আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

একটি হত্যাকান্ডের পটভূমি

২২ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0

এই আধুনিক সময়েও মধ্যযুগীয় পুরনো শাস্ত্র আর তার রচয়িতাদের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না; বললে- মৃত্যু অনিবার্য। তেমনি একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেল ২০০৪ সালে। হল্যান্ডে। মরক্কোর এক ধর্মান্ধ জঙ্গি নির্মম ভাবে খুন করে বসল নেদারল্যান্ডের একজন মুক্তমনা চলচ্চিত্র নির্মাতাকে। আবারও প্রকাশ পেল ধর্মান্ধতার বিভৎস রুপ। চমকে উঠল সমগ্র পশ্চিমাবিশ্ব। সমগ্র পশ্চিমাবিশ্ব আবারও পরম অবিশ্বাসের চোখে মুসলিমবিশ্বের দিকে তাকাল- যা ভবিষ্যৎ সর্ম্পকের ক্ষেত্রে শুভ পরিনতি বয়ে আনবে না বলেই মনে হল ...

সোমালিয় নারী আইয়ান হিরসি আলীর জন্ম ১৩ নভেম্বর ১৯৬৯ সালে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাডিসুতে। আইয়ান হিরসি আলীর বাবা হিরসি মাগান ইসে ছিলেন রাজনীতিবিদ ও পন্ডিত। মাত্র ৫ বছর বয়েসে আইয়ান হিরসি আলীকে ‘খৎনা’-র ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সম্মূখীন হতে হয়। নারীর খৎনাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Clitorectomyবলা হয়। অহেতুক যন্ত্রণাদায়ক এই ঘৃন্য প্রথাটি আফ্রিকাসহ আরববিশ্বের অনেক নারীর জীবনকে করে তোলে বিষময়। হিরসি মাগান ইসে-র অবশ্য তাঁর মেয়ের Clitorectomy করার ব্যাপারে অমত ছিল। তবে তিনি তখন জেলে ছিলেন বলে তিনি ঐ ‘অপকর্মে’ বাধা দিতে পারেননি।
আইয়ান হিরসি আলীর ৮ বছর বয়েসে তার পরিবার চলে আসে সৌদি আরব; সেখান থেকে ইথিওপিয়া। পরে পরিবারটি সেটল করে কেনিয়ায়। নাইরোবির মুসলিম গালর্স সেকেন্ডারি স্কুলে ভর্তি হয়ে ইংরেজি শেখে আইয়ান হিরসি আলী। তবে, মেয়েবেলা থেকেই ইসলাম ধর্মে শিক্ষা হয়েছিল। পড়তে হত কোরান।
কেনিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় প্রচুর অর্থ ঢালে সৌদি আরব । ফলে, আইয়ান হিরসি আলী কট্টর ওয়াহাবী শিক্ষা পেয়েছিল। স্কুলের ইউনিফর্মের সঙ্গে পরতে হত হিজাব । ওয়াহাবী শিক্ষার তুলনায় সোমালিয়া ও কেনিয়ার ইসলাম ছিল অনেকটা সহনশীল হলেও ওয়াহাবীপন্থি শিক্ষকদের প্ররোচনায় মিশরের কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ওঠে আইয়ান হিরসি আলী । মুসলিম আলেমরা ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদীর বিরুদ্ধে ফতোয়া দিলে আইয়ান হিরসি আলী সমর্থন জানায়।
মেয়েবেলা থেকেই বই পড়তে ভালো লাগত আইয়ান হিরসি আলীর। কেনিয়ায় থাকাকালে প্রচুর ধর্মনিরপেক্ষ বই পড়ার সুযোগ হল। এভাবে মনের গড়ন বদলে যাচ্ছিল মেয়েটির।
কিছু সংশয় তৈরি হচ্ছিল।



১৯৯২ সাল। আইয়ান হিরসি আলীর বাবা তার মেয়ের বিয়ে ঠিক করে। ‘আগন্তুক দ্বারা ধর্ষিতা হব না’-এই শপথ নিয়ে আইয়ান হিরসি আলী বিদেশ পাড়ি জমাবে ভাবল। পলিটিকাল অ্যাসাইলামের অজুহাতে কাগজপত্র সেভাবেই তৈরি করল-করে নেদারল্যান্ডে পৌঁছল। যা হোক, হল্যান্ডে বসবাসের অনুমতি পেল। আমসট্রাডাম শহর। কাজ খুঁজল। অড জব। পেল। ডাচ ভাষা শিখল। ডাচদের সমাজ দেখে মুগ্ধ আইয়ান হিরসি আলী-বিশেষ করে নারীস্বাধীনতার বিষয়টি। সময় পেলেই বই পড়ত। এই প্রথম ফ্রয়েড পড়ে বিস্মিত হল। ধর্ম ব্যতীত যে নৈতিকতা সম্ভব- তা জেনে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেল। রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়বে বলে ঠিক করল। ভর্তি হল লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ।
২০০০ অবধি চলল পড়াশোনা।



রাস্ট্রবিজ্ঞানে এম.এ পাস করে আইয়ান হিরসি আলী রাজনীতি করবেন ভাবলেন। যোগ দিলেন একটি মধ্য-বাম শ্রমিক দলে। পড়াশোনা চলছিল। ইসলাধর্মে আর বিশ্বাস ধরে রাখা যাচ্ছিল না। ৯/১১ পর তার ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিব্রত বোধ করলেন। লাইডেন অধ্যাপক দার্শনিক হেরমান ফিলিপস ‘দি অ্যাথেইস্ট ম্যানিফেস্টো’ নামে একটি ক্ষুদ্র বই লিখেছিলেন। বইটি পড়ে পুরোপুরি অবিশ্বাসী হয়ে গেলেন আইয়ান হিরসি আলী। ২০০২ সালে ইসলাম ত্যাগ করে নিজেকে অ্যাথেইস্ট ভাবতে শুরু করলেন। ইসলামের সমালোচনা করে নিবন্ধ লেখতে শুরু করলেন। সমকাম ও পরকীয়ার ইসলামের ধ্বজাধারীরা যে শাস্তি দেয়-তার কট্টর সমালোচনা করলেন। লিখলেন: ‘৯/১১ এর খুনিদের আর আমার ঈশ্বর এক হতে পারে না।’ ইসলামকে বললেন, পিছিয়ে পড়া ধর্ম-যা কি না গনতন্ত্রের সঙ্গে কমপাটিবল না। তাঁর মতে, ইসলাম হল নয়া ফ্যাসীবাদ। খিলাফত চলে শরিয়া আইনে। যেখানে বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক স্থাপিত হলে পাথর ছুঁড়ে মারা হয়, সমকামীদের মারা হয় বেত -আর অবিশ্বাসীদের করা হয় হত্যা । ইসলাম নাৎসীবাদ না তো কী! আইয়ান হিরসি আলী মেয়েদের Clitorectomy বিরোধী। তাঁর মতে, Clitorectomy যৌনআকাঙ্খা দূর তো করেই না-উপরোন্ত তা হয়ে দাঁড়ায় যন্ত্রণাদায়ক। Clitorectomy করা মেয়েরা জীবনভর যন্ত্রণা সহ্য করে ।
এসব নিয়েই “দি সন ফ্যাক্টরি” নামে বই লিখলেন আইয়ান হিরসি আলী ।
বিপদ ঘনিয়ে এল।
হল্যান্ডের একটি (মুসলিম) জঙ্গি সংগঠনের নাম:হোফসটাড নেটওয়ার্ক। হল্যান্ডে প্রায় ১০ লক্ষ মুসলিম বাস করে। হোফসটাড নেটওয়ার্ক মুসলিম ডাচদের একটি মৌলবাদী যুব সংগঠন। দীর্ঘকাল ধরেই তারা ইউরোপে তাদের (অপ) তৎপরতা চালিয়ে আসছিল। স্পেন ও বেলজিয়ামেও নাকি এদের শাখা আছে। মিশরীয় মুসলিম সংগঠন, ‘তাকফির ওয়াল হিজরার’ আদর্শে হোফসটাড নেটওয়ার্ক-এর সদস্যরা অনুপ্রাণিত।
হোফসটাড নেটওয়ার্ক-এর কাছ থেকেই প্রথম মৃত্যুর হুমকি পেলেন আইয়ান হিরসি আলী। তবে, ঘাবড়ালেন না। লেখা চালিয়ে গেলেন। ইসলাম ধর্মের প্রবর্তকের কঠোর সমালোচনা করে লিখলেন; ইসলাম ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা বিকৃতরুচির একজন pedophileছিলেন। pedophile শব্দের অর্থ: An adult who is sexually attracted to children! ৫২ বছর বয়েসে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা ৬ বছরের শিশু আয়েশাকে বিবাহ করেন। আর, বালিকা আয়েশার ৯ বছর বয়েস যৌনমিলন হয়!
হোফসটাড নেটওয়ার্ক-এর সদস্যরা ক্রদ্ধ হয়ে উঠতে থাকে।
ঠিক এই সময়েই থিও ভ্যান গগ-এর সঙ্গে পরিচয় হল তাঁর।


থিও ভ্যান গগ। ওলন্দাজ (ডাচ) চিত্রপরিচালক, প্রয়োজক, কলামিষ্ট, লেখক ও অভিনেতা। বিখ্যাত চিত্রকর ভ্যান গগ এঁরই উর্ধ্বতন পূর্বপুরুষ। আইয়ান হিরসি আলীর লেখা পড়ে চমৎকৃত হয়েছিলেন থিও ভ্যান গগ। তিনি নিজেও শাস্ত্রবিরোধী। আইয়ান হিরসি আলীর দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটি ছবি নির্মান করবেন ভাবলেন। আইয়ান হিরসি আলীই চিত্রনাট্য লিখলেন। মাত্র ১০ মিনিটের ছবি। তাতেই যা বলার বলা গেল। থিও ভ্যান গগ নিজেই স্বল্পদৈর্ঘ্যরে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করলেন। নাম রাখলেন: ‘সাবমিশন।’ থিও ভ্যান গগ তখনও জানতেন না ঘনিয়ে আসছে মৃত্যু। ইসলাম নারীদের কী চোখে দেখে ১০ মিনিটের ছবিতে সে কথাই উঠে এসেছে। দুটো কথা বড় বিপদজনক। (১) অবাধ্য হলে মেয়েদের মারধোর করা যাবে। (২) রাজী না হলে-তারপর যা হবে-তা ধর্ষনেরই শামিল!
মূলত; আত্মসমর্পন আল্লার প্রতি মানুষের নয়-পুরুষের প্রতি নারীর!



‘সাবমিশন’ ছবিটি রিলিজ পায় ২৯ আগস্ট ২০০৪। (আমি সরাসরি ছবিটার লিঙ্ক দিলাম না। Submission লিখে গুগল সার্চ করলে আশা করি ইউ টিউবে ১০ মিনিটের ছবিটি পেয়ে যাবেন। ) ছবিটি রিলিজ পাওয়ার পর হল্যান্ডের মুসলিম কমিউনিটিতে প্রচন্ড বিক্ষোভ দেখা যায়। হোফসটাড নেটওয়ার্কসহ ইউরোপের ইসলামী মৌলবাদী সংগঠনগুলি ফেটে পড়ে তীব্র আক্রোশে। অর্ধনগ্ন অভিনেত্রীর শরীরের পবিত্র কোরানের আয়াত! মোহাম্মদ বোওয়েরি। ২৬ বছর বয়েসি মরক্কোর যুবক; ডাচ নাগরিক। হোফসটাড নেটওয়ার্কের সদস্য। সিদ্ধান্ত নিল-সে থিও ভ্যান গগ এবং আইয়ান হিরসি আলীকে খুন করবে!
আমসট্রাডাম। ২০০৪। নভেম্বর মাসের ২ তারিখ; সকাল। থিও ভ্যান গগ সাইকেল করে যাচ্ছিলেন কাজে। মোহাম্মদ বোওয়েরি কাছ থেকে এইচ এস ২০০০ হ্যান্ডগান দিয়ে আটবার গুলি করে। তক্ষনাৎ মৃত্যু হয় থিও ভ্যান গগ এর। মোহাম্মদ বোওয়েরি তারপর ধারালো ছুড়ি বের করে থিও ভ্যান গগ এর গলা কেটে ফেলে। বুকে তীক্ষ্ম ছোরা দিয়ে ষ্ট্যাব করে। বুকের ওপর মিশরী সংগঠন তাকফির ওয়াল হিজরার রেফারেন্সসমেত একটা নোট গেঁথে দেয়। নোটে পশ্চিমা সরকার ইহুদিবাদ ও আইয়ান হিরসি আলীর ধ্বংস কামনা করা হয়।
পালানোর সময় পুলিশ মোহাম্মদ বোওয়েরি পায়ে গুলি করে।
সে ধরা পড়ে।
তার বিচার হয়।
সে এখন যাবৎজ্জীবন কারাদন্ড ভোগ করছে।
থিও ভ্যান গগ-এর মৃত্যুর পর আইয়ান হিরসি আলী মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়লেও নিজের বিশ্বাস থেকে বিন্দুমাত্র টলে যাননি। নিহত থিও ভ্যান গগ-এর মা পুত্রশোক কাটিয়ে উঠে বললেন: আমি আমার ছেলের আদর্শে বিশ্বাস করি।
বর্তমানে ডাচ সরকারের তত্ত্বাবধানে আইয়ান হিরসি আলী লোকচক্ষুর অন্তরালে আছেন।
এই জন্যই বলছিলাম, এই আধুনিক সময়েও পুরনো শাস্ত্রের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না। বললে মৃত্যু অনিবার্য।



অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাতের সাম্প্রতিক এক গবেষনায় জানা গেছে বাংলাদেশে বছরে দশ (১০) লক্ষ করে ধর্মান্ধ জঙ্গি বাড়ছে! এদের অর্থায়নের যে টাকা লগ্নি করা হয়েছে তার টার্নওভারের পরিমান দেড় হাজার কোটি টাকার মতন!
হয়তো, থিও ভ্যান গগ এবং আইয়ান হিরসি আলী ‘সাবমিশন’ নির্মান করে বাড়াবাড়ি করেছেন। কিন্তু, একবার ভেবে দেখুন- আমরা টিভিতে রোজ যে নাটক/চলচ্চিত্র দেখছি-যা আমাদের জীবনেরই প্রতিচ্ছবি- সেসবও তো বাংলাদেশি জঙ্গিদের সহ্য হওয়ার কথা না। তার ওপর জঙ্গিদের পিছনে রয়েছে অঢেল অর্থ।
কার্যত, আমরা কেউই নিরাপদ নই।

উৎস:

http://en.wikipedia.org/wiki/Submission_(film)

http://en.wikipedia.org/wiki/Ayaan_Hirsi_Ali

Click This Link)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): থিও ভ্যান গগ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ/নিবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১৫
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: এ রকমের তথ্য গুলোর খুব দরকার আমার, একটা ওয়েব বানাবো ।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: এ রকম তথ্য অনেক আছে। ধীরে ধীরে লিখব।

২. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১৫
লালন অনিক বলেছেন: সবসময়ই ব্যাতিক্রম আপনি....

অসাধারণ একটি লিখা দিলেন....
............................................!
............................................!
ভালোথাকা হউক
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনারা পাশে থাকলে স্বস্তি লাগে।

৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:২৩
নেক্সাস বলেছেন: বিপ্লব কান্তি আপনার ওয়েবে কি হিন্দুদের বর্নবাদী রূপ,শ্রেণী বৈষম্য,যৌতুক প্রথা এসব বিষয়ে লিখা থাকবে..????

ইসলাম বিরোধী কথা দেখলে লাফাইয়া উঠেন কেনো?
৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:২৭
খলিল মাহমুদ বলেছেন: রুদ্ধশ্বাসে পড়লাম। কাহিনী ভয়াবহ, আপনার লেখনি গতিময় ও সাবলীল, তাই একনাগাড়ে পড়া হলো।

তবে এদ্বারা বুঝাচ্ছি না যে ইরসীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হলাম। বরং তাঁর আদর্শ খুব ঘৃণ্য ও নিন্দনীয়ই মনে হলো। এ লেখা পড়ে যেটা বুঝলাম, মূলত ডাচ সোসাইটির ফ্রি সেক্স, সমকামিতা, ইত্যাদিতে সে নিজেই বরং খুব আকৃষ্ট হয়েছিল; তার ছিল ক্ষুধার্ত শরীরও। এনিওয়ে, মতপ্রকাশ ও মতগ্রহণের স্বাধীনতা এ যুগেই উপভোগ করা সম্ভব।

অসাধারণ লেখার জন্য অভিনন্দন।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। থিওর মৃত্যু আমাকে খুব নাড়া দিয়েছে। আমি বলছি না যে ডাচসমাজই উৎকৃষ্ট। আমার বক্তব্য -মৃত্যু। কেন একজনকে মরে যেতে হয়?

৫. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:২৭
ভালো-মানুষ বলেছেন: এই ই হইল ইসলাম আর মুসলমানের চেহারা।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: সবাই না। জঙ্গিরাই কেবল হিঃস্র।

৬. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:২৯
রোজনামচা বলেছেন: শয়তানের আওয়াজ বলে সঙ্গীতকে এরা হারাম করতে চায়- আমি তাতে দুঃখ পাই। এবং ‘মধ্যযুগের আফিম’ বলে ধর্ম-কথাকে ওরা নিষিদ্ধ করতে চায়, আমি তাতে ক্ষুদ্ধ হই। দিন রাত মাইকে মাইকে সারা শহরে গানের যে ঝালাপালা, ত্যক্ত হয়ে লোকেরাই একদিন গানকে ‘হারাম’ করার ব্যবস্থা করবে, তাতে এদের উদ্দেশ্য সিদ্ধ হবে- কিন্তু আমি দুঃখ পাব। এবং দিন রাত মাইকে মাইকে সারা শহরে ধর্ম কথার যে হাঁক-ডাক, তিক্ত হয়ে লোকেরাই একদিন, ধর্ম-কথাকে নিষিদ্ধ করবে, তাতে ওদের উদ্দেশ্য সিদ্ধ হবে- কিন্তু আমি ক্ষুদ্ধ হব।


আপনার পোস্টটা পড়ে আবারো দু:খ পেলাম, ক্ষুদ্ধ হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
ইসলামের নাম করে যে নির্যাতন আইয়ান হিরসি আলীদের ওপর হচ্ছে তা তাদের জীবনকে অসহনীয় করে তুলছে। এসব আমাকে ক্ষুদ্ধ করে। কিন্তু যখন দেখি আলী'রাও উল্টো ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে সামষ্টিকতাকে মোটাদাগে আক্রমন করে অন্ধের মত তখন দু:খ পাই।

অতএব- লক্ষন যা, তাতে দুঃখ আর ক্ষোভই আমার কপালের লেখা।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: কী আর করা। আমরা তো সুখশান্তি ভর্তি পৃথিবীই চাই।

৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:২৯
ভালো-মানুষ বলেছেন: খলিল মাহমুদ

তার শরীর ক্ষুধার্ত থাকাটা কি অন্যায় নাকি? এই ক্ষুধা কি সে বানাইছে, নাকি আল্লায় দিসে? তারে দোষ দেন কেন? আল্লায় ক্ষুধাও দিব আবার খাবার পথও দিব না! সেলুকাস কৈ!
৮. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:২৯
সালাউদ্দিন আইউবী বলেছেন: আপনাদের চমকিত পোষ্ট কোথায় থাকে, যখন ধর্ষিত হয় ইরাক।
আপনাদের আলোকিত মানুষরা কোথায় থাকে, যখন হাজার হাজার নিরীহ ইরাকী কিংবা ফিলিস্তিনি মরে পঁচে গলে যায়।

আইয়ান হিরসি আলীরা কোথায় থাকেন, যখন মুসলিমরা মরে ঝাকে ঝাকে।

মানবাধিকার!!
আমি এমন মানবাধিকার ও তার কর্মীদের ইয়ে করি।

ইসলামে এমন কি আছে, যার যন্য তারা ইসলামের পিছনে লাগেন?
ছেড়ে দিন না, মাওলানাদের। যারা অশিক্ষিত, মূর্খ।

আর যদি তা না হয়, তবে বুঝতে হবে ইসলামে এমন কিছু আছে যার জন্য তাদের আধিপত্যবাদ ধ্বংশ হতে পারে ভেবেই আজকের এই আয়োজন।

আধুনিক বিশ্ব ও তার অর্থনিতী আমাদেরকে কি দিয়েছে আমরা তা উপলব্দি করতে পারছি।

আমি ঘৃনা করি আপনার মতো উদারমনাদের। যারা একজন আইয়ান হিরসি আলীর জন্য বুকের সমস্ত দরদ দিয়ে লিখেন। অথচ হাজার হাজার নিরীহ মানুষ আপনাদের কাছে কিছুই নয়।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: ইরাক ধর্ষন চাইনি।
আইয়ান হিরসি আলী সাদ্দামের বিপক্ষে ছিল। আমি সাদ্দামের বিপক্ষে নই।

আমার এই তুচ্ছ লেখার জন্য মানবাধিকার কর্মীদের ইয়ে করা ঠিক না।

ইসলামের ধ্বংস কামনা করে এই লেখা লেখা হয়নি।
আমি কেবল সমকালীন ইতিহাসের একটি অধ্যায় লিখেছি।

আধুনিক বিশ্ব অর্থনীতি আমাদের কি দিয়েছে কথাটা ভাবার মতো।
তবে মোল্লাদের হাতে বিশ্বের ক্ষমতা থাকলে কি হত সেটাও ভাবার মতো।

হাজার হাজার নিরীহ মানুষ আমার কাছে অনেক কিছু।
হিরসী আলীর কষ্টও কম না।

৯. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩২
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: @ নেক্সাস .......

হিন্দু ধর্মে শ্রেণী বৈষম্য কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে তা সম্পর্কে মোটামোটি জানাশোনা আছে। এই যে ভারতীয় উপমহাদেশে আপনি মুসলমান আছেন, সেটা হল হিন্দুদের শ্রেণী বৈষম্যের জন্য । শ্রেণী বৈষম্য না থাকলে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম বা বৌদ্ধ ধর্ম ঢুকতে পারত না।

আমি হিন্দু, হিন্দুরা কোন ধর্মের বিপক্ষে কখন ও না । কারন হিন্দু ধর্ম অন্য মতকে বলি দেয়ার কথা বলে না। সহ্য করার কথা বলে।

আমার এ রকম লেখা দরকার অন্য কাজের জন্য, আমি জঙ্গীদেরকে বা উগ্রপন্হীদের ঘৃনা করি না। তাদের জন্য সহানুভূতি আছে।

কেউ বা কারা তাদের মস্তিস্ককে দোলাই করেছে তাদের ঘৃনা করি, ওরা তো শুধু শিকার ।
১০. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫৯
নেক্সাস বলেছেন: বাহ আপনার হিন্দুত্বে মুগ্ধ হলাম।

আপনি যে যেকম হিন্দু তেমনি আমিও নিবেদিতপ্রাণ মুসলমান।এটা আমার অহংকার।
.ইসলাম ও কোনো ধর্মের বিপক্ষে কথা বলেনা।ইসলাম এমন শিক্ষা দেয়ওনা।
যদি কোন সুবিধাবাদী মহল করে সেই দোষ ইসলামের নয়।আর যে হত্যার কথা বলছে .. সেক্ষেত্রে যদি কোনো নগ্ন নারীর উরুতে আপনার গীতার বাণী বেধেঁ দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে আপনি কি করতেন?
মনে রাখবেন পৃথিবীর সকল ধর্মগ্রন্থ পবিত্র।

আপনার মনে আছে কি ভারতে হিন্দুরাই বিশ্ব ভালবাসা দিবসের বিরোধীতা করেছিল?

"আমি হিন্দু, হিন্দুরা কোন ধর্মের বিপক্ষে কখন ও না । কারন হিন্দু ধর্ম অন্য মতকে বলি দেয়ার কথা বলে না। সহ্য করার কথা বলে। "

আপনার এই কথা কে যদি বিশ্বাস করতে হয় তাহলে বলবেন কি অযোধ্যায় বাবরী মসজিদ ভাঙ্গা হল কেন?গুজরাটে কেন মুসলমানের রক্ত নিয়ে হিন্দুরা হোলি খেললো?

শাক দিয়ে যেমন মাছ ঢাকা যায়না।কথার চারুকলা দিয়ে বাস্তবতার কাদামাটি ঢেকে দেওয়া যায়না?

Click This Link


দেখুন তো কিছু বুঝতে পারেন কিনা?
১১. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০০
খলিল মাহমুদ বলেছেন: ভালো মানুষ : 'আল্লায় ক্ষুধাও দিব আবার খাবার পথও দিব না!' আপনার এ প্রশ্ন শুনে হাসি পেলো। হিরসি কি তার নিজ ধর্মে অনাহারে ছিল?
১২. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০৯
ত্রিশোনকু বলেছেন: বিপ্লব কান্তি,

এবার উত্তর ভারতে বর্ণহিন্দুরা হরিজনদের ওপর কিরকম জঘন্য অত্যাচার করে তার উপরে তথ্য সমৃদ্ধ একটা পোস্ট লিখুন। তা হ'লেই কেবল আপনার লেখাগুলোকে নিরপেক্ষ ভাবা শুরু করবো।
১৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:১৮
অ্যামাটার বলেছেন: মাইনাস দিলাম। ফালতু পোষ্ট। সচেতন ভাবেই ইসলাম-কে বিকৃত রুপে দেখানো হয়েছে। যেমন ক্লাইটোরেক্টমি'র কথা িসলামে নাই, এটা একটা আফ্রিকান রীতি।

@বিপ্লব দা: আপনি কি ব্রহ্মন? নাকি ক্ষত্রীয়-বৈশ্য অথবা শূদ্র? আগে আপনার গোত্রটা একটু বলেন, তারপর প্রশ্ন করব।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: মাইনাসে আপত্তি নাই। সচেতনভাবে ইসলামকে বিকৃত দেখানো হয়নি। আমি সমকালীন একটি অধ্যায় আলোচনা করেছি। আমার লেখায় বলা হয়নি নারীদের খৎনা এটি ইসলামের রীতি।

১৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:২২
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: @ নেক্সাস ।

আপনার দেয়া ভিডিওটা দেখলাম, সংগ্রহে রাখলাম। পরে কাজে লাগবে। কোথায় ঘটনাটি ঘটেছে তার বর্ননা থাকলে আরো ভাল হত।

যারা এ ঘটনাটি আপনি তাদেরকে হিন্দু বলেছেন কেন ? হিন্দুত্ব কি এত সোজা, একজন মারামারি করা লোক তো মানুষই হতে পারে না, হিন্দু হওয়া তো তার জন্য স্বর্গসম দূরের ব্যাপার, অতএব আমি এদেরকে মানুষই বলছি না। হিন্দু তো বলবই না।

ওরা হিন্দু নামধারী কিছু অসুর।

আর হিন্দু ধর্মে বর্ন বৈষম্যের ব্যাপারে বলছি, বর্নে আমি বিশ্বাস করি , কিন্তু বৈষম্যে না। আপনি শক্তিশালী ম্যানেজার বলে পিয়নের সাথে যা ইচ্ছে তা করতে পারেন না।

সনাতন ধর্মগ্রন্হ গীতায় এ সব কথা শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন। সেখানে বলা হয় নাই যে, আপনি উচ্চ বর্নের বলে নিম্ন বর্নের কাউকে স্কুলে যেতে বাধা দিবেন।

অতএব শ্রেনী হিন্দু ধর্মে আছে, সব জায়গায় ই আছে। যারা বাম তাদের কমিটিতে ও বড় _ ছোট আছে।

কিন্তু আপনার শক্তি আছে বলে কারো উপরে অত্যাচার করতে পারেন না । এগুলো যারা করে ওরা হিন্দু না ।

১৫. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:২৭
নেক্সাস বলেছেন: এবার তাহলে আপনি বলুন জেএমবি কি ইসলাম?
।আল-কায়দা কি ইসলাম??
জেএমবি কর্মকান্ডে জন্য ইসলামের বিরুদ্ধাচরণ কতটুকু যুক্তিসংগত???

আমার প্রিয় রাসুল কে অবমাননা করা কতটুকু যুক্তিসংগত????
১৬. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩১
এস্কিমো বলেছেন: সবিনয়ে একটা প্রশ্ন করি - মুভিটা কি আপনার দেখার সুযোগ হয়েছে?
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: ছবিটা আমি দেখেছি।

১৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩৮
এস্কিমো বলেছেন: "বর্তমানে ডাচ সরকারের তত্ত্বাবধানে আইয়ান হিরসি আলী লোকচক্ষুর অন্তরালে আছেন।"

- এই তথ্যটা ভুল। উনাকে নেদারল্যন্ড সরকার দেশ থেকে বের করে দিয়েছে। কারন মিথ্যাতথ্য দিয়ে উনি নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন। উনার সামনে দুইটা পথ ছিলো - হয় ফ্রড মামলায় জেলে যাওয়া ( ডাচ নাগরিকত্ব বাতিল হবার পর জেলেই থাকতে হতো) অথা দেশ থেকে বেরিয়ে যাওয়া। উনি একন আমেরিকান একটা রক্ষনশীল থিংক ট্যাংকের গবেষক হিসাবে কর্মরত। গত বছর টরন্টোতে এসেছিলেন।


আয়ান হারসে আলীকে যদি মুক্তমনা হিসাবে উপস্থাপন করেন - তবে ইসলাম বিদ্ধেষীদের ছোট করা হয়। খুব খেয়াল করে কিন্তু।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার মতামতের জন্য।

২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: দেখব। ধন্যবাদ।

১৯. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৩
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: কার্যত, আমরা কেউই নিরাপদ নই
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: তাইই।

২০. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৪
ত্রিশোনকু বলেছেন: জুবায়ের,

উলংগ নারীর শরীরে কুরআনের আয়াত লেখার জন্য ভিনসেন্টের নাতিকে কম শাস্তিই দেয়া হয়েছে। হত্যা করার আগে যে মাস খানেক নির্যাতন করেনি তাই থিওর ভাগ্য।

কুরআনের বিকৃত অনুবাদ আর ব্যাখ্যার জন্য পৃথিবীর শতকোটি লোকের ধর্মগ্রন্থকে অবমাননা করার অধিকার ভিনসেন্টের নাতি থিওকে কেউ দেয়নি। পশ্চিমারাও তার বিরুদ্ধে কিছু করেনি, যেমন করেনি কার্টুনের স্রষ্টাকে, পত্রিকার সম্পাদকদের কিছুই ডেনমার্ক।
তারা বাক স্বাধীনতারই ধুয়া তুলেছে। আবার সেই পশ্চিমারাই যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য অধ্যাপককে জেলে ঢুকিয়েছে ২য় মহাযুদ্ধে ৬০ লাখ ইহুদী মরা নিয়ে সন্দেহ করার জন্যে।

আচ্ছা, আমি কিন্ত শত ফিলিস্তিনী শিশু হত্যার ওপর আপনার কোন লেখা দেখিনি। শিশুগুলো মুসলিম ছিল বলেই কি?

অবশ্য আমার ভুলও হ'তে পারে, হয়তোবা আমার নজর এড়িয়ে গেছে।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: আপনি লিখেছেন, আচ্ছা, আমি কিন্ত শত ফিলিস্তিনী শিশু হত্যার ওপর আপনার কোন লেখা দেখিনি। শিশুগুলো মুসলিম ছিল বলেই কি?

অবশ্য আমার ভুলও হ'তে পারে, হয়তোবা আমার নজর এড়িয়ে গেছে।

...আমি ফিলিস্তিনে ইজরাইলি আগ্রাসনের বিরূদ্ধে।

২১. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
@ নেক্সাস ......

Click This Link

অনেকই জে এম বি'র পক্ষে, অনেকেই বিপক্ষে। এই ব্লগে ও উগ্রপন্হি দের বিরুদ্দে লিখলে অনেকেই ভেটো দেয় ।

এখন মুল ঘটনা হল, ধর্মের কোন কোন পয়েন্টকে মানুষ মারার আইন হিসেবে ব্যবহার করে উগ্রপন্হিতাকে ফরজ করা হচ্ছে সেটা বের করতে হবে। সেটা কি আসলে লিখা আছে বা লিখা নেই তা বলতে হবে সেই ধর্মের লোকদের।


এই যে একটু আগে সনাতন ধর্মের ব্যাপারে বলে গেলাম,

আপনি উচ্চ বর্নের বলে নিম্ন বর্নের কাউকে স্কুলে যেতে বাধা দিবেন।

এখন কেউ যদি এসে বলে যে আপনি ভুল বলেছেন তাহলে তাকে দেখিয়ে দিতে হবে কোথায় শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন " যে তুমি মালি তুমি টোলে যেতে পারবে না"

কেউ কেউ তার ক্ষমতাটাকে বেশি ব্যবহার করে সমাজে মান সম্মান কামাই করতে চায় । ওরা এই রকম দু-চারটা নিজের কাজে নিজেই আপডেট করে ব্যবহার করে ফেলে। অনেকটা শোষন করার মত।




২২. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৯
অচেনা সৈকত বলেছেন: কমেন্টগুলো দেখে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, মৌলবাদী এই ব্লগেও কম না।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: সেটাই।

২৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৩
রিদা বলেছেন: নেক্সাস wrote: বিপ্লব কান্তি আপনার ওয়েবে কি হিন্দুদের বর্নবাদী রূপ,শ্রেণী বৈষম্য,যৌতুক প্রথা এসব বিষয়ে লিখা থাকবে..????

ইসলাম বিরোধী কথা দেখলে লাফাইয়া উঠেন কেনো?


ত্রিশোনকু wrote: আচ্ছা, আমি কিন্ত শত ফিলিস্তিনী শিশু হত্যার ওপর আপনার কোন লেখা দেখিনি। শিশুগুলো মুসলিম ছিল বলেই কি?




সালাউদ্দিন আইউবী wrote: আপনাদের চমকিত পোষ্ট কোথায় থাকে, যখন ধর্ষিত হয় ইরাক।
আপনাদের আলোকিত মানুষরা কোথায় থাকে, যখন হহাজার হাজার নিরীহ ইরাকী কিংবা ফিলিস্তিনি মরে পঁচে গলে যায়।

ইসলামে এমন কি আছে, যার যন্য তারা ইসলামের পিছনে লাগেন?
ছেড়ে দিন না, মাওলানাদের। যারা অশিক্ষিত, মূর্খ।

২৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৯
টোকন বলেছেন: আপনার উদারপন্হি সাজার মেকাপ আইটেমগুলা সস্তামানের.....

দয়া করে মৌলবাদ আর ধর্ম এক করবেন না..... আপনারা অবুজের মত মন্তব্য করেন আর তামশা দেখে মজাতে হাত তালি দেন....

আপনার ফিচারটা পড়ে যে ভাবনা তৈরী হয়েছিল তা ভেঙে গেল আপনার কমেন্টস পড়ে......... উদারমনা হয়ে যে আপনি নিজের ধর্মকে সেরা ভাবছেন..... হিন্দুস্তানের জায়গীর আপনাদের.... অনুমতি দিয়েছেন বলে অন্য ধর্ম প্রবেশ করেছে......

এই ডায়ালগ সেই হিন্দুদের যারা আজ ও অন্য ধর্ম কে হেয় করে..... ঘরে প্রবেশ করলে বাড়িঘর শুদ্ধ করে..... কূয়ার জল ব্যবহারের ফলে মানুষ খুন করে...হউক না সে স্বজাতি-নিচুজাত কমজাত......

আর লেখতে ইচ্ছা হয় না... আবার আমি না মৌলবাদী আখ্যা পাই...

মুদ্রার দু পিঠ দেখে মন্তব্য করুন ... সকল ধর্মের মৌলবাদ ঠেকান...
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:১৮

লেখক বলেছেন: সকল ধর্মের মৌলবাদই ক্ষতিকর। এখানে হিন্দুমুসলমান বলে কোনও কথা নেই।
ধন্যবাদ।

২৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
মনির হাসান বলেছেন: দারুন ইমন ভাই ... প্রিয়তে নিলাম ...


@ জেহাদী ভাইজানরা

আপনাগোতো মনে হয় ঈদ লাইগা গ্যালো ... ?

ঈমানী জোশ বেশি খাড়ায় নাকি আজকাল ?


@অচেনা সৈকত ভাই .. অমি পিয়ালের এক পোস্টে আমাকে মন্তব্য করেছিলেন .. অতি বিপ্লবী (আমার মতো যারা) আর মৌলবাদী নাকি পরস্পর সম্পূরক ...
আমি নিরব হয়ে গেছলাম আপনার কথায় .. উত্তর দেয়ার কিছু ছিলনা ..

এই ব্লগটা দেখে .. কমেন্টগুলো দেখে এখন কি মনে হয় আপনার ?
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:১৬

লেখক বলেছেন: জেহাদী ভাইদের লেখাটা পড়ে খারাপ লাগারই কথা।
ধন্যবাদ মুনির।

২৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:০০
নাজিম উদদীন বলেছেন: এস্কিমো ঠিক বলেছেন,আলী এখন আমেরিকায়।

কাহিনী জানা ছিল, আপনির লেখনীর গুণে আবার জানলাম।

বরাবরের মত ভাল।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: আলীর আমেরিকা যাওয়ার ঘটনা সম্ভবত ২০০৪ সালের পর। মানে, আমার লেখার বিষয়ের পর। ধন্যবাদ।

২৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:০৫
ভন্ডপির বলেছেন:
সকল "মডারেট" মুসলমানদের একি কথা -- মৌলবাদীরা ইসলামরে বিকৃত করসে। আপনারা কি মৌলবাদীগো লগে কথা কইসেন? আপনারা কি কোরান হাদিস পড়সেন? নাকি পাড়ার হুজুরে জুম্মার দিন যা কয় আর সাইদী হুজুরের ক্যাসেট শুইনাই সাচ্চা মুসলমান হইসেন?

কোরান পড়েন ভাল কইরা। তারপর মৌলবাদীগো লগে বাতচিত করেন। হেগোরে যুক্তি দিয়া বুঝান ইসলাম ধম্ম শান্তির ধম্ম। দ্যাশে শরীয়া আইলে বল্গীয় নাস্তিকেরা পলায়া যাইব অন্য দ্যাশে, আর বাটে পড়বেন আপনারাই। দাড়ি বোরখা না পইড়া যে মজা লইতাসেন (আর বাসায় গিয়া তওবা পড়তাসেন) সব অফ হয়া যাইব রাতারাতি। খালি ইস্লামিক টিভি দেখবেন সারাদিন। কাজেই বল্গে ফাউল প্যাচাল না পাইড়া একটা কামের কাম করেন। নাকি ডর করে? মৌলবাদীগো অস্ত্রের সামনে খারায়া আল্লাহু আকবর বইলা হুংকার দিয়েন।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৩২

লেখক বলেছেন: কোরান পড়েন ভাল কইরা। তারপর মৌলবাদীগো লগে বাতচিত করেন। হেগোরে যুক্তি দিয়া বুঝান ইসলাম ধম্ম শান্তির ধম্ম।

ভালো বলেছেন।

২৮. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:৩২
তনুজা বলেছেন: কার্যত, আমরা কেউই নিরাপদ নই।

২৪ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: তাই তো।

২৯. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
প্রিয়তে নিয়ে আমার ব্লগকে মহিমান্বিত করলাম।
মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারী কেউই মনে হয় নিরাপদ নই

০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৮

লেখক বলেছেন: তাই তো। তারা হুমায়ূন আজাদকে খুন করল! আরও কতজনকে যে করবে কে জানে।

৩০. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১১
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
Apnar ei lekhata ki ami anno kothao babohar krte chai. abossoi apnar name; anumoti diben ki?
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: জুবায়ের হোসেন- এই নামে হবে- মানে যা করতে চাইছেন।
অনুমতির প্রয়োজন নেই। আপনি লেখাটা আপনার মতো ব্যবহার করতে পারেন।
বানান ভুল থাকলে কাইন্ডলি ঠিক করে নিয়েন।
ধন্যবাদ।

৩১. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:১৬
কঁাকন বলেছেন: ঘটনাটা আবছা আবছা জানতাম পুরোটা জানানোর জন্য ধন্যবাদ
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৪৯৮৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ