আমার প্রিয় পোস্ট
- পাহাড়, নদী,ঝরনা পেড়িয়ে এক অদ্ভুত স্বর্গরাজ্যে-শেষ পর্ব এবং আমাদের সাতভাইখুম আমিয়াখুম আবিষ্কারের গল্প - শিবলী১২৩
- ইসলামিক স্থাপত্য কলার কিছু মুল বিষয় বস্তু - কিংবা কিভাবে এসেছে আজকের ইসলামিক স্থাপত্য কলা?? - নষ্ট কবি
- বাংলা ব্লগ ও কিছু উল্লেখযোগ্য ব্লগারদের একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষন!!! - প্রজন্ম৮৬
- হাজার বছরের পুরোনো রক্তে ভেজা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি, অমর একুশের চেতনা এবং ভিনদেশী সংস্কৃতির নগ্ন আগ্রাসন - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- এন্ড্রয়েড ফোনে বাংলা লিখুন , পড়ুন ! (without rooting) । টেকি পোস্ট - অন্ধকারের রাজপুত্র
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- চর্যাপদ - বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন (চর্যাপদের উপর প্রাথমিকতথ্য…… পোষ্টটি বাংলা ভাষাতত্ত্ব - সাহিত্যর ছাত্র, পেশাজীবি এবং সংস্কৃতি উদ্যমীগণের জন্য নয়
) - সংবাদিকা
- ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় উৎসর্গ:ইমন জুবায়ের - সাঈদ০০৭
- আমাদের ইতিহাস, আমাদের কিংবদন্তী: বোবা মেয়েটির কথা! - ম্যাভেরিক
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- মনকে দোলা দেয়া কিছু রবীন্দ্রসঙ্গীত (১ম পর্ব) - জাহিদুল ইসলাম জুয়েল
- ইন্টারনেটে বাংলা লিখতে ও পড়তে সমস্যা??? (রি-পোস্ট) - একজন নিশাচর
- প্রয়োজনীয় কিছু Android Applications . - ই মানব
- ছবি ব্লগ - ইয়ানস ফ্রিবে ও ব্ল্যাক - টর্মেণ্টর্ বিষু
- ............ আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প সংকলন.......... - রেজোওয়ানা
- পাঁচ হাজার বছর আগের মিশরে বাংলাদেশের স্কুলছাত্র অনন্য - হাফিজুর রহমান মাসুম
- একশত ব্লগার/লেখকদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হলো ই-বুক ঈদ সংকলন “ সৃজন ” - সকাল রয়
- অন্তর্জালে আহমদ ছফাঃ একটি লিংক সর্বস্ব পোষ্ট - মুরাদ-ইচছামানুষ
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- (Mozilla Firefox) ফায়ারফক্স কে আমি যেভাবে ব্যাকআপ রাখি - কেন
- আমি কেন হিন্দু? - পাপ্রদজ
- আন্ডারস্ট্যান্ডিং মোহাম্মদ -১ (মূল : আলি সিনা, অনুবাদ: দুরের পাখি) - দুরের পাখি
- বাংলাপিডিয়াতে বাংলা ফন্ট পড়তে পারছি না- প্লিজ হেল্পান।। - বাক স্বাধীনতা
- ভুমির মালিকানা, স্বাধীন গারো রাজ্য এবং আধিপত্যবাদের কাছে গারোদের আদিম সাম্যবাদী সমাজের পতন - কুঙ্গ থাঙ
- মজিলা ফায়ারফক্সের যেই এড ওয়ান গুলো আমারে পাগল করল
- পুশকিন
- ২০টি অতীব জরুরি সফটওয়্যার [টেকি পোস্ট] - শব্দ সৈনিক
- রাজকান্দিঃ লুকানো রাজ্য - দুখী মানব
- বেচারা ইমন জুবায়ের.................ব্যাপারনা - ব্যাপারনা
- মোবাইল থেকে বাংলা লিখুন... - আজব ঢাকা
- আইরিন সুলতানা আমি দুঃখিত কিন্তু কথাগুলো না বলে থাকাটা আরো কষ্টকর - আজিব পোলা
- ব্লগের সব লেখা আপনার কম্পিউটারে!!!!! - আলী প্রাণ
- ডয়েচে ভেলে আন্তর্জাতিক ব্লগ প্রতিযোগিতার আর মাত্র ৬দিন বাকী,প্রতিদিন ইমন জুবায়ের ভাইকে একটি করে ভোট দিন। - তৌফিকতুহিন
- ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই - এমন ভোটের মানে কি? - ২ - তর্পন
- ডয়েশে ভেলের ব্লগ যাচাই - এমন ভোটের মানে কি? - তর্পন
- ব্ল্যাক এর সব গান! (এপিক পোস্ট)
- দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- আন্তর্জাতিক ব্লগ প্রতিযোগীতায় সামহোয়ারইন এর ব্লগার ইমন জুবায়ের কে ভোট দিন - রেজোওয়ানা
- ডয়চে ভেলে সেরা বাংলা ব্লগ প্রতিযোগিতা। ইমন জুবায়ের। - আকাশ অম্বর
- ইমন জুবায়েরকে সেরা ব্লগার হিসাবে দেখতে চাই! - কৌশিক
- এই ব্লগে সবচেয়ে বেশি লেখা পোস্ট করেছেন কে? ইমন যুবায়ের যেমন করেছেন ১১১১টি। - লেখোয়াড়
- কিছু দেশের গান - একলা একজন
- Paintings by Phan Thu Trang - রানা
- ICC Cricket 2011 World Cup - Opening Ceremony *HQ* 550MB MKV - বন্ধুআমার
- আজকে আমার অতি অতি প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়ের ভাইয়ার জন্মদিন আর সেই উপলক্ষে কিছু স্পেশাল গিফট
- রেজোওয়ানা
- পুরনো দিনে বাংলা সিনেমার যে গানগুলো এতদিন খুঁজছিলাম (প্রায় ২০০ টি গানের লিংক) - shapnobilash_cu
- INSTRUMENTAL--একজন বিদেশী লোকের ফিউশনে যখন বাংলাফোক গান - গানচিল
- ডাউনলোড করলে ফাইল আসব ভাইরাস আটকাইয়া যাইব । (পিছিরে জাল দিয়া আটকান) - সুব্রত সরকার
- ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় আর ছবি আটকে যাবে না - শরীফ মরকার
- আইডিএম ভার্সন ৬.০৩ সাইলেন্ট ইন্সটল! ক্র্যাক/প্যাচ কিস্যু লাগবেনা, খালি ইন্সটলে ক্লিক আর রেজিস্টার্ড রেডিমেড!!
- রাফি মাহমুদ
- মুক্তিযুদ্ধে ভিনদেশী বন্ধুদের তিনটি অজানা গল্প শুনুন - কাঊসার রুশো
৫০টির বেশি বাংলা ইবুক এর ডাউনলোড লিঙ্ক এক পোস্টে!
- ডিজে আরিফ রক্স
- বিশ্বব্যাপী মহা মানব ইউনুস নামা প্রকাশিত হইতাছে । এই বার বিশ্ব চিটিং পদকটা যেন দেশের হাত ছাড়া না হয় - রাহিদুল সামান্না রকি
- যে ছোট সফটওয়্যারের কাজ দেখে আমার মুখ হা হয়ে গিয়েছিল….. - হাসান জোবায়ের
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর কিছু ই-বুক - ইদিপাস
- আহাদিলের ভ্রমণ ব্লগ সমগ্র
- আহাদিল
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- ফাইল আপলোড শেয়ারিং আর ব্যাকাপ এর ফাটাফাটি একটা সার্ভিস - ড্রপবক্স! - আমড়া কাঠের ঢেকি
- ♫♫ ♫♫
গান গাওয়া, লিখা, সুর করা, গিটার বাজানোর সহজ A টু Z কৌশল
♫♫♫♫ - Beginner to Advanced Level - কবির চৌধুরী
- আমার আপলোড করা ১০১ টি সেরা ইস্টার্ন/ওয়েস্টার্ন ইনস্ট্রুমেন্টাল - রাত জাগা দের জন্য পোষ্ট
- কবির চৌধুরী
- কবিয়াল বিজয় সরকার ও তাঁর গান - আরেফ রিওনেন
- বাংলাদেশী ওয়েবসাইটের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা - সাইদ বীন হাবীব
- বর্ষা ও গ্রাম (ছবি ব্লগ) !!!!! - হিবিজিবি
- চৈনিক পুরাণ: বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি বিষয়ে ছয়টি কথকতা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আত্মগোপন প্রতিটি লেখকের ধর্ম হওয়া উচিত : দেবেশ রায় - সফেদ ফরাজী......
- উইন্ডোজের ড্রাইভারগুলো সংরক্ষণ করুন - শামীম আল মামুন
- জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ - কায়সারহেলাল
- মিশেল ফুকোর বাতি জ্বালানি - সলিমুল্লাহ খান ( দ্বিতীয় পর্ব) - ইকারুসের ডানা
- ই-প্রথম আলোতে দেখুন ব্লক করা বিজ্ঞাপন আর সব খবর পড়ুন জুম করা ছাড়াই

- টেকি মামুন
- অফিস ২০০৭ এর যে কোন Text কে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রুপান্তর করুন - কাজু
- জিযিবেল: সংযুক্তি - আল মুজাহিদ
- প্রসংগঃ আস্তিকের ধর্মকথা-১ - }নবজাতক{
- বিনয় মজুমদারের কয়েকটি কবিতা - পদ্যপালক
- বাংলাদেশের নদ-নদী: কে কোথায় বহমান....৩ (শেষ) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- বাংলাদেশের নদীর নাম : হাজার বছরের কাব্যকীর্তি ! - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- আমার যত প্রিয় বল্গারস পর্ব ৩ … তোষামোদি পোস্ট - ধীরে বৎস
- রক উইথ রবীন্দ্রনাথ - ক্যামেরাম্যান
- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি........ - রেজোওয়ানা
- মানিকগঞ্জের জমিদার বাড়ি (ছবি ব্লগ) - মুহম্মদ জায়েদুল আলম
- Ubiquity - ফায়ারফক্সের সেই অল-ইন-ওয়ান এ্যাডঅন যার প্রেমে আজো হাবুডুবু খাচ্ছি
- নাফিস ইফতেখার
- আমার দেখা সবচেয়ে সহজ ইউটিউব ডাউনলোডার
- কুঁড়ের বাদশা
- যাদের লেখা মনোযোগ দিয়ে পড়ি:: আমার প্রিয় ব্লগার সমগ্র-১ - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- ছবি ব্লগঃ পুরাতন প্রাণের টানে - আহমেদ রাকিব
- আসুন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সেরা খাবারের তালিকা করি। - মুকুট
- Google Transliteration: বাংলা লেখার সহজতম উপায় - চল বদলাই
- রামপ্রসাদী গান এবং শ্যামাসংগীত - ১ - মে ঘ দূ ত
- আন্তর্জাতীক মুদ্রার হতে বাংলাদেশি টাকার পরিমন নির্ণয় পদ্ধতী - হেডফোন
- কিভাবে Free Ebook/Thesis/Article/Journal Download - স্স্পরসের বাহিরে
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- কয়েকটি ওয়েব সাইটের লিংক যেখান থেকে পেতে পারেন সম্পুর্ন গেম,মুভি,সফটওয়্যার,ই-বুকের ডাওনলোড লিংক। - গিফার
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করবার দারুন উপায় (১) - রিমঝিম বৃষ্টি
আজ প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের জন্মদিন
- সাদা কালো এবং ধূসর
- ইমন জুবায়ের - জন্মলগ্নের শুভেচ্ছা - আকাশ অম্বর
- শুভ জন্মদিন ইমন জুবায়ের ভাই - শ্রাবনসন্ধ্যা
- অভিমান ..... (ব্ল্যাক) - বিষাক্ত মানুষ
- ফায়ারফক্সের দরকারী কিছু অ্যাড-অন - নাসির খান
- তাকে আবার দেখতে উৎসর্গ ইমন জুবায়ের কে - সাদা কালো এবং ধূসর
- তোমাদের জন্য - অপ্সরা
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- প্যালেস্টাইনের লোককবিতা - গেওর্গে আব্বাস
' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

তেমুজিন কিংবা চেঙ্গিস খানের উপাখ্যান!
২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭
চেঙ্গিস খান: (১১৬৭-১২২৭) ছিলেন মধ্যযুগের দুধর্ষ মঙ্গোল নেতা। মানবসভ্যতার সবচে বৃহৎ ও দীর্ঘস্থায়ী সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ইতিহাসের পৃষ্ঠায় আজও অমর হয়ে রয়েছেন। চেঙ্গিস খান তাঁর জীবদ্দশায় একবার বলেছিলেন, It is forbidden ever to make peace with a monarch, a prince or a people who have not submitted. চেঙ্গিস খানকে নেপোলিয়ন ও আলেকজান্দারের সমকক্ষ মনে করা হয়। যদিও নেপোলিয়ন কিংবা আলেকজান্দার চেঙ্গিস খান এর মতো ইতিহাসের সর্ববৃহৎ ও দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশের স্থপতি নন । চেঙ্গিস খান এর ছেলেরা এমন এক সাম্রাজ্য শাসন করে গেছেন- যে সাম্রাজ্যের বিস্তার ছিল রাশিয়ার ইউক্রেইন থেকে কোরিয়া অবধি । তাঁর দৌহিত্ররা চিন, পারস্য ও রাশিয়ায় শক্তিশালী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেছিল । তাঁর বংশধরেরা ছিল মধ্য এশিয়ায় পরাক্রমশালী সম্রাট।
রাশিয়া। সাইবেরিয়া। সাইবেরিয়ার দক্ষিণে হ্রদ বৈকাল। হ্রদ বৈকাল ধারেই একটি নদী। নদীর নাম ওনান । (জায়গাটা মঙ্গোলিয়ার উত্তরে) সেই ওনান নদীর পাড়েই মধ্যযুগের দুধর্ষ মঙ্গোল সম্রাট।এবং চেঙ্গিস খান-এর জীবনের গল্পটা শুরু হতে পারে এভাবেই ...ওনান নদীর কথা বললাম। নদীটি পরে চেঙ্গিস খান-এর জীবনে দারুন প্রভাব রেখেছিল। সে কথায় পরে আসছি। চেঙ্গিস খান-এর জন্ম সম্বন্ধে স্থানীয় মঙ্গোল লোককাহিনী অদ্ভূত অদ্ভূত সব কথা বলে। বলে যে চেঙ্গিস খান-এর পূর্বপুরুষের নাকি উত্থান ঘটেছে ধূসর নেকড়ে ও মাদী হরিনের মিথীয় সম্মিলন থেকে । জন্মাবার পর নবজাতকের হাতে নাকি ছিল রক্তের দলা! কেন? শিশুটি বিশ্ববিজয়ী হবে বলেই...। এমন কথা মঙ্গোলরা বলতেই পারে। কেননা, এরা এখন যতই সভ্য হোক, একাদশ/দ্বাদশ শতকের মঙ্গোলরা ছিল আসলে যাযাবর। মঙ্গোলদের ধর্ম ছিল শামানবাদ। শামানবাদ কি? শামানবাদ হল এক ধরনের তান্ত্রিকতা। এ ছাড়া মঙ্গোলরা পূর্বপুরুষের আত্মার পূজাঅর্চনাও করত । মঙ্গোলদের একটি বৃহৎ অংশের ধর্ম ছিল তেনগ্রিবাদ। তেনগ্রি ছিলেন আকাশদেবতা। নাকি দেবী? সেই তেনগ্রি দেবতাই নাকি সব কিছুর নিয়ন্ত্রা। তাই বলছিলাম, চেঙ্গিস খান-এর পূর্বপুরুষের উত্থান ঘটেছে ধূসর নেকড়ে ও মাদী হরিনের মিথীয় সম্মিলন থেকে । নবজাতকের হাতে নাকি ছিল রক্তের দলা! শিশুটি বিশ্ববিজয়ী হবে বলেই... এমন কথা পৌরানিক উপকথায় বিশ্বাসী মঙ্গোলরা বলতেই পারে।
যাক।
চেঙ্গিস খান-এর বাবার নাম ইয়েসুগেই। তিনি ছিলেন পূর্ব মঙ্গোলিয়ার স্থানীয় মঙ্গোল সর্দার। মঙ্গোল গোত্রের শাসকদের বলা হত খান। ইয়েসুগেই ছিলেন খান-এর ভাইয়ের ছেলে ছিলেন। পূর্ব মঙ্গোলিয়ায় দীর্ঘদিন ছিল মঙ্গোল গোত্রের শাসন। মঙ্গোলদের প্রতিদ্বন্দি গোত্র ছিল তাতাররা। ১১৬১ সালে তাতাররা মঙ্গোলদের পরাজিত করে; তাতাররা উত্তর চিনের জিন গোত্রের সঙ্গে সন্ধি করে মঙ্গোলদের পরাজিত করেছিল। এরপর থেকে পূর্ব মঙ্গোলিয়ায় মঙ্গোলদের আধিপত্য কমে যেতে থাকে।
যাক। চেঙ্গিসের জন্ম সময়ে চেঙ্গিসের বাবা ইয়েসুগেই একজন তাতার গোত্রপ্রধানকে বন্দি করেছিলেন। সেই বন্দি তাতার গোত্রপ্রধানের নাম ছিল তেমুজিন। নামটা ইয়েসুগেই -এর পছন্দ হয়েছিল । ইয়েসুগেই ছেলের নাম রাখল তেমুজিন।
তেমুজিন এর বয়েস নয় হলে একটা ঘটনা ঘটল।
ওর বাবা ওকে নিয়ে ঘোড়ায় চেপে রওনা হলেন।। গন্তব্য: পূর্বমঙ্গোলিয়ার সর্বশেষ সীমানা। ওটা ছিল কোনকিরাত গোত্রের এলাকা। তারাই তেমুজিন এর মায়ের গোত্রের লোকজন। আসলে ইয়েসুগেই ওখানে গেছিল ছেলের পাত্রী খুঁজতে; পাত্রী পাওয়া গেল। নাম-বোরতে। বয়স ১০। সেকালের প্রথা ছিল কন্যাবস্থায় কন্যার হবু শ্বশুড় কন্যাকে কন্যার পৃতগৃহ থেকে নিয়ে লালনপালন করবে। তাইই হল। যৌতুক হিসেবে তেমুজিন পেল বাদামি পশমের কোট।
এর পরের ঘটনাটি বেশ নাটকীয়।
কিছুকাল পরের কথা। ইয়েসুগেই ফিরছিলেন বাড়ি। পথে একদল তাতারের সঙ্গে তার দেখা। তারা বলল, আসুন, খানা খান।
ইয়েসুগেই রাজী হলেন। তাতাররা তাকে তাবুতে নিয়ে গেল। তাতারদের মধ্যে একজন পুরনো শক্রকে চিনে ফেলল। সে ইয়েসুগেই এর খাবারে বিষ দিল। ইয়েসুগেই টের পেয়েই কোনও মতে তাবু থেকে বেরিয়ে ঘোড়ায় চড়ে মঙ্গোল সীমান্তে পৌঁছতে পারলেন। মঙ্গোল গোত্রের কজন ছুটে এসেছিল। ইয়েসুগেই ধুকতে ধুকতে তাদের বললেন, আমি ... আমি বোধহয় বাঁচব না। আমি মরলে সর্দার হবে তেমুজিন -আমার ছেলে। বলে ইয়েসুগেই মারা গেল।
তাইচিয়ুত নামের গোত্রের নেতারা চাইছিল মঙ্গোলদের গোত্রপ্রধান হবে। এ উদ্দেশ্যে তারা ইয়েসুগেই -এর স্ত্রী আর তার সন্তানদের একঘরে করে ফেলল।
তেমুজিন এর বিধবা মা ওদের স্বপক্ষে টানার চেষ্টা করলেন। লাভ হল না। কাজেই বিপদ এড়াতে অন্যত্র চলে যেতে লাগল। তেমুজিন বড় হতে লাগল। তাইচিয়ুত তেমুজিন দের তাবু আক্রমন করল। ভাগ্যিস মা আর বউ ছিল সেই পূর্বমঙ্গোলিয়ার সর্বশেষ সীমানা। ওটা ছিল কোনকিরাত গোত্রের এলাকা। তেমুজিন নিকটবর্তী অরণ্যে পালাল । শেষরক্ষা হল না। শেষে তাইচিয়ুত দের হাতে বন্দি হল। তাইচিয়ুত রা অবশ্য তেমুজিন কে মেরে ফেলল না। বন্দি হিসেবে রাখল। গলায় কাঠের তৈরি রিং পরিয়ে বন্দি করে রাখল। এক রাতে। ওনান নদীর ধারে খাওয়াদাওয়া করছিল তাইচিয়ুত গোত্রের লোকেরা। প্রহরীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে তেমুজিন নদীতে নেমে গেল...যা হোক। একজন চিনে ফেলেছিল। সেই বাঁচাল। তার সঙ্গে কিছু খাতির হয়েছিল- সেই তাইচিয়ুত গ্রোত্রপ্রধানকে বলল, রাতে খুঁজে আর কী হবে-ভোর হোক। তাইচিয়ুত গ্রোত্রপ্রধানকে কথাটা মেনে নিল। পরে, অনেক রাতে তেমুজিন ওর প্রাণরক্ষাকারীর তাঁবুর কাছে চলে যায়। সে তেমুজিন কে লুকিয়ে রাখে। পরে পালাতে সাহায্য করে।
তেমুজিন এরপর পূর্বমঙ্গোলিয়ার সর্বশেষ সীমানায় চলে যায়।
তেমুজিন এর মায়ের কোনকিরাত গোত্রের লোজন কাছে। গোত্রের নাম । তারা তাকে আশ্রয় দেয়। মা আর বউয়ের সঙ্গে পুর্নমিলন হয়।
এরপর তেমুজিন মধ্য মঙ্গোলিয়ায় আসে।
মধ্যমঙ্গোলিয়া তখন শাসন করত কেরেইট গোত্রের শক্তিশালী শাসক তুঘরিল। তুঘরিণ তেমুজিন এর বাবার মিত্র ছিলেন। মনে থাকার কথা। যৌতুক হিসেবে বাদামি পশমের কোট পেয়েছিল তেমুজিন। সেটিই সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে তুঘরিলকে উপহার দেয়। উপহার পেয়ে অত্যন্ত খুশি হয়ে তুঘরিল বললেন, আচ্ছা আমি তোমার দায়িত্ব নিচ্ছি। হাজর হলেও তোমার বাবা আমার মিত্র ছিলেন। মহান ইয়েসুগেই! দুরাত্মা তাতাররা হত্যা করেছে।
এইকথা শুনে তেমুজিনের চোয়াল শক্ত হয়ে যায়।
উত্থান
মঙ্গোলিয়ার উত্তরে ছিল এক গোত্র। মেরকিত। তারা তেমুজিনের তাবু আক্রমন করে বসল। মেরকিতরা তেমুজিনের বউকে নিয়ে পালাল। তেমুজিন তুগরিলকে বলল, সাহায্য করুন। জামুকা নামে এক মঙ্গোল সর্দারকেও তেমুজিন সাহায্য করতে বলে। তিন জনে মিলে তেমুজিনের বউকে উদ্ধার করে; এরপর মেরকিত গোত্রকে নিশ্চিহ্ন করে । এরপর অনেক দিন পর্যন্ত জামুকা আর তেমুজিন আর জামুকা বন্ধু হিসেবে পাশাপাশি পশুপালন করে। পরে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এই সময়েই মঙ্গোলরা তেমুজিনকে তাদের নেতা নির্বাচিত করে। তেমুজিনের উপাধি হয় চেঙ্গিস খান। যার মানে, বৈশ্বিক (সর্বজনীন অর্থে) প্রভূ।
দ্বাদশ শতকের বিশ্ব
এর পর আর্ন্তগোত্রীয় যুদ্ধে প্রধান ভূমিকা রাখতে শুরু করলেন চেঙ্গিস। যদিও তুঘরিলের পোষ্য হিসেবেই থাকলেন। ১১৯৮ খ্রিস্টাব্দ। মঙ্গোলরা তাতার অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয়। সঙ্গে সেই জিন গোত্রকেও ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নেয়। ১২০২ সালে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। এরপর তাতাররা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় । যাই হোক। এই সময়রে তুঘরিলের সঙ্গে চেঙ্গিস খানের সম্পর্ক অবনতি হয়। ১২০৩ সালে তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ন হয়। যুদ্ধ শেষ না হতেই- চেঙ্গিস মঙ্গোলিয়ার উত্তরের গভীর অরণ্যে চলে গেলেন। পরের বছর শক্তি বৃদ্ধি করে ফিরে এলেন। এক এক করে বিরোধীদের সম্পূর্ন নিশ্চিহ্ন করলেন। এরপর মধ্য ও পূর্ব মঙ্গোলিয়ার ওপর স্বীয় কর্তৃত্ব স্থাপন করলেন।
১২০৬ খ্রিস্টাব্দ। বসন্তকাল। ওনান নদীর উৎসমুখে মঙ্গোল রাজকুমারদের এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল। সে সম্মেলন শেষে চেঙ্গিসকে বলা হল, ‘মহৎ খান।’
এরপর সামরিক বাহিনী পুর্নগঠনের কাজে অগ্রসর হলেন চেঙ্গিস ।
চেঙ্গিস খান সম্পর্কে গোড়ার কথাই এই -ইতিহাসের সর্ববৃহৎ ও দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশের স্থপতি চেঙ্গিস খান। প্রায় অপ্রতিরোধ্য এক বিপুলসংখ্যক সৈন্যবাহিনীর অধিশ্বর ছিলেন চেঙ্গিস। যে বাহিনী ছিল সুশৃঙ্খল, যে বাহিনীর ‘চেইন অভ কমান্ড’ ছিল অটুট, ছিল তুখোর গতিশীলতা আর উদ্ভাবনী সামরিক রণকৌশলে পূর্ন। ১০, ০০০ অশ্বারোহী মঙ্গোল সৈন্যদের সাজানো হত নানা বিন্যাসে ।
মঙ্গোল সৈন্য
মঙ্গোল সৈন্যবাহিনীর বৈশিষ্ট্য ছিল হঠাৎই আক্রমন করে বসা। যাকে বলে সারপ্রাইস অ্যাটাক। সামনে থেকে শক্রপক্ষকে আক্রমন করে পর্যুদস্ত করে মঙ্গোল সৈন্যরা সহসাই পিছন থেকে আক্রমন করে দিশেহারা করে ফেলত প্রতিপক্ষকে। শক্রর প্রাথমিক প্রতিরোধ ভেঙ্গে ফেলে মঙ্গোলরা অঞ্চলটি ঝড়ের গতিতে তছনছ করে ফেলত। সৈন্যদলের যোগাযোগ রক্ষা করা হত ড্রামবিট আর সাংকেতিক পতাকা উড়িয়ে। মঙ্গোল সৈন্যরা অতিদ্রত সেনাপতিদের নির্দেশ বাস্তবায়ন করত । প্রতিটি মঙ্গোল সৈন্যই ছিল দক্ষ তীরন্দাজ ও নিপুন অশ্বারোহী। তাদের বর্ম ছিল চমড়ার। ছিল কার্যকরী ধনুক ও তীর । মঙ্গোল সৈন্যদের তরবারিটি ছিল বাঁকানো -ক্ষুরধার। চেঙ্গিস খান এর সাফল্য সম্বন্ধে জনৈক ঐতিহাসিক বলেছেন,The instrument of his victories, the superbly efficient Mongol army, seems to have owed nothing to foreign models. It was developed and perfected in intertribal wars before it was turned, with irresistible effect, against the nations of Asia and Eastern Europe. It is, in fact, as a military genius that Genghis Khan lives in history.
চিন বিজয়
১২০৫ খ্রিস্টাব্দেই তাঙগুটসদের আক্রমন করেছিল চেঙ্গিস খান-এর অনুগত মঙ্গোল সৈন্যরা। এই তাঙগুটসদের শিকড় তিব্বত এ। ওরা বাস করত এখনকার চিনের ওরডস আর কানসু অঞ্চলে। ১২০৭ ও ১২০৯ খ্রিস্টাব্দেও চেঙ্গিস খান-এর অনুগত মঙ্গোল সৈন্যরা তাঙগুটসদের ওপর চরম আঘাত হানে। এতে করে চিনের মূল ভূখন্ডে পৌঁছনোর পথ যায় খুলে । ১২১১ খ্রিস্টাব্দ। চিনের প্রাচীরের উত্তর অংশে হানা দেয় মঙ্গোলরা। ১২১৩ খ্রিস্টাব্দে তারা প্রাচীরে ফাটল ধরাতে সক্ষম হয়। ১২১৫ খ্রিস্টাব্দের গ্রীষ্মে মঙ্গোল সৈন্য পিকিং আক্রমন করে; নগরটি তারা তছনছ করে। চিনের সম্রাট পিকিং ছেড়ে পালালেন কাইফেং । কাইফেং জায়গাটা হলুদ নদীর দক্ষিণে। এরপর একজন সেনাপতির অধীনে চিনের দায়িত্ব দিয়ে চেঙ্গিস খান মঙ্গোলিয়ায় ফিরে যান।
পরিবার, ধর্ম, ও অন্যান্য
মঙ্গোলিয়ান ভাষা ছাড়া চেঙ্গিস খান অন্য কোনও ভাষা জানতেন না। তবে বিদেশি ভাষা না-জানলেও চেঙ্গিস খান বিচক্ষন বলেই মঙ্গোলিয়ার সীমানার বাইরে কি হচ্ছে না হচ্ছে খবর রাখতেন ঠিকই। তাঁর উত্থানের প্রথম পর্যায়েই তিনি মধ্য এশিয়ার মুসলিম বণিকদের গুরুত্ব বুঝেছিলেন; পরিনত বয়েছে তাঁর পরামর্শদাতাদের মধ্যে বেশ ক’জন চৈনিকও ছিল ।
অবশ্য তাঁর সময়ে লোকে তাকে ডাকাত সর্দারের বেশি মর্যাদা দেয়নি। জনগন কি তলিয়ে দেখেনি যে সামান্য ডাকাত সর্দারের পক্ষে চিন ও পশ্চিম এশিয়া জয় করা সম্ভব না!
চেঙ্গিস খান তাঁর সদ্য প্রতিষ্ঠিত বৃহৎ সাম্রাজ্যটি আইনের ওপর শক্ত করে দাড় করিয়েছিলেন। স্থানীয় প্রথার ওপরই তৈরি হয়েছিল সে আইন-যাকে মঙ্গোলরা বলত- মহৎ ইয়াসা।
একজন ডাকাত সর্দারের তো এতটা ভাবার কথা না। এ ছাড়া চেঙ্গিস খান এর উপদেষ্টাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তাঁর মা। তিনি, অর্থাৎ চেঙ্গিস খান এর মা যুদ্ধে অনাথ শিশুদের দেখাশোনা করতেন।
চেঙ্গিস খান ডাকাত সর্দার ছিলেন না।
প্রশ্ন উঠতে পারে চেঙ্গিস খান এর ধর্ম কি ছিল?
এর উত্তর -চেঙ্গিস খান-এর ধর্ম ছিল এক ধরনের শামানবাদ। শামানবাদ হল এক ধরনের তান্ত্রিকতা। শামান বলতে গুনীন বা ওঝা বোঝায়। আগেই আমি বলেছি যে- মঙ্গোলরা আসলে যাযাবর। ওদের ধর্ম ছিল তেনগ্রিবাদ। তেনগ্রি ছিলেন আকাশদেবতা। মঙ্গোলরা পূর্বপুরুষ পূজা করত। চেঙ্গিস খান অবশ্য ধর্মের বিষয়ে ছিলেন উদার।
তৎকালীন রীতি অনুযায়ী চেঙ্গিস খান-এর বহু স্ত্রী ছিল। তবে প্রথমা স্ত্রী বোরতেই ছিলেন প্রধানা। তারই গর্ভে চেঙ্গিস খান-এর চারটি পুত্র জন্মেছিল। এদের নাম যথাক্রমে: জোচি, জাগাতাই, ওগোদেই এবং তোলুই। জোচির ছেলের নাম ছিল বাতু। রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপে এক শক্তিশালী মঙ্গোলরাজ্য গড়ে তুলেছিলেন বাতু । রাজ্যটির নাম: গোলডেন হোরড। জাগাতাই পরবর্তীকালে মধ্য এশিয়ায় একটি সামাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। ওগোডেইকে চেঙ্গিস খান তাঁর উত্তরাধিকারী নির্বাচিত করেছিলেন; ওগোডেই মঙ্গোলিয়া ও উত্তর চিন শাসন করেছিল। তোলুই ছিলেন মানগুর পিতা। মানগু ১২৫১ থেকে ১২৫৯ অবধি মঙ্গোলিয়া শাসন করেছিলেন । তোলুই। এর আরও দুজন বিখ্যাত পুত্র ছিল। এদের নাম কুবলাই খান ও হালাগু খান। কুবলাই খান চিনে য়ুয়ান বংশ স্থাপন করেছিলেন। তোলুই। হালাগু খান পারস্যে ইল-খানিদ বংশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
পশ্চিম অভিযান ও মৃত্যু
এবার চেঙ্গিস খান-এর এর বাদবাকি অভিযানের কথায় ফিরি।
মনে থাকার কথা-আমি তখন বলছিলাম যে- ১২১৫ খ্রিস্টাব্দের গ্রীষ্মে মঙ্গোল সৈন্য পিকিং আক্রমন করে; নগরটি তারা তছনছ করে। চিনের সম্রাট পিকিং ছেড়ে পালালেন কাইফেং । কাইফেং জায়গাটা হলুদ নদীর দক্ষিণে। এরপর একজন সেনাপতির অধীনে চিনের দায়িত্ব দিয়ে চেঙ্গিস খান মঙ্গোলিয়ায় ফিরে যান ...
মধ্য এশিয়ায় কুচলুগ দ্য নাইমান নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিল। সে কারা খিতাই নামে একটি রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছিল; সে সেখানকার শাসককে উৎখাত করে। চেঙ্গিস খান-এর নির্দেশে কাশগর থেকে মঙ্গোল সৈন্যরা কুচলুগ দ্য নাইমান কে অনুসরন করে পামির মালভূমি পেরিয়ে আফগানিস্তানে পৌঁছে যায়। এরপর মঙ্গোল সৈন্যরা কুচলুগ দ্য নাইমান কে হত্যা করে। এভাবে এসব অঞ্চল মঙ্গোল সৈন্যদের তথা চেঙ্গিস খান-এর অধিকৃত হলে যায়। খিবা বা খোরেজম ছিল মধ্য এশিয়ারপশ্চিমে বৃহৎ একটি খানেত। আমি আগেই বলেছি ‘খান’ হল মঙ্গোল অধিপতিদের উপাধি; এবং সেকালে এদেরই অধিকৃত অঞ্চলকে বলা হত খানেত। খিবা বা খোরেজম-এর শাসক সুলতান মুহাম্মদ সমগ্র মধ্য, এশিয়া আফগানিস্তান ও পারস্যের (ইরানের) ইরানের কিয়দংশ নিজ দখলে নিয়েছিলেন। ফলে, অনিবার্যভাবে মঙ্গোল সৈন্যরা খিবার শাসক সুলতান মুহাম্মদের মুখোমুখি হয়ে যায়।
সির দরিয়া নদীর পাড়ে ছিল সুলতান মুহাম্মদের নিয়ন্ত্রানাধীন ওতরার নগর। সে নগরে দূত পাঠিয়েছিলেন চেঙ্গিস খান । সুলতান মুহাম্মদের অনুগত সৈন্যরা দূতকে হত্যা করে। ১২১৯ খিস্টাব্দ; বসন্ত কাল। সুলতান মুহাম্মদকে নিশ্চিহ্ন করতে মঙ্গোলিয়া থেকে চেঙ্গিস খান রওনা হলেন । ওতরার নগর অবরোধ করেন। চেঙ্গিস খান দুজন সেনাপতি পাঠালেন সুলতান মোহম্মদকে কতল করার জন্য। সুলতান মোহম্মদ পারস্যে পালিয়েছিলেন। শেষমেশ সুলতান মোহম্মদকে কাসপিয়ান সাগরের এক দ্বীপে মৃত্যুর মুখোমুখি হন। ১২২০ খ্রিস্টাব্দ। চেঙ্গিস খান সসৈন্য বুখারা এলেন। বুখারার পতন হল। বুখারার পর সমরখন্দ অধিকৃত হল মঙ্গোলদের। এরই মধ্যে ওতরার নগরেরও পতন হল।
ওদিকে পশ্চিমমুখী আক্রমন চলছিলই। মঙ্গোল সেনাপতিরা ককেশাস পাড়ি দিয়ে ক্রিমিয়ায় পৌঁছে। ক্রিমিয়ায় রুশ ও কিপচাক তুর্কিদের পরাজিত করে। এরপর মঙ্গোল সৈন্যরা কাসপিয়ান সাগরের উত্তর পাড়ে পৌঁছয়। সেখানে চেঙ্গিস খান অপেক্ষা করছিলেন।
১২২০ সালের গ্রীষ্মটি চেঙ্গিস খান সমরখন্দের দক্ষিণের একটি পাহাড়ে কাটান। এরপর তাঁর নির্দেশে সৈন্যরা তেরমেজ শহর আক্রমন ও দখল করেন। এরপর ১২২০/২১ সালে চেঙ্গিস খান তাজাকিস্তানে সমরাভিযান পরিচালনা করেন।
১২২১ সালের প্রথম দিকে অক্সাস নদী পেরিয়ে সুপ্রাচীন বলখ নগরী ধ্বংস করেন। বলখ সে সময় পারস্যের খোরাসানের অংশ ছিল। সে সময় সুলতান মুহাম্মদের ছেলে সুলতান জালালউদদীন কাবুলের কাছে একযুদ্ধে মঙ্গোলদের পরাজিত করেছিল। চেঙ্গিস খান সসৈন্য সিদ্ধু নদের পাড়ে পৌঁছান। দুপক্ষের যুদ্ধ হয়। সুলতান জালালউদদীন পরাজিত হলেন। নদীতে ঝাঁপিয়ে প্রাণে বাঁচলেন।
১২২৫ খ্রিস্টাব্দ। মঙ্গোলিয়ায় ফিরে গেলেন চেঙ্গিস খান । পরের বছর তাংগুটস্ দের সঙ্গে আবার যুদ্ধে লিপ্ত হলেন। মনে থাকার কথা। ১২০৫ খ্রিস্টাব্দেই তাঙগুটসদের আক্রমন করেছিল চেঙ্গিস খান-এর অনুগত মঙ্গোল সৈন্যরা। যুদ্ধের স্থান। লিপুয়ান পাহাড়। কানসু। অগাস্ট ২৫। ১২২৭। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মারা গেলেন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): চেঙ্গিস খান ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইতিহাস বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
উর্দু ঔপন্যাসিক নসিম হিজাজী? দেখি বইটা জোগার করা যায় কি না ।
ধন্যবাদ।
জুবেরী বলেছেন:
"চেঙ্গিস"নামে রাশিয়া থেকে প্রকাশিত একটা বই পুরাতন বইএর দোকান থেকে ইদানিং কিনছি । পড়ছি ..................
তবে উপন্যাসটি শুরু হয়েছে সুলতান মুহাম্মদের আক্রমন থেকে আপনার লেখায় চেঙ্গিস খান তার আগের অধ্যায় জানা হলো ।
ধন্যবাদ ।।
লেখক বলেছেন: লেখকের নাম সম্ভবত ভাসিলি ইয়ান। আছে বইটি আমার কাছে।
ধন্যবাদ।
সাগর চক্রবতী বলেছেন:
খুব সুন্দর।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভারতবর্ষের মোঘলরা চেঙ্গিসেরই উত্তরসূরি, এ কথাটা আসা উচিৎ ছিল।
ভালো লেখা ; ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ...ভারতবর্ষের মোঘলরা চেঙ্গিসেরই উত্তরসূরি, এ কথাটা আসা উচিৎ ছিল।
হ্যাঁ, গুরুত্বপূর্ন পয়েন্টটা মিস হয়ে গেছে। আসা উচিত ছিল।
...১২৫৮ সালে চেঙ্গিসের পৌত্র হালাকু খান বাগদাদ ধ্বংস করেন এবং এর ২০ লক্ষ অধিবাসীর ১৬ লক্ষ এই অভিযানে নিহত হয়!
এই ভয়াবহ তথ্যটি অনেক আগেই জেনে শিউরে উঠেছিলাম।
আপনাকে ধন্যবাদ।
রাতমজুর বলেছেন:
সম্রাট তেমুজিনের এই নৃশংস হত্যাকান্ডকে তিনি বলতেন রণকৌশল, কারন সারা মংগোলিয়ার সমস্ত মানুষের সংখার চাইতে বেশি ছিলো চীনের সৈন্য সংখা। তেমুজিন মানেই গণহত্যা - এই আতংকে আতংকিত করে রাখতেন শত্রুকে।
আধুনিক যুদ্ধকৌশলের অনেক কিছুই উনি প্রচলন করেছিলেন সে সময়ে, যেমন, দশমিক পদ্ধতিতে সৈন্য সজ্জা।
তীরন্দাজের অব্যার্থ লক্ষ্য - তবে গতি নেই তাদের, তাই অশ্বারোহী তিরন্দাজ বাহীনির সৃষ্টি করেন তিনি।
ওদের রেশনিং এর একটা আইটেম শুনে থ মেরে গিয়েছিলাম, শুকনো ঘোড়ার মাংশ, অত্যন্ত শক্ত এই মাংশকে নরম করতে রাইড শুরু করার আগেই সৈন্যরা যার যার স্যাডেলের নীচে রেখে দিতো ঐ মাংশ, সারাদিনের রাইডে নরম হয়ে আসতো মাংশটা!!!
লেখক বলেছেন: এসব ব্যাপারে মানে যুদ্ধবিদ্যায় মঙ্গোলদের অবদান তো আছেই, নইলে এত বছর পরও ওদের নিয়ে কেন এত কৌতূহল।
যাক। অজানা অনেক তথ্য জানলাম । আপনাকে ধন্যবাদ।
প্রজন্ম একুশ বলেছেন:
চেঙ্গিস খান "মরুভুমির বালিতে লুকিয়ে থাকা রকতচোষা ভয়ংকর গিরগিটি।" (ভাসিলি ইয়ান)
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আমি ভাসিলি ইয়ান এর বইটিও পড়েছি। অনেক আগে অবশ্য। "মরুভুমির বালিতে লুকিয়ে থাকা রকতচোষা ভয়ংকর গিরগিটি।" ঠিকই আছে। সেই যে চেঙ্গিস খান খোরাশান ধ্বংস করলেন। আজও নাকি সেরে ওঠেনি।
ধন্যবাদ।
রাতমজুর বলেছেন:
২০০৩ বা ২০০৪ এর দিকে একটা পেপার তৈরি করেছিলেন একজন, তেমুজিনের ওয়র ট্যাকটিসের ওপরে, দেখি পেলে দিয়ে যাবো।
লেখক বলেছেন: তাহলে ভালোই হয়। ধন্যবাদ।
রণদীপম বসু বলেছেন:
চেঙ্গিস আর তার পৌত্র হালাকু খানের কথাই ইতিহাসে ঘুরে ফিরে আসে। বলতে গেলে মিথ-চরিত্র হিসেবে কিছু বুঝার আগেই তাদের নাম জেনে যাই আমরা।অনেক অজানা তথ্য জানা হলো। ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: বলতে গেলে মিথ-চরিত্র হিসেবে কিছু বুঝার আগেই তাদের নাম জেনে যাই আমরা।
আসলেই তাই।
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: তথ্য পাই, কিছু নেটে কিছু বইয়ে। সারাদিন কিছু লিখি, কিছু পড়ি।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
এইতো সমস্যা। থেমে যেতে হয়। বিজ্ঞান আবিস্কার ক্ষমতা, বিজয়.....সব শেষ
---
এক টানে পড়ে গেলাম। +
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। থামতে হয়ই।
অনেক ধন্যবাদ।
আকাশ অম্বর বলেছেন:
এদের কথা পড়ার সময় স্নায়ু টানটান হয়ে যায়। শক্তিমত্তার আবেশ বিরাজ করে।
সবাই জানে, এদেরই বংশধর তুর্কী-মোঙ্গল সেনাধ্যক্ষ তৈমুরের তিমুরীয় রাজবংশ প্রতিষ্ঠা আর সেই রাজবংশের বাবর নামের এক রাজপুত্রের এই মাটিতেই মোঘল-শাসন! তার জের ধরে কতই না ইতিহাসের ভাঙ্গা-গড়ার খেলা! কি অদ্ভুতভাবে সম্পর্কযুক্ত সবকিছু!
অনেক ধন্যবাদ, ইমন ভাই।
লেখক বলেছেন: কি অদ্ভুতভাবে সম্পর্কযুক্ত সবকিছু!
আসলেই।
ধন্যবাদ তোমাকেও।
অপু২৮৩৮ বলেছেন:
লেখাটার জন্য সাধুবাদ জানাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দীপান্বিতা বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ...... ‘টুকুনজিল’ ,‘আধ ডজন স্কুল’ ডাউনলোড হয়েছে...বাকি হচ্ছে....লেখক বলেছেন: হয়ে যাবে।
দীপান্বিতা বলেছেন:
ক’টা প্রশ্ন ছিল......খালা মানে কি কাকা?......বুবু কে হন......এগুলো জানালে বুঝতে সুবিধা হবে
লেখক বলেছেন: খালা হচ্ছে মাসী। মানে মায়ের বোন। খালার স্বামী হলেন খালু। এদের সন্তানরা খালাতো বোন বা ভাই।
ফুপু হলেন পিসি। মানে বাবার বোন। ফুপুর স্বামী হলেন ফুপা। এদের সন্তানরা ফুপাতো বোন বা ভাই। আদর করে আমরা পিসিকে ফুপ্পিও বলি।
আর, বুবু হল বোন। আদর করে বলা হয়। যেমন, রেহানা বু। দিদিমনি বলতে যেমন পশ্চিমবাংলায় স্কুল শিক্ষিকাকে বোঝায়। তেমনি।
বাংলাদেশের মুসলিম সমাজে বাবার বাবাকে বলা হয় দাদা-ঠাকুর্দা নয়। আর ঠাকুর্দার বাবাকে বলা হয় বড় আব্বা।
দাদা হল ভাইয়া। দিদি হল আপা বা বোন।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
কত কিছু জানলাম, শিখলাম। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের উপর এরকম একটা পোস্ট চাই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বই পড়তে পড়তে ক্লান্ত। কিন্তু, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সম্পর্কে জানি খুব কম। উইকি দেখেও মন ভরে নি। ওদের অস্ত্রপাতি সম্পর্কে জানার ইচ্ছা ছিল।
হাতে যথেষ্ট ফ্রি টাইম থাকলে একটু ভেবে দেইখেন।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। আমার মনে থাকবে।ধন্যবাদ।
নাফে মোহাম্মদ এনাম বলেছেন:
তুমি এখানে যে লেখাগুলো পোস্ট কর তা কি আর কোথাও ছাপিয়েছো? না ছাপালে আমাকে বল আমি তোমার এমন লেখাগুলোর জন্য তোমাকে আগাম পারিশ্রমিক দিয়ে দিতে চাই! স্বত্ত্ব অবশ্যই তোমার থাকবে। তবে লেখাগুলো অবশ্য প্রথমবার হররপত্রিকাই ছাপবে। যদি খুশি থাকো তবে তোমার যোগাযোগের ঠিকানা আর মোবাইল নম্বরটা এখুনি দাও!
লেখক বলেছেন: আমার লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ হয়নি। আপনি আপনার পত্রিকায় আমার লেখা (বা পোষ্ট) ছাপতে চাইলে ছাপতে পারেন-আমার আপত্তি নেই। আপাতত পারিশ্রমিক নিয়ে ভাবছি না। আগে লেখা ছাপা হোক। তারপর ভেবে দেখব।
অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ক্লাসিকাল মিউজিকাল ইনসট্রুমেন্ট নিয়ে ভাবছি। অচিরেই লিখব। আর কর্নেটের কথা আমার মনে আছে। কর্নেট নিয়েও লিখব।
নাফে মোহাম্মদ এনাম বলেছেন:
ধন্যবাদ ইমন। তবে তোমার ঠিকানা অবশ্যই পাঠাও। কারণ কোন সমস্যা হলে আমাদেরকে তোমার সাথে যোগাযোগ তো করতে হবে। ই-মেইলে যোগাযোগ রাখবে। আর আমি তোমার ভাল ভাল যে লেখাগুলো হররপত্রিকায় খাটবে তা সংগ্রহ করে রাখছি। নিয়মিত পার ইসু্যতে ছাপব ভাই। ওকে? তোমার জন্য সৌজন্য কপি পাঠানোর ঠিকানাও দিও।
লেখক বলেছেন: সমস্যা হলে মেইলে জানাবেন।
আপনি লিখেছেন, ...আর আমি তোমার ভাল ভাল যে লেখাগুলো হররপত্রিকায় খাটবে তা সংগ্রহ করে রাখছি। নিয়মিত পার ইসু্যতে ছাপব ভাই।
ঠিক আছে। আমার আপত্তি নেই।
যোগাযোগ আপাতত ইমেলে হোক। ঠিকানা পরে দেব।
ধন্যবাদ।
জুল ভার্ন বলেছেন:
একটি চমতকার তথ্যমুলক পোস্ট। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অপ্সরা বলেছেন:
তেমুজিনের উপাধি হয় চেঙ্গিস খান। যার মানে, বৈশ্বিক (সর্বজনীন অর্থে) প্রভূ। আমি ভেবেছভিলাম চিকনা চাকনা রোগা পটকা বলে তার নাম ছিলো চেঙ্গিস খান।
লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ
চেঙ্গিস খান শুনলে -
অপ্সরা বলেছেন:
আত্নহত্যা করতো কবর থেকে উঠে এসে।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আবার খানাপিনা করে কবরে ঢুকে যেত। হি হি।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
মংগল নামে একটা ফিল্ম দেখেছিলাম তৈমুর জং এর উপর।ধন্যবাদ তথ্যবহুল পোস্টের জন্য।+
লেখক বলেছেন: শুনেছি ছবিটার কথা, দেখা হয়নি।
ধন্যবাদ।
সোহানা মাহবুব বলেছেন:
আপনার লেখাগুলো দিয়ে তো আমার ব্লগ শো-কেইস ভরে গেল।খুব চমৎকার লাগল।যথারীতি প্রিয়তে।
+++
রামন বলেছেন:
অনেক ভাল লাগলো আপনার লেখাটি পড়ে। না জানা কিছু তথ্য জানা হলো। ইতিহাসের ছাত্র না হয়েও বরাবর আমার এই বিষয়টির প্রতি আগ্রহ ছিল। ছোট কালে বিদ্যালয়ের এক সহপাঠির কাছ থেকে নেয়া ইতিহাসের একটি বই পড়েছিলাম । বইটির নাম ছিল বিশ্ব পরিচয়। কলকাতার দেব সাহিত্য কুটিরের লেখা । বইটিকে বিশাল বড় মনে হত।আপনার লেখটি পড়ে আমার শৈশব কালে পড়া সেই বইটির কথা মনে পড়ে গেল। ধন্যবাদ ইমন ভাই।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। কলকাতার দেব সাহিত্য কুটির নামটাই আমার জন্য নষ্টালজিক।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
চেঙ্গিস খানের উপর অসামান্য একটা মুভি দেখেছিলাম একবার। উৎসাহীরা চাইলে এইখান থেকে দেখতে পারেন। ** ভিডিওটায় ক্লিক করে ইয়টিউবের সাইটে গেলে বাকী পর্বগুলো দেখা যাবে
http://www.imdb.com/title/tt0416044/
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লিঙ্কের জন্য।
নুভান বলেছেন:
ইমন ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য। চেঙ্গিস খানের রাজ্য ইউরোপের হাঙ্গেরি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো। যা হোক একটা মজার ব্যাপার বলি। মোঙ্গল সম্রাজ্য রাজ্য বিজয় করে শুধু ধ্বংশই করেনি, অনেক সাংস্কৃতিক বিনিময় ও হয়েছে। যেমন, কোরিয়া এসে আমার বেশ ভালো লাগলো একটা কোরিয়ান খাবার, সেটা এক ধরনের বিফ স্যুপ। মজার ব্যাপার হল, আমার প্রফেসর বললেন উনি যখন হাঙ্গেরিতে গিয়েছিলেন তখন ঠিক একই ধরনের স্যুপ ও খানে পেয়েছিলেন, হাঙ্গেরিয়ান রা বললো ওটা নাকি মঙ্গোল দের স্যুপ ছিলো। মঙ্গোলরা যখন কোরিয়া আক্রমণ করে তখন তারা এই রেসিপি কোরিয়ায় নিয়ে আসে। আবার কোরিয়ার জনপ্রিয় লিকার হল 'সজু' (soju) উইকি তে পড়লাম এটা নাকি পার্সিয়ানদের কাছ থেকে মঙ্গোলরা শিখে কোরিয়াতে নিয়ে আসে, পার্সিয়ানরা যাকে বলতো 'আরক'।পরবর্তিতে আতিলা দ্যা হান, স্পেন বিজয়ী তারিক-বিন-জিয়াদ ও মধ্য এশিয়ার কষাই বলে খ্যাত তৈমুর-কে নিয়ে নিয়ে লিখার জন্য অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আসলে এভাবেই একটা সংস্কৃতি অন্য সংস্কৃতি কে প্রভাবিত করে।
অনেক ধন্যবাদ।
সাজিদ. বলেছেন:
আ্যটিলা দ্যা হান, তারিক বিন জিয়াদ এদের নিয়েও লিখুন। যেই পাহারের উপর থেকে তারিক স্পেন আক্রমণ করেছিলেন, ইতিহাসে সেটিই জাবাল-ই-তারিক বা জিব্রালটার নামে খ্যাত।নসিম হিজাজীর " শেষ প্রান্তর" উর্দুতে "আখেরী চাটান" এর অনুবাদ, পরে দেখতে পারেন, আমার সবচেয়ে পছন্দের একটি বই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। লিখব।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















উর্দু ঔপন্যাসিক নসিম হিজাজীর একটা উপন্যাস আছে- নাম সম্ভবত: 'শেষ প্রান্তর'। এই বইয়ে সুলতান জালালউদ্দিনের কথা উল্লেখ ছিলো।