somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টেহওহতিওয়াকান

০১ লা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আজও কেউই জানে না টেহওহতিওয়াকান নগরের নির্মাতা কারা। এবং কেন ৭০০ খ্রিস্টাব্দে নগরটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। নগরটির ধ্বংসের ৫০০ বছর পরে অ্যাজটেকরা টেহওহতিওয়াকান নগরটিতে প্রবেশ করে । তারাই নগরটির নাম দেয় টেহওহতিওয়াকান। অ্যাজটেকদের নাহুয়াটাল ভাষায় এর মানে- ‘দেবতার নগর’ বা ‘যেখানে মানুষ দেবতা হয়েছে।’



টেহওহতিওয়াকান নগরটির অবস্থান মেক্সিকো সিটির ২৫ মাইল উত্তরপূবে।




টেহওহতিওয়াকান নগরটির আড়াই মাইল দীর্ঘ প্রধান সড়কের নাম: ‘অ্যাভিনিউ অভ দ্য ডেড।’


টেহওহতিওয়াকান নগরের আকার বিশাল ; প্রায় ৮ বর্গমাইল। নগরটির সূচনা হয়েছিল ২০০ খ্রিস্টপূর্ব। উন্নতির শিখরে, অনুমান করা হয়,২০০০০০ মানুষের বাস ছিল টেহওহতিওয়াকান নগরের। উত্তর-দক্ষিণে ছড়ানো অত্যন্ত পরিকল্পিত নগর টেহওহতিওয়াকান। আড়াই মাইল দীর্ঘ প্রধান সড়কের নাম: ‘অ্যাভিনিউ অভ দ্য ডেড।’ নামটা দিয়েছে অ্যাজটেকরা।



‘অ্যাভিনিউ অভ দ্য ডেড’ এর দু’পাশে ছিল ভবন। ‘পিরামিড অভ দ্যা সান’ টেহওহতিওয়াকান নগরের সবচে বৃহৎ কাঠামো। ভিতটি ৭৩৮ ফুট চওড়া ও ২৪৬ ফুট উঁচু। ২৫০ সিঁড়ি পেরিয়ে ওপরে ওঠা যায়।



‘পিরামিড অভ দ্যা সান’

নগরের উত্তরে রয়েছে আরেকটি পিরামিড; ‘পিরামিড অভ দ্যা মুন।’ ১৪০ ফুট উঁচু।




‘পিরামিড অভ দ্যা মুন।’



আর রয়েছে দেবতা কুইয়েটজালপাপালটল প্রাসাদ। প্রাসাদটি পশুমূর্তি দিয়ে অলংকৃত মনোরম । কুইয়েটজালপাপালটল মন্দিরটিও টেহওহতিওয়াকান নগরের প্রধান আকর্ষন।




দেবতা কুইয়েটজালপাপালটল



দেবতা কুইয়েটজালপাপালটল আসলে ছিল পালকযুক্ত সরীসৃপ




দেবতা কুইয়েটজালপাপালটল এর প্রাসাদটি পশুমূর্তি দিয়ে অলংকৃত মনোরম ।



টেহওহতিওয়াকান শিল্প



টেহওহতিওয়াকান শিল্প ২



টেহওহতিওয়াকান শিল্প ৩
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×