, এ মাসেও কি সেঞ্চুরি হবে না কি?
আপনাকে দেখে অবাক হই, পারেন কি করে?
আপনার তো টুকরো টুকরো এক দুলাইনের পোস্ট না, সবকটিই বিশাল গবেষণালব্ধ ও পরিশ্রমসাধ্য লেখা।

এগুলো কি আপনি অনেক আগেই লিখেছেন- এখানে শুধু পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করছেন, এমন কি?
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। লেখার অভ্যেস তো আছেই। আর বাংলা টাইপে আমার ভালো দখল। আর লেখালেখির অবাধ সুযোগ পরিবার থেকে। আর্থিক অবস্থা মোটামুটি-চাকরি কিংবা ব্যবসায় সময় খরচ হয় না। আর বিয়ে করিনি।
আর সৌভাগ্যবশত ছেলেবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক পরিবেশে বড় হয়েছি। ইতিহাস /সঙ্গীত /দর্শন ও সাহিত্য আমার প্রিয় বিষয়। এসব বিষয়ে দখল মোটামুটি। আর, কোনও কিছু নিয়ে উপলব্দি স্বচ্ছ হলেই লিখতে পারি। তবে সে লেখাটা বিতর্কিত হতেই পারে-
আর বই লেখার কথা এখনও ভাবছি না। ছোট ছোট লেখাই ভালো লাগে। তবে জীবনে যা যা লিখলাম তা নিয়ে বড় একটা উপন্যাস লেখার ইচ্ছে রয়েছে। আমার বয়স ৪০। হয়তো দু-এক বছরের মধ্যেই শুরু করব বেঁচেবর্তে থাকলে।
আমার মতন একজন সাধারণ লেখকের প্রতি আগ্রহ দেখানোর জন্য ধন্যবাদ।

১৯. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: অনেক চিন্তাশীল পোষ্ট ; নতুন কিছু জানলাম
২০. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৭
রাযহান বলেছেন: সোজা প্রিয় তালিকায় ++++++++++++
২১. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৯
লালন অনিক বলেছেন: অসাধারণ!
আপনার পাঠের দৌড় আমাকে অবাক করছে...




ভালথাকা হউক
২৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৩
শাদা-অন্ধকার বলেছেন: এমন বিশ্লেষনধর্মী পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। প্রিয়তে রাখলাম।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১০
কৌশিক বলেছেন: মন্তব্যের জবাবে আপনার ছোট্ট প্রোফাইলটা টুকে রাখার মত। কৌতুহলদ্দীপক, আকর্ষণীয়, সরল অথচ ট্যালেন্টেড। ভক্ত হয়ে গেলাম।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কৌশিক।

২৬. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
ইফতিখাইরুল আলম রাকিব বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম্‌,......বাংলা ভাল লিখতে পারি না তাই বেসি কিছু মন্তব্য করতে পারলাম না......এককথায় চমতকার।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: Thanks

২৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪৬
তরু বলেছেন: বিষয়টা ভালো ছিলো।
প্রস্তুতি কম মনে হয়েছে।
লেখাটা দুর্বল মনে হয়েছে। লেখার বিষয়ের চেয়ে যখন ক্ষোভ প্রকাশ মুখ্য হয়ে ওঠে, তখন এই সমস্যা হয়। ভবিষতে এটা খেয়াল রাখলে আমাদের জন্য ভালো হয়। তাতে আরো যুক্তিসমৃদ্ধ হয় লেখা।

তবু প্লাস।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: অল্প কথায় দু-একটা কথা কেবল বলতে চেয়েছি। হিসটোরিকাল ব্যাকগ্রাউন্ড। যুক্তি তর্কের ব্যাপার না। এসব বিষয়ে নিরেপেক্ষতা বজায় রাখা যায় কি? যা বলতে চেয়েছি অনেকেই বুঝেছে বলেই মনে হল।
ধন্যবাদ।

০১ লা মে, ২০০৯ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩০. ০৪ ঠা মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪০
সুখি মানুষ বলেছেন: আপনার নাম দেখে মনে হচ্ছে নথিপত্রে আপনি মুসলিম হিসেবে নিবন্ধিত। বাবা-মা যখন একখান মুসলমান নাম রেখে ছিলেন (জানি না এখন আপনি নিজেকে মুসলমান দাবী করেন কিনা) তবে ইসলাম ও ইসলামী ব্যক্তিত্ব নিয়ে পাশ্চাত্যের অমুসলিমদের লেখা বইপুস্তক পড়াশুনার আগে মুসলিম স্কলারদের লেখা বই-পুস্তক পড়তেন। ইসলামে কট্টরপন্থী ও উদারপন্থী বলে কোন বিভাজন কি আদৌ আছে? কোরানে যদি ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিনীকে পাথর মেরে হত্যা করার বিধান থাকে তাহলে এ বিধানকে অস্বীকার করা কি ইসলাম না অনৈসলাম? নাকি ইসলাম ও ইসলামী বিধি-বিধানকে অস্বীকার করার এটা নতুন কৌশল? আল্লাহ্‌ মুসলমানদের সুমতি দিন।
০৫ ই মে, ২০০৯ ভোর ৫:০৩

লেখক বলেছেন: আল্লাহ্‌ মুসলমানদের সুমতি দিন।

৩১. ০১ লা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:০২
েমাসেেলহ বলেছেন: পুরো পোষ্টে একটি সত্যি কথা পড়ে ভাল লাগল।শেখ হাসিনাও কি এক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম? তিনি বলেছেন যে তিনি (২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে) নির্বাচিত হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবেন। আসলে এটি একটি নির্বাচনী ফাঁকা বুলি মাত্র। তার পক্ষেও সৌদি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে যাওয়া সম্ভব হবে না।
০১ লা জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: তার পক্ষেও সৌদি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে যাওয়া সম্ভব হবে না।

২৫ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৩. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৪১
রুদ্র'৭১ বলেছেন: বর্তমান সরকারের হাবভাবে মনে হচ্ছে তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে চায় এবং বিলম্বিত করার প্রক্রিয়া রীতিমত শুরু করে দিয়েছে। হতে পারে এটা সৌদি প্রভাবের ফল।
শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল হিসেবে,মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দল হিসেবে আমরা যারা আওয়ামী লিগের পক্ষালম্বন করে আসছি (বিএনপি জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে মাতামাতি করলেও তাদের নেতাদের আচার আচরণ কথাবার্তায় মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের দল বলে মনে হয় না)। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করে, আ.লীগ যদি জনগণের সাথে প্রতারণা করে তাহলে এর জবাব জনগণ অতীতে যেমনভাবে দিয়েছে আবারো তেমনিভাবেই দেবে। সিংহাসন থেকে পথের ধুলায় নামিয়ে আনা শুধু সময়ের ব্যাপার হবে।
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: আওয়ামী লীগ ওহাবী সৌদিদের চটাবে না সম্ভবত।

৩৪. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩০
সরকার সেলিম বলেছেন:
নিজের মত করে সবকিছু লিখলেই ইতিহাস হয় না। ইতিহাস চলে তার নিজ্বেস্ব গতিতে নিজেস্ব ভন্গিমায়। স্যাইয়েদ কুতুব, হাসানুল বান্না, মওদুদির অনেক বই আমি পড়েছি তবে আপনার লিখার ইনফরমেশনের সাথে কিছুই মিলাইতে পারছি না। লিখায় ইতিহাস টেনেছেন বাট অনেক গ্যাপ আর মিস ইনফরমেশন দিয়ে লিখছেন। যাষ্ট একটা গোল ফিকসড করে আর সেইটা সমনে ধরে লিখছেন কিন্টূ ডান বা বামে কোন অ্যানালাইসিস হয়নি।

লিখার হাত ভালো চালিয়ে যান।
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৫. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২৩
শুভ৭৭ বলেছেন: হমম।

খেটেখুটে লেখা দিয়েছেন, সেই জন্যে ধন্যবাদ।

লেখা নিয়ে কোন মন্তব্যে যেতে চাইনা, কারণ বিষয়টি আমার কাছে পরিস্কার নয়। তবে লেখককে একটি অনুরোধ, এতই যখন খাটা-খাটুনি করেছেন, তখন ভাল রেফারেন্স পড়ুন।

উইকিপিডিয়া পৃথিবীর কোন স্কলারের কাছে গ্রহনযোগ্য রেফারেন্স হতে পারে না। এই জন্যেই আপনার এত পরিশ্রমের এই লেখাটির ফল শুন্য।

তবে, আপনার লেখার হাত ভাল। তাই + দিলাম।
৩৬. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: লেখার ফল শূন্য না।
অনেকের কাছেই খুনিদের উত্থানের ইতিহাস পৌঁছে গেছে!
৩৭. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫২
শুভ৭৭ বলেছেন: 'খুনিদের উত্থানের ইতিহাস' আরো গ্রহনযোগ্য রেফারেন্স দিয়ে দিলে লেখাটি অসাধারণ মানের হত।
আমার বক্তব্য কিন্তু উইকিপিডিয়া নিয়ে। অন্য প্রসঙ্গে আমি কিছু বলতে চাই না।
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: উইকিপিডিয়া কি সমস্যা?

৩৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১৮
আলোকিত পৃথিবী বলেছেন: একটানা পড়লাম। ভাল লেগেছে। আমার প্রশ্নহলো তাহলে কি আমরা যুদ্ধপরাধীদের বিচার দেখে যেতে পারবোনা ?
১২ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২৬

লেখক বলেছেন: দেখা যাক কি হয়। ধন্যবাদ।

৩৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫
রুপার পালকি বলেছেন: জামাতিদের লম্প-ঝম্প দেখে আমি সৌদিতে থেকে বাস্তবেই এর প্রমান দেখেছি ।
১৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: ওদের লম্প-ঝম্প পৃথিবীর খুবই সীমাবদ্ধ জায়গায়।

০১ লা আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪১. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩
আকাশ_পাগলা বলেছেন: জ্ঞানী পোস্ট। অনেক কিছু জানলাম। মাথায় থাকবে আমার।
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪২. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:১৫
বঙ্গাব্দ বলেছেন: বোমাটা ফেটে গেল মনে হয়

অনেক কিছু জানলাম
ধন্যবাদ
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
লালসালু বলেছেন: দারুণ পোষ্ট। প্লাস
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৯
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
ইমন ভাই; সত্যি আপনার সব লেখা গুলো নিয়ে যদি একটা বই বের করা যেত খুব ভালো হত। প্রাচীন বাংলা নিয়ে একটা পোষ্ট দিবেন বলেছিলেন।
অপেক্ষায় রইলাম।
ভালো থাকুন সবসময়; অন্তর থেকে সেই দোয়া করি।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:০৯

লেখক বলেছেন: লিখব ভাই। প্রাচীন বাংলা আমার প্রিয় বিষয়।
শুভেচ্ছা রইল।

৪৫. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৩
কার্নেল বলেছেন: সত্যমিথ্যা যাচাই করা হয়নি, তবে ওহাবী একজনকে খুব কাছাকাছি দেখা হয়েছে। আপনার বর্ণনার সাথে কোনো মিল পাইনি। জামাত বা শিবিরের সাথে ওর কোনো সম্পর্ক তো নেইই বরং যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে ওও আমাদের সাথে সোচ্চার। তবে এটা সত্য মুসলিম দেশগুলোকে কব্জা করার কারণেই আজ জামাত এত দুঃসাহস দেখায়।

আমি মৌলবাদ ঘৃণা করি, কিন্ত এই সমাজতন্ত্রী বন্ধুর কথাবার্তাও চরমপন্থী। আমার মনে হয় , এরকম উক্তি করলে মৌলবাদী আর সমাজতান্ত্রিকদের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকবে না।

সত্যান্বেষী বলেছেন:
তোমাকে নিশ্চয়ই একদিন এনে দিব বর্বর ইসলাম মুক্ত পৃথিবী
যেখানে ভালবাসার জন্য আদিমের দল
আমাদেরকে অর্ধেক মাটিতে পুতে পাথর ছুড়ে মারবে না।
যেখানে ক্ষুধার অন্ন চুরির মতো অপরিহার্য অথচ তুচ্ছ ঘটনায়
আমার ডান হাত এক কোপে কব্জি থেকে আলাদা করে দিবে না কুৎসিতের দল।

কিন্তু তার আগে চাই সমাজতন্ত্র।"


২১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৪৬. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২০
লালসালু বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম
৪৮. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৪
মদনঠাকুর বলেছেন: আসলে সবকিছুর মূলেই রয়েছে ইসলাম ।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: ইসলাম।

৪৯. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২১
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: অনেক দেরীতে পড়লাম।
ভাল লাগল।

প্রিয়তে রাখলাম।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৫০. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪
শয়তান বলেছেন: এতো দেরি করে পড়ার জন্য নিজে ধিক্কার :(

প্রিয়পোস্টে
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ

৫১. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪
মাঠশালা বলেছেন: প্রিয়তে।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
নির্জন সাক্ষর বলেছেন: ভাই, আপনি ব্যাপক তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন।

সালাফি/জামায়াত/সৌদি সরকার প্রত্যেকেই ভিন্ন আদর্শে বিশ্ব্বাসী, এরা এক না।

মুসলমানদের চারটা মাজহাব আছে, সালাফিরা এদের কাউকে অনুসরণ করে না। জামাতিরা প্রায় সবাই হানাফি মাজহাব অনুসরণ করে। অন্ততঃ আমি কাউকে পাইনি, যে সালাফি/ওয়াহাবী। সালাফিদের চেনার প্রথম উপায় হল, এরা নামাজে বুকে হাত বাধেঁ, এরা কোনমতেই চরমপন্থী না। এরা জামাতিদের দেখতে পারে না। এরা সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ করে।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪৬
আরেফিন জিটি বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম। পরে সময় করে পুরোটা পড়া যাবে। ধন্যবাদ।
৫৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
শয়তান বলেছেন: পুরোনো ব্লগ ঘাটতে ঘাটতে একটা দারুন ভিডিও লিংক পেলাম

Click This Link



মুল পোস্টের লিংকঃ জামাতীদের সাথে সৌদী ওহাবী কানেকশন:
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। দেখছি।

৫৬. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০২
অন্যরকম বলেছেন: প্রিয় ইমন জুবায়ের, আপনার প্রচুর লেখা আমি পড়েছি এবং কমেন্ট করেছি। খুব ভাল লেগেছে লেখাগুলো। কিন্তু এই লেখাটা আমার কাছে ব্যতিক্রম মনে হয়েছে। অনেক পয়েন্টের সাথে আমি দ্বিমত পোষণ করছি।

আপনি বলেছেন, "ওই সময়ে নাজদ প্রদেশে ইবনে হাম্বলীর ব্যাখ্যা জনপ্রিয় ছিল। কঠোর শাস্ত্রভিত্তিক বলে হাম্বলীর ব্যাখ্যা ইষৎ কট্টর। হাম্বলী মাজহাবকে কট্টর বলার কারণ আছে।"

হাম্বলী মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম আহমেদ হাম্বল সম্পর্কে অন্যান্য ইমামের মতামত হচ্ছে যে ইমাম আহমেদ কুরআনকে কারআনের মত করে বুঝেছেন এবং ব্যাখ্যা করেছেন। এখন আপনি যদি তাঁকে কট্টরপন্থি বলে থাকেন তাহলে সেটা আপনার বোঝার ভুল। (আমি জানি না আপনি তাঁর ব্যাখ্যা পড়েই এই সিদ্ধঅন্তে এসেছেন নাকি অন্য কারও বিদ্বেষপ্রসুত লেখা পড়েই উপরের মন্তব্য করেছেন.... সোর্স উল্লেখ করলে ভাল হত।)

"ওখানে সবাই তার মতো কট্টরপন্থি ছিল না। অনেকেই ছিলেন উদার সূফিসাধক। এরা ছিল ওয়াহাবের দুচোখের বিষ।"
উদার সুফিসাধক বলতে কাদেরকে বুঝাচ্ছেন সেটা ক্ল্যারিফাই করলে ভাল হত। সুফি শব্দটা এসেছে আসহাবে সুফফা থেকে, মদীনার মসজিদে নববীতে যে ৭০/৮০ জন সাহাবী সম্পূর্ণ কপর্দকহীন হয়ে হিজরত করেছিলেন এবং সবসময় এইখানে থেকেই কুরআন ও সুন্নাহ নিয়ে গবেষণা বা চর্চা করতেন তাঁরা। কিন্তু এখন সুফি বলতে আমরা কিছু বাউল টাইপ লোকজনকে বুঝি যাদের সাথে মারফতি গান আর গাঁজা ছাড়া কুরআনের লেশ মাত্র সংস্পর্শ থাকে না।যাই হোক,"ওয়াহাব উদারপন্থিদের সঙ্গে তর্ক করে আলোচিত হন।" দ্বীনের যেকোন বিষয়ে তর্ক করতে ইসলামে কোন বাধা দেওয়া আছে বলে জানা নাই।

"এক কথায় সালাফি মতবাদ হল ইসলামের আদি ও অকৃত্রিম ধ্যানধারনার ধারক।" -- সালাফি মতবাদটা কি সেটা নিয়ে হালকা ব্যাখ্যা দিলে ভাল হত!

"আসলে ইসলাম ৭ম শতক থেকেই কট্টরপন্থি ও উদারপন্থিতে বিভক্ত। যে কারণে ওয়াহাবের সংস্কার অনেকেই পছন্দ করেননি।"

ইবনে ওয়াহাবের সংস্কারের একটা বড় অংশ ছিল তৎকালিন সময়ের মাজারপূজার বিরুদ্ধে। যেটা ছিল স্পষ্টই শিরক। এখন এই শিরক উচ্ছেদের আন্দোলন যদি কট্টরপন্থা হয়, তাহলে আমি বলব 'ধর্ম হিসেবে ইসলাম কট্টরপন্থী কিন্তু জীবন-বিধান হিসেবে উদার এবং ন্যায়পন্থী'

এটা ঠিক যে মুহাম্মদ ইবনে ওয়াহহাবের আন্দোলনকে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছিল তৎকালিন নব্য প্রভাবশালী সউদ পরিবার। যারা পরবর্তিতে তুর্কীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে। এবং সমগ্র আরব উপদ্বীপে (ইয়েমেন, ওমান, বাহরাইন বাদে) মারাত্মক প্রভাব বিস্তার করে, যে প্রভাব এখনও বিদ্যমান। এখন সেই রাজতন্ত্রের দোষত্রুটির কারণে আপনি একটি সফল আন্দোলনকে দোষারোপ করতে পারেন না। আর যদি করেনও তাহলে সেটা অবশ্যই স্পেসিফিক হতে হবে এবং সেটার রেফারেন্স দিতে হবে (আমার মতে)। আশা করছি আপনি অন্তত কিছু হলেও রেফারেন্স দিবেন।

... ... ...


০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য ভালো লাগল। পরে সময় করে আপনার মন্তব্যের ওপর আমার লেখাটি এডিট করব।
ধন্যবাদ।

৫৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৪
অন্যরকম বলেছেন: এবার মুসলিম ব্রাদারহুড নিয়ে কথা বলি,

আপনি বলেছেন,"সৌদি ওয়াহিবারা যে সব সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে বিপুল অর্থ দিয়ে সাহায্য করে তার অন্যতম হচ্ছে মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুড। "
মুসলিম ব্রাদারহুড একটি সন্ত্রাসী সংগঠন এটা আমি এই প্রথম শুনলাম। কোন চিরায়ত ইসলামী আন্দোলনকারী ইখওয়ান সম্পর্কে এই ধারণা পোষণ করে না। কট্টরপন্থি কিছু পশ্চিমা মিডিয়া যদি এই দাবী তরে থাকে তাহলে ভিন্ন ব্যাপার।

"বলাবাহুর‌্য কট্টরপন্থি লোক ছিলেন বাননা। এর শিষ্যরা সবাই বিশ্বজুড়ে নাকি ওয়াহাবীবাদ কায়েমের জন্য মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার শপথ নিয়েছিল।" -- এই তথ্যটার রেফারেন্স দয়া করে জানাবেন। কারণ আমি হাসান আল বান্নার ডায়েরী পড়েছি। (এর বাংলা অনুবাদ আপনি যেকোন লাইব্রেরীতেই পাবেন, সাহিত্যিক মান বিবেচনায় অনুবাদ খুব একটা সুখপাঠ্য না হলেও ব্যক্তি হাসান সম্পর্কে তার আত্মজীবনী পড়ে অনেক কিছু আপনার ক্লিয়ার হবে।).... সেই ডাইরীতে ওয়াহাবিবাদ কায়েমের জন্য মৃত্যূকে আলিঙ্গনের কোন শপথের উল্লেখ পাইনি (আমার স্মৃতি যদি বিশ্বাসঘাতকতা না করে থাকে!)।

"সৈয়দ কুতুবই ছিলেন আলকায়দার স্বপ্নদ্রষ্টা। সৈয়দ কুতুবের পথে তারপর হাঁটল ওসামা বিন লাদেন। আইমান আল জাওয়াহিরি।" -- জুবায়ের ভাই, সাইয়েদ কুতুবের মনের কথা আপনি কি করে বুঝতে পারলেন? তিনি কি তাঁর কোন বইতে আলকায়েদা টাইপের কোন সংগঠনের কথা বলেছেন? ব্রাদারহুডের সাথে আল কায়েদার সংবিধান বা কর্মপদ্ধতির কোন কোন জায়গায় মিল আছে? ব্রাডারহুড কি এখনও কোন নিষিদ্ধ সংগঠন? মিশরীয়রা ব্রাডারহুডকে কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে? -- এই প্রশ্নগুলো কিন্তু এমনিতেই চলে আসে। আপনার কাছ থেকে উত্তের অপেক্ষায় রইলাম! :)
৫৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭
অন্যরকম বলেছেন: এবং মওদুদী,

মওদুদী সম্পর্কে কি লিখব বুঝতেছি না। তার বেশ কিছু বই পড়েছি, তার বিরুদ্ধবাদীদের মতামতও দেখেছি/পড়েছি। আবার তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের যুক্তি মওদুদীর নিজেকেই খন্ডাতে দেখেছি (পড়েছি)। আবার কোন এক বইতে মওদুদীকে নিজের ভুল স্বীকার করে দুঃখপ্রকাশ করতেও দেখেছি (খুব সম্ভবত বইয়ের নাম: খেলাফত ও রাজতন্ত্র)।
একই সাথে আলোচিত-সমালোচিত বিতর্কিত এবং প্রখর মেধাসম্পন্ন সুলেখক (তার লেখায় যে যুক্তি থাকে, সে যেই মতবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেটাকে সুলেখনী এবং প্রখর যুক্তির মাধ্যমে পাঠককে ব্রেইন ওয়াশে পারঙ্গম!) সম্পর্কে আমার মন্তব্য করাটা ঠিক বেমানান। কারণ এখনও তার সম্পর্কে আমি যথেষ্ট ধোয়াশায় আচ্ছন্ন (কারণটা ব্র্যাকেটেই উল্লেখ করেছি!)।

৭১ এ তার ভূমিকা সম্পর্কে এখনও কোথাও তেমন কিছু পাই নি। সেটা কি পাকিস্তানিদের পক্ষে ছিল না বিপক্ষে, গণহত্যার পক্ষে না বিপক্ষে। (কারণ ঐ সময়ে সমগ্র পাকিস্তানের জামাতের আমীর অন্য কেউ একজন ছিল, মওদুদী খুব সম্ভবত আমেরিকায় ছিল মারাম্তক অসুস্থতার কারণে, যদ্দুর জেনেছি মওদুদী ক্যান্সার বা এজাতীয় গুরুতর কোন অসুখে ভুগছিল।)। যাই হোক, মওদুদি সম্পর্কে তার বিরুদ্ধবাদীদের যে কোন লেখা বা তার যে কোন যুক্তির খন্ডনের কোন টার্ম বা বই পড়ার ইচ্ছা রইল।

পোস্ট পর্যবেক্ষণে নিলাম, আপনার উত্তরের অপেক্ষায়.... শুভ ব্লগিং :)
৫৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৫
অন্যরকম বলেছেন: ও.... আরেকটি কথা, ব্রিটিশ আমলের কোন এক বিচারক... নামটা খুব সম্ভবত কাজী.... (কিছু একটা হবে।) এর লেখা (মূলত বিভিন্ন বইয়ের রেফারেন্স থেকে উদ্ভুত) "ওহাবী আন্দোলন" নামে একটা বই পড়েছিলাম। ওহাবী সম্পর্কে যে কেউ জানতে চাইলে এই বইটা বেশ ভাল কাজ দিবে। ভাল বাংলা অনুবাদ পাওয়া যায়। ওহাবী আন্দোলনে ইতিহাস, বাংলা তথা সমগ্র উপমহাদেশে এর প্রভাব, সৈয়দ বেরেলভী, শরীতউল্লাহ, তীতুমীর এ সব সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা আছে ঐ বইটিতে।



....

আপাতত পোস্টে কোন রেটিং করিনি..... আপনার বাকি কমেন্ট পড়ে সিদ্ধান্ত নিবো... :P
৬০. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩
শয়তান বলেছেন: বিশেষ প্রয়োজনে ঠেলা
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪২

লেখক বলেছেন: দরকার আছে।

৬২. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৪
মির্জা ইউক্লিড বলেছেন: আল্লাহুয়াকবার......... পাঠ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্তি দাবিদার।

অসাধারণ লেখার জন্য লেখককে ধন্যবাদ
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৩. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫২
ওবায়েদ বলেছেন: অন্যরকম ভাই আপনার মন্তব্য পড়ে খুব ভালো লাগলো।

লেখা পড়ে মনেহয়েছে লেখক, ইসলাম সম্পর্কে তেমন জ্ঞান রাখেন না।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন: ইসলাম সম্বন্ধে জ্ঞান?

৬৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৩
নুভান বলেছেন: পোস্ট প্রিয়তে।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৫. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:২০
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: সত্যই দূর্দান্ত পোষ্ট, অনেক অজানা জানা হলো
৬৬. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৪৯
দাসত্ব বলেছেন: জিয়া এবং বিএনপিকে উগ্র ডানপন্থী বলার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এই ১ম বারের মত আপনার কোন পোস্টে মাইনাস দিচ্ছি।
বিএনপি এবং জিয়া রক্ষণশীল , তবে জীবনমান ও চলমান জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই দলটিই সবচেয়ে প্রোগ্রেসিভ।

সেটা ছাড়া যুদ্ধাপরাধের ব্যাপারে মিডলইস্ট ফ্যাক্টটা জ্বলজ্যান্ত সত্যি।
২১ শে মে, ২০১০ ভোর ৬:১৭

লেখক বলেছেন: আপনার মতামত আপনি রেখেছেন।
ধন্যবাদ।

৬৭. ২৬ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৮
সালমা রহমান বলেছেন: অসম্ভব ভাল লেখা। প্রিয়তে রাখলাম
৬৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০৩
র হাসান বলেছেন: ভালো পোষ্ট! প্লাস+++++

Free Bangladesh travel information
৬৯. ১৬ ই অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৩:২৮
চড়ুইপত্র বলেছেন: অসাধারন পোস্ট.. ভাল লাগল..প্লাস
৭০. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫৯
বল্টু মিয়া বলেছেন: :-*








ভক্ত হয়ে গেলাম :)
৭১. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:২১
সাকিন উল আলম ইভান বলেছেন: নাদান বলেছেন: একটানে পড়লাম। প্রিয়তে।


অনেক কিছুই জানলাম............অনুসরন করলাম........
৭২. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৫৪
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: মাইনাস।
(কেউ দেয়না দেখে এমনি এমনি দিলাম। লেখা ভালা হইচে। টুলবার দেখা দিলে প্রিয়তে নিয়া নিমু।)
৭৩. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৪৮
এক্স বলেছেন: যারা ইসলাম ও এর ইতিহাস সম্পর্কে কম জানে তাদের কাছে ভাল লাগবে, যারা জামাত কে অপছন্দ করে তাদের কাছে অসাধারন লাগবে তবে ঐতিহাসিক দলিলের শক্ত ভিত্তি না থাকায় অনেকের কাছে ভাল নাও লাগতে পারে. তবে তথ্যগত দূর্বলতার জন্য অনেকেই ভুল ইতিহাস জানবে এটাই আমার শঙ্কা.

ওয়াহাবীরা উসমানী খিলাফাতের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরে হিজাজকে পৃথক করে ফেলে. এর পেছনে অস্ত্র ও ভুল মতবাদ দিয়ে সাহায্য করেছিল ব্রিটিশরা যে কথা আপনি উল্লেখ করেননি. নজদের ওয়াহাব ছিল ব্রিটিশ কমনওয়েলথ মন্ত্রনালয়ের স্পাই হ্যামফারের প্রজেক্ট. এরা ভয়াবহ শরীয়াহ বিরোধী ছিল এবং রাজতন্ত্রকে পাকাপোক্ত করার জন্য কুরআন অবমাননা ও রাসূল সা কে অবমাননার মত চরম কাজ করেছে. বর্তমানে তারা এলাই পরিবর্তন করে এখন মার্কিনদের আন্ডারে কাজ করছে. আপনার পোস্টে সৌদির মদদদাতা ব্রিটেন আর মার্কিনদের কোন উল্লেখ নেই. কিন্তু এরাই ছিল এবং এখনও প্রত্যক্ষ্য ভাবেই সৌদিদের অমানবিক কর্মকান্ডে মদদ দিয়ে যাচ্ছে. ইজিপ্টে যেমন মার্কিনরা সৌদিদের মাধ্যমে মোবারককে সমর্থন দিচ্ছে তেমনিই ৭১এও তারা সৌদিদের মাধ্যমে ইয়াহিয়া খানকে সহায়তা দিয়েছিল. পরবর্তীতে স্বাধীনদেশে তারা বেছে নেয় কোনঠাসা একটা পার্টিকে যারা এদেশে তাদের ক্রীড়ানক হয়ে থাকবে, এবং সেই পার্টিটা হল জামাত.

মার্কিন-ব্রিটিশদের ছাড়া ওহাবীদের কোন অস্তিত্ব পূর্বেও ছিল না বর্তমানেও থাকত না ভবিষ্যতেও তৈরি হত না. জামাতকে যত সহায়তা করা হয় তা ওহাবীরা নয় বরং মার্কিনরা করে থাকে ওহাবীদের মাধ্যমে. সচেতন মানুষ হিসেবে আমাদের সকলেরই এই বাস্তবতাটা বোঝা উচিত.

(আপনি ইসলাম সম্পর্কে যে মনোভাব পোষন করেন তা সেকুলার মনোভাব এবং ইসলাম এর থেকে অনেক পবিত্র. ইসলাম বাকী ৭৬ টি সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত নয় বরং এটি বিশ্বে বিরাজমান ৩টি আদর্শের (পুজিবাদ-গনতন্ত্র, কমিউনিজম ও ইসলাম) একটি. এই আদর্শের জয়ের জন্য মার্কিন-রাশিয়ারা কোটি কোটি মানুষের জীবন হানি করেছে. এই আদর্শের জন্য মার্কিনরা ভিয়েতনামে সমগ্র ২য়বিশ্বযুদ্ধের থেকেও বেশি বোমা নিক্ষেপ করেছে ও লক্ষ লক্ষ লোককে গুলি করে পুড়িয়ে মেরেছে. রাশিয়াও তার আদর্শের জন্য ইউরোপে খুন হত্যা গুম করেছে. তাই ইসলাম একা নয় যে আদর্শের জন্য মানুষ হত্যা করেছে. মুসলমানরা কখনও দখলের উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করত না করলে প্রাচীন বাংলার সুলতানদের পতনের সাথে সাথে ইসলামেরও পতন ঘটত. রজম (পাথর ছুড়ে হত্যা), হাত কাটা, ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধ করা মুসলমানদের উপর ফরয, কুরআনে তাই হুকুম আছে, রাসূল সা তাই করেছেন এবং ইসলাম পৃথিবীকে সমৃদ্ধি ও বহুজাতিক মিলনক্ষেত্রে পরিনত করেছিল. এটাই ইতিহাস. কট্টরপন্হার কথা বললে মার্কিনদের থেকে কট্টর আর কারা আছে যারা নিউক্লিয়ার বোমা মেরে একবারে লক্ষাধিক লোককে হত্যা করেছে, অথবা ব্রিটিশরা যারা উপনিবেশিক আমলে টাকার জন্য চালের দাম বাড়িয়ে এক কোটি বাঙ্গালীকে অনাহারে রেখে মেরেছিল.

আপনি যদি মুসলমানদের ধর্মান্ধ ব্রেইনওয়াশড বলেন তবে বলব ইসলাম ব্রেইনে নয় মাইন্ডে কাজ করে, ব্রেইনে কাজ করে পুজিবাদ-সেকুলারিজম, কমিউনিজম ও মোল্লাতন্ত্র. এবার নিজেই ভেবে দেখুন আপনি কি এনলাইটেন্ড না ব্রেইনওয়াশড.)
৭৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:২১
শয়তান বলেছেন: বিশেষ প্রয়োজনে আবারও ঠেলা
৭৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩০
রাজসোহান বলেছেন: ওহ, কি পোস্ট পড়লাম! শয়তানের ঠেলা বৃথা যায় নাই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৯৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ