
আজও কেউই জানে না টেহওহতিওয়াকান নগরের নির্মাতা কারা। এবং কেন ৭০০ খ্রিস্টাব্দে নগরটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। নগরটির ধ্বংসের ৫০০ বছর পরে অ্যাজটেকরা টেহওহতিওয়াকান নগরটিতে প্রবেশ করে । তারাই নগরটির নাম দেয় টেহওহতিওয়াকান। অ্যাজটেকদের নাহুয়াটাল ভাষায় এর মানে- ‘দেবতার নগর’ বা ‘যেখানে মানুষ দেবতা হয়েছে।’

টেহওহতিওয়াকান নগরটির অবস্থান মেক্সিকো সিটির ২৫ মাইল উত্তরপূবে।

টেহওহতিওয়াকান নগরটির আড়াই মাইল দীর্ঘ প্রধান সড়কের নাম: ‘অ্যাভিনিউ অভ দ্য ডেড।’
টেহওহতিওয়াকান নগরের আকার বিশাল ; প্রায় ৮ বর্গমাইল। নগরটির সূচনা হয়েছিল ২০০ খ্রিস্টপূর্ব। উন্নতির শিখরে, অনুমান করা হয়,২০০০০০ মানুষের বাস ছিল টেহওহতিওয়াকান নগরের। উত্তর-দক্ষিণে ছড়ানো অত্যন্ত পরিকল্পিত নগর টেহওহতিওয়াকান। আড়াই মাইল দীর্ঘ প্রধান সড়কের নাম: ‘অ্যাভিনিউ অভ দ্য ডেড।’ নামটা দিয়েছে অ্যাজটেকরা।

‘অ্যাভিনিউ অভ দ্য ডেড’ এর দু’পাশে ছিল ভবন। ‘পিরামিড অভ দ্যা সান’ টেহওহতিওয়াকান নগরের সবচে বৃহৎ কাঠামো। ভিতটি ৭৩৮ ফুট চওড়া ও ২৪৬ ফুট উঁচু। ২৫০ সিঁড়ি পেরিয়ে ওপরে ওঠা যায়।

‘পিরামিড অভ দ্যা সান’
নগরের উত্তরে রয়েছে আরেকটি পিরামিড; ‘পিরামিড অভ দ্যা মুন।’ ১৪০ ফুট উঁচু।

‘পিরামিড অভ দ্যা মুন।’

আর রয়েছে দেবতা কুইয়েটজালপাপালটল প্রাসাদ। প্রাসাদটি পশুমূর্তি দিয়ে অলংকৃত মনোরম । কুইয়েটজালপাপালটল মন্দিরটিও টেহওহতিওয়াকান নগরের প্রধান আকর্ষন।

দেবতা কুইয়েটজালপাপালটল

দেবতা কুইয়েটজালপাপালটল আসলে ছিল পালকযুক্ত সরীসৃপ

দেবতা কুইয়েটজালপাপালটল এর প্রাসাদটি পশুমূর্তি দিয়ে অলংকৃত মনোরম ।

টেহওহতিওয়াকান শিল্প

টেহওহতিওয়াকান শিল্প ২

টেহওহতিওয়াকান শিল্প ৩
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


