আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

প্রাচীন ফিনিসিয় জাতি।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪১

শেয়ারঃ
8 0



জীবনানন্দ দাশের ‘নগ্ন নির্জন হাত’ কবিতার চারটে লাইন এরকম-

ভারতসমুদ্রের তীরে
কিংবা ভূমধ্যসাগরের কিনারে
অথবা টায়ার সিন্ধুর পারে
আজ নেই, কোনো এক নগরী ছিল একদিন ...

টায়ার সিন্ধুর পারে ...এই টায়ার নগরেই এককালে বাস করত প্রাচীন ফিনিসিয় জাতি। এখন যে দেশটা লেবানন-খ্রিস্টপূর্ব যুগে সেখানেই ছিল বালবেক, ক্যাসেরিয়া, কার্থেজ, জারেপথা, টায়ার সিদন আর বিবলস নামে বেশ কটি নগর। সেসব নগরে বাস করত ফিনিসিয়রা। বড় বিস্ময়কর এক জাতি। ভীষণ উন্নত। সেকালেই হাতির খামার ছিল ওদের। এমন কী দন্তচিকিৎসাও জানত ওরা। মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম সংসদ অধিবেশনের আয়োজন করেছিল তারাই। ফিনিশিয়রা সভ্যতায় যা তা জাতি ছিল না। প্রমাণ? ওদের বর্ণমালা থেকেই ইউরোপ পেয়েছে বর্ণমালা । শুধু তাই নয়। মুসা নবীর বাইবেলের প্রথম পাঁচটি অধ্যায় (পেন্টাটিউক বা তোরা নামে যা পরিচিত ছিল) ফিনিসিয় অক্ষরে লিখিত।




পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর; পুবে ফিনিসিয়া।


সেই খ্রিস্টপূর্ব যুগেই ফিনিসিয় নির্মান শিল্পীরা ছিল অতুলনীয় শিল্পপ্রতিভার অধিকারী। উল্লেখিত টায়ার নগরীটিতে ছিল মেলকারট নামে একটি ফিনিসিয় উপাসনালয়। কেন এই প্রসঙ্গটি তুললাম? তার কারণ আছে।
আমরা জেরুজালেমে সলোমনের প্রার্থনাগৃহ কথা জানি- যেটি পরবর্তীকালে রোমানরা পুড়িয়ে দিয়েছিল; তার আগে যেটি নির্মানে ঐ টায়ার নগরীর মেলকারট উপাসনাগৃহের শৈলীর অনুকরন করা হয়েছিল । কথা আরও আছে। ফিনিসিয়ার ভূপ্রকৃতি ঈষৎ রুক্ষ হলেও ঐ অঞ্চলের সিডার গাছগুলি ছিল দুর্দান্ত । যে কারণে জেরুজালেমের সলোমনের প্রার্থনাগৃহটি নির্মানকালে ফিনিসিয় সিডার গাছ ব্যবহার করা হয়েছিল। এমন কী ...মিশরের ফারাওরাও ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র নির্মানের জন্য ব্যবহার করতেন ফিনিসিয় সিডার গাছ ।



এই সেই বিখ্যাত ফিনিসিয় সিডার গাছ

খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ ফিনিসিয় সভ্যতার রাজধানী ছিল বিবলস। বিবলস শব্দটির মানে যেখানে প্যাপিরাস (মিশরের সেই লেখার জিনিস...) বিক্রি হয়। বাইবেলের নামটি এসেছে ওই বিবলস থেকেই। এবার বুঝুন। রাজধানী দীর্ঘকাল একই জায়গায় থাকে না। ফিনিসিয় সভ্যতার রাজধানী এরপর স্থানান্তরিত হয় টায়ারে। খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ৩৩০ অবধি টায়ারই ছিল ফিনিসিয়দের রাজধানী।



এককালের সেই টায়ার নগরী



বালবেক নগর

হোমারের ইলিয়াদ ও ওদেসিতেও ফিনিসিয়দের কথা রয়েছে। আসলে ওরা ভূমধ্যসাগরের পূর্বতীরের আদি বাসিন্দা। একালের ডি এন এ পরীক্ষাও তাইই বলে। ফিনিসিয় নামটা দিয়েছিল গ্রিকরা। গ্রিক ভাষায় ফিনিসিয় অর্থ- টকটকে লাল। তা এরকম নাম দেওয়ার কি কারণ? ফিনিসিয়রা এক ধরনের সামুদ্রিক মাছের খোলা দিয়ে বেগনী রং তৈরি করত কাপড় রং করার জন্য। সেই কাপড় বেচেই প্রভূত ধনরতেœর অধিকারী হয়েছিল তারা। ফিনিশিয়দের রাজটিই ছিল বাইবেলবর্ণিত প্রাচীন সেই কেনান দেশ। ইহুদিরা কেনানিদের বলত ব্যবসায়ী। ফিনিশিয়দের প্রধান পেশাই ছিল ব্যবসা।



দেবতা বাল



দেবী অ্যাশতারতে

ফিনিসিয়রা বাস করত নগররাষ্ট্রে। ছিল বহুদেবতায় বিশ্বাসী। উপাসনা করত নানা উর্বরা শক্তির দেব দেবীর । প্রধান দেবীর নাম অ্যাশতারতে। সেই দেবীর এমনই মোহনী শক্তি যে- বৃদ্ধ বয়েসে এমন কী ইহুদিদের রাজা সলোমনও দেবীর অ্যাশতারতে এর উপাসক হয়ে উঠেছিলেন! ফিনিসিয়দের প্রধান দেবতার নাম ছিল বাল। দেবতা বাল-এর উপসনালয়ে শিশু বলির কথা শোনা যায়! যাক। তবে গ্রিক ও রোমান প্যাগান ধর্মবিশ্বাসও নাকি ফিনিসিয়ায় প্রভাব বিস্তার করেছিল। এমনটা হতেই পারে। তবে খ্রিস্টানধর্মের প্রচারের শুরুতেই ফিনিসিয় জনগন ধর্মটি সাদরে গ্রহন করে। স্বয়ং যিশু নাকি ফিনিসিয়ায় গিয়েছিলেন লোককে ধর্মপথে ফেরাতে। যিশুর কথায় বিশ্বাস
করেছিলেন একজন ফিনিশিয় নারী ।



প্রাচীন ফিনিসিয় উপাসনালয়ের ধ্বংসাবশেষ; এখানে শিশুবলিও নাকিও হত!

ফিনিসিয়রা মূলত ছিল ব্যবসায়ী । ভূমধ্যসাগরজুড়ে ছিল তাদের অবাধ যাতায়ানত। তারা উপনিবেশ গড়ে ছিল সাইপ্রাস, স্পেন ও জিবরালটারে। ব্রিটেন নামটির স্মৃতিও সঙ্গেও ফিনিসিয়রা জড়িত । ফিনিসিয়রা টিন নিত প্রাচীন ব্রিটেন থেকে। ফিনিসিয় ভাষায় বার মানে (জমি) আর টাননিক মানে। (টিন)। এভাবেই ব্রিটেন নামের সৃষ্টি। অনেকে বলে নামটি রোমানরা। কথাটি সত্য নয়।




ফিনিসিয় জাহাজ

ফিনিসিয়রা ছিল দক্ষ নাবিক। তারাই প্রথম ভূমধ্যসাগরের পূর্বতীর থেকে আফ্রিার উপকূলে পৌঁছে গিয়েছিল। নৌচলাকালীন সময়ে তারা দিকনির্দেশনা পেত মেরুনক্ষত্রের অবস্থান থেকে। এমনও বলা হয় যে ... সেই খ্রিস্টপূর্ব যুগেই নাকি ফিনিসিয় জাহাজ পৌঁছে গিয়েছিল উত্তর আমেরিকায়! এমন দাবীর সপক্ষে অবশ্য কোনও প্রমাণ নেই। যাই হোক। ফিনিসিয়রা ছিল দক্ষ জাহাজনির্মাতা। সেকালের সাম্রাজ্যলোভী নৃপতিরা ফিনিসিয় জাহাজনির্মানশিল্পীদের দিয়েই তৈনি করিয়ে নিত রণজাহাজ ।




এই ছবিটা দেখে ধারনা করা যেতে পারে সেকালে ফিনিসিয়দের মেক আপ গেটআপ কেমন ছিল ...

যুগ যুগ ধরে যুদ্ধবাজরা ফিনিসিয়া আক্রমন করেছে। যেমন, মিশর, আরিরিয়া, ব্যাবিলন, মেসিডন, পারস্য ও রোমান। ফিনিসিয়া ব্যবসায়ী ছিল যোদ্ধা না। কাজেই বৈদেশিক আগ্রাসন ঠেকাতে পারেনি। তবে সব বৈদেশিক আক্রমনই যে অশুভ ফল বয়ে এনেছিল-তা নয়। একটা উদাহরণ দিই। এখনকার লেবাননের রাজধানী বৈরুত শহরের প্রাচীন নাম ছিল বেরিটাস। রোমান যুগে বৈরুতে আইন নিয়ে পড়ার বিদ্যাপীঠ গড়ে উঠেছিল।



ফিনিসিয় শিল্পের নমুনা



মুদ্রা



ফিনিসিয় নারী (একালের শিল্পীর চোখে)

মালটার লোকেরা আজও নাকি ফিনিসিয় ভাষায় কথা বলে । অবিকৃত অবশ্য নয়। কেননা, ভাষা বদল যায়। অক্ষরও। আজ রোমান হরফ দেখে কে বলবে যে এককালে ওগুলো সৃষ্টি করেছিল ফিনিসিয়রা।





ফিনিসিয় বর্ণমালা




এতক্ষন আমি প্রাচীন ফিনিসিয় সভ্যতা সম্পর্কে যা লিখেছি তাতে ফিনিসিয়দের সম্বন্ধে কতদূর বোঝা গেল বলতে পারি না। অনুভূতিই যেহেতু আসল। আমি যা লিখলাম সেসব পড়ে অনুভূতি তৈরি নাও হতে পারে। আমার কেন জানি মনে হয় প্রাচীন ফিনিসিয় সভ্যতাকে একটু অন্যভাবে দেখলে অনুভূতি তৈরি হলেও হতে পারে, যদি আমরা তথ্য ও তত্ত্বের ভার এড়িয়ে ফিনিসিয়াকে কবির চোখে দেখি-জীবননান্দের চোখে দেখি।
সে উদ্দেশ্যেই কবির ‘নগ্ন নির্জন হাত’ কবিতাটি পাঠ করা যাক-

আবার আকাশে অন্ধকার ঘন হয়ে উঠেছে:
আলোর রহস্যময়ী সহোদরার মতো এই অন্ধকার।
যে আমাকে চিরদিন ভালোবেসেছে
অথচ যার মুখ আমি কোনাদিন দেখিনি,
সেই নারীর মতো
ফাল্গুন আকাশে অন্ধকার নিবিড় হয়ে উঠেছে।

মনে হয় কোনো বিলুপ্ত নগরীর কথা
সেই নগরীর এক ধুসর প্রাসাদের রূপ জাগে হৃদয়ে।

ভারত সমুদ্রের তীরে
কিংবা বূমধ্যসাগরের কিনারে
অথবা টায়ার সিন্ধুর পারে
আজ নেই কোনা এক নগরী ছিল একদিন,
কোনো এক প্রাসাদ ছিল;
মূল্যবান আসবাবে ভরা এক প্রাসাদ;
পারস্য গালিচা, কাশ্মিরী শাল, বেরিন তরঙ্গের নিটোল মুক্তা প্রবাল,
আমার বিলুপ্ত হৃদয়, আমার মৃত চোখ, আমার বিলীন স্বপ্ন আকাঙ্খা;
আর তুমি নারী-
এই সব ছিল সেই জগতে একদিন।

অনেক কমলা রঙের রোদ ছিল,
অনেক কাকাতুয়া পায়রা ছিল,
মেহগনির ছায়াঘর পল্লব ছিল অনেক;

অনেক কমলা রঙের রোদ ছিল;
অনেক কমলা রঙের রোদ;
আর তুমি ছিলে;
তোমার মুখের রূপ কত শত শতাব্দী আমি দেখি না,
খুঁজি না।

ফাল্গুনের অন্ধকার নিয়ে আসে সেই সমুদ্রপারের কাহিনী,
অপরূপ খিলারও গম্বুজের বেদনাময় রেখা,
লুপ্ত নাশপারিত গন্ধ,
অজস্র হরিণ ও সিংহের ছালের ধুসর পান্ডুলিপি,
রামধনু রঙের কাচের জানালা
ময়ুরের পেখমের মতো রঙিন পর্দায় পর্দায়
কক্ষ ও কক্ষান্তর থেকে আরো দূর কক্ষ ও কক্ষান্তরের
ক্ষণিক আভাস-
আয়ুহীন স্তব্ধতা ও বিস্ময়।

পর্দায়, গালিচায় রক্তাভ রৌদ্রের বিচ্ছুরিত স্বেদ,
রক্তিম গেলাসে তরমুজ মদ!
তোমর নগ্ন নির্জন হাত;
তোমার নগ্ন নির্জন হাত।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): প্রাচীন ফিনিসিয় সভ্যতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রাচীন ইতিহাস  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:১৮
কঁাকন বলেছেন: valo laglo

apni ki maya,inka , ajtek sovvota niye likhben?
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। ইনকা নিয়ে খসড়া লেখা তৈরি করছি।
ধন্যবাদ।

৩. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: Thanks.

৪. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:১০
ধ্রুব০০৭ বলেছেন: চমৎকার তথ্যবহুল লেখা। প্রিয়তে রাখলাম।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: ওদের নাম থেকে ফিনিস শব্দটা এসেছে। আসলেই তো ব্যাটারা ফিনিস হয়া গেছে।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: তাই? জানা ছিল না। ফিনিস আসলে হয়নি। লেবানিজদের পূর্বপুরুষ ওরা!

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি।

৭. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭
শেরজা তপন বলেছেন: দারুন কিছু তথ্য আর না দেখা কিছু ছবি দিয়ে মন ভরালেন।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: মন ভরল তাহলে?

৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
সোহানা মাহবুব বলেছেন: প্রিয়তে নেয়া ছাড়া উপা্য় কি বলুন? অসাধারণ লাগল।
+++
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা রইল। ধন্যবাদ।

৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪১
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: আমার প্রিয় কবিতা দিয়ে লেখা -- তাও আবার চমৎকার একখানা পোষ্ট ।

আপনার পোষ্ট প্রিয়তে নিতে নিতে আমার লিষ্ট ভরে গেলো :)
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন: শিরোনামটা এখুনি বদলে দিচ্ছি।

১০. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: শিরোনামটা এমন হলে কেমন হয় ??

"প্রাচিন ফিনিসীয় সভ্যতা :: কোন এক রহস্যময়ীর নগ্ন নির্জন হাত"
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ । তাই?

১১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: Click This Link

গান গুলো ভালো লাগবে মনে হয় ।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: শুনব। অবশ্যই।

১২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
আকাশ অম্বর বলেছেন: চমৎকার, ইমন ভাই। অনেক কিছু জানলাম।

শুধু ওদের ভাষার ব্যাপারে যেটা জানতাম, প্রোটো-ক্যানানাইট থেকে উৎপত্তি লাভ করা এই ফিনিসিয়ান লেখার পদ্ধতি আধুনিক অনেক ভাষার মূল বলা হচ্ছে অনেক জায়গায়। এই ভাষাগুলোর মধ্যে আরামায়িক (থেকে হিব্রু/আরবী) ছাড়াও আছে ব্রাক্ষ্মীলিপি। ব্যাপারটা তাহলে মোটামুটি দাড়াচ্ছে (একটু লাফ দিয়ে!),

প্রোটো-ক্যানানাইট > ফিনিসিয়ান > আরামায়িক > ব্রাক্ষ্মীলিপি > উত্তর ব্রাক্ষ্মী > প্রোটো-বাংলা > পূর্ব নাগরী > বাংলা

ভূল হলে মার্জনীয়। কিন্তু কি অদ্ভুতভাবে সম্পর্কযুক্ত সবকিছু আবারও!

অনেক ধন্যবাদ।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: প্রোটো-ক্যানানাইট > ...................> বাংলা

আশ্চর্য!

১৩. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪
শয়তান বলেছেন: অনেক আগ্রহ মেটালো ।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: তাই?

১৪. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪
জানজাবিদ বলেছেন: পরিশ্রমী এবং অতি উপাদেয় লেখা। প্রাচীণ ইতিহাস নিয়ে যে কোন লেখাই ভাল লাগে।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২২
জটিল বলেছেন: ইনকা নিয়ে লেখার অপেক্ষায় রইলাম ...
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: লেখাটা তৈরি করছি। আজ কালের মধ্যেই পোস্ট করব।

১৬. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৭
শয়তান বলেছেন: আকাশ অম্বর সময়কালটা উল্লেখ করবেন কি একটু ।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১২
দীপান্বিতা বলেছেন: দারুন!.........’দেবী অ্যাশতারতে’র সাথে পুরোন ভারতীয় দেবীদের মূর্তি-ভাষ্কর্যের সাদৃশ্য আছে, তাই না!
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫০

লেখক বলেছেন: আমারও তাইই মনে হয়।

১৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪০
আকাশ অম্বর বলেছেন:

শয়তান@

*Proto-Canaanite alphabet (1400 BC to 1050 BC)

*Phoenician alphabet (originated around 1050 BCE)

*Aramaic alphabet (800 BCE to 600 CE)

[ব্রাক্ষ্মীলিপি যে ইম্পেরিয়াল আরামায়িক থেকেই উৎপত্তি লাভ করেছে এই ধারণাকে Aramaic hypothesis বলা হচ্ছে]

*Brāhmī (perhaps 6th, and certainly 3rd, century BCE, to c. 3rd century CE)

*Eastern Nagari (c. 1200–present)


[ডিসক্লেইমার - উইকি হতে প্রাপ্ত জ্ঞান]


শুভকামনা।
২০. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৪০
নাজনীন খলিল বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।+++++++++++++++++++++++++++++

ইনকার অপেক্ষায় রইলাম।

শুভেচ্ছা।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: ইনকা লিখছি।
শুভেচ্ছা।

২১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পোষ্ট যথারীতি দারুন- লাজওয়াব।




আপ্নে এত কিছু জানেন কেমনে?
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:০৯

লেখক বলেছেন: এই পড়তে পড়তে।

২২. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬
নাজিম উদদীন বলেছেন: তাহলে মাল্টা আর লেবাননই ছিল ফিনিসীয়দের বাসভূমি।
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: জ্বী।

২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১৬
নুভান বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ। কত বিনিদ্র রজনী পার করেছি উইকিতে এসব পড়ে, কিন্তু বাংলায় পড়ার মতন কি আর মজা পাওয়া যায়? আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
বি.দ্র.ঃ যতদুর জানি 'কার্থেজ' নগরী উত্তর আফ্রিকায়, ফিনিশিয়দের সাথে তাদের সম্পর্কটা কি একটু খুলে বলবেন? আমি ভুলে গেছি।
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: 'কার্থেজ' নগরী উত্তর আফ্রিকায়,ঠিক আছে। ওটা ফিনিশিয়দের উপনিবেশ। এমন উপনিবেশ স্পেনেও ছিল।

২৬. ১০ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:২৫
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন..........ফিনিসিয়দের আমরা বলি ‌'Careers of Civilization'........
১০ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: Thanks.
Yes, ‌'Careers of Civilization' ...

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮৭৪৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ