somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হরিচাঁদ ঠাকুরের দ্বাদশ আজ্ঞা

২০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইটকাঠের শহরের বাইরে যে বাংলা -বিশাল বাংলা- সেই নদী বিধৌত সবুজে আজও পবিত্র প্রাণ অনন্তের স্বর্গীয় দূতের আবির্ভাব হয়। তাঁরা গানে গানে মূখর করে তোলেন বাংলার পথ ও প্রান্তর- মনে করিয়ে দেন আবহমান বাংলার প্রেম ও ভক্তিমূলক শ্বাশত বাণী। যুগ যুগ ধরে লোকজ বাংলার জনমানুষ অপেক্ষা করে থাকে কখন তেমনি এক স্বর্গীয় দূতের আবির্ভাব হয়। তেমন হলে শাঁখ বাজিয়ে বরণ করে নেবে। তারপর সে অলীক জন্মের পর পবিত্র প্রাণটি মুঠো মুঠো সাদা খই ছড়ায়ে হেঁটে বেড়ান গ্রাম্য প্রান্তরের পথে। গান গান। তাঁর গানে কাতর হয় পাখি। এক সময় দূরের নক্ষত্রের ইশারায় দূর নক্ষত্রের দেশে তিনি হারিয়ে যান। তারপর তিনি হয়ে ওঠেন কিংবদন্তী। তারপর মানুষের মুখে মুখে ফেরে তাঁর অলৈকিক বৃত্তান্ত। দক্ষিণ বাংলার হরিচাঁদ ঠাকুর সেরকমই একজন।

দক্ষিন বাংলায় পৃথিবীখ্যাত একজন রাজনৈতিক নেতার জন্ম হয়েছে। বঙ্গবন্ধু। দক্ষিন বাংলায় পৃথিবীর শুদ্ধতম একজন কবির জন্ম হয়েছে। জীবনানন্দ। দক্ষিন বাংলায় বিশ্বমানের একজন আধ্যাত্মিক নেতার জন্ম হয়েছে। যার নাম বাংলাদেশের মূলস্রোতে আলোচ্য নয় । এই আক্ষেপ। আজ এই আক্ষেপ খানিক দূর করি।
হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্ম দক্ষিণ বাংলার গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানীর ওড়াকান্দি গ্রামে। পিতা যশোমন্ত ঠাকুর ছিলেন মৈথিলী ব্রাহ্মণ এবং নিষ্ঠাবান বৈষ্ণব। ১৮১১ সনের ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষীয় ত্রয়োদশীতে তাঁর ঘর আলো করে একপুত্র সন্তান জন্মাল। যশোমন্ত ঠাকুর পুত্রের নাম রাখলেন হরি। ফুটফুটে শিশু।
দিনে দিনে বড় হতে লাগল শিশু হরি।
বালকবয়েসে সম্ভবত বালক হরির ওড়াকান্দির পাঠশালায় যেতে ভালো লাগত না। না লাগারই কথা। যিনি সমস্তই জানেন পাঠশালায় তিনি কী শিখবেন! মধুমতি নদীটি বাড়ির কাছেই । বালক ধূলোমলিন পথে হাঁটে। একা। হাঁটে আর তার ভিতরে এই বোধ জন্ম লয়:

আমরা দেখেছি যারা নিবিড় বটের নিচে লাল লাল ফল
পড়ে আছে; নির্জন মাঠের ভিড় মুখ দেখে নদীর ভিতরে;
যত নীল আকাশেরা রয়ে গেছে খুঁজে ফেরে আরো নীল আকাশের তল ...
(মৃত্যুর আগে। জীবনানন্দ দাশ)

বালক হাঁটে। হাঁটে আর তার ভিতরে এইসব বোধ জন্ম লয়। নদীর ধারে প্রান্তর। প্রান্তরের ওপর আশ্বিনের ফিরোজা রঙের আকাশ। প্রান্তর ঘিরে নীল সবুজ গাছপালা। বুনো কেতকীর ঘ্রান। ঘুঘুর ডাক। বালক দ্রুত হাঁটে। মাধব অপেক্ষা করছে। মাধব রাখাল। রাখাল মাধব হরির বন্ধু। হরির রাখাল বন্ধু। হরি গোরু প্রান্তর আর রাখাল বালকেরে ভালোবাসে। ভালোবাসে তালতমালের বন, রোদ, গাছের ছায়া, পূর্বাহ্নের প্রান্তরের নীরবতা, উদাস দুপুর, ডাহুকের ডাক, হাম্বাধ্বনি।
হরি বাংলার মাঠপ্রান্তর ভালোবাসে।
মাঝিপাড়ার শ্যামলও তার বন্ধু। সে আর শ্যামল গ্রাম থেকে গ্রামে ঘুরে । বালক হরির চোখে বিস্ময়। মানুষের ঘরবাড়ি রোদ কলাগাছ। মৈথিলী ব্রাহ্মণ ঘরের সন্তান বালক হরি। তাতে কী। সমাজে যে কত রকমের ভেদ। হরি উচুঁ নীচু সকল দলের সঙ্গেই মিশে যে! ফুটফুটে বালক। অন্যরকম। মধুর ব্যবহার ! লোকে আকৃষ্ট হয়। পরোপকারী । এক দিন ...
লোকে ভাবে: ‘বামুনের ঘরে জন্ম-চন্ডালের হাতে জল খায়। এ সাক্ষাৎ ভগবান।’
হরি গান ভালোবাসে। রাত জেগে নামকীর্তন শোনে। গানের ব্যপারটা বোঝে সে। বিশেষ করে ভজন।
বয়স বাড়ছে হরির। সঙ্গে সঙ্গে ভাবুকতাও বাড়ছে।
এক বর্ষায় বাবার সঙ্গে নদীয়ার মায়াপুর থেকে ঘুরে এল। এক ফুটফুটে জোছনারাতের চাতালে শুয়ে আছে। ঘুমের ভিতরের স্বপ্নে দেখা দিলেন স্বয়ং চৈতন্যদেব! তরুণ হরির ঘুম ভেঙ্গে গেল। যা বোঝার ছিল বুঝল। ঠিক করল:ওড়াকান্দি ফিরে শ্রীচৈতন্য যা যা প্রচার করে গেছেন সেও তাই প্রচার করবে।
তারপর ওড়াকান্দি ফিরে চৈতন্যদেবের প্রেমভক্তির কথা সহজসরলভাবে প্রচার করতে লাগল হরি।
কখন যে সেসব তার নিজের কথা হয়ে যায়!



চৈতন্যদেবের কথা বলতে বলতে হরিচাঁদ মাতোয়ারা হয়ে যেতেন।
তারপর তিনি যা যা বললেন সে সবই কালক্রমে হয়ে গেল মতুয়াবাদ। যিনি হরির কথায় মাতোয়ারা হন তিনিই মতুয়া। মতুয়া শব্দের অর্থ মেতে থাকা বা মাতোয়ারা হওয়া হরিনামে যিনি মেতে থাকেন বা মাতোয়ারা হন তিনিই মতুয়া। লোকে তাঁর অনুসারীদের বলল মতুয়া। স্থানীয় ভাষায়: মউত্তা।
কত যে শিষ্যশিষ্যা ভিড় করল ওড়াকান্দি গ্রামে। তারা প্রায় প্রত্যেকেই নিম্নবর্গীয় শ্রেণির। ভক্তরা হরিচাঁদকে বিষ্ণুর অবতার মনে করল। তাঁরা নেচে নেচে গাইল-

রাম হরি কৃষ্ণ হরি হরি গোরাচাঁদ
সর্ব হরি মিলে এই পূর্ণ হরিচাঁদ।


হরিচাঁদের নাম কখন যে হয়ে গেল হরিচাঁদ ঠাকুর।
দূরদূরান্ত থেকে তাঁর কাছে শিষ্যরা আসে। শিষ্যারাও। শিষ্যরা বলে-জ্ঞান দেন প্রভূ।
হরিচাঁদ ঠাকুর বলেন, বৈদিক ক্রিয়াকর্মে আস্থাশীল হওয়া ঠিক না। একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী হওয়াই যুক্তিসম্মত। জীবনের লক্ষ হইল প্রেম ও ভক্তি দ্বারা হরির সাধন । আর সাধনমার্গে নারীপুরুষের অধিকার সমান ।
এই কথায় সমবেত ভক্তবৃন্দের মাঝে গুঞ্জন উঠল।
হ্যাঁ, নারীপুরুষ নির্বিশেষে প্রেমধর্মের প্রচার করতে পারে। হরিচাঁদ ঠাকুরের কন্ঠস্বরে দৃঢ়তা। তিনি আরও বললেন, মতুয়া ধর্মের প্রচারককে বলবা গোঁসাই।
মাধবী নামে এক সদ্য বিধবা তরুণী উঠে বলল-আমি গোঁসাই হব ঠাকুর।
তুমি গোঁসাই হবে? -সে তো ভালো কথা মা। হরিচাঁদ ঠাকুরের কন্ঠে আনন্দধ্বনি।
মতুয়া সম্প্রদায়ের নারীরা হরিচাঁদ ঠাকুরকে যা বলার বলেছিল। কাজেই, হরিচাঁদ ঠাকুর বিবাহকে উৎসাহিত করলেও বাল্যবিবাহের কঠোর বিরোধীতা করলেন। ১৮৭৭ সালে হরিচাঁদ ঠাকুরের মৃত্যু। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৃত্যু ১৮৯১। বিধবা বিবাহের বিষয়ে হরিচাঁদ ঠাকুরের বক্তব্য কী ছিল -সে বিষয়ে জানা না গেলেও বাল্যবিবাহের কঠোর বিরোধীতা তাঁর সমাজচেতনার প্রমান।
যাক। হরিচাঁদ ঠাকুর ভক্তদের বললেন, মতুয়া ধর্মের ভিত হইল প্রেম সত্য ও পবিত্রতা। আর, সকল মানুষ সমান। আমরা হইলাম জাতিভেদ বিরোধী। বোসছো। আমরা সক্কলে নিুবর্গীয়। তাই থাকমু। যাক, অনেক কথা হইল। এখন গান ধরো কেউ।
হরিচাঁদ ঠাকুরের প্রর্থনাসভায় অনিবার্য ছিল গান। গান ভক্তরাই রচনা করত। সেই গানকে এখন বলা হয় মতুয়া সঙ্গীত। সে গানে থাকত হরিনামের মাহাত্ম । কখনও কখনও হরিচাঁদ ঠাকুরের প্রশংসাও থাকত। ভক্তরা হরিচাঁদকে বিষ্ণুর অবতার মনে করে। সে রকম একটি গানের চরণ এইরকম:

হরি তোমার নামের মধু পান করল না মন-ভ্রমরা

গানে প্রেম ও ভক্তিরসের প্রাধান্য। প্রতিটি গানের শেষে ভনিতায় রচয়িতার নাম আছে। ভক্তরা নেচে নেচে গান পরিবেশন করে। গানের সঙ্গে সঙ্গে বাজে ঢাক, শিঙ্গা ও ঝাঁঝর। গাইতে গাইতে নাচতে নাচতে অনেকেই মূর্চ্ছা যায় ... কী সুখ কী সুখ -এই সম্মিলিত জীবনের। এদের রাত নির্ঘূম কাটে না। এরা শাকভাতেই সুখি। এদের ঘুমের অষুধ খেতে
হয় না। এরা ঘুমের সুখ পায়। যে কারণে এরা বিচ্ছিন্ন ও ধনী হতে চায় না। এরা দীঘির অতল রহস্য বোঝে ও দীঘির অতল রহস্য ভালোবাসে। এরা জানে: সুইমিংপুলে রহস্য নাই। যে কারণে এরা সুইমিংপুল চায় না। (সুইমিংপুল চিনেও না)। এরাই বাংলা- বাংলাদেশ ... কাজেই বাংলা কখনও ধনী হবে না। এখানে গানওয়ালা স্বর্গীয় দূতের জন্ম হয়। যারা দান করেন গান (ধন নয়) ও সম্মিলিত জীবনের সুখ। এদের আগমন সম্ভব করার জন্য বাংলার অবারিত প্রান্তর রাখাল আর দীঘি থাকবে। চিরকাল। বাংলা কাজেই কখনও ধনী হবে না। বিচ্ছিন্ন অসুখি ও ধনী হবে না।



১৮৪৭ সালের নভেম্বর মাসে কবিয়াল তারকচন্দ্র সরকার জন্ম নড়াইল জেলার জয়পুর গ্রামে । কবিয়াল তারকচন্দ্র সরকার ছিলেন হরিচাঁদ ঠাকুরের একজন ভক্ত। হরিচাঁদ ঠাকুরের জীবন ও আদর্শ নিয়ে কবিয়াল শ্রীশ্রীহরিলীলামৃত গ্রন্থ রচনা করেন। এটিই মতুয়াদের পবিত্র গ্রন্থ। এই গ্রন্থ পাঠ ছাড়াও মতুয়ারা হরিচাঁদ ঠাকুরের দ্বাদশ আজ্ঞা মেনে চলে।

হরিচাঁদ ঠাকুরের দ্বাদশ আজ্ঞা:


১/ সদা সত্য কথা বলবে।
২/ পিতা-মাতাকে দেবজ্ঞানে ভক্তি করবে।
৩/ নারীকে মাতৃজ্ঞান করবে।
৪/ জগৎকে ভালোবাসবে।
৫/ সকল ধর্মের প্রতি উদার থাকবে।
৬/ জাতিভেদ করবে না।
৭/ হরিমন্দির প্রতিষ্ঠা করবে।
৮/ প্রত্যহ প্রার্থনা করবে।
৯/ ঈশ্বরে আত্মদান করবে।
১০/ বহিরঙ্গে সাধু সাজবে না।
১১/ ষড়রিপু বশে রাখবে। এবং
১২/ হাতে কাম ও মুখে নাম করবে।

হরিচাঁদ ঠাকুর সন্ন্যাস-জীবনে বিশ্বাসী ছিলেন না; তিনি সংসার করেছেন। ১২ সংখ্যক আজ্ঞাটি লক্ষ করুন। সংসারধর্ম পালন করেই ঈশ্বরপেমের বাণী প্রচার করেছেন হরিচাঁদ ঠাকুর। তিনি বলতেন-

গৃহেতে থাকিয়া যার হয় ভাবোদয়
সেই যে পরম সাধু জানিও নিশ্চয়।

১৮৭৭ সালের ২৩ ফাল্গুন। বুধবার।
হরিচাঁদ ঠাকুর ইহলীলা সংবরণ করেন।



মতুয়ারা বাংলাদেশের সব জায়গায় বাস করে। এমন কী পশ্চিমবঙ্গেও। মতুয়াদের প্রধান মন্দিরটি ওড়াকান্দি গ্রামে। জন্মতিথিতে প্রতিবছর ওড়াকান্দিতে দেশবিদেশের মতুয়ারা সম্মিলিত হন এবং হরিচাঁদ প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পশ্চিমবাংলার মতুয়ারা সীমান্ত পার হয়ে আসে। আসলে সীমান্ত পার হয়ে আসে না। বাংলা বরাবরই একই রকম রয়ে গেছে।
মতুয়াদের সম্বন্ধে একজন ঐতিহাসিক লিখেছেন: : The community observes Wednesday as the day of communal worship. The gathering, which is called 'Hari Sabha' (the meeting of Hari), is an occasion for the Matuya to sing kirtan in praise of Hari till they almost fall senseless. musical instruments such as jaydanka, kansa, conch, shinga, accompany the kirtan. The gonsai, garlanded with karanga (coconut shell) and carrying chhota, sticks about twenty inches long, and red flags with white patches, lead the singing. (বাংলাপিডিয়া)



এবং আমরাও ফেব্রুয়ারি মাসে কাশিয়ানীর ওড়াকান্দিতে যেতে পারি। আমরা ওখানে গেলে আমাদের মনের নিরানন্দভাব কাটতে পারে। আমরা যদি ওড়াকান্দিতে না যাই তো মতুয়াদের কী ক্ষতি হবে? ক্ষতি যা হবার আমাদেরই হবে। আমাদের মনের ক্ষতি হবে।
বাংলার এখন এক মহাবিপর্যয় চলছে। বাংলা তার একান্ত ভাবদর্শন হারাতে বসেছে! যখন পশ্চিমের অনেকেই বাংলার আধ্যাত্মিক দর্শনের দিকে ঝুঁকছে-আমরা তখন ওদের দিকেই ঝুঁকছি। ঔপনিবেশিক শোষনে বাংলা তার 'ধন' হারিয়ে আর্তনাদ করেনি-এখন নয়া ঔপনিবেশিক শোষনে ‘ভাব’ হারিয়ে আর্তনাদ করছে।
আধুনিক পাশ্চাত্য দর্শন এখন ‘নিউ এজ’ দর্শনে এসে ঠেকেছে। নিউ এজ দর্শন যেমন আধুনিক পদার্থবিদ্যার সাম্প্রতি গবেষনায় কৌতূহলী- তেমনি এটি গভীর আধাত্ব্যবাদী। নিউ এজ দর্শন যুক্তির ভারে আচ্ছন্ন মানুষের মনের নিরানন্দ ভাব কাটাতে সাহায্য করছে। বলে রাখি, পৃথিবীর নিরানন্দ মানুষের জন্য যা যা দরকার- তার সবই আছে ওড়াকান্দি গ্রামের হরিচাঁদ ঠাকুরের জীবনসাধনায়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।



সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
১৯টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্ম কর্ম

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩



আপনার দিনের পর দিন ধর্মীয় লেখা পোস্ট করার কারণে -
হয়তো, আপনার কম্পিউটারটি স্বর্গে যেতে পারে।
কিন্তু, আপনার নিজে স্বর্গে যেতে হলে -
আপনার নিজের ধর্ম কর্ম করতে হবে।


ঠাকুরমাহমুদ
ঢাকা, বাংলাদেশ



...বাকিটুকু পড়ুন

আমার মা আমার পৃথিবী

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১০ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৬

" আমার মা,আমার পৃথিবী "

মাঝেমধ্যে হঠাৎ করেই মাগো তুমি আমার স্বপ্নে এসে আমার হ্রদয় ছুঁয়ে যাও। সেদিন সারাটাক্ষন আমি আমার মায়ের মাঝে ডুবে থাকি। কোনো কাজে মন বসাতে পারিনা।
কিশের এতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিমস যুদ্ধ: রাজনীতিতে হাসি-ঠাট্টার কৌশল”

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১০ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯

সাম্প্রতিক সময়ের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ডগুলো বেশ মজার। ট্রল আর মিমসের দুনিয়ায় প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে যা আমাদের বিনোদনের খোরাক জোগায়। ওপরের তালিকার সাথে আরও কিছু চলমান মিমস... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমার কোন এক মুহূর্তের শব্দ শুনি

লিখেছেন সামরিন হক, ১০ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৩১


ছবি- নিজস্ব সংগ্রহ


কেঊ এসে মেরে রেখে যাক তা চাই নি কখনো ।
তবুও সে আসে,মেরে ফেলে চলে যায়।
তখন খুব জোড় করে বেঁচে থাকি,
বলতে পারো জোড় করে বাঁচিয়ে রাখি নিজেকে।

জীবন কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১:৫১


মাইলস্টোন স্কুলের কথা কি এখনও মনে আছে? একটা ট্রেনিং জেট ক্রাশ করেছিল স্কুলের ওপর। ছোট ছোট বাচ্চারা ক্লাস করছিল, হঠাৎ আকাশ থেকে নেমে এল মৃত্যু। ঠিক যেমনটা আমরা সিনেমাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×